Archive for the ‘ষড়যন্ত্র’ Category

করোনা হুজুগ এবং অতঃপর


কথায় বলে ‘হুজুগে বাঙালী’। ‘হুজুগে বাঙাল’ বলা হয়নি। এর কারণ হয়তো ‘বাঙাল’ বলতে আমাদের দেশের সহজ সরল মানুষগুলোকে বুঝানো হয়ে থাকে যারা কাউকে ঠকাতে জানে না বরং ঠক খেয়ে ফিরে আসতে জানে। করোনায় ‘লক ডাউনের’ সময় একজন আরেকজনকে বলতে শুনেছি, “তুই

বিধর্মীদের কথিত শিক্ষা ও দুনিয়াবী যোগ্যতার কী গুরুত্ব থাকতে পারে?


আমাদের দেশে বিধর্মীদেরকে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে প্রতিষ্ঠিত করছে ক্ষমতাসীন সরকার। তবে শুধু ক্ষমতাসীন সরকারকে দোষ দিয়ে লাভ নেই, কারণ দেশের সর্বস্তরের জনসাধারণের মধ্যেও একই ধরনের মানসিকতা বিদ্যমান রয়েছে। তারা বিধর্মীদেরকে শিক্ষিত ও যোগ্য মনে করে থাকে এবং তাদের হাতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বভার

দ্বীন ইসলাম থেকে সরিয়ে দেয়ার জন্যই নানা রকম আজগুবি বেহুদা দিবসের প্রচলন করছে তারা(!)


অন্যের ঘরের পিঠার ঘ্রাণ বেশি। একটা প্রচলিত কথা। কথাটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো, নিজের যা আছে তাতে সে খুশি নয় কিংবা অন্যের যা আছে সেটাকেই বেশি উৎকৃষ্ট মনে করা। এটাকে হীনম্মন্যতা কিংবা এধরনের মানসিকতার অধিকারীকে মানসিক বিকারগ্রস্তও বলা যায়। দুঃখজনক হলেও

যথাযথ গবেষণা ব্যতিত ঢালাওভাবে জিএম ফুড অনুমোদন সংবিধান এবং আন্তর্জাতিক প্রাণবৈচিত্র্য সনদের লঙ্ঘন


ইদানিং সরকার বিদেশী বিভিন্ন আগ্রাসী কর্পোরেট কোম্পানীর সাথে জিএম ফুড নিয়ে চুক্তি করছে। এই চুক্তি করছে কোন রকম গবেষণা ছাড়াই। একটা জিএম ফুড বাজারে ছাড়ার আগে তার ক্ষতিকর দিক কি হতে পারে, বীজসত্ব কি হবে, খাদ্য নিরাপত্তা সংকটে পড়বে কি না

এই উপমহাদেশ থেকে এখনও ব্রিটিশ অপশাসনের সূর্য অস্ত যায়নি তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা


ব্রিটিশরা এ উপমহাদেশে প্রবেশ করে সর্বপ্রথম ৮০ হাজার মক্তব বন্ধ করে দেয় এবং প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু

স্কুলের সেক্যুলার বইগুলো মাদরাসায় পড়ানো হচ্ছে কেনো?


স্কুলের সেক্যুলার বইগুলো মাদরাসায় পড়ানো হচ্ছে কেনো? তাহলে মাদরাসার কিতাবাদি স্কুলে পড়ানো হবে না কেনো? বাংলা সাহিত্য, ইংরেজী, বিশ্বপরিচয়সহ আরো বেশ কয়েকটি বই রয়েছে যেগুলো স্কুলের পাঠ্যবইয়ের সাথে সাথে মাদরাসায়ও একই বই পড়ানো হচ্ছে। ওই বইগুলো খুললে কখনোই মনে হবে না

সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদসমূহ উত্তমভাবে তা’যীম-তাকরীমের সাথে সংরক্ষণ করা ফরয। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ঐ ব্যক্তির চেয়ে বড় যালিম আর কে? যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র মসজিদসমূহে উনার পবিত্র যিকির করতে বা উনার পবিত্র নাম মুবারক উচ্চারণ করতে বাধা দেয় এবং পবিত্র মসজিদসমূহ বিরান বা ধ্বংস

প্রশাসনের মধ্যে ইসলামবিদ্বেষীদের অনুপ্রবেশ সরকারের জন্য বুমেরাং হবে


সম্প্রতি কিছু ইসলামবিদ্বেষীদের নড়াচড়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিদেশী এজেন্ট গণমাধ্যম আর কিছু গ্রন্থ প্রকাশনা সংস্থার উপর ভর করে এসব অবাঞ্চিত মহল এদেশে নাস্তিক্যবাদ, সমকামিতা, নারী স্বাধীনতা আর প্রগতিশীলতার নামে বেপরোয়াভাবে ইসলামবিদ্বেষমূলক কর্মযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে। এরা মুসলমান সমাজে বাস করে, মুসলমানদেরটা খেয়ে-পরে

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিয়ে শান মুবারক অবমাননাকারীদেরকে শরঈ শাস্তি প্রদান করা ওয়াজিব


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে, উনার সম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম অর্থাৎ উনার সম্মানিত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদের সম্পর্কে, উনার সম্মানিতা আওয়াজে মুত্বহহারাত হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে এবং উনার সম্মানিত আওলাদ

ভারত আর মায়ানমারের পরিকল্পিত মাদক পাচারে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার সূচনালগ্নেই ইহুদীরা বুঝতে পেরেছিল মুসলমানদেরকে সম্মুখযুদ্ধে পরাজিত করা সম্ভব নয়। কিন্তু তাদের এ বিষয়টা পুরো পাকাপোক্ত হয় ত্রয়োদশ শতাব্দীতে ক্রুসেড যুদ্ধের সময়। হযরত সালাহুদ্দীন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কাছে কাফিররা যখন চরমভাবে পর্যুদস্ত হয় তখন থেকেই কাফির-মুশরিকরা

কথিত ‘সংখ্যালঘু নির্যাতন’(?) রোধে আমাদের যা করণীয়…


বর্তমানে এদেশের অন্যতম একটি প্রধান সমস্যা হলো ‘সংখ্যালঘু নির্যাতন’। হিন্দুদের ব্যাপকহারে সরকারি উচ্চপদ দিয়ে, কিংবা তাদের কুঁড়েঘর থেকে শুরু করে হিন্দুগ্রামের রাস্তাগুলো পাকা করে দিলেও এদেশের মুসলমানরা ‘অসাম্প্রদায়িকতা’র সার্টিফিকেট পাচ্ছে না, আফসোস! এই অচলাবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে যা করণীয়, তা নিয়েই

বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থা (WHO) নিজেই যখন বিতর্কিত


‘বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থা (WHO)কে সবাই ওষুধের মান নির্ণায়ক হিসেবে মনে করে। কিন্তু ‘হু’র কার্যক্রমই বিশ্বজুড়ে বিতর্কিত। সংস্থাটি মূলত পশ্চিমাদের সাম্রাজ্যবাদ বিস্তারে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ১৯৮৭ সালে মার্কিন হেলথ ফেডারেশনের এক কনফারেন্সে বিষয়টিকে উন্মুক্ত করে বক্তারা বলেছিল, “আফ্রিকাকে এইডস দিয়ে ধ্বংস