তিনি কারবালার হৃদয় বিদারক ঘটনার পর আর কখনো হাসেননি


কারবালার ঘটনার পর সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুর রবি আলাইহিস সালাম তিনি যখনই পানি দেখতেন, তখনই কারবালায় আহলু বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের পিপাসার কথা মনে পড়তো ও তিনি এতে অত্যন্ত ব্যথিত হতেন। তিনি কোনো ভেড়া বা দুম্বা জবাই করার দৃশ্য 

পাহাড়ে আযান দেয়ার অপরাধে গ্রেফতার!!!


সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ে গিয়ে ধর্মীয় আযান দিয়ে ছবি ফেসবুকে পোস্ট করার অভিযোগে দুই মাদ্রাসাছাত্রকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) রাতে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক কেশব চক্রবর্তী এ তথ্য জানিয়েছে। 

এ দেশের মুসলমানগণ মহাসমারোহে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উদযাপন করতে চায়


  সারা বিশ্বের মুসলমানদের নবরূপে জাগ্রত করতে বর্ষ পরিক্রমায় আবারো এসেছে মহাপবিত্র সর্বশ্রেষ্ঠ থেকেও সর্বশ্রেষ্ঠতম মাস পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস। কারণ এই মহান মাসে রয়েছে কুল-কায়িনাতের তথা জিন-ইনসানের সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা মহাসম্মানিত 

সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ভিত্তি হচ্ছেন সম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা


জামিউল আহাদীছ, জামউল জাওয়ামি’, জামিউল কবীর, কানযুল উম্মাল ইত্যাদি কিতাবসমূহে বর্ণিত রয়েছে- ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত আলী র্কারামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি বর্ণনা করেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম 

বাংলাদেশে ১৪৪৩ হিজরী সনের পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করতে হবে আগামী ২৯শে মুহররমুল হারাম শরীফ ১৪৪৩


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘(আমার মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ বিশেষ দিনগুলো ঈমানদার বান্দা-বান্দী উনাদেরকে স্মরণ করিয়ে দিন। নিশ্চয়ই এতে ধৈর্যশীল, শোকরগোযার বান্দা-বান্দীদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।’ সুবহানাল্লাহ! বাংলাদেশে ১৪৪৩ 

পবিত্র আক্বীদা বা আক্বাইদ উনার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা


পবিত্র ঈমান ও আক্বাইদই হচ্ছে সম্মানিত ইসলামী যিন্দিগীর মূল বিষয়। কেননা যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার তাওহীদ বা একত্বে বিশ্বাসী নয় এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নুবুওওয়াত মুবারক ও রিসালত মুবারক উনার উপর যার 

কাদিয়ানী ও খ্রিস্টানরা কিভাবে সারা বিশ্বে মুসলমানদের বিরুদ্ধে অপতৎপরতা চালাচ্ছে


(বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কিভাবে প্রতিযোগিতা করে মুসলমানদেরকে খ্রিস্টান বানানোর অপচেষ্টা চলছে সেটা ফাঁস করে দিয়েছেন অনেক মুসাফির প্রত্যক্ষদর্শী। সেখান থেকেই কিছু অংশ পাঠকদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরা হল।) এরপর আমরা এ অঞ্চলের মুসলিম নেতৃবৃন্দের সাথে সাক্ষাৎ করলাম এবং তাদের কাছে পরিস্থিতি জানালাম। 

তিহাস কি প্রমাণ করে- তারা মুক্তিযুদ্ধে ‘সহায়তাকারী’ নাকি লুটপাটকারী?


স্বাধীনতার পর ভারতীয় সুযোগসন্ধানী বাহিনী ৩ ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে মার্চ ১৯৭২ পর্যন্ত সময় বাংলাদেশে অবস্থান করে। এই সময়ে কি পরিমাণ লুটপাট তারা করে তা বর্ণনাতীত।তাদের লুটপাট মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষদেরকে হতবাক করে দেয়। ২১শে জানুয়ারি ১৯৭২ সালে ব্রিটেনের বিখ্যাত গার্ডিয়ান পত্রিকায় 

মুসলমানরা যদি মহান আল্লাহ পাক উনার অসন্তুষ্টি থেকে পরিত্রাণ পেতে চায়, সর্বপ্রকার অসুখ-বিসুখ ও আযাব-গযব থেকে নাযাত চায় এবং


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যদি তোমরা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার উপর ইস্তিক্বামত থাকতে পারো এবং মুত্তাক্বী হও, তবে কাফির-মুশরিকদের ষড়যন্ত্র তোমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।” সুবহানাল্লাহ! মুসলমানরা যদি মহান আল্লাহ পাক উনার অসন্তুষ্টি থেকে পরিত্রাণ পেতে চায়, 

খাবারে লুকিয়ে থাকা হারাম উপাদান


আমরা কেবল ভাত, ডাল, রুটি, গোশত খাই না। নানা জাতীয় প্রসেসড ফুড, ড্রিঙ্কস, চকলেট, জেলি ইত্যাদি ছড়িয়ে আছে চারপাশে, সেগুলোও আমরা অনেকেই খাই। তবে এরই মাঝে অনেক প্রোডাক্টে আছে হারাম বা সন্দেহজনক উপাদান যা আমাদের জানা নেই। সেই লক্ষ্য নিয়ে আমরা 

পবিত্র কুরআন শরীফ মুতাবিক- মুসলমানদের উচিত কাফির মুশরিকদেরকে শত্রু হিসেবেই জানা


  শত্রু সম্পর্কে জানা আবশ্যক। কেননা শত্রু সম্পর্কে জানা না থাকলে, যে কোন সময় শত্রুর দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। মুসলমানদের শত্রু কারা সে সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- لَتَجِدَنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَدَاوَةً لِّلَّذِينَ آمَنُوا الْيَهُودَ وَالَّذِينَ أَشْرَكُوا 

এই ‘শব্দগুলো’ ব্যবহার পরিত্যাগ করতে হবে


১. God: প্রায় সকল বইতে “আল্লাহ পাক” শব্দটিকে ইংরেজিতে লিখার সময় প্রতিশব্দ হিসেবে “God” লিখে থাকে। কিন্তু এই শব্দটি মোটেও ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ “God” শব্দটির স্ত্রী বাচক শব্দ “Godess” আছে। অপরপক্ষে মহান আল্লাহ পাক তিনি হচ্ছেন ছমাদ বা বেনিয়াজ