Archive for the ‘ইসলাম ও জীবন’ Category

‘ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ ব্যবহার সংক্রান্ত দালিলিক আলোচনা


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি ছলাত পাঠ এবং উনাদের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ইস্ম বা নাম মুবারক উনাদের শেষে ‘ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ ব্যবহার (১ম অংশ): আল্লামা মাহমূদ বিন উমর জারুল্লাহ যামাখশারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল

‘ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ ব্যবহার নিয়ে বিভ্রান্তির নিরসন (১)


সুওয়াল: কতিপয় উলামায়ে সূ’ এবং তাদের অনুসারীরা বলে থাকে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারক-এ ছাড়া অন্য কারো ক্ষেত্রে ‘ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ ব্যবহার করা জায়েয নেই এবং ইতিপূর্বে কেউই নাকি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ

ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ ব্যবহার সম্পর্কে দলীলভিত্তিক দাঁতভাঙ্গা জবাব-২


ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ ব্যবহার সম্পর্কে এক চরম জাহিল, গণ্ডমূর্খ, মিথ্যাবাদী, মুনাফিক্ব, উলামায়ে সূ’, ধোঁকাবাজ এবং প্রতারকের জিহালতী, মূর্খতা, মিথ্যাচার, ধোঁকা, প্রতারণা ও অপব্যাখ্যার দলীলভিত্তিক দাঁতভাঙ্গা জবাব-২ ‘ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ ব্যবহার সম্পর্কে এক চরম জাহিল, গণ্ডমূর্খ, মিথ্যাবাদী, মুনাফিক্ব, উলামায়ে সূ’, ধোঁকাবাজ এবং প্রতারকের

কুরআন আলোকে মানুষ সৃষ্টির কারণ


পৃথিবীতে আজ শত কোটিরও বেশী মানুষের বাস। এই এতো মানুষ পৃথিবীতে জন্ম নিচ্ছে মারা যাচ্ছে। তার কি কোনো উদ্দেশ্য ছাড়াই দুনিয়ায় জন্মাচ্ছে আর মৃত্যুবরণ করছে? এর উত্তর অবশ্যই ” না “। অর্থাৎ কোনো কারণ বা লক্ষ্য উদ্দেশ্য ছাড়া পৃথিবীতে মানুষের জন্ম

সন্ত্রাসীরা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দুশমন, মুসলমানদের দুশমন, দেশ ও স্বাধীনতার দুশমন।


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট একমাত্র মনোনীত দ্বীন হচ্ছে- ‘সম্মানিত ইসলাম’। সুবহানাল্লাহ! ‘ইসলাম’ শব্দ মুবারক উনার অর্থ হচ্ছে- শান্তি, নিরাপত্তা ইত্যাদি। তাই সম্মানিত দ্বীন ইসলামে সন্ত্রাস বা অশান্তির কোনো স্থান

যারা বলে ‘সুন্নতী লেবাস বলতে কোনো লেবাস নেই’ তারা আশাদ্দুদ দরজার জাহিল।


মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা ইহুদী-নাছারা তথা কাফির-মুশরিকদের লিবাস বা পোশাক থেকে বেঁচে থাকো।’ সুবহানাল্লাহ! যারা বলে ‘সুন্নতী লেবাস বলতে কোনো লেবাস নেই’ তারা আশাদ্দুদ দরজার জাহিল। পুরুষদের জন্য গুটলীযুক্ত,

বেশি বেশি সর্বত্র আলোচনা করা এবং প্রতিক্ষেত্রে উনাকে পরিপূর্ণরূপে অনুসরণ-অনুকরণ করার মাধ্যমে দায়িমীভাবে অনন্তকালব্যাপী মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা ফরয।


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রসূল পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার গোলামী মুবারক করো, উনাকে সম্মান করো ও উনার ছানা-ছিফত মুবারক বা আলোচনা মুবারক করো সকাল-সন্ধ্যা অর্থাৎ দায়েমীভাবে।’ সুবহানাল্লাহ! মহাসম্মানিত ও

মহাপবিত্র ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা আসতে আর মাত্র ৬ দিন বাকি।


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। সুবহানাল্লাহ! বিশেষ আইয়্যামুল্লাহ শরীফ সুমহান বেমেছাল বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা আসতে আর মাত্র

মুসলমান পুরুষ ও মহিলা সকলের জন্যই ফরযে আইন হচ্ছে- যথাযথভাবে পাঁচ ওয়াক্ত পবিত্র ছলাত বা নামায শরঈ তারতীব অনুযায়ী যথাসময়ে আদায় করে নেয়া।


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই পবিত্র ছলাত বা নামায মু’মিনদের উপর ফরয নির্দিষ্ট সময়ে’। সুবহানাল্লাহ! পবিত্র ছলাত বা নামায সম্মানিত শরীয়ত উনার একটি বুনিয়াদী ফরয ইবাদত। সুবহানাল্লাহ! যা ইহকালে গুনাহখতা ক্ষমা করার ও পরকালে জান্নাত

আল মুজাদ্দিদুল আ’যম আলাইহিস সালাম তিনিই বিশ্ব মানবের মুক্তির ঠিকানা


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সাবধান! নিশ্চয়ই যাঁরা মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী উনাদের কোনো ভয় নেই, চিন্তা নেই, পেরেশানী নেই। উনাদের জন্য ইহকাল ও পরকালে রয়েছে সুসংবাদ।” মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “দুনিয়া এবং

সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার নির্দেশ মুবারক হলো- কিছু লোক ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাছাউফে পূর্ণ দক্ষতা অর্জন করে ফক্বীহ ও হাদী হবেন। সুবহানাল্লাহ!


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মুসলমানদের প্রত্যেক ক্বওম বা সম্প্রদায় থেকে কেন একটি দল বের হয় না এজন্য যে, তারা সম্মানিত দ্বীনী ইলমে ফক্বীহ হবে এবং স্বীয় ক্বওমের নিকট প্রত্যাবর্তন করে তাদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার

হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের আগমন এবং বিদায় উভয় দিনই উম্মতের জন্য ঈদের দিন


অনেকে বলে থাকে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেদিন আগমন করেছেন আবার সেই দিন বিদায়ও নিয়েছেন। তাই আমরা কি করে এ দিন খুশি প্রকাশ করতে পারি। মূলত, তারা না জানার কারণে তা বলে থাকে। পবিত্র হাদীছ