Archive for the ‘প্রতিবাদ’ Category

৯৮ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত বাংলাদেশে বারবার হুজুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম এবং দ্বীন ইসলাম নিয়ে কটুক্তি করা হচ্ছে এতে সরকারের নিরব ভূমিকা কি প্রমান করে???


মৌলুভীবাজারে আবারো হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং দ্বীন ইসলাম নিয়ে ‘উত্তম কুমার দাশ’ নামে ফেসবুক আইডি থেকে স্টেটাস দিয়েছে জারজ সন্তান,মালুর বাচ্চা মিল্টন দাশ। এতে ফুসে উঠেছে মৌলুভীবাজারের মুসলিম জনতা। স্থানীয় মুসলিম জনতা ফুসে উঠায় স্থানীয় চেয়ারম্যান ও ইউপি

বাল্যবিবাহ নয়,বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের বিরোধিতা করুন!


পবিত্র দ্বীন ইসলামের বিষয়টিই এমন যে,নিয়মমতো চলতে পারলে যেমন পরকালীন ফায়দা রয়েছে তেমনি আবার দুনিয়াবী ফায়দাও রয়েছে,প্রতিটি ক্ষেত্রে্ই।আর দ্বীনি কাজগুলোই যদি দুনিয়াবী উদ্দেশ্য পূরণের জন্যই হয় তবে শুধু সেই উদ্দেশ্যই পূরণ হবে। তেমনি একটি বিষয় হচ্ছে বিয়ে।বিয়ে করা একদিকে যেমন ইবাদত

দেশের শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন অত্যন্ত জরুরী! আপনি কি জানেন- পাঠ্যবইগুলোর কারণেই আপনার সন্তান ইসলামবিমুখ হচ্ছে


বর্তমানে আমাদের দেশের পাঠ্যবইগুলোর বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য হলো- -বইগুলোতে হিন্দু কবি-সাহিত্যিকদের লেখা কবিতা, গল্প, রচনাকে গুরুত্বসহকারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে -তাছাড়া অহিন্দু যেসব লেখক রয়েছে তারাও কেউ নাস্তিক, কেউ নাট্যকার-অভিনেতা, কেউ ছবি-মূর্তির শিল্পী। অর্থাৎ যারা ইসলামবিমুখ তাদের লেখাকেই সিলেবাসে গুরুত্ব সহকারে অন্তর্ভুক্ত

ইসলামী মূল্যবোধ, আদর্শ ও ইতিহাস থেকে ভালো শাসক হওয়ার শিক্ষা নিতে হবে


  সারা পৃথিবীর ইতিহাসে ন্যায়পরায়ণ শাসক হিসেবে সুবিখ্যাতদের অন্যতম একজন হলেন খলীফাতুল মুসলিমীন হযরত উমর ইবনে আব্দুল আযীয রহমতুল্লাহি আলাইহি। তিনি সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার দায়িত্ব গ্রহণের পর সে সময়কার অন্যতম শ্রেষ্ঠ তাবে’য়ী আমরুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত সাইয়্যিদুনা হযরত হাসান বসরী

উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার বাল্যাবস্থায় আক্বদ বা নিসবাতুল আযীম মুবারক সম্পন্ন হওয়ার ব্যাপারে যারা চু-চেরা করেছে; তারা চরম মিথ্যাবাদী, মুনাফিক ও আশাদ্দুদ্ দরজার জাহিলও বটে


  সম্প্রতি কিছু মুনাফিক শ্রেণীর লোক তারা পেপার-পত্রিকায়, বই-পত্রে, ইন্টারনেটে উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার বয়স মুবারক নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তারা একথা ছড়াচ্ছে যে, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে উম্মুল মু’মিনীন

শেষ মুঘল বাদশাহ বাহাদুর শাহ জাফর থেকে ইন্দিরা গান্ধী: যেকোনো শাসকগোষ্ঠীর নির্বংশ হওয়ার জন্য কুরবানীর বিরোধিতা করাটাই যথেষ্ট (১)


আমাদের পাক-ভারত উপমহাদেশে এমন বহু শাসক রয়েছে, যাদের পতন হয়েছে কুরবানীর বিরোধিতা করার কারণে। গরু কুরবানীর বিরোধী শাসকদের মধ্যে হিন্দু যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে ‘উলামায়ে সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ীদের দ্বারা বিভ্রান্ত মুসলমান শাসকগোষ্ঠী। তাদের সবাইকেই ক্ষমতাচ্যুত হতে হয়েছে, কিন্তু হিন্দুর চেয়ে মুসলমান

এদেশ থেকে পবিত্র কুরবানী নয়, বরং যারা পবিত্র কুরবানীর বিরোধিতাকারী, অপ্রপ্রচারকারী ও চক্রান্তকারী তারাই দেশ থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। ইনশাআল্লাহ! দেশের কোটি কোটি মুসলমানদের ঈমানী দায়িত্ব হলো- দ্বীন ইসলাম উনার যেকোনো বিষয় নিয়ে যারাই চক্রান্ত করবে, অপপ্রচার করবে তাদের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিবাদ করা। ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত এদেশের সরকার ও প্রশাসনের মনে রাখতে হবে- সংখ্যাগুরু মুসলিমদের স্বার্থ ও অধিকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া- সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব ও কর্তব্য


রাজধানীতে কুরবানীর হাট বসেছে। পবিত্র কুরবানীর প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারীরাও তাদের অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। তারা তাদের শত শত এজেন্ট মাঠে নামিয়ে দিয়েছে, দেখো কোথায় কোথায় স্কুল মাঠে কুরবানীর পশুর হাট বসেছে, কোথায় রাস্তার পাশে, হাসপাতালের পাশে হাট বসেছে, কোথায় প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া

খেলাধুলার মাঠসহ সরকারি-বেসরকারি প্রতিটি খালি জায়গায় কুরবানীর পশুর হাটের সু-ব্যবস্থাপনা করতে হবে


পবিত্র কুরবানীতে পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ ৯৮ ভাগ মুসলমান। একটি দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ৯৮ ভাগই যদি সুবিধা বঞ্চিত হয় এবং দ্বীন পালনে স্বাধীনতা না পায় তাহলে দেশটা কাদের জন্য? দেশের সরকার কাদের জন্য? একাত্তরের স্বাধীনতা অর্জন কিসের

সরকারী কর্মকর্তাদেরকে স্মরণ রাখতে হবে যে, তাদের জন্য সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার কোনো আদেশ ও নিষেধের উপর হস্তক্ষেপ করার কোনো অধিকার নেই।


প্রতি বছরই পবিত্র কুরবানীর সময় নানা অযুহাতে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের চেষ্টা করে কিছু ইসলাম বিদ্বেষী মহল। তাই প্রতি বছরের মতো এবারেও পবিত্র কুরবানীতে বাধা সৃষ্টি করতে কিছু ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে মরিয়া হয়ে পড়েছে প্রশাসন। তার মধ্যে একটি হচ্ছে পরিবেশ দুষণের মিথ্যা অজুহাতে

সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত স্থানে পবিত্র কুরবানীর পশু যবেহ করতে বাধ্য করা পবিত্র কুরবানীর বিরুদ্ধে এক গভীর ষড়যন্ত্র। সরকারকে অবশ্যই অবশ্যই অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নিতে হবে।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার পাকড়াও অত্যান্ত কঠিন।” সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত স্থানে পবিত্র কুরবানীর পশু যবেহ করতে বাধ্য করা পবিত্র কুরবানীর বিরুদ্ধে এক গভীর ষড়যন্ত্র। সরকারী কর্মকর্তাদেরকে স্মরণ রাখতে হবে যে, তাদের জন্য সম্মানিত

ইসলাম বিরোধী তর্জ-তরীক্বা প্রত্যাহার করে মুসলমানদেরকে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ মুতাবিক কুরবানী করার সুযোগ দিন


  বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন সরকারের সম্মানিত কুরবানী ও ইসলাম বিদ্বেষী অপপ্রচার তাদের খুদ কুঁড়া লোভী কিছু পত্র-পত্রিকা ও টেলিভিশন চ্যানেলের ভাঙ্গা ও বিরক্তিকর রেকর্ড মুসলিম জনগণ ও মতের তোয়াক্কা না করে একটানা প্রচার করেই চলেছে। সরকারি ও চিহ্নিত বেসরকারি মহলের কুরবানীবিদ্বেষী ডামাঢোলের

কুরবানী নিয়ে মেয়রের বিতর্কিত পদক্ষেপ: এত প্রতিবাদ হচ্ছে, তারপরও সরকারের নির্লিপ্ততা রহস্যজনক


নিজের কিছু স্বার্থ আদায়ের জন্য মানুষ কতই না ভান ধরে, কতভাবে কাকুতি করে, তারপরও নিজের স্বার্থ উদ্ধার করাই চাই চাই। সবচাইতে আশ্চর্য হতে হয় তখন- যখন স্বার্থ আদায়কারী ব্যক্তি অকৃতজ্ঞের মতো উপকারীকে অস্বীকার করে বসে। আমাদের দেশের সরকারের আচরণকে অনেকেই এর