সম্মানিত সুন্নত মুবারক পালন করা সম্মানিত ফরয


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- مَنْ تَمَسَّكَ بِسُنَّتِي عِنْدَ فَسَادِ أُمَّتِي فَلَهُ أَجْرُ مِائَةِ شَهِيدٍ অর্থ:- “যিনি আমার উম্মতের ফিতনা-ফাসাদের যুগে কোন একটা সুন্নত মুবারককে আঁকড়িয়ে ধরে রাখবেন, উনাকে একশত শহীদের ছাওয়াব প্রদান 

সরকারের কথিত বিধি-নিষেধে- খাবারের অভাবে, চিকিৎসার অভাবে ভুগবে অনেক মানুষ, জালিমরা কি মজলুমদের বদদোয়াকে ভয় করে না?


সরকার কার কথা শুনে এ ধরণের সিদ্ধান্ত নিলো? সরকারী আমলা-কামলারাতো নানা পথে অঢেল টাকা-পয়সা কামিয়েছে, তাদেরতো চিন্তা থাকার কথা নয়। কিন্তু যে সকল দিনমজুর, দরিদ্র মানুষ যারা দিন আনে দিন খায়, তাদের ব্যপারে কি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে? তাদেরকে যে সরকার ঘরের 

কথিত ‘স্বাস্থ্যবিধি’ ও ‘সীমিত পরিসর’ দ্বীন ইসলামসম্মত নয়


সম্প্রতি করোনা ভাইরাস গযবে চীনসহ তাবৎ কাফির রাষ্ট্রে কোটি কোটি কাফির নিহত হয়েছে। এবং সে গযব থেকে বাঁচার জন্য তারা নিজ নিজ ঘর-বাড়িতে অবস্থানের জন্য লকডাউন ব্যবস্থা চালু করেছে। কিন্তু এতেও তারা স্বস্তি ও নিস্তার পায়নি। এখন কাফিরদের সাথে নামধারি মুসলমানদের 

তারাবীহ নামায ২০ রাকায়াতই আদায় করতে হবে


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের জন্য রমাদ্বান শরীফ মাস উনার রোযাকে ফরয করেছেন আর আমি তোমাদের জন্য ক্বিয়ামুল লাইল তথা তারাবীহ নামাযকে সুন্নত করেছি। সুবহানাল্লাহ! মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত 

ভেবে চিন্তে আইন প্রণয়ন করা উচিত


ওরা না জানে মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ। আর না জানে নিজেদের ইতিহাস। মেয়েদের বালেগা বা প্রাপ্তা বয়স্ক হওয়ার ন্যূনতম বয়স হচ্ছে ৯ বছর। আর উর্ধ্বতম বয়স হচ্ছে ১৫ বছর। আর ছেলেদের বালেগ বা প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার সর্বোচ্চ সীমা 

৭১’র ভারতীয় ক্রীতদাস তারা


“সারেন্ডার কারুংগা, মগর মুক্তি কে পাস নেহি, হিন্দুস্তানী ফৌজ কে পাস করুংগা।” ১৯৭১ সালে ডিসেম্বরের গোড়ার দিকে বাংলাদেশের বিভিন্ন রণাঙ্গনে পলায়নপর তৎকালীন পাকিস্তানী বাহিনীর শিবিরে প্রায় সবারই মুখে এই-ই ছিলো সর্বশেষ সেøাগান। এতো দম্ভোক্তি, এতো হত্যা, এতো ধ্বংসের পর অবশিষ্ট পাকী 

৯৮ ভাগ মুসলামন অধ্যুষিত এ দেশের বাজেটে যা হওয়ার কথা


বাংলাদেশের সরকারী বাজেটগুলোতে দেখা যায় বিনোদন, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় খাতকে এক সাথে রাখা হয়। অথচ ধর্মীয় খাতকে আলাদা রাখা উচিত। ধর্মীয় খাত বলতে আবার দ্বীন ইসলাম, হিন্দু ধর্ম, বেীদ্ধ ধর্ম, খ্রিস্টানসহ অন্যান্য ধর্মকে বুঝায়। এই দেশে শতকরা ৯৮% মুসলমান। মুসলমানরা এই 

সরকারী পদগুলোতে ঘাপটি মেরে আছে ছদ্মবেশী মুনাফিকরা!


আমাদের দেশের প্রশাসন ও সরকার অনেক সময় হাক্বীকত না জেনে, না বুঝে বিধর্মী, মুশরিক, অমুসলিম, জামাতী খারেজী, ওহাবী, ধর্মব্যবসায়ীদেরকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ও পদে বসিয়ে থাকে। অথচ তারা এরপর যে দলীয়করণ ও স্বজনপ্রীতির ফলে প্রশাসন, সরকার ও দেশকে হুমকির মুখে ফেলে দেয় 

অসুবিধা শুধু দ্বীন ইসলাম পালন করলেই কেন?


পবিত্র ঈমানে মুফাসসাল উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে, ‘আমি বিশ্বাস করলাম মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি, মহান আল্লাহ পাক উনার রাসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি, মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে প্রেরিত কিতাবসমূহের প্রতি, হযরত 

নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ সরকারী আমলারা কোন মুখে জনগণকে ‘স্বাস্থ্যবিধি’ নামক জুলুমবাজি মানতে বলে?


সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল- “পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র সুন্নাহ শরীফ বিরোধী কোন আইন পাশ হবেনা”। অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে চলাই সরকারের রাজনৈতিক ম্যান্ডেট। কিন্তু বাস্তবে সরকার পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনার বিপরীতেই চলছে। 

মানুষকে কষ্ট দেয়ার এক কুফরী নীতির নাম হচ্ছে কথিত এই ‘স্থাস্থ্যবিধি’


অবস্থাটা এমন হয়েছে যে, কোন কাফির-মুশরিক কোন একটা বিষয় জারী করলে আমাদের দেশেও সেটা কায়িম করতেই হবে। নাউযুবিল্লাহ! কিন্তু সেটা কতটুকু ফায়দাজনক তা কখনো কি চিন্তা করেছে আমাদের দেশের কর্ণধাররা? বর্তমানে কাফিরদের প্রতি আপতিত মহাগযব করোনার কারণে কাফিররা তাদের দেশে লকডাউন 

সর্বোত্তম পদক্ষেপ হলো- পবিত্র নামাযের সারি মিলানোর জন্য পদক্ষেপ নেয়া


সম্মানিত ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عَنْ حَضْرَتْ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُوْلُ اِنَّ اللهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّوْنَ عَلَى الَّذِيْنَ يَلُوْنَ الصُّفُوْفَ الْاُوْلَى وَمَا مِنْ خَطْوَةٍ اَحَبُّ