সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

বিভাগবিহীন 10001 টি লেখা
সবুজ বাংলা ব্লগ

পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন ও পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ সম্পর্কে- প্রখ্যাত ওলীআল্লাহ ও আলিমে দ্বীন, সুলতানুল আরিফীন, মুজাদ্দিদে যামান রঈসুল মুফাসসিরীন ওয়াল মুহাদ্দিছীন ওয়াল ফুক্বাহা, আশিকু রসূলিল্লাহ হযরত ইমাম আবুল ফদ্বল আব্দুর রহমান জালালুদ্দীন আস সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার গুরুত্বপূর্ণ ফতওয়া। (পর্ব-১০) -আল্লামা আবুল খায়ের মুহম্মদ আযীযুল্লাহ। পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন ও পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ সম্পর্কে- প্রখ্যাত ওলীআল্লাহ ও আলিমে দ্বীন, সুলতানুল আরিফীন, মুজাদ্দিদে যামান, রঈসুল মুফাসসিরীন ওয়াল মুহাদ্দিছীন ওয়াল ফুক্বাহা, আশিকু রসূলিল্লাহ, হযরত ইমাম আবুল ফদ্বল আব্দুর রহমান জালালুদ্দীন আস সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার লিখিত বিশ্বখ্যাত ও মশহুর কিতাব “হুসনুল মাক্বছাদ ফী আমালিল মাওলিদ” নামক কিতাবে যে ফতওয়া প্রদান করেছেন- নিম্নে তা ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরা হলো- পবিত্র মীলাদ শরীফ বিরোধী ফাকেহানীর বক্তব্য أحدهما: أن يعمله رجل من عين ماله لأهله وأصحابه و عياله لا يجاوزون فى ذلك الاجتماع على أكل الطعام ولا يقترفون شيئا من الاثام، وهذا الذى وصفناه بأنه بدعة مكروهة وشناعة إذ لم يفعله أحد من متقدمين أهل الطاعة الذين هم فقهاء الإسلام و علماء الأنام سرج الأزمنة وزين الأمكنة. অর্থাৎ প্রথমত: কোনো ব্যক্তি (পবিত্র মীলাদ শরীফ অনুষ্ঠান) তার নিজস্ব মাল দ্বারা, তার পরিবার-পরিজন ও আত্মীয়-স্বজন নিয়ে পালন করে। উক্ত অনুষ্ঠানে খানা-পিনায় সীমালঙ্ঘন থাকে না। কোনো পাপাচারও সেখানে হয় না। এ জাতীয় অনুষ্ঠানকে আমরা বেদআতে মাকরূহা বা খারাপ ও বীভৎস বেদআত বলে আখ্যা দিয়েছি। (নাউযুবিল্লাহ) যেহেতু পূর্ববর্তী ধর্মভীরু ব্যক্তিবর্গের কেউ তা করেননি। অথচ উনারাই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে অভিজ্ঞ, সৃষ্টির মধ্যে জ্ঞানী-গুণী, যুগের বাতি ও স্থানের সৌন্দর্য। والثانى: أن تدخله الجناية وتقوى به العناية حتى يعطى أحدهم الشىء ونفسه تتبعه وقلبه يؤلمه ويوجعه لما يجد من ألم الحيف، وقد قال العلماء: أخذ المال بالحياء كأخذه بالسيف، لا سيما إن انضاف إلى ذلك شىء من الغناء مع البطون الملأى بالات الباطل من الدفوف والشبابات، واجتماع الرجال مع الشباب المرد والنساء الفائتات، إما مختلطات بهن أو مشرفات، والرقص بالتثنى والانعطاف والاستغراق فى اللهو ونسيان يوم المخاف، وكذلك النساء إذا اجتمعن على انفرادهن رافعات أصواتهن بالتهنيك والتطريب فى الإنشاد والخروج فى التلاوة والذكر المشروع والأمر المعتاد غافلات عن قوله تعالى "إن ربك لبالمرصاد" (الفجر-১৪). وهذا الذى لا يختلف فى تحريمه اثنان ولا يستحسنه ذوو المروءة الفتيان، وإنما يحلو ذلك لنفوس موتى القلوب وغير المستقلين من الاثام و الذذوب، وأزيدك أنهم يرونه من العبادات لا من الأمور المنكرات المحرمات "فإنا لله وإنا إليه راجعون"، بدأ الإسلام غريبا وسيعود كمابدا. অর্থাৎ দ্বিতীয়ত: উক্ত অনুষ্ঠানে বিবিধ পাপাচার-অনাচার অনুপ্রবেশ করে, খরচ নির্বাহের জন্য চলে জোর-জবরদস্তি ও বাড়াবাড়ি। এ অবস্থায় কেউ কিছু অনিচ্ছাসত্বে (অপারগ হয়ে) দান করলেও দাতার মন তাকে ধিক্কার দেয়, অন্তর দেয় জ্বালা যন্ত্রণা, কষ্ট দেয় এ অন্যায় অনুচিত অনভিপ্রেত কার্যাবলী। আর ও’লামায়ে কেরামতো বলেই রেখেছেন, লজ্জায় ফেলে অর্থ সংগ্রহ (দিতে বাধ্য) করা, ছুরি/পিস্তল ঠেকিয়ে আদায় করার মতোই। এছাড়াও এর সাথে যদি যুক্ত হয় গান-বাজনা, সাথে হারাম বাদ্যযন্ত্রসমূহ; ঢাক-ঢোল, তবলা-বেহালা, একতারা-দোতারা এবং যুবতী ললনা। একাকার হয়ে যায় পুরুষ, চরিত্রহীন উচ্ছৃঙ্খল যুবক ও সম্মোহিনী সুন্দরীরা। চাই যুবতী মেয়েরা মিলেমিশে একাকার হউক বা তদারকি করুক। নাচে-গানে বিভোর হয়ে, খেল তামাশায় মত্ত হয়ে, শেষ বিচারের দিনের কথা ভুলে যায়। তেমনিভাবে শুধু মহিলারা আলাদা একসাথে হয়ে উচ্চ স্বরে, হাততালি বাজিয়ে কবিতা আবৃতি করে, পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত ও জিকিরের শরীয়াতের নির্ধারিত সীমা ছাড়িয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার এ বাণী ভুলে যায়, ("إنَّ رَبَّكَ لبالمرصادِ") ‘নিশ্চয় তোমার রব ওঁৎপেতে আছেন’ (পবিত্র সূরা আলফাজ্র শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১৪)। এ ধরনের অনুষ্ঠান হারাম হওয়ার বিষয়ে দু’জনের মধ্যেও দ্বিমত হতে পারে না, ভালো বলতে পারে না রুচিশীল যুবক ছেলেরাও। বস্তুত মৃত আত্মার অধিকারী ও যারা পাপ-পঙ্কিলতা বিমুক্ত নয় তাদের নিকট তা হালুয়া-মিঠাইর মতো সুস্বাদু মনে হয়। আরো অতিরিক্ত অবগত করছি- তারা এটাকে ইবাদত মনে করে, খারাপ-ঘৃণ্য ও নিষিদ্ধ বিশ্বাস করে না। "فإنا لِلهِ وَإنا إليهِ رَاجغون" সুতরাং বলতেই হয়:- ‘আমরা মহান আল্লাহ পাক উনার আর মহান আল্লাহ পাক উনার কাছেই ফিরে যাব’। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার সূচনা অপরিচিতরূপে আবার ফিরেও যাবে যেভাবে সূচনা হয়েছিল সে অবস্থায়।

💬 0 টি মন্তব্য বাকিটুকু পড়ুন »
সবুজ বাংলা ব্লগ

আপনি কি প্রতিদিন পবিত্র কুরআন মাজীদ তিলাওয়াত করেন? -আল্লামা সাইয়্যিদ আহমদ শিহাবুদ্দীন। আমি আমরা প্রতিদিন কি পবিত্র কুরআন মাজীদ তিলাওয়াত করি? প্রতিদিন নিয়মিত খাওয়া-দাওয়া চলে, কিন্তু পবিত্র কুরআন মাজীদ কি প্রতিদিন তিলাওয়াত করা হয়? সমস্ত ইলম, জ্ঞান, বিজ্ঞান, হিকমতের খাযীনা যে পবিত্র কুরআন মাজীদ। আপনি প্রতিদিন প্রাণীর ছবিযুক্ত পেপার-পবিত্রকা ঠিকই পড়লেন এবং পাপের খাতা ভর্তি করলেন। কিন্তু প্রতিদিন কিছুক্ষণ কি কুরআন মাজীদ তিলাওয়াত করেছেন? আপনাকে প্রাণীর ছবি সুপারিশ করবে না কুরআন মাজীদ শুপারিশ করবে? তা কি ভেবে দেখা হয়েছে! পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা ও পবিত্র ক্বিয়াসের জামে হিদায়াত বর্তিকা আল বাইয়্যিনাত ও আল ইহসান কি প্রতিদিন পাঠ করা হয়েছে? ফিকির করে আলোর পথে লেগে থাকার কি এখনো সময় হয়নি?

💬 0 টি মন্তব্য বাকিটুকু পড়ুন »
সবুজ বাংলা ব্লগ

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ইহুদী-নাছারা, কাফির-মুশরিকরা মুসলমান উনাদের শত্রু। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ইহুদী-নাছারা, কাফির-মুশরিকরা মুসলমান উনাদের শত্রু। তাহলে অবশ্যই অবশ্যই ইহুদী-নাছারা, কাফির-মুশরিকরা মুসলমান উনাদের শত্রু। -মুহম্মদ আমির আলী, ঢাকা। আমাদের যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার চাইতে বেশি কি কেউ মুহব্বত আমাদেরকে করে? মহান আল্লাহ পাক উনার চাইতে উত্তম অভিভাবক কি কেউ আমাদের আছে? অবশ্য অবশ্যই নেই। তাহলে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে অসংখ্য-অগণিতবার ইরশাদ মুবারক করলেন, ইহুদী-নাছারা, কাফির-মুশরিকরা মুসলমান উনাদের শত্রু। মুসলমান উনারা যেন ইহুদী-নাছারা, কাফির-মুশরিকদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ না করে। তাহলে অবশ্য অবশ্যই ইহুদী-নাছারা, কাফির-মুশরিকরা মুসলমান উনাদের শত্রু। আমাদের মুসলমান উনাদের দো’জাহানের মুনিব, দো’জাহানের মহান শাফায়াতকারী, দো’জাহানের রহমত বর্ষণকারী, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার চাইতে বেশি কি কেউ মুহব্বত আমাদেরকে করে? নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার চাইতে উত্তম অভিভাবক কি কেউ আমাদের আছে? অবশ্য অবশ্যই নেই। তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি লক্ষ-লক্ষ, কোটি-কোটি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন, ইহুদী-নাছারা, কাফির-মুশরিকরা মুসলমান উনাদের শত্রু। মুসলমান উনারা যেন ইহুদী-নাছারা, কাফির-মুশরিকদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ না করে। তাহলে অবশ্য অবশ্যই ইহুদী-নাছারা, কাফির-মুশরিকরা মুসলমান উনাদের শত্রু। তাই মুসলমান উনাদের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- ইহুদী-নাছারা, কাফির-মুশরিকদের সর্বপ্রকার তর্জ-তরীক্বা ত্যাগ করা।

💬 0 টি মন্তব্য বাকিটুকু পড়ুন »
সবুজ বাংলা ব্লগ

এক বীরাঙ্গঁনা মহিলা -আল্লাম সাইয়্যিদ শুয়াইব আহমদ। আমীরুল মু’মিনীন হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি যখন খিলাফতের পদে অধিষ্ঠিত হলেন। সিফফীনেন জিহাদে কুফাবাসীদের বীরত্বের আলোচনায় যারকা নামের এক মহিলার নাম চলে আসে। একজন বললেন, সেদিন উক্ত মহিলা খুব তেজদীপ্ত বক্তব্য রেখেছিলেন। হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার সাথীদের উৎসাহ দিচ্ছেলেন। উনাদের দৃঢ়তা ও স্থিরতাকে টিকিয়ে রাখতে এবং পরিপূর্ণ আবেগ দিয়ে সৈন্যবাহিনীর সামনে এমনভাবে বক্তব্য রাখেন যে, ভীরু থেকে ভীরুও যদি শুনে জিহাদের মাঠে সামনের দিকে অগ্রসর হতে থাকবে। উনার জজবা সৃষ্টিকারী ভাষণে এমন সব লোক জিহাদে আবার ফিরে এসেছেন যারা জিহাদের ময়দান থেকে ফিরে চলে যাচ্ছিলেন। মহিলা উনার বীরত্বপূর্ণ বক্তব্যে বলেছিলেন, সূর্যের উজ্জ্বলতার আলোতে প্রদীপের আলোর কোনো মূল্য নেই। আর চাঁদের মোকাবেলা তারকা করতে পারে না। কাজেই বীরত্বের সাথে জিহাদ করো। ধৈর্য ও দৃঢ়তার আঁচল হাত থেকে ছেড়ে দিও না। এতেই তোমাদের শির উচু হবে। বাঁচ তো উত্তমরূপে বাঁচ, আর ইন্তিকাল করো তো উত্তমরূপে ইন্তিকাল করো এবং জেনে রাখো। ان خضاب النساء الحناء وخضاب الرجال الد ماء অর্থাৎ মহিলার সাজ-সজ্জার উপাদান মেহেদী আর পুরুষের জন্য হলো রক্ত।

💬 0 টি মন্তব্য বাকিটুকু পড়ুন »
সবুজ বাংলা ব্লগ

কে সন্ত্রাসী? মুসলমানরা, নাকি কাফিররা?? -মুহম্মদ আব্দুর রহমান। আজকাল নাস্তিকরা খুব ভাব ধরে, দাবি করে- তারা খুব নিরীহ, কখনোই কারো কোনো ক্ষতি করেনি। মুসলমানরা নাকি খারাপ, মুসলমানরা নাকি সন্ত্রাসী। নাউযুবিল্লাহ! অথচ ইতিহাস কিন্তু বলে ভিন্ন কথা। ইতিহাস বলে, নাস্তিকরা যখনই কোনো দেশের ক্ষমতায় গেছে, কিংবা আক্রমণের সুযোগ পেয়েছে, তারা তখন হয়ে উঠেছে হিংস্র, নৃশংসভাবে হত্যা করেছে অজস্র মানুষকে। আসুন বিভিন্ন দেশে কমিউনিস্ট তথা নাস্তিক্যবাদীদের হত্যাযজ্ঞের একটু হিসেব দেখে নেই- ১) চীনে সাড়ে ৬ কোটি মানুষ হত্যা। ২) সোভিয়েত রাশিয়ায় ২ কোটি মানুষ হত্যা। ৩) কম্বোডিয়ায় ২০ লক্ষ মানুষ হত্যা। ৪) উত্তর কোরিয়ায় ২০ লক্ষ মানুষ হত্যা। ৫) আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে ১৭ লক্ষ মানুষ হত্যা। ৬) আফগানিস্তানে ১৫ লক্ষ মুসলিম হত্যা। ৭) পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোতে ১০ লক্ষ মানুষ হত্যা। ৮) ভিয়েতনামে ১০ লক্ষ মানুষ হত্যা। ৯) লেটিন আমেরিকার দেশগুলোতে দেড় লক্ষ মানুষ হত্যা। (সূত্র: হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত বই ইষধপশ ইড়ড়শ ড়ভ ঈড়সসঁহরংস) সোভিয়েত রাশিয়ায় লেলিন-স্টেলিনের যুগে চালানো নির্যাতন ও প্রাণহানীর চিত্রটা একটু দেখুন- ক) ১৯১৮-১৯২২ সালের মাঝামাঝি ‘বিপ্লব’ পরবর্তী সময়ে সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি জানানোয় লক্ষ লক্ষ শ্রমিক হত্যা। খ) কৃষকদের উপর লেলিনের অত্যাচার ও কৃষি ব্যবস্থায় সমাজতান্ত্রিক দর্শন প্রয়োগের ফলে সৃষ্ট দুর্ভিক্ষে ১৯২১ সালে ৫০ লক্ষ লোকের প্রাণহানী। গ) ১৯২০ সালে ডন কোসাকদের হত্যা ও নির্বাসন। ঘ) কারাগারগুলোতে ১৯১৮-১৯৩০ সালের মাঝামাঝি হাজার হাজার বন্দিকে হত্যা। ঙ) ‘৩০ দশকের শেষ দিকে সমাজতন্ত্র বিরোধী প্রায় ৬ লক্ষ ৯০ হাজার লোকের গণহত্যা। (১৯৮৮ সালে বেলারুশের রাজধানী মিনস্কের বাইরে প্রায় ৩০ হাজার লোকের একটি গণকবর আবিষ্কৃত হয়। জায়গাটিতে ১৯৩৭-১৯৪১ সালে একটি সোভিয়েত রাজনৈতিক বন্দিশিবির ছিল।) চ) ১৯৩০-১৯৩২ সালের মাঝামাঝি ২০-৩০ লক্ষ তথাকথিত ‘কুলাকদের’ নির্বাসন। ছ) ১৯৩২ এবং ১৯৩৩ এর দুর্ভিক্ষে ৪০ লক্ষ ইউক্রেনিয়ানসহ ৬০ লক্ষ লোকের মৃত্যু। ঞ) ১৯৩৯-১৯৪১ এবং ১৯৪৪-১৯৪৫ সালে ২ লক্ষ ইউক্রেনিয়ান, ২ লক্ষ ১০ হাজার পোলিশ এবং বাল্টিক সাগর তীরবর্তী অঞ্চলে বসবাসকারী ২ লক্ষ লোকের নির্বাসন। ট) ১৯৪৩ সালে ৩ লক্ষ ৮০ হাজার ক্রিমিয়ান মুসলিম তাতারদের নির্বাসন। এদের মধ্যে ১ লক্ষ ৫০ থেকে ১ লক্ষ ৭০ হাজার তাতার নির্বাসনের প্রথম ২ বছরেই মারা যায়। ঠ) ১৯৪৪ সালে ৩ লক্ষ ৮৭ হাজার চেচেন মুসলমানদের নির্বাসন। ড) ১৯৪৪ সালে ৯১ হাজার ইংগুশ মুসলমানদের নির্বাসন। (সূত্র: হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত বই ইষধপশ ইড়ড়শ ড়ভ ঈড়সসঁহরংস) উপরের জলজ্যান্ত ইতিহাসই প্রমাণ করে মুসলমানরা নয় বরং কাফিররাই সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী। তাই নাস্তিক তথা কাফিরদের নামের পূর্বেই ‘সন্ত্রাসী’ বিশেষণ লাগানো দরকার।

💬 0 টি মন্তব্য বাকিটুকু পড়ুন »
সবুজ বাংলা ব্লগ

বিধর্মীরাতো মুসলমানদের খাদিম

বিধর্মীদের আবিষ্কৃত তৈরিকৃত যন্ত্রপাতি, আসবাব ইত্যাদি ব্যবহার নিয়ে অনেকেই মুসলমানদের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে থাকে। মহান আল্লাহ পাক তিনি ও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লা…

💬 0 টি মন্তব্য বাকিটুকু পড়ুন »
সবুজ বাংলা ব্লগ

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র জীবনী মুবারক (১২৬৮)

সম্মানিত বদর জিহাদ সম্পর্কে হযরত কা’ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার কবিতা: হযরত কা’ব ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি সম্মানিত বদর জিহাদ সম্পর্কে বলেছ…

💬 0 টি মন্তব্য বাকিটুকু পড়ুন »
সবুজ বাংলা ব্লগ

মুসলমানদের উচিত সপ্তাহের বারসমূহ হাদীছ শরীফ অনুযায়ী উচ্চারণ করা

একজন বয়োঃপ্রাপ্ত ও সুস্থ বিবেকসম্পন্ন মুসলমান পুরুষ-মহিলার জন্য দৈনিক ৫ ওয়াক্ত নামায আদায় করতে হয়। এ পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের নামকরণ পবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারাই হয়েছে।…

💬 0 টি মন্তব্য বাকিটুকু পড়ুন »
সবুজ বাংলা ব্লগ

খোদায়ী গযবে অর্থনৈতিক মন্দা আমেরিকানদের সন্তান জন্মহার দ্রুত কমছে! (৩)

যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা কারাগারে পবিত্র রমজান মাসে মুসলমানদেরকে ইফতারের খাবারে শুকরের গোশত দেয়া হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! কারাগার কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এমন একটি অভিযোগ…

💬 0 টি মন্তব্য বাকিটুকু পড়ুন »