Archive for the ‘শিক্ষা’ Category

এটা কি পাঠ্যপুস্তক, নাকি বিধর্মীদের ‘প্রশংসা-পুস্তক’?


বেখবর বাংলার কোটি কোটি মুসলমান! বিধর্মী-বিজাতীয়দের প্লানগুলো একে একে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্তরে হিন্দুকরণ ও নাস্তিকদের পদায়নের পর এখন এ দেশের স্কুল, কলেজ, মাদরাসাসহ সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যপুস্তকগুলোকে সেই নীলনকশা বাস্তবায়নের আয়ত্তে আনা হয়েছে এবং হচ্ছে। ক্লাস ওয়ান থেকে শুরু

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সঠিক ইতিহাস চর্চাকে গুরুত্বহীন করার মাশুল দিতে হচ্ছে মুসলমানদের


ইতিহাসকে কেন্দ্র করে অমুসলিম-বিধর্মীরা অহরহ মুসলমানদেরকে সাম্প্রদায়িক আঘাত করে থাকে। বাবরি মসজিদ রামমন্দির ছিল কিংবা তাজমহল শিবমন্দির ছিল- এধরনের বিকৃত ইতিহাসকে কেন্দ্র করেই ভারতে বিজেপির রাজনীতি পরিচালিত হয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, বিধর্মীদেরই নিজস্ব কোনো ইতিহাসই নেই। বিধর্মীদের দাবিগুলোর সবকয়েকটিই দলিলবিহীন ও

ইসলামী ফাউন্ডেশনে আবারও শয়তানের অনুপ্রবেশ: গণশিক্ষার বইয়ে ব্যাপক কাটছাঁট


ইসলামিক ফাউন্ডেশনে আবারো বাতিলপন্থীদের শয়তানী ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। সেখানে নতুন ডিজি আনিস মাহমুদ কাদেরের প্রবেশের পর থেকেই শুরু হয়েছে হক্ব বিষয়গুলোর পরিবর্তে বাতিল বিষয়গুলোর অনুপ্রবেশ। ইসলামী ফাউন্ডেশনের গণশিক্ষার সহজ কুরআন শিক্ষা বইয়ের পূর্বের ২০২০ সালের সংস্করণ আর চলমান ২০২১ সালের সংস্করণে

সূত্রপাত হাদিয়া


সূত্রপাত হাদিয়া : আমার পরিচিত ব্যবসায়ী যিনি একসময় ঢাকার কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি তে বুরকার ব্যবসা করতেন “টুটুল ভাই” ! তিনি কিছুদিন পূর্বে আমাকে মেহেরপুরের আম সম্পর্কে জানালেন আমিও উনাকে ১০/২০ কেজি আমের খরচ সহ মূল্য জানাতে বললাম ! উনি জানালেন এবং

আল মানছূর হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মুবারক শানে কিছু কথা🌷


আল মানছূর হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মুবারক শানে কিছু কথা ৯ মাহে রমাদ্বান শরীফ-১৪৪২ চিন্তা-ফিকিরের ঊর্ধ্বে, বর্ণনার ঊর্ধ্বে, লিখার ঊর্ধ্বে, বলার ঊর্ধ্বে যাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত বুযুর্গী রয়েছে, উনাদের প্রথম সারির, সর্বোচ্চ তবকার ব্যক্তিত্ব হচ্ছেন- খলীফাতুল উমাম, আল মানছূর হযরত

পাঠ্যবইয়ের রচনাগুলো গভীর ষড়যন্ত্রেরই একটি অংশ ॥ স্বয়ং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কেই চরম মানহানীকর, বিভ্রান্তিকর ও কুফরী বক্তব্য


স্কুল, কলেজসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বইয়ের লেখাগুলোর বেশিরভাগই চরম গুমরাহ ধর্মবিদ্বেষী নাস্তিক, মূর্তিপূজারী, ফাসিক-ফুজ্জারদের লেখা। ২-১টি লেখাকে ‘ইসলামী’ তথা কথিত মুসলমান নামধারীদের হলেও সেগুলোও মুসলমানদের মত-পথ, আক্বীদা-আমলের সম্পূর্ণ বিপরীত। বইগুলোতে দু’একটি কথিত ইসলামী ভাবধারার যে রচনাগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তার মধ্যেই

সেমিনারে বক্তারা: ‘মুসলমানরা না থাকলে বাংলা ভাষার অস্তিত্ব থাকতো না’


মুসলমানরা এ অঞ্চলে না আসলে বাংলা ভাষার অস্তিত্ব থাকতো না বলে মন্তব্য করেছে ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফের ‘ভাষা গবেষণা বিভাগ’। গতকাল ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) জাতীয় প্রেসক্লাবে আকরাম খাঁ হলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত “বাংলা ভাষা ও সাহিত্য মুসলমানদের দান” শীর্ষক

‘অছাম্প্রদায়িক’ চেতনার কারণেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখন ছা-ছমুছা-ছপের কারখানাতে পরিণত হয়েছে


“এক কাপ ছা, একটা ছমুছা, আর একটা ছপ, মাত্র দশ টাকায় এই তিনটা জিনিস পাওয়া যাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে।” প্রতি বছর আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাঙ্কিং প্রকাশিত হওয়ার পর যখন তাতে ঢাবি, বুয়েট কিংবা বাংলাদেশের কোনো ভার্সিটিকেই প্রথম ১০০০ এর তালিকায় খুঁজে

শত্রুর প্রতি বিদ্বেষ-ই বাঁচিয়ে রাখে; এজন্য শত্রুরাই বন্ধুত্বের ফাঁদ পাতে


একাত্তরে বাঙালি মুসলমানরা পাকিস্তানী বাহিনীর বিরুদ্ধে বিজয় অর্জন করেছিল। এই বিজয় অর্জন সম্ভব হতো না, যদি না বাঙালি মুসলমানরা পশ্চিম পাকিস্তানী যালিম শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিদ্বেষ পোষণ করতো। এ প্রসঙ্গে একাত্তরে ‘চরমপত্র’ অনুষ্ঠানের পাঠক এমআর আখতার মুকুলের রচিত ‘গয়রহ’ নামক গ্রন্থের ১৫১-১৫২

এই উপমহাদেশ থেকে এখনও ব্রিটিশ অপশাসনের সূর্য অস্ত যায়নি তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা


ব্রিটিশরা এ উপমহাদেশে প্রবেশ করে সর্বপ্রথম ৮০ হাজার মক্তব বন্ধ করে দেয় এবং প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু

স্কুলের সেক্যুলার বইগুলো মাদরাসায় পড়ানো হচ্ছে কেনো?


স্কুলের সেক্যুলার বইগুলো মাদরাসায় পড়ানো হচ্ছে কেনো? তাহলে মাদরাসার কিতাবাদি স্কুলে পড়ানো হবে না কেনো? বাংলা সাহিত্য, ইংরেজী, বিশ্বপরিচয়সহ আরো বেশ কয়েকটি বই রয়েছে যেগুলো স্কুলের পাঠ্যবইয়ের সাথে সাথে মাদরাসায়ও একই বই পড়ানো হচ্ছে। ওই বইগুলো খুললে কখনোই মনে হবে না

এই কুফরী শিক্ষানীতি পরিবর্তনে সরকারকে বাধ্য করতে হবে


রাশিয়ায় কমুনিস্টরা ক্ষমতা দখল করেই প্রথম যে কাজটি করেছিলো সেটি ছিলো- সম্পূর্ণ শিক্ষাব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন। কমুনিস্টরা নতুন শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি করা পর্যন্ত বেশ কয়েকবছর তাদের সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বন্ধ রাখে। এরপর তারা কমুনিজমকে শিক্ষার মূল পাঠ্য করে সেভাবেই পাঠ্যপুস্তকগুলো রচনা করে। কমুনিজমকে বাধ্যতামূলক