Archive for the ‘ইসলাম ও জীবন’ Category

প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা ও জিন-ইনসান সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- হযরত খুলাফায়ে রাশিদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের অনুসরণে মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা।


মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক এবং সুপথপ্রাপ্ত হযরত খুলাফায়ে রাশিদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক পালন করা তোমাদের সকলের জন্য ফরয।’ সুবহানাল্লাহ! মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম,

সন্ত্রাস বন্ধ করতে হলে ইসলামী অনুশাসন মুতাবিক পরিবার সমাজ গড়ে তুলতে হবে


প্রতিদিন খবর আসে, রাজনীতি নিয়ে, আধিপাত্য নিয়ে, জমিজমা নিয়ে, হারাম প্রেম নিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় একে অপরকে কোপাকোপি করে আহত-নিহত করে যাচ্ছে। এছাড়া মৌলবাদী ওহাবী সন্ত্রাসবাদীরা তো সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিকৃত ও ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে কোপাকোপি করে। নাউযুবিল্লাহ! এরপর এসব

যাদের আক্বীদা বিশুদ্ধ নয় এবং আমলও মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাসম্মানিত মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের খিলাফ তারা কস্মিনকালেও মুসলমানের অন্তর্ভুক্ত নয়। নাউযুবিল্লাহ!


খালিক্ব মালিক্ব রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হে ঈমানদাররা! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং প্রকৃত মুসলমান না হয়ে কেউ মৃত্যুবরণ করো না। যাদের আক্বীদা বিশুদ্ধ নয় এবং আমলও মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও

ক্বদমবুছী ও দস্তবুছী সম্পর্কে জানুন


ক্বদমবুছী যার অর্থ পা চুম্বন করা। ক্বদম ও বুছী এ দুটিকে একত্রে বলা হয় ক্বদমবুছী। ক্বদম অর্থ পা এটা আরবী শব্দ আর বুছী অর্থ চুম্বন করা এটা ফার্সী শব্দ। ক্বদমবুছী পুরো শব্দটির অর্থ হলো পা চুম্বন করা। দস্তবুছী যার অর্থ হাত

যে এলাকায় বা অঞ্চলে ও যে স্থানে খুশি প্রকাশ করে- পবিত্র মীলাদ শরীফ-পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করা হয়, সে এলাকায় বিশেষ রহমত, বরকত, সাকীনা নাযিল হয়।’ সুবহানাল্লাহ!


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি আপনার মহাপবিত্র যিকির বা আলোচনা মুবারক বুলন্দ থেকে বুলন্দতর করেছি।’ সুবহানাল্লাহ! মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের

ওলী-আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারাও ইলমে গইব উনার অধিকারী


মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরকে ইলমে গইবসহ সর্বপ্রকার ইলিম হাদিয়া করার পদ্ধতির নাম হচ্ছে ‘ইলমে লাদুন্নী, ইলহাম ও ইলক্বা। আর হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে ইলমে গইবসহ সর্বপ্রকার ইলিম হাদিয়া করার পদ্ধতির নাম হচ্ছে

পর্দা পালন নিয়ে একটি বেমেছাল ওয়াক্বিয়া


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে, একবার খলীফায়ে ছানী, আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি উনার সম্মানিত মেয়ে, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত হাফসা আলাইহাস সালাম উনার সাথে একত্রে একটি রুমে বসে কিছু বিষয় আলাপ-আলোচনা করছিলেন।

মহান আল্লাহ পাক উনার ওলীগণ উনাদেরকে মুহব্বত করো, কেননা উনারা কবুলকৃত আর উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করো না, কেননা উনারা সাহায্যপ্রাপ্ত


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার ওলী তথা বন্ধুগণ উনারা মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট মনোনীত ও মকবুলকৃত। ওলীআল্লাহগণ উনাদের পরিচয় মুবারক হলো- উনারা মহান আল্লাহ পাক উনাকে অধিক ভয় করেন। উনারা কখনো সম্মানিত শরীয়ত উনার বিরোধী কোনো কাজ করেন না,

মুসলিম বিজ্ঞানী-মনীষীদের স্মরণ করে অনেকেই আফসোস করে; কিন্তু মুসলিম মনীষীদের যাঁরা তৈরি করেছিলেন, সেই হক্কানী পীর-মুর্শিদগণ উনাদের নিকট যাওয়া হয় না কেন?


বর্তমানে গোটা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহ এক চরম হতাশার মধ্যে দিনাতিপাত করছে। যারা ইতিহাস সচেতন, তারা অতীতের মুসলিম বিজ্ঞানী-কবি সাহিত্যিকদের ইতিহাস স্মরণ করে আফসোস করে। তারা আফসোস করে এই ভেবে যে, আগে আমাদের সবই ছিল, কিন্তু এখন আমাদের কিছুই নেই। কিন্তু কেন

বিষাক্ত জিএম শস্য নিয়ে সতর্কতা জরুরী


বর্তমান বিশ্বের প্রায় সব দেশই বিষাক্ত বিকৃত জিন বা জিএম (জেনেটিক্যাল মডিফাইড) শস্য কঠোরভাবে নিষেধাজ্ঞা করছে। ইউরোপের ২৬টি দেশের মধ্যে ১৯টি দেশে জিএম শস্য চাষ নিষিদ্ধ। ফিলিপাইনে গোল্ডেন রাইস ব্যা- করার জন্য সাধারণ জনগণ আন্দোলন পর্যন্ত করেছে। ভারতে প্রবল বিতর্ক এবং

চাঁদ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মাসায়িল


১। সারাবিশ্বে একই দিনে পবিত্র রোযা ও পবিত্র ঈদ হতে পারে না। কারণ একই দিনে সারাবিশ্বে চাঁদ দৃষ্টিগোচর হওয়া অসম্ভব। অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশের সময়ের ব্যবধান অনুযায়ী চাঁদের হুকুম হবে এবং চাঁদ দেখা যাবে। ২। আকাশ পরিষ্কার থাকলে দুই-চার জন ব্যক্তি চাঁদ

ইলিম অর্জন করা ফরয। তাই সম্মানিত ইলিম কার থেকে অর্জন করবেন তা দেখে নিতে হবে


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বান্দা-বান্দিকে জানিয়ে দিলেন যে, তোমরা বল হে আমার প্রতিপালক! আপনি আমার ইলিম বৃদ্ধি করে দিন। সুবহানাল্লাহ! আবার পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, প্রত্যেক নর-নারীর জন্য ইলিম অর্জন করা ফরজ। কাজেই সমস্ত