Archive for the ‘ইসলাম ও জীবন’ Category

ছবি ছাড়া সহজেই বিশ্বমানের কার্যকরী সম্মানিত ইসলামী শরীয়তসম্মত পাসপোর্ট ও আইডি কার্ড তৈরি করা সম্ভব।


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘ছবি আঁকনেওয়ালা ও আঁকানেওয়ালা, তুলনেওয়ালা ও তোলানেওয়ালা প্রত্যেকেই জাহান্নামী।’ নাউযুবিল্লাহ! বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি ব্যবহার করে বা ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে ছবিবিহীন পাসপোর্ট ও

সম্মানিত সুন্নত পালনে মৃত্যুকালীন আবশ্যকতা, কিন্তু দুনিয়ায় থাকতে হীনমন্যতা!


একজন মুসলমান মারা গেলে তাকে সুন্নতী তর্জ-তরীকা অনুযায়ী গোসল, কাফন, দাফন ইত্যাদি কাজ সম্পন্ন করা হয়। অর্থাৎ মারা গেলে প্রত্যেককে ইচ্ছা-অনিচ্ছায় সম্মানিত সুন্নত পালন করতে হচ্ছে। কিন্তু বেঁচে থাকতে অনেকেই সম্মানিত সুন্নত পালন করতে অনীহা প্রকাশ করে। এখন একজন ফাসিক মুসলমানকেও

চন্দ্র মাসের চাঁদ যেদিন দেখা যাবে সেদিনেরই চাঁদ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে; তিন দিনের বা দু’দিনের চাঁদ- মন্তব্য করা শরীয়তসম্মত নয়


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে। বিশিষ্ট তাবিয়ী হযরত আবুল বাখতারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমরা পবিত্র উমরা উনার জন্য বের হলাম। যখন আমরা বাতনে নাখলা নামক স্থানে অবতরণ করলাম। তখন আমরা জামায়েত হয়ে নতুন

যেভাবে ধর্মব্যবসায়ীরা মানুষের আমল-আখলাক বিনষ্ট করে…


পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস তথা পবিত্র ১২ রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস আসতে আর বেশি দিন বাকি নেই। মহাসম্মানিত এই দিন বা তারিখ মুবারক নিয়ে নানা রকম উক্তি, নানা আলোচনা, সমালোচনা(!) সারাবিশ্ব জুড়েই মুসলমানদের মাঝে হয়ে থাকে। মীলাদ শরীফ উনার প্রসঙ্গ

বিধর্মীরা তাদের নীতিতে অটল থাকতে পারলে, মুসলমানরা দ্বীন ইসলাম উনার উপর আরো দৃঢ় হবে না কেন?


পৃথিবীর তাবৎ বিধর্মী-বিজাতিদেরকে কখনোই দেখা যায় না- তাদের মনগড়া বাতিল ধর্মের নিয়মনীতির সাথে সাথে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার নিয়মনীতি গ্রহণ করতে। তারা সর্বাবস্থায় মুসলমানদের খিলাফ আমল করতে পারলেই নিজেদেরকে বিরাট কিছু মনে করে থাকে। অথচ বিপরীত দিকে দেখা যায়, সম্মানিত দ্বীন

প্রসঙ্গ: “ভেজিটেরিয়ান” এবং “হালাল” লোগো


বাংলাদেশে ৯৮ ভাগ মুসলমান অধুষ্যিত দেশ। তাই এখানে ইসলামী নিয়ম-নীতি প্রাধান্য পাবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। দেশের সার্বিক পরিস্থিত বিবেচনা করলে এটাকে কোনো মুসলমানদের দেশ বলে মনে হয় না। মনে হয় না কোনো মুসলমান দেশটি শাসন করছে। এখানে বিধর্মীদের

হক্কানী-রব্বানী শায়খ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করে তরীক্বা অনুযায়ী যিকির করতঃ ক্বলবে যিকির জারী করা ফরয। সুবহানাল্লাহ!


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা ওই ব্যক্তিকে অনুসরণ করো না, যার ক্বলব বা অন্তর আমার যিকির থেকে গাফিল অর্থাৎ যার ক্বলবে আমার যিকির জারী নেই। সে নফসকে (শয়তানকে) অনুসরণ করে তাই তার কাজগুলো (আমলগুলো) সম্মানিত

মুসলমানরা কি তাদের ক্বিবলা পরিবর্তন করে ফেলেছে?


পবিত্র কা’বা শরীফের দিকে ফিরে নামায পড়তে হয়। অন্য কোনো দিকে ফিরে হাজার হাজার রাকায়াত নামায পড়লেও নামায আদায় হবে না। বিশ্বজুড়ে মুসলিম উম্মাহ অনেক কিছুতে এগিয়ে যাচ্ছে। তারা যুগের সাথে তাল মিলিয়ে উচ্চ শিক্ষা অর্জন করেছে, ডিগ্রি নিচ্ছে, পিএইচডি করছে,

হে মুসলমান! সাবধান! কুফরীতে মগ্ন থেকে মারা গেলে জাহান্নাম ছাড়া আর কোনো গতি নেই


যারা কুফরী করে এবং কুফরীতেই দৃঢ় থাকে তাদের সতর্ক সাবধান করে যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন- “আর যারা কুফরী করে তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের আগুন। তাদেরকে সেখানে মৃত্যুর আদেশ দেয়া হবে না যে, তারা সেখানে

অজান্তেই কি হারাম উপাদানের খাবার গ্রহণ করা হচ্ছে?


হালাল বিষয়ের বিরোধিতা করা আর হারামের প্রচার করা কুফরী- এ বিষয়টিও প্রায় মানুষেরই জানা আছে। কিন্তু সমস্যা হয়ে থাকে- হালাল বিষয় আর হারাম বিষয় আলাদা করার মধ্যে। এ পর্যায়ে একটি উদাহরণ দিচ্ছি, যদিও তা আজকের আলোচ্য বিষয় নয়, তবু উপলব্ধির জন্যই

পবিত্র আযান মানুষকে সময় সচেতন করে, কর্মঘন্টা রক্ষা করে


বর্তমানে কিছু পরিবেশবাদী নাস্তিক বের হয়েছে, যারা বলে থাকে আযানে শব্দ দূষণ হয়। নাউযুবিল্লাহ! আমি তাদেকে চ্যালেঞ্জ করে বলবো! আযানে কখনো শব্দ দূষণ হয় না, বরং আযান আমাদের লাখ লাখ কর্মঘণ্টা ও শব্দ দূষণ মুক্ত করতে সহায়তা করে। পবিত্র দ্বীন ইসলাম

‘সত্য মানুষকে জীবন দান করে; আর মিথ্যা মানুষকে ধ্বংস করে দেয়।’


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘সত্য মানুষকে জীবন দান করে; আর মিথ্যা মানুষকে ধ্বংস করে দেয়।’ সাইয়্যিদুল আউলিয়া, গাউছুল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি কঠিন পরিস্থিতিতেও সত্য