Archive for the ‘ষড়যন্ত্র’ Category

বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থা (WHO) নিজেই যখন বিতর্কিত


‘বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থা (হু)কে সবাই ওষুধের মান নির্ণায়ক হিসেবে মনে করে। কিন্তু ‘হু’র কার্যক্রমই বিশ্বজুড়ে বিতর্কিত। সংস্থাটি মূলত পশ্চিমাদের সাম্রাজ্যবাদ বিস্তারে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ১৯৮৭ সালে মার্কিন হেলথ ফেডারেশনের এক কনফারেন্সে বিষয়টিকে উন্মুক্ত করে বক্তারা বলেছিল, “আফ্রিকাকে এইডস দিয়ে ধ্বংস

সফট ড্রিংকস বা কোমল পানীয়র নামে স্লো-পয়জন?


কোকাকোলা, পেপসিসহ বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন কোমল পানীয়ের মধ্যে যে এলকোহলসহ বিভিন্ন ক্ষতিকারক বা বিষাক্ত উপাদান রয়েছে এ বিষয়ে দৈনিক আল ইহসান শরীফ ও মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ উনার মধ্যে অনেক আগে থেকেই জনসচেতনতামূলক লেখালেখি হয়েছে এবং হচ্ছে। এখন দেরিতে হলেও বিভিন্ন

আবার লকডাউন আবারও মানুষের জীবন-জীবিকার উপর আঘাত; সরকারের এ ঘোষণায় যে কোটি কোটি মানুষ খাদ্যের অভাবে ভুগছে, তাদের দায় কে নিবে? জনগণ জানতে চায়- সরকারী আমলাদের বেতন-ভাতা কি লকডাউনে বন্ধ থাকবে?


বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষ যারা দিন আনে দিন খায়। হয়তো এদের কারও কারও হাতে ১-২ দিনের বাড়তি খাবারের টাকা থাকে। এরপর তাদের কাজ না থাকলে, আয় না থাকলে এদের না খাবার পালা। কিন্তু যতই লকডাউন আর বিধি-নিষেধ আসুক সরকারী আমলা-কামলারা কি

সরকারের প্রতি খোলা চিঠি: কথিত বিধি-নিষেধের আড়ালে চলছে মহাষড়যন্ত্র


দেশের একটি স্বার্থান্বেষী, কুচক্রী, অতি উৎসাহী এবং সম্মানিত দ্বীন ইসলাম বিদ্বেষী মহলের-কুমন্ত্রনায় করোনা ভাইরাসের নামে পবিত্র মসজিদ, মাদরাসা, মক্তব, স্কুল, কলেজ, অফিস-আদালত-কোর্ট-কাচারী, মিল-কলকারখানা, দোকান পাট, অর্থাৎ মানুষের জীবন নির্বাহের অত্যাবশ্যকীয় সকল ক্ষেত্র বন্ধ করে দিয়ে আপামর জনসাধারণকে এক মহা অনিশ্চয়তার দিকে-

সরকারী পদগুলোতে ঘাপটি মেরে আছে ছদ্মবেশী মুনাফিকরা!


আমাদের দেশের প্রশাসন ও সরকার অনেক সময় হাক্বীকত না জেনে, না বুঝে বিধর্মী, মুশরিক, অমুসলিম, জামাতী খারেজী, ওহাবী, ধর্মব্যবসায়ীদেরকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ও পদে বসিয়ে থাকে। অথচ তারা এরপর যে দলীয়করণ ও স্বজনপ্রীতির ফলে প্রশাসন, সরকার ও দেশকে হুমকির মুখে ফেলে দেয়

মানুষকে কষ্ট দেয়ার এক কুফরী নীতির নাম হচ্ছে কথিত এই ‘স্থাস্থ্যবিধি’


অবস্থাটা এমন হয়েছে যে, কোন কাফির-মুশরিক কোন একটা বিষয় জারী করলে আমাদের দেশেও সেটা কায়িম করতেই হবে। নাউযুবিল্লাহ! কিন্তু সেটা কতটুকু ফায়দাজনক তা কখনো কি চিন্তা করেছে আমাদের দেশের কর্ণধাররা? বর্তমানে কাফিরদের প্রতি আপতিত মহাগযব করোনার কারণে কাফিররা তাদের দেশে লকডাউন

পাঠ্যবইয়ের রচনাগুলো গভীর ষড়যন্ত্রেরই একটি অংশ ॥ স্বয়ং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কেই চরম মানহানীকর, বিভ্রান্তিকর ও কুফরী বক্তব্য


স্কুল, কলেজসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বইয়ের লেখাগুলোর বেশিরভাগই চরম গুমরাহ ধর্মবিদ্বেষী নাস্তিক, মূর্তিপূজারী, ফাসিক-ফুজ্জারদের লেখা। ২-১টি লেখাকে ‘ইসলামী’ তথা কথিত মুসলমান নামধারীদের হলেও সেগুলোও মুসলমানদের মত-পথ, আক্বীদা-আমলের সম্পূর্ণ বিপরীত। বইগুলোতে দু’একটি কথিত ইসলামী ভাবধারার যে রচনাগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তার মধ্যেই

পাঠ্যবই থেকে যারা ‘জিহাদ’ শব্দটি বাদ দিতে চায় তারা মূলত রাজাকারদের বংশধর


সম্প্রতিকালে বাংলাদেশে একটি চিহ্নিত ইসলামবিদ্বেষী মহল সিলেবাস থেকে সরাসরি জিহাদ শব্দটি বাদ দিয়ে দিতে চাচ্ছে। যা মূলত সম্মানিত দ্বীন ইসলাম বিকৃত করার শামীল। অথচ পবিত্র জিহাদ শব্দটি ব্যাবহার করেই ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয়েছিলো পাকিস্তানী হানাদার আর রাজাকারদের বিরুদ্ধে ।বাংলাদেশের স্বাধীনতা

বিশ্বজুড়ে সংবাদমাধ্যমগুলো ইসলামবিদ্বেষীদের কব্জায়


বর্তমানে মুসলিম বিশ্বের ক্ষতি সাধন করার জন্য পুঁজির পাশাপাশি ইসলামবিদ্বেষীরা যে শক্তিশালী প্রধান হাতিয়ার ব্যবহার করছে তা হলো মিডিয়া। কারণ মিডিয়া হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী এবং দ্রুত প্রচার মাধ্যম। তাই বিশ্ব মিডিয়া যদি তাদের হাতের মুঠোয় থাকে তাহলে তারা সহজেই মুসলিমবিরোধী অপপ্রচার

করোনা হুজুগ এবং অতঃপর


কথায় বলে ‘হুজুগে বাঙালী’। ‘হুজুগে বাঙাল’ বলা হয়নি। এর কারণ হয়তো ‘বাঙাল’ বলতে আমাদের দেশের সহজ সরল মানুষগুলোকে বুঝানো হয়ে থাকে যারা কাউকে ঠকাতে জানে না বরং ঠক খেয়ে ফিরে আসতে জানে। করোনায় ‘লক ডাউনের’ সময় একজন আরেকজনকে বলতে শুনেছি, “তুই

বিধর্মীদের কথিত শিক্ষা ও দুনিয়াবী যোগ্যতার কী গুরুত্ব থাকতে পারে?


আমাদের দেশে বিধর্মীদেরকে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে প্রতিষ্ঠিত করছে ক্ষমতাসীন সরকার। তবে শুধু ক্ষমতাসীন সরকারকে দোষ দিয়ে লাভ নেই, কারণ দেশের সর্বস্তরের জনসাধারণের মধ্যেও একই ধরনের মানসিকতা বিদ্যমান রয়েছে। তারা বিধর্মীদেরকে শিক্ষিত ও যোগ্য মনে করে থাকে এবং তাদের হাতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বভার

দ্বীন ইসলাম থেকে সরিয়ে দেয়ার জন্যই নানা রকম আজগুবি বেহুদা দিবসের প্রচলন করছে তারা(!)


অন্যের ঘরের পিঠার ঘ্রাণ বেশি। একটা প্রচলিত কথা। কথাটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো, নিজের যা আছে তাতে সে খুশি নয় কিংবা অন্যের যা আছে সেটাকেই বেশি উৎকৃষ্ট মনে করা। এটাকে হীনম্মন্যতা কিংবা এধরনের মানসিকতার অধিকারীকে মানসিক বিকারগ্রস্তও বলা যায়। দুঃখজনক হলেও