Archive for the ‘ষড়যন্ত্র’ Category

হক পীরদের বিরুদ্ধে অপশক্তির চক্রান্ত নস্যাতের ডাক,


“সম্মানিত ফুরফুরা শরীফ উনার সিলসিলা” #রাজারবাগ_শরীফের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে, জামাত-জঙ্গীবাদ-মৌলবাদ বিরোধী রাজারবাগ দরবার শরীফকে নিয়ে অব্যাহত মিডিয়া ক্যুর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের পক্ষপাতদুষ্ট রিপোর্ট এবং সিআইডির ভুল তদন্ত প্রত্যাখান করে এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

পাহাড়ে আযান দেয়ার অপরাধে গ্রেফতার!!!


সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ে গিয়ে ধর্মীয় আযান দিয়ে ছবি ফেসবুকে পোস্ট করার অভিযোগে দুই মাদ্রাসাছাত্রকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) রাতে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক কেশব চক্রবর্তী এ তথ্য জানিয়েছে।

কাদিয়ানী ও খ্রিস্টানরা কিভাবে সারা বিশ্বে মুসলমানদের বিরুদ্ধে অপতৎপরতা চালাচ্ছে


(বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কিভাবে প্রতিযোগিতা করে মুসলমানদেরকে খ্রিস্টান বানানোর অপচেষ্টা চলছে সেটা ফাঁস করে দিয়েছেন অনেক মুসাফির প্রত্যক্ষদর্শী। সেখান থেকেই কিছু অংশ পাঠকদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরা হল।) এরপর আমরা এ অঞ্চলের মুসলিম নেতৃবৃন্দের সাথে সাক্ষাৎ করলাম এবং তাদের কাছে পরিস্থিতি জানালাম।

এটা কি পাঠ্যপুস্তক, নাকি বিধর্মীদের ‘প্রশংসা-পুস্তক’?


বেখবর বাংলার কোটি কোটি মুসলমান! বিধর্মী-বিজাতীয়দের প্লানগুলো একে একে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্তরে হিন্দুকরণ ও নাস্তিকদের পদায়নের পর এখন এ দেশের স্কুল, কলেজ, মাদরাসাসহ সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যপুস্তকগুলোকে সেই নীলনকশা বাস্তবায়নের আয়ত্তে আনা হয়েছে এবং হচ্ছে। ক্লাস ওয়ান থেকে শুরু

গোল্ডেন রাইস (জিএমও শস্য) চাষ করার বুদ্ধিদাতারা দেশ ও জাতির শত্রু


বিশ্বব্যাপী নিষিদ্ধ জিএমও ক্রপ্স (জেনেটিক্যাল মডিফাইড খাদ্য শস্য) বাংলাদেশের মতো খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি দেশে কী করে অনুমোদিত হতে পারে, তা সত্যিই আশ্চর্যের বিষয়। আমাদের দেশে এই আত্মঘাতী বীজ বাণিজ্যিকিকরণের পেছনে কে বা কারা কাজ করছে তাদেরকে চিহ্নিত করা ও খুঁজে বের

সন্ত্রাসবাদের নেপথ্য নায়ক বনাম আজকের বাংলাদেশ


চীনের সাথে উপমাহাদেশের চারটি দেশের সীমান্ত রয়েছে। বাংলাদেশের সাথে সীমান্ত না থাকলেও বিগত দশকগুলোতে যে ধরনের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে তা ক্রমেই ভূ-রাজনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। চীনের সাথে পাকিস্তানের এবং মায়ানমারের মধ্যে যে ধরনের কৌশলগত সামরিক সম্পর্ক রয়েছে সে কারণেই

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সঠিক ইতিহাস চর্চাকে গুরুত্বহীন করার মাশুল দিতে হচ্ছে মুসলমানদের


ইতিহাসকে কেন্দ্র করে অমুসলিম-বিধর্মীরা অহরহ মুসলমানদেরকে সাম্প্রদায়িক আঘাত করে থাকে। বাবরি মসজিদ রামমন্দির ছিল কিংবা তাজমহল শিবমন্দির ছিল- এধরনের বিকৃত ইতিহাসকে কেন্দ্র করেই ভারতে বিজেপির রাজনীতি পরিচালিত হয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, বিধর্মীদেরই নিজস্ব কোনো ইতিহাসই নেই। বিধর্মীদের দাবিগুলোর সবকয়েকটিই দলিলবিহীন ও

ভারতে মুসলিম নির্যাতন: ‘হিন্দুত্ববাদী স্লোগান’ না দেয়ায় ভারতে উত্তর প্রদেশে প্রকাশ্যে মুসলিম যুবককে লাঞ্ছনা


ভারতের উত্তর প্রদেশে এক মুসলিম যুবককে প্রকাশ্যে সড়কে লাঞ্ছিত করার খবর পাওয়া গেছে। তাকে হিন্দুত্ববাদীরা জোরপূর্বক ‘জয় শ্রী রাম’ বলানোর পাশাপাশি রাস্তায় রাস্তায় অপমান জনকভাবে ঘোরায়। গত বুধবার (১১ আগস্ট) রাজ্যের কানপুর শহরে এই ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক

কাফের-মুশরেকদের সাথে অসাম্প্রদায়িক সম্পর্ক তৈরির নামে মুসলমানদের ‘মুসলমানিত্ব’ বিনষ্ট করার জন্যই কথিত ‘ইন্টারফেইথ ডায়লগ’ থিওরী আনা হয়েছে। দ্বীন ইসলাম নিয়ে অস্বীকারমূলক, আপোষমূলক বক্তব্য প্রদান ও প্রচার করাই এসবের মূল উদ্দেশ্য।


আন্তঃধর্মীয় সম্মেলন বা ‘ইন্টারফেইথ ডায়ালগ’ বর্তমান সময়ের একশ্রেণীর ইসলামপন্থী দাবিদারদের নিকট খুব আকর্ষণীয় বিষয়। তারা নানাবিধ চটকদার প্রচারণা চালায় যে, ইহুদি-নাসারাদের সাথে একত্রে বসে ঐসব সম্মেলন করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মুসলমানদের সম্মান বৃদ্ধি হচ্ছে, কাফির মুশরিকদের সাথে বন্ধুত্ব ও শান্তি প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে,

ইসলামবিদ্বেষী ও মুসলিমবিদ্বেষী কাফিরদের বিরুদ্ধে শক্তভাবে দোয়া করা উচিত


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- مَنْ رَأَى مِنْكُمْ مُنْكَرًا فَلْيُغَيِّرْهُ بِيَدِهِ فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِلِسَانِهِ فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِقَلْبِهِ وَذَلِكَ أَضْعَفُ الإِيمَانِ অর্থ: “তোমরা অন্যায় কাজ হতে দেখলে হাত দ্বারা বাধা দাও। যদি

টিকা নিয়ে ষড়যন্ত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) নিজেই যখন বিতর্কিত


‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)কে সবাই ওষুধের মান নির্ণায়ক হিসেবে মনে করে। কিন্তু ‘হু’র কার্যক্রমই বিশ্বজুড়ে বিতর্কিত। সংস্থাটি মূলত পশ্চিমাদের সাম্রাজ্যবাদ বিস্তারে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ১৯৮৭ সালে মার্কিন হেলথ ফেডারেশনের এক কনফারেন্সে বিষয়টিকে উন্মুক্ত করে বক্তারা বলেছিল, “আফ্রিকাকে এইডস দিয়ে ধ্বংস

কথিত প্রাচ্যবিদদের ইসলামবিদ্বেষী ষড়যন্ত্র বনাম মুসলমানদের করণীয়


পাশ্চাত্যের ঐ সমস্ত লোক যারা প্রাচ্যের তথা মুসলমানদের ভাষা সাংস্কৃতিক দর্শন সাহিত্য ও ধর্ম নিয়ে গবেষণা ও লেখালেখি করে থাকে তাদেরকে প্রাচ্যবিদ ইংরেজিতে ঙৎরবহঃধষরংঃ. আরবীতে মুস্তাশরিকীন বলে। মূলত, তারা পাশ্চাত্যের অধিবাসী কিন্তু প্রাচ্য নিয়ে গবেষণা করার কারণে তাদেরকে প্রাচ্যবিদ বলা হয়।