Archive for the ‘ইসলামের ইতিহাস’ Category

সুন্নত মুবারক পালনের গুরুত্ব ও ফযীলত !


একটি সুন্নত পালনে যদি ১০০ শহীদের সওয়াব পাওয়া যায়, তাহলে সুন্নত উনার গুরুত্ব, মর্যাদা, ফযীলত কতটুকু নিচের ওয়াকিয়াটি পড়ে আমাদের ফিকির করা উচিত! হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতূম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি ছিলেন উম্মুল মুমিনীন হযরত খাদিজা রদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহা উনার

শিশুদের মুহব্বতের তরীকা


“কোন এক সময় এক বেদুঈন রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট এসে বললো, ‘ইয়া রসূলাল্লাহ্, ইয়া হাবীবাল্লাহ্ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি কি শিশুদের চুমু দেন? আমি তো কখনো শিশুদের চুমু দেই না।’ জবাবে খাইরুল আলম, হাবীবাল্লাহ্ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু

মুসলিম শাসনামলের বিস্ময়কর আবিষ্কারক যাঁরা


মানব সভ্যতার ক্রমবিকাশে মুসলিম শাসনামলের মনীষীদের অবদান অবিস্মরণীয়। যুগ যুগ ধরে গবেষণা ও সৃষ্টিশীল কাজে তাদের একাগ্রতা প্রমাণিত।   বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের নিজস্ব ধ্যান ধারণা সভ্যতার বিকাশকে করেছে আরও গতিশীল। রসায়ন, পদার্থ, জীববিজ্ঞান, কৃষি, চিকিৎসা, জ্যোতির্বিজ্ঞান, দর্শন, ইতিহাস সর্বত্র ছিল

মুসলিম সেনাপতি খালিদ বিন ওয়ালিদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, ‍যিনি কখনো কোন যুদ্ধে পরাজিত হন নি


হযরত খালিদ বিন ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ছিলেন মুসলিম ইতিহাসে আলোড়ন সৃষ্টিকারী এক মহান সেনাপতি। যিনি রণক্ষেত্রে নিজের শক্তি ও মেধার দ্বারা বাতিলের শক্তি মূলোৎপাটন করে তাওহীদের পতাকাকে বুলন্দ করেছিলেন। হযরত খালিদ ইবন ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ( ৫৯২–৬৪২) তিনি ছিলেন

অ্যাস্ট্রোনমারদের গবেষণায় নির্ভুলভাবে প্রমাণ হয় ১২ই রবিউল আউয়াল-ই হচ্ছে নবীজির আগমণ (জন্ম) এর দিন


অ্যাস্ট্রোনমারদের গবেষণায় নির্ভুলভাবে প্রমাণ হয় ১২ই রবিউল আউয়াল-ই হচ্ছে নবীজির আগমণ (জন্ম) এর দিন নবীজির বিদায় গ্রহণের দিন ছিলো: হিজরী সন: ১১ হিজরীর ১২ই রবিউল আউয়াল ঈসায়ী সন: ৬৩২ সাল, ৮ই জুন বার: সোমবার **(১ নং দ্রষ্টব্য দেখুন) Back Calculation করে

মসজিদ আল-আকসা ও ডোম অফ দ্য রক


মসজিদ আল-আকসা ও কুব্বাত আস-সাখরাহ:   ৬৩৭ খ্রিষ্টাব্দে মুসলিমরা বাইজেন্টাইন অধীনস্থ জেরুজালেম নগরী জয় করে। ইসলামের প্রথম কিবলা এবং মি’রাজের সাথে সম্পর্কিত জেরুজালেম (আরবী নাম আল-কুদস القدس al-Quds – The Holy One) ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান হিসেবে বিবেচিত। পুরনো জেরুজালেমে অবস্থিত

রাতের আঁধার ভেদে এক আরশী জ্যোৎস্নার প্রকাশ


রাতের আঁধার ভেদে এক আরশী জ্যোৎস্নার প্রকাশ স্নিগ্ধ মায়ার আবরণে তেজস্বী কিরণের আভাস। কাউছার লুটিয়ে পড়ে চুমে আপনার পাক কদম হে শাহযাদী ছানী আপনায় স্বাগতম । নীল আকাশ ছেড়ে পাখি খুঁজে ফিরে নীড়ের ছায়া কবিতার বাণী খুঁজে ছন্দ সুরের মায়া ঘন

স্রষ্টার কোন সৃষ্টি অযথা, নিষ্প্রোয়জনীয়, উদ্দেশ্যবিহীন নয়!


হযরত মুসা কালিমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি একদিন আল্লাহপাক উনাকে প্রশ্ন করলেন… “হে আল্লাহপাক! যদি ৪টি জিনিস হতো আর ৪টি জিনিস না হত তবে খুব ভাল হত, ১) যদি জীবন হত, মৃত্যু না হত । ২) যদি জান্নাত হত জাহান্নাম না হত।

যেভাবে হাতছাড়া স্বাধীন আরাকান


========== আজকের নির্যাতিত আরাকানের মুসলমানদের রয়েছে গৌরবময় অতীত। একসময় আরাকান রাজ্যের রাজা বৌদ্ধ হলেও সে মুসলমান উপাধি গ্রহণ করতো। তার মুদ্রায় ফারসি ভাষায় লেখা থাকত কালেমা শরীফ।   আরাকান রাজদরবারে কাজ করতেন অনেক বাঙালি মুসলমান। বাংলার সঙ্গে আরাকানের ছিল গভীর রাজনৈতিক

সাপের ডিম


বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হাবীব বিন ফদীক রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু কোন এক জায়গায় যাচ্ছিলেন। ঘটনাক্রমে উনার পা একটি বিষাক্ত সাপের ডিমের উপর পড়ে। এতে ডিমটি ফেটে যায় এবং এর বিষ ক্রিয়ায় হযরত হাবীব বিন ফদীক রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার চোখ একেবারে ঘোলা

সুলতান সালাহুদ্দী আইউবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কবরের পাশে সতেরো বছর কাটিয়েছে যে ব্যক্তি


সুলতান হযরত সালাহুদ্দীন আইউবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার জীবনিতে সাইফুল্লাহ নামক এক ব্যক্তি পাওয়া যায়, যার সম্পর্কে বলা হয়- কেউ যদি সুলতান হযরত সালাহুদ্দীন আইউবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার আনুগত্য করে থাকে, সে হলো সাইফুল্লাহ। লোকটি সুলতানের ওফাতের পর সতেরো বছর জীবিত ছিলেন।

বুদ্ধিমতি বৃদ্ধা


এক মাওলানা এক বৃদ্ধাকে চরকায় সূতা কাটতে দেখে বললেন, বুড়ি! সাড়া জীবন কি শুধু চরকা ঘুরাতে রইলে, নাকি খোদাকেও জানার জন্য কিছু করলে? বৃদ্ধা উত্তর দিল, বেটা! এ চরকার মধ্যে আমি খোদাকে জানতে পেরেছি। মাওলানা সাহেব বললেন কি আশ্চর্য! তাহলে বলেন