যে ব্যক্তি যামানার ইমাম উনাকে চিনলো না তার মৃত্যু হবে জাহিলিয়াত যুগের ন্যায়


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি হিজরী শতকের শুরুতে একজন মুজাদ্দিদ প্রেরণ করেন যিনি পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সংস্কার করে থাকেন।” সুবহানাল্লাহ! ঠিক তদ্রƒপ বর্তমান যামানার মুজাদ্দিদ হলেন আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া 

কাইয়্যুমে আউওয়াল হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ফাযায়িল-ফযীলত ও সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহ উমরী মুবারক


মহান আল্লাহ পাক উনার ওলীগণ উনাদেরকে মুহব্বত ও অনুসরণ-অনুকরণ করার কথা খোদ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে রয়েছে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে, উনার রসূল, নূরে 

সুমহান ও বরকতময় ১৪ই শাওওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সিবত্বতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত বিনতু


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতবাসীকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোজার বান্দা-বান্দী উনাদের জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে। সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান ও বরকতময় ১৪ই শাওওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ! 

সিবত্বতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু কুলছূম বিনতে কাররামাল্লাহু


সম্মানিত পরিচিতি মুবারক: সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু কুলছূম বিনতে কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিতা সিব্ত্বতুন (নাতনী) আলাইহাস সালাম। সুবহানাল্লাহ! তিনি হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক 

আফদ্বালুল আউলিয়া, ইমামে রব্বানী, গাউছে সামদানী, নূরে মুকাররম, বদরুদ্দীন হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার প্রতি সুসংবাদ


১। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আফদ্বালুল আউলিয়া, ইমামে রব্বানী, গাউছে সামদানী হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে সুসংবাদ দিয়ে বলেন, “আপনি ইলমে কালাম উনার মুজতাহিদ।” ২। আফদ্বালুল আউলিয়া, 

মানুষ ঘুমন্ত, মৃত্যুর পর হয় সজাগ


পবিত্র হাদীছ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে, النَّاسُ نِيَامٌ , فَإِذَا مَاتُوا انْتَبَهُو অর্থ: মানুষ ঘুমন্ত। যখন সে মৃত্যুবরণ করে তখন সে সজাগ হয়। (আযযুহদুল কাবীর লিলবাইহাকী, শরহুন নওবী) অন্য বর্ণনায় এসেছে, اَلنَّاسُ نِيَامٌ ، فَإِذَا انْتَبَهُوْا نَدَمُوْا ، وَإِذَا نَدَمُوْا لَـمْ 

সেলোয়ার পরিধান করা পবিত্র সুন্নত মুবারক


কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, لُبْسُ السَّرَابِيْلِ سُنَّةٌ وَ هُوَ مِنْ اَسْتُرِ الثِّيَابِ لِلرِّجَالِ وَالنِّسَاءِ كَذَا فِى الْغَرَائِبْ )فتوى عالمگيرى الجزء الرابع( অর্থ: গারায়িব নামক কিতাবে রয়েছে, সেলোয়ার পরিধান করা পুরুষ মহিলা উভয়ের জন্য পবিত্র সুন্নত মুবারক। (ফাতওয়ায়ে আলমগীরী চতুর্থ খন্ড) মহিলাদের জন্যেও 

ভারতের ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদটি যারা ভেঙ্গে ফেলেছে, আদালতে ভাঙ্গার পক্ষে রায় দিয়েছে তারা সহ সার্বিক ষড়যন্ত্রে সংশ্লিষ্ট সকলকেই আবরারাহার


ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদটি ছিল স¤্রাট বাবরের শাসনামলে নির্মাণাধীন একটি রাজকীয় বিশেষ মসজিদ। এটি ছিল ভারতের উত্তর প্রদেশের ফৈজাবাদ জেলার অযোধ্যা শহরের রামকোট হিলের উপর অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ। এটি ‎নির্মাণ হয় ১৫২৭ সালে এবং ১৯৯২ সালের ডিসেম্বর মাসের ৬ তারিখে বিশ্ব 

মেধা, শ্রম দিয়ে মুসলমান ঘরের সন্তানরাই কাফির-মুশরিকদের শক্তিশালী করেছে


‘ওয়াইল্ড ওয়েস্ট’ নামে একটি কথা অনেকেই শুনেছে, যার অর্থ হলো ‘বুনো পাশ্চাত্য’। উনবিংশ শতাব্দীতে আমেরিকার টেক্সাস, আরিজোনা এসব অঞ্চলে মরুভূমির মাঝে সাদা চামড়ার খ্রিস্টানদের ছোট ছোট জনবসতি ছিলো। ঐসব অঞ্চলে আইন-কানুন বলতে কিছু ছিলো না, প্রত্যেকের সাথে থাকতো বন্দুক। কিছু হলেই 

হিন্দুস্থানের বিশিষ্ট ওলী হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাক্বী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ১২ই শরীফ পালন


চীশতিয়া খান্দানের বিশিষ্ট বুযুর্গ হযরত খাজা গরীবে নেওয়াজ ম্ঈুনুদ্দীন হাসান চীশতি রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার প্রধান খলীফা হলেন হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাক্বী রহমতুল্লাহি আলাইহি। তিনি ‘দলীলুল আরেফীন’ নামক বিখ্যাত কিতাবের লিখক। উনার পবিত্র বিছাল শরীফ গ্রহণের ঘটনাটি অনেক মশহুর। ঘটনাটি ‘কুতুবে ছে’র’ 

কবরের পরীক্ষার প্রস্তুতি কতটুকু হচ্ছে, সেদিকে নজর আছে কি?


আমরা মুসলমান। আমরা বিশ্বাস করি-পরকাল বলতে একটি অন্তঃহীন বিষয় আছে। আর সেটার শুরুই হবে আমাদের ইন্তেকালের সাথে সাথেই। সম্মানিত মুসলমান উনাদের প্রধান জীবন বিধান পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের মধ্যে ইন্তেকালের পর প্রথম মনজিল কবরের মধ্যে কি কি 

মুসলমানদের উচিত- সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম অনুসরণ-অনুকরণ করা এবং সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার সমস্ত তর্জ-তরীক্বা ও সমস্ত আইয়্যামুল্লাহ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট একমাত্র মনোনীত দ্বীন হচ্ছেন সম্মানিত ইসলাম।” সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ সম্মানিত দ্বীন ইসলামই হচ্ছেন একমাত্র মনোনীত, হক্ব, পরিপূর্ণ ও সন্তুষ্টিপ্রাপ্ত দ্বীন। সুবহানাল্লাহ! অথচ তারপরও মুসলমানরা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে অনুসরণ-অনুকরণ