যথাযথ গবেষণা ব্যতিত ঢালাওভাবে জিএম ফুড অনুমোদন সংবিধান এবং আন্তর্জাতিক প্রাণবৈচিত্র্য সনদের লঙ্ঘন


ইদানিং সরকার বিদেশী বিভিন্ন আগ্রাসী কর্পোরেট কোম্পানীর সাথে জিএম ফুড নিয়ে চুক্তি করছে। এই চুক্তি করছে কোন রকম গবেষণা ছাড়াই। একটা জিএম ফুড বাজারে ছাড়ার আগে তার ক্ষতিকর দিক কি হতে পারে, বীজসত্ব কি হবে, খাদ্য নিরাপত্তা সংকটে পড়বে কি না 

প্রসঙ্গ: বাল্যবিবাহ সুন্নত “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হূযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র ওহী মুবারক ব্যতীত নিজ থেকে


সম্মানিত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হূযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা হযরত ছিদ্দীকা আলাইহাস সালাম উনার যখন নিসবাতুল আযীম শরীফ (সম্মানিত শাদী মুবারক) সম্পন্ন হয় তখন উনার বয়স মুবারক 

একই দিনেই বা একই সময়ে সারাবিশ্বে ঈদ করার কথা যারা বলে, তারা চরম জাহিল


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম সর্ম্পকে যে একেবারে অজ্ঞ, গণ্ডমুর্খ তাকেই আরবী ভাষায় জাহিল বলে এবং জিহালতের মাত্রা যার মধ্যে বেশি পরিলক্ষিত হয় তাকে বলা হয় চরম জাহিল। উল্লেখ্য, চাঁদ ও সূর্যের সাথে সম্মানিত মুসলমান উনাদের ইবাদত বন্দেগীর বিষয়টি জড়িত। পবিত্র ঈদ কবে 

সূরা ফাতিহা শরীফ থেকে কি শিখলেন, আর বাস্তবে কি করা হচ্ছে?


পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার প্রথম সূরা মুবারক উনার নাম হচ্ছেন পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ। এই পবিত্র সূরা উনাকে বলা হয় ‘উম্মুল কুরআন’। নাযিল হওয়ার ধারাবাহিকতায় এ পবিত্র সূরা শরীফ পঞ্চম হলেও পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার প্রথমে অবস্থান হয় এই পবিত্র সূরা’ 

এই উপমহাদেশ থেকে এখনও ব্রিটিশ অপশাসনের সূর্য অস্ত যায়নি তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা


ব্রিটিশরা এ উপমহাদেশে প্রবেশ করে সর্বপ্রথম ৮০ হাজার মক্তব বন্ধ করে দেয় এবং প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু 

সম্মানিত সুন্নত মুবারক অনুসরনের বেমেছাল প্রাপ্তি


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- قُلْ إِن كُنتُمْ تُحِبُّونَ اللَّـهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللَّـهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ ۗ وَاللَّـهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ অর্থ: “আপনি উম্মতগণকে জানিয়ে দিন, যদি তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত হাছিল করতে চাও তাহলে আমার ইত্তিবা (অনুসরণ-অনুকরণ) 

এরপরও কি এসব পেপার-পত্রিকাগুলোকে ইসলামবিরোধী বলা হবে না?


ইদানীং পত্রিকাগুলো হাতে নিলেই প্রথম পৃষ্ঠা থেকে শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত বড় বড় ছবি আর হেডিং নিয়ে থাকে শুধু বিশ্বকাপ খেলার খবর। এসব খবরে শুধু যে, কে হারলো আর কে জিতলো এসব খবর থাকে তা নয়; থাকে খেলোয়াড়দের জীবন কাহিনী, থাকে কে 

বাংলাদেশে দারিদ্রতা ও আয় বৈষম্য বিপদসীমার কাছাকাছি। মধ্যবিত্তরা দিন দিন দরিদ্র হচ্ছে এবং দরিদ্ররা আরো অতি দরিদ্রে পরিণত হচ্ছে।


সমস্ত প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি 

যাকাত অনাদায়ে হালাল উপার্জনও হারাম হয়ে যাচ্ছে!


আপনি সৎ ও পরহেযগার থাকতে চান। তাই সুদ-ঘুষ খান না, অন্যের হক্ব নষ্ট করেন না, অবৈধ পথে উপার্জন করেন না। কিন্তু এত কিছুর পরও আপনার উপার্জন হালাল হচ্ছে না, বরং আপনি হারাম খাচ্ছেন। আশ্চর্য হচ্ছেন এই কথা শুনে? আশ্চর্য হওয়ারই কথা। 

প্রসঙ্গঃ চেয়ারে নামায পড়া: সরকারি মৌলুভীরাই ফতওয়ার বিকৃতি করে


সরকারি মৌলুভীর কাছে ফতওয়া চাওয়া হলো- মসজিদে চেয়ার স্থাপন করে সেখানে অসুস্থ রোগী জামায়াতের সাথে নামায আদায় করতে পারবে কি-না। সরকারি মৌলুভী এমন নতুন মাসয়ালার সদুত্তর দিতে না পেরে হক্কানী আলিম উলামা উনাদের ফতওয়া নকল করে জানিয়ে দিলো- মসজিদে চেয়ারে বসে 

প্রসঙ্গঃ বাল্যবিবাহ বন্ধ ও ডাস্টবিনের শিশু


বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের একটি কমন খবর হয়ে দাঁড়িয়েছে, কোথাও না কোথাও পড়ে থাকা নবজাতক শিশু উদ্ধার। কখনও ডাস্টবিনে, কখনও নর্দমায়, কখনওবা জঙ্গলেই পাওয়া যাচ্ছে এসব পরিচয়হীন শিশুদের। তবে আরও ভয়াবহ খবরও ইদানিং পাওয়া যাচ্ছে। যেমন কিছুদিন আগে রাজধানী ঢাকার একটি বিল্ডিংয়ের 

সরকার বা প্রশাসন কোনটাকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করে? “নাগরিক অধিকার” বনাম “ইসলামী অধিকার”


রাস্তায় অনেককেই দেখা যায় মুখে কাপড়ের এক ধরনের মাস্ক ব্যবহার করে আর সঙ্গে বড় সানগ্লাস, যা মূলতঃ সূর্যের খরতাপ ও রাস্তার অতিরিক্ত ধুলিবালি থেকে চোখ নাক মুখ রক্ষা করার জন্যই। রাস্তায় অতি মাত্রায় ধুলিবালির কারণ কি? সরকারের দেশ উন্নয়নের জোয়ারে মাটি