Archive for the ‘ধর্মব্যবসায়ীদের মুখোশ’ Category

সউদীর কথিত গ্র্যান্ড মুফতীরা দাজ্জালের মতো কানা কেন?


ইহুদী বংশোদ্ভূত মরুদস্যু সউদ পরিবার জাজিরাতুল আরবের ক্ষমতা দখলের পর এ পর্যন্ত তিন জনকে গ্র্যান্ড বা সরকারি প্রধান মুফতী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। এরা হলো- ১) ইবরাহিম আল আশ-শায়েখ (১৯৫৩-১৯৬৯) ২) ১৯৬৯-১৯৯৩ পর্যন্ত কেউ ছিলো না। ৩) আব্দুল্লাহ বিন বাজ (১৯৯৩-১৯৯৯)

এক ধর্মব্যবসায়ী দলের কর্মীর সাথে কথোপকথন


দলের কর্মী: আপনি পীর ছাহেবের মুরীদ!!! আপনারা তো আবার মাযার পূজা করেন? ওরশ করেন- তাই না? আল হিলাল: পীর ছাহেবের মুরীদ হলেই মাযার পূজা করতে হবে বা করবে, ওরশ করতে হবে বা করবে- এ কথা আপনি কোথায় পেলেন? দলের কর্মী: না,

হে পিতা-মাতা! আপনার সন্তান পাঠ্যবই থেকে কি শিখছে?


আপনিতো খুব করে ভাবছেন আপনার সন্তান স্কুল-কলেজে গিয়ে খুব করে পড়াশুনা করে অনেক বড় কিছু হবে। কিন্তু আপনি কি ভেবে দেখেছেন আপনার এ সন্তান আপনারই আদর্শ থেকে ছিটকে পড়ছে। আপনি যে দ্বীন-ধর্ম শিক্ষা করে বড় হয়েছেন, যে ঈমান নিয়ে আপনি পিতা-মাতা

মুসলমান ঈমানী বলে বলীয়ান হলে কাফিরদের উপর বিজয় নিশ্চিত


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেছেন, “মু’মিন-মুসলমানগণকে সাহায্য করাই মহান আল্লাহ পাক উনার হক্ব।” (পবিত্র সূরা রূম শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৪৭) সুবহানাল্লাহ! মহাপবিত্র কুরআন শরীফে নাযিলকৃত পবিত্র আয়াত শরীফ দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রতিভাত

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাকে নিয়ে ধর্ম ব্যবসায়ীদের অপপ্রচারের আরও একটি নমুনা ও তার জবাব


সালাফীরা কতটুকু ইসলামবিদ্বেষী সেটা তাদের লেখা পড়লে বা তাদের বক্তব্য শুনলে বোঝা যায়। একদিক থেকে ইসলামবিদ্বেষী নাস্তিক ও তাদের মধ্যে কোনো পার্থক্য পাওয়া যায় না। নাস্তিকরা যেমন বিভিন্নভাবে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে নিয়ে উপহাস করে সালাফীরাও সেপথে পদচারণা করেছে। এক সালাফী

এসব পুথি পড়া মোল্লাদের জন্য মানুষের ঈমান নষ্ট হয়। এরা বানিয়ে বানিয়ে হাদীছ বর্ণনা করে।


নুরুল ইসলাম ওলীপুরী নামক এক জর্দাখোর মৌলবী ওয়াজের মধ্যে বলেছে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাকি জানাজা হয়েছে সেখানে নাকি অনেকেই ইমামতি করেছে। এর মধ্যে বড় যে জানাজার জামায়াত হয়েছে সেটার ইমামতি করেছেন হযরত সিদ্দীকে আকবর আবু বকর সিদ্দীক

মিজান আযহারীর জনৈক ভক্ত আবুলের সাথে কথোপকথন


আমি: আবে হালা আবুইল্লা কেমন আছোছ? তোর বাপ হালায় কেমন আছে? আবুল: মুখ সামলে কথা বলেন। এটা কি ভদ্রলোকের ভাষা? আমার বাপকে গালি দিচ্ছেন কেন? আমি: আরে নাহ! গালি দিলাম কই মুহব্বত কইরা কইলাম । তোমার বাপ শুনছিলাম মূর্খ ছিলো। ১,২,৩

জুতা চোর তারাই যারা ৮ রাকায়াত তারাবি পড়ে পবিত্র মসজিদ থেকে বের হয়ে যায়!


২০ রাকায়াত তারাবীহ নামায আদায় করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা। কোনো জরুরত ছাড়া যারা ৮ রাকায়াত তারাবীহ পড়ে (৮ রাকায়াতে বিশ্বাসী) পবিত্র মসজিদ থেকে বের হয়ে যায় তারা নিশ্চয় জুতা চোর। এদের কে যেখানে পাবেন গণধোলাই দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দিন। – নূরে মুজাসসাম

স্টেজে বসে ওয়াজ করার সময় ফোন আসলে রিসিভ করে বলে, আমি রাস্তায় আছি


শিরোনামের বক্তব্যগুলো তথাকথিত স্বঘোষিত পীর দাবিদার, চরম মিথ্যুক, গলাবাজ এনায়াতুল্লাহ আব্বাসী উরফে লা’নাতুল্লাহ নারবাসীর। এই চরম মিথ্যুক ধর্মব্যবসায়ী লা’নাতুল্লাহ নারবাসীর। এই চরম মিথ্যুক ধর্মব্যবসায়ী লা’নাতুল্লাহ নারবাসী ব্যক্তিটি একই ষাথে দুই স্থানে মাহফিলের দাওয়াত গ্রহন করে। অতঃপর একস্থানে গিয়ে মাহফিলে ওয়াজ শুরু

মুনাফিকের অন্যতম একটা বৈশিষ্ট্য হলো গালি দেয়া।


ভালো মানুষ কখনো গালি দেয় না। দিতেই পারে না। কারো প্রতি রাগান্বিত হলেও সে খারাপ ভাষা ব্যবহার করে না। ভালো মানুষের রাগ প্রকাশের ভঙ্গিটাও হয় সুন্দর ও সংযত। পক্ষান্তরে মন্দ মানুষ যখন রাগান্বিত হয় তখন সে ভুলে যায় ভদ্রতা এবং তার

ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মুবারক শানের খিলাফ অবমাননাকর বক্তব্যের অভিযোগে এনায়েত উল্লাহ আব্বাসীর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের


ইউটিউবে ‘ইসলামী মহা সম্মেলন শীর্ষক আলোচনার প্রধান অথিতি হিসেবে বক্তব্যে এনায়েত উল্লাহ আব্বাসী ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার সম্মানিত হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মুবারক শানের খিলাফ অবমাননাকর বক্তব্যের অভিযোগে সাইবার ট্রাইবুনাল (বাংলাদেশ), ঢাকায় আজ (বৃহস্পতিবার) ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮-এর

লালন নতুন কোন মতবাদের প্রবর্তক নয় পর্ব- (১)


বর্তমান বিশ্বে লালনের অনুসারী নামে পরিচিত বাউল সম্প্রদায়, তথা গাঁজা সেবনকারী একটি দল হর হামেশায় দাবী করেন যে, লালন হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খৃষ্টান ধর্ম বাদ দিয়ে নিজেই একটি নতুন ধর্ম বা মতবাদের প্রবর্তক। আর সে ধর্ম বা মতবাদটি অসাম্প্রদায়িক বাউল