Archive for the ‘ঈদে মীলাদে হাবীবী’ Category

হাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই রজবুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মালিকুত তামাম, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই শরীফে’ মহাসম্মানিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার নিয়ামত মুবারক (নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে) স্মরণ করো।” সুবহানাল্লাহ! আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই রজবুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মালিকুত তামাম, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ

মহান আল্লাহ পাক উনার মুবারক নির্দেশে কায়িনাতজুড়ে পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ পালন


বিশ্বসমাদৃত “আননি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম” কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, সাইয়্যিদাতুল উম্মাহাত, মালিকাতুল জান্নাহ, হাবীবাতুল্লাহ, সাইয়্যিদাতুন নিসা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশকালে আমি দেখতে পেলাম,

ঘটনা থেকে শিক্ষা: পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনে সীমাহীন সম্মান-মর্যাদা হাছিল


খলীফা হারুনুর রশীদের খিলাফতকালে বছরা শহরে এক যুবক ছিল। সে নিজের নফসের প্রতি যুলুমকারী ছিল অর্থাৎ সে নানা পাপাচারে লিপ্ত ছিল। তার অপকর্মের কারণে শহরবাসীর চোখে সে ঘৃণিত ও সমালোচিত ছিল। তবে তার একটা উত্তম আমল হচ্ছে যখন সম্মানিত রবীউল আউওয়াল

পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সংক্ষেপে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন উপলক্ষে- যে ব্যক্তি এক দিরহাম খরচ করবে সে নিশ্চিতরূপে শাফায়াত মুবারক লাভ করবে হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার সাথে জান্নাতে থাকবে এবং বদর ও হুনাইন জিহাদে শরীক থাকার ফযীলত পাবে।


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সখী বা দানশীল হচ্ছে ‘হাবীবুল্লাহ’ অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার বন্ধু।” সুবহানাল্লাহ! ইতিহাসে বিরল, নজীর বিহীন, কিংবদন্তী, আশ্চর্যজনক ঐতিহাসিক বেমেছাল ফযীলতযুক্ত অনন্তকালব্যাপী জারীকৃত- সাইয়্যিদুল আইয়াদ সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম,

ল-কায়িনাতের সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- প্রতি আরবী মাসের সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই শরীফ উনাকে মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ হিসেবে উদযাপন করা। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার নিয়ামত মুবারক (নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে) স্মরণ করো।” সুবহানাল্লাহ! আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই জুমাদাল ঊলা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মালিকুত তামাম, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ

মহান আল্লাহ পাক তিনি সৃষ্টির শুরু থেকে দায়িমীভাবে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করে যাচ্ছেন এবং অনন্তকাল যাবৎ পালন করতেই থাকবেন


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, إِنَّ اللهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا অর্থ: “নিশ্চয়ই যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি

সুমহান সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার কারণে মৃত্যুদণ্ড থেকে পরিত্রাণ লাভ


বর্ণিত রয়েছে, খলীফা আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ানের খিলাফাতকালে শামদেশের এক সুদর্শন যুবক সে ঘোড়ায় চড়ে খেলতেছিল। একদিন হঠাৎ সে তার ঘোড়ার পিঠ থেকে পড়ে যায়। অতঃপর ঘোড়ার পিঠে উঠলে ঘোড়াটি তাকে নিয়ে শাম দেশের পথে চলতে শুরু করে। ঘোড়াটিকে সে থামাতে

একটি বিশেষ ঘটনাঃ


ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম লিখার ফযীলত ——————————————————————— হযরত ইমাম আবু যুরআ রহমাতুল্লাহি আলাইহি অনেক বড় মুহাদ্দিস ছিলেন। তিনি ইন্তেকাল করার পর একজন বুজুর্গ ব্যক্তি উনাকে স্বপ্ন দেখলেন যে, তিনি আসমানের উপর হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের ইমাম হয়ে নামাজ পড়াচ্ছেন। উনাকে

🌺সায়েখ আমার জ্ঞানের জ্যোতি🌺


🌺সায়েখ আমার জ্ঞানের জ্যোতি সদা বিলান হীরা মতি.. যে চায় সেই পায় চায়না যে জন নিরুপায়.. যদি করেন দয়া দান ইহসান তবে হবেরে মোর পরিত্রান… কিবা দিবা কিবা নিশি তিনি মোর ইলমী শশী… উপচে পড়া ইলম প্লাবিত সুর খোদায়ী রওশন হাবিবি

স্বয়ং যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত যিকির মুবারক, সম্মানিত আলোচনা মুবারক, সম্মানিত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক বুলন্দ থেকে বুলন্দতর করেছেন


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- وَرَفَعْنَا لَكَ ذِكْرَكَ. অর্থ: “আর (হে আমার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আমি আপনার সম্মানিত যিকির মুবারক, সম্মানিত আলোচনা মুবারক, শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক বুলন্দ থেকে বুলন্দতর করেছি।” সুবহানাল্লাহ!

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের তারিখ অবশ্যই পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ; অন্য কোন তারিখ নয়


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমুল ফীল বা হস্তির বছর পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার ১২ই শরীফ তারিখে দুনিয়ার যমীনে তাশরীফ মুবারক নেন। কিন্তু কিছু মুসলিম নামধারী ও কিছু নাস্তিক প্রমাণ করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে যে,

প্রতি আরবী মাসের এ মুবারক আ’দাদ শরীফ বা তারিখটি হচ্ছেন- সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। সুবহানাল্লাহ! মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেহেতু “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই