সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

বিভাগবিহীন 10001 টি লেখা
সবুজ বাংলা ব্লগ
সবুজ বাংলা ব্লগ

বাংলাদেশে আসছে ভারতীয় প্লাষ্টিকের চাল

বাম্পার ফলন হলেও যেখানে প্রতিবছর বাংলাদেশের কৃষকরা চালের দাম পাচ্ছেনা সেখানে সরকার ভারত থেকে চাল আমদানি করছে অস্বাভাবিক হারে। আর তাও স্বাভাবিক চাল নয় ভেজাল তথা …

💬 0 টি মন্তব্য বাকিটুকু পড়ুন »
সবুজ বাংলা ব্লগ

সম্ভাবনাময় প্রতিরক্ষা খাত: যেসব অস্ত্র তৈরি হয় বাংলাদেশেই

দেশের সামরিক ও প্রতিরক্ষা খাতে বাজেটে বরাদ্দ যেমন বেড়েছে তেমনই গত কয়েক বছরে এ খাত ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে। দেশে কিংবা দেশের বাইরে আমাদের সেনাবাহিনী ও বিমান ব…

💬 0 টি মন্তব্য বাকিটুকু পড়ুন »
সবুজ বাংলা ব্লগ

আল মানছূর হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মুবারক শানে কিছু কথা

চিন্তা-ফিকিরের ঊর্ধ্বে, বর্ণনার ঊর্ধ্বে, লিখার ঊর্ধ্বে, বলার ঊর্ধ্বে যাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত বুযুর্গী রয়েছে, উনাদের প্রথম সারির, সর্বোচ্চ তবকার ব্যক্তিত্ব…

💬 0 টি মন্তব্য বাকিটুকু পড়ুন »
সবুজ বাংলা ব্লগ

হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারাই ইলমে গইব উনার অধিকারী। সুবহানাল্লাহ!

হযরত আম্বিয়ায়ে ইযাম আলাইহিমুস সালাম তথা হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা তো অবশ্যই বরং হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরকেও যিনি খালিক্ মালিক রব…

💬 0 টি মন্তব্য বাকিটুকু পড়ুন »
সবুজ বাংলা ব্লগ

মুসলমান উনাদের জন্য একমাত্র অনুসরণীয় সৌর বর্ষপঞ্জি হচ্ছে ‘আত তাক্বউইমুশ শামসী’; গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার নয়

খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক যিনি বানিয়েছেন সূর্যকে উজ্জ্বল আলোকময় করে আর চাঁদকে…

💬 0 টি মন্তব্য বাকিটুকু পড়ুন »
সবুজ বাংলা ব্লগ

মহাকাশ থেকেও দেখা যায় ভারতের দূষণ

ভারতের বাতাসে এমন কিছু আছে, যা অন্যসব অঞ্চল থেকে ভিন্ন। মহাকাশ থেকেও এ অঞ্চলের দূষণ চিত্র স্যাটেলাইটের ছবিতে ধরা পড়েছে। ভারতীয় উপমহাদেশের বাতাসে রয়েছে ফরমালডিহা…

💬 0 টি মন্তব্য বাকিটুকু পড়ুন »
সবুজ বাংলা ব্লগ

পানি প্রবাহ বৃদ্ধির মাধ্যমে বুড়িগঙ্গা দূষণমুক্ত করা হবে

পানি প্রবাহ বৃদ্ধির মাধ্যমে সরকার বুড়িগঙ্গা নদীর পানি দূষণমুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। গতকাল সংসদে সরকারি দলের সদস্য দিদারুল আলমের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে পান…

💬 0 টি মন্তব্য বাকিটুকু পড়ুন »
সবুজ বাংলা ব্লগ

পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন ও পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ সম্পর্কে- প্রখ্যাত ওলীআল্লাহ ও আলিমে দ্বীন, সুলতানুল আরিফীন, মুজাদ্দিদে যামান রঈসুল মুফাসসিরীন ওয়াল মুহাদ্দিছীন ওয়াল ফুক্বাহা, আশিকু রসূলিল্লাহ হযরত ইমাম আবুল ফদ্বল আব্দুর রহমান জালালুদ্দীন আস সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার গুরুত্বপূর্ণ ফতওয়া। (পর্ব-১০) -আল্লামা আবুল খায়ের মুহম্মদ আযীযুল্লাহ। পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন ও পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ সম্পর্কে- প্রখ্যাত ওলীআল্লাহ ও আলিমে দ্বীন, সুলতানুল আরিফীন, মুজাদ্দিদে যামান, রঈসুল মুফাসসিরীন ওয়াল মুহাদ্দিছীন ওয়াল ফুক্বাহা, আশিকু রসূলিল্লাহ, হযরত ইমাম আবুল ফদ্বল আব্দুর রহমান জালালুদ্দীন আস সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার লিখিত বিশ্বখ্যাত ও মশহুর কিতাব “হুসনুল মাক্বছাদ ফী আমালিল মাওলিদ” নামক কিতাবে যে ফতওয়া প্রদান করেছেন- নিম্নে তা ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরা হলো- পবিত্র মীলাদ শরীফ বিরোধী ফাকেহানীর বক্তব্য أحدهما: أن يعمله رجل من عين ماله لأهله وأصحابه و عياله لا يجاوزون فى ذلك الاجتماع على أكل الطعام ولا يقترفون شيئا من الاثام، وهذا الذى وصفناه بأنه بدعة مكروهة وشناعة إذ لم يفعله أحد من متقدمين أهل الطاعة الذين هم فقهاء الإسلام و علماء الأنام سرج الأزمنة وزين الأمكنة. অর্থাৎ প্রথমত: কোনো ব্যক্তি (পবিত্র মীলাদ শরীফ অনুষ্ঠান) তার নিজস্ব মাল দ্বারা, তার পরিবার-পরিজন ও আত্মীয়-স্বজন নিয়ে পালন করে। উক্ত অনুষ্ঠানে খানা-পিনায় সীমালঙ্ঘন থাকে না। কোনো পাপাচারও সেখানে হয় না। এ জাতীয় অনুষ্ঠানকে আমরা বেদআতে মাকরূহা বা খারাপ ও বীভৎস বেদআত বলে আখ্যা দিয়েছি। (নাউযুবিল্লাহ) যেহেতু পূর্ববর্তী ধর্মভীরু ব্যক্তিবর্গের কেউ তা করেননি। অথচ উনারাই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে অভিজ্ঞ, সৃষ্টির মধ্যে জ্ঞানী-গুণী, যুগের বাতি ও স্থানের সৌন্দর্য। والثانى: أن تدخله الجناية وتقوى به العناية حتى يعطى أحدهم الشىء ونفسه تتبعه وقلبه يؤلمه ويوجعه لما يجد من ألم الحيف، وقد قال العلماء: أخذ المال بالحياء كأخذه بالسيف، لا سيما إن انضاف إلى ذلك شىء من الغناء مع البطون الملأى بالات الباطل من الدفوف والشبابات، واجتماع الرجال مع الشباب المرد والنساء الفائتات، إما مختلطات بهن أو مشرفات، والرقص بالتثنى والانعطاف والاستغراق فى اللهو ونسيان يوم المخاف، وكذلك النساء إذا اجتمعن على انفرادهن رافعات أصواتهن بالتهنيك والتطريب فى الإنشاد والخروج فى التلاوة والذكر المشروع والأمر المعتاد غافلات عن قوله تعالى "إن ربك لبالمرصاد" (الفجر-১৪). وهذا الذى لا يختلف فى تحريمه اثنان ولا يستحسنه ذوو المروءة الفتيان، وإنما يحلو ذلك لنفوس موتى القلوب وغير المستقلين من الاثام و الذذوب، وأزيدك أنهم يرونه من العبادات لا من الأمور المنكرات المحرمات "فإنا لله وإنا إليه راجعون"، بدأ الإسلام غريبا وسيعود كمابدا. অর্থাৎ দ্বিতীয়ত: উক্ত অনুষ্ঠানে বিবিধ পাপাচার-অনাচার অনুপ্রবেশ করে, খরচ নির্বাহের জন্য চলে জোর-জবরদস্তি ও বাড়াবাড়ি। এ অবস্থায় কেউ কিছু অনিচ্ছাসত্বে (অপারগ হয়ে) দান করলেও দাতার মন তাকে ধিক্কার দেয়, অন্তর দেয় জ্বালা যন্ত্রণা, কষ্ট দেয় এ অন্যায় অনুচিত অনভিপ্রেত কার্যাবলী। আর ও’লামায়ে কেরামতো বলেই রেখেছেন, লজ্জায় ফেলে অর্থ সংগ্রহ (দিতে বাধ্য) করা, ছুরি/পিস্তল ঠেকিয়ে আদায় করার মতোই। এছাড়াও এর সাথে যদি যুক্ত হয় গান-বাজনা, সাথে হারাম বাদ্যযন্ত্রসমূহ; ঢাক-ঢোল, তবলা-বেহালা, একতারা-দোতারা এবং যুবতী ললনা। একাকার হয়ে যায় পুরুষ, চরিত্রহীন উচ্ছৃঙ্খল যুবক ও সম্মোহিনী সুন্দরীরা। চাই যুবতী মেয়েরা মিলেমিশে একাকার হউক বা তদারকি করুক। নাচে-গানে বিভোর হয়ে, খেল তামাশায় মত্ত হয়ে, শেষ বিচারের দিনের কথা ভুলে যায়। তেমনিভাবে শুধু মহিলারা আলাদা একসাথে হয়ে উচ্চ স্বরে, হাততালি বাজিয়ে কবিতা আবৃতি করে, পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত ও জিকিরের শরীয়াতের নির্ধারিত সীমা ছাড়িয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার এ বাণী ভুলে যায়, ("إنَّ رَبَّكَ لبالمرصادِ") ‘নিশ্চয় তোমার রব ওঁৎপেতে আছেন’ (পবিত্র সূরা আলফাজ্র শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১৪)। এ ধরনের অনুষ্ঠান হারাম হওয়ার বিষয়ে দু’জনের মধ্যেও দ্বিমত হতে পারে না, ভালো বলতে পারে না রুচিশীল যুবক ছেলেরাও। বস্তুত মৃত আত্মার অধিকারী ও যারা পাপ-পঙ্কিলতা বিমুক্ত নয় তাদের নিকট তা হালুয়া-মিঠাইর মতো সুস্বাদু মনে হয়। আরো অতিরিক্ত অবগত করছি- তারা এটাকে ইবাদত মনে করে, খারাপ-ঘৃণ্য ও নিষিদ্ধ বিশ্বাস করে না। "فإنا لِلهِ وَإنا إليهِ رَاجغون" সুতরাং বলতেই হয়:- ‘আমরা মহান আল্লাহ পাক উনার আর মহান আল্লাহ পাক উনার কাছেই ফিরে যাব’। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার সূচনা অপরিচিতরূপে আবার ফিরেও যাবে যেভাবে সূচনা হয়েছিল সে অবস্থায়।

💬 0 টি মন্তব্য বাকিটুকু পড়ুন »
সবুজ বাংলা ব্লগ

মুবারক হো! মুবারক হো!! মুবারক হো!!! ঈদে বিলাদতে সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, গুলে মুবীনা, নূরে মদীনা সাইয়্যিদাতুনা হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম -মুহম্মদ ইমতিয়াজ হুসাইন। হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা সবসময়ই নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম; যদিও দুনিয়াবী দৃষ্টিতে উনারা অল্প বয়স মুবারকে হন না কেন। তদ্রƒপ হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারাও সর্বাবস্থায় হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম; যদিও উনারা অল্প বয়স মুবারকে হন। মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযুর্গী-সম্মান সম্পর্কে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেন। “সাবধান! নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার ওলীগণ উনাদের কোনো ভয় নেই ও চিন্তা-পেরেশানী নেই।” সুবহানাল্লাহ। হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিশেষ বিশেষ বিষয়গুলো যেমন ঈদ বা খুশির দিন। ঠিক হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরও বিশেষ বিশেষ বিষয়গুলো ঈদ বা খুশির দিন। আরবী বছরের চতুর্থ মাস পবিত্র রবীউছ ছানী শরীফ। কায়িনাত উনার মাঝে মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট যে মাসটি সবচেয়ে বেশি সম্মানিত, তা হচ্ছে পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ। আর উনার পরের মাসটিই হচ্ছে পবিত্র রবীউছ ছানী শরীফ। আর এই মাসের ১৯ তারিখে বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন ত্বাহিরা, ত্বইয়িবা, নূরে মদীনা, গুলে মুবীনা, বিনতু হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আছ ছানীয়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম। তিনি হচ্ছেন নারী জাতির হিদায়েতের দিশারী। উনার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক তিনি অসংখ্য অগণিত মুসলমান পুরুষ-মহিলাদেরকে হিদায়েতের পথে নিয়ে আসছেন। অনেক বিধর্মীদেরকে ঈমান দান করেছেন ও করছেন। সাইয়্যিদাতুনা হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি এমন একজন মহান আল্লাহ পাক উনার আখাছছুল খাছ ওলী, যিনি নিজেই উনার মেছাল। তিনি সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত আওলাদ তথা আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তিনি হচ্ছেন সর্বকালের সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বইউয়ুল আউওয়াল, সাইয়্যিদুনা ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার লখতে জিগার, তিনি হচ্ছেন ক্বায়িম-মাক্বামে উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, নক্বশায়ে কুবরা ওয়া ছিদ্দীক্বা, উম্মুল উমাম, উম্মুল মুরীদীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মাজী ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার নয়নের মণি। তিনি হচ্ছেন সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিতা ঊখতুন (বোন)। তাই কায়িনাতবাসীর জন্য দায়িত্ব হচ্ছে- উনার তা’যীম তাকরীম করা, ছানা-ছিফত মুবারক করা, ছলাত পাঠ করা এবং সালাম পেশ করা, খুশি মুবারক প্রকাশ করা তথা পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা।

💬 0 টি মন্তব্য বাকিটুকু পড়ুন »