সমাজ থেকে ইসলামী ভাবধারা নষ্ট করার জন্যই বাল্যবিবাহের বিরোধিতা। বাল্যবিবাহ নিষিদ্ধ করতে এত উৎসাহ কিন্তু- বিবাহপূর্ব প্রেম-ভালোবাসার নামে অনৈতিক


যারা বাল্যবিবাহ বন্ধ করার আইন করেছে ও যারা এ কাজে সহযোগিতা করছে তাদের জন্য ও পাঠকদের জন্য কিছু প্রশ্ন দিয়েই লেখাটি শুরু করতে চাই। গ্রামের একটি মেয়ের বিয়ে ভেঙ্গে গেলে কি হয়- একটি দরিদ্র পরিবার একবার বিয়ের আয়োজন করতে জমি-জমা বিক্রি 

পহেলা বৈশাখের বাঙ্গালীয়ানা এবং থার্টি ফার্স্ট নাইটের খ্রীষ্টিয়ানা কোনটাই ৯৮ ভাগ মুসলমানের এদেশে চলতে পারে না।


এদেশে যারা পহেলা বৈশাখের নামে বাঙ্গালীয়ানার হুজ্জোতে মেতে উঠে তারাই আবার ইংরেজী থার্টি ফার্স্ট নাইটের অশ্লীলতায় মজে থাকে। পহেলা বৈশাখের বাঙ্গালীয়ানা এবং থার্টি ফার্স্ট নাইটের খ্রীষ্টিয়ানা কোনটাই ৯৮ ভাগ মুসলমানের এদেশে চলতে পারে না। পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ 

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ পালন করা সকলের জন্য ফরযে আইন


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক وَذَكِّرْهُمْ بِاَيَّامِ اللهِ اِنَّ فِـىْ ذٰلِكَ لَاٰيٰتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُوْرٍ অর্থ: “আর আপনি তাদেরকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ তথা মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিশেষ বিশেষ দিন মুবারক 

“তাক্বওয়া অর্জনের মাধ্যমেই সন্তুষ্টি মুবারক হাছীল করা সম্ভব”


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট সবচেয়ে সম্মানিত ঐ ব্যক্তি, যে সবচেয়ে বেশি পরহেযগার বা মুত্তাক্বী।” এই পবিত্র আয়াত শরীফ উনার দ¦ারা সুস্পষ্টভাবে বুঝা যায় যে, যে ব্যক্তি তাক্বওয়া হাছীল করবে, অর্থাৎ যে যত 

কোন রোগকে ছোঁয়াচে বা সংক্রামক মনে করা, বলা, প্রচার-প্রসার এবং সমর্থন করা সবই কাট্টা কুফরী ও শিরকীর অন্তর্ভূক্ত।


পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক করা হয়েছে, “ছোঁয়াচে বলে কোন রোগ নেই।” সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- কোন রোগকে ছোঁয়াচে বা সংক্রামক মনে করা, বলা, প্রচার-প্রসার এবং সমর্থন করা সবই কাট্টা কুফরী ও শিরকীর অন্তর্ভূক্ত। যেসকল মালানারা করোনাকে ছোঁয়াচে বলে 

ভেঙে যাচ্ছে সমাজ, ভেঙে যাচ্ছে পরিবার, নেপথ্যে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন


প্রচলিত সমাজের মতে, মানুষের মৌলিক চাহিদা হলো- অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা। কিন্তু দ্বীন ইসলামে আরও একটি মৌলিক চাহিদা আছে, সেটা হলো- বিবাহ। কিন্তু মানুষের অন্যতম এই মৌলিক চাহিদাকে বাদ দিয়েছে চক্রান্তকারী ইসলবিরোধীগোষ্ঠীরা। কারন তারা যেমন নিজেরাও ব্যভিচার ও বেহায়াপনার 

স্কুলের সেক্যুলার বইগুলো মাদরাসায় পড়ানো হচ্ছে কেনো?


স্কুলের সেক্যুলার বইগুলো মাদরাসায় পড়ানো হচ্ছে কেনো? তাহলে মাদরাসার কিতাবাদি স্কুলে পড়ানো হবে না কেনো? বাংলা সাহিত্য, ইংরেজী, বিশ্বপরিচয়সহ আরো বেশ কয়েকটি বই রয়েছে যেগুলো স্কুলের পাঠ্যবইয়ের সাথে সাথে মাদরাসায়ও একই বই পড়ানো হচ্ছে। ওই বইগুলো খুললে কখনোই মনে হবে না 

কথিত সংস্কৃতি চর্চার নামে বেতাল-বেখবর রাখা হচ্ছে জনগণকে


গণতান্ত্রিক সরকারগুলোর অব্যর্থ একটি পলিসি আছে। যখন-ই সরকাররা নিজেদেরকে জনরোষ থেকে রক্ষা করতে চায় কিম্বা দেশবিরোধী কোন চুক্তি করতে চায়, তখনই কোনো না কোনো ঘটনা ঘটায়। বর্তমান সরকারও সেই পলিসি প্রয়োগ করে জোরালোভাবে সরকার বুঝে গেছে এই জাতিকে কোনো হারাম কাজে 

সংখ্যালঘুদের ছুটিতে কেন সারাদেশ বন্ধ থাকবে?


একটি রাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হতে হলে তাকে ছুটি দেয়ার সময় অবশ্যই লাভ-ক্ষতির হিসেব কষতে হবে। দেশের সামান্য কিছু লোকের ছুটির প্রয়োজনে গোটা দেশের মানুষের ছুটি দিয়ে দিলে নিয়ম-শৃঙ্খলা বলে কিছু থাকবে না। কেননা একদিন ছুটি দেয়া মানে দেশের অর্থনীতিকে পুরোপুরি অবশ 

বিশেষ আইয়্যামুল্লাহ শরীফ সুমহান বেমেছাল বরকতময় ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফ। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোজার বান্দা-বান্দীদের জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে।’ সুবহানাল্লাহ! বিশেষ আইয়্যামুল্লাহ শরীফ সুমহান বেমেছাল বরকতময় ২২শে জুমাদাল ঊলা 

যারা ছবি তুলে, তৈরি করে, অঙ্কন করে তারা খোদা দাবিকারী নমরূদ, ফিরআউনের উত্তরসূরি


সরাসরি রব দাবি করেছিল চির মালউন, জাহান্নামী নমরূদ ও ফিরআউন। আর পরোক্ষভাবে বর্তমানে খোদা তথা সৃষ্টিকর্তা দাবি করতেছে তারা, যারা ছবি তুলে, আঁকে, অঙ্কন করে ও তৈরি করে এবং যারা মূর্তি, ভাস্কর্য, ম্যানকিন, পুতুল ইত্যাদি তৈরি করে। কেননা পবিত্র দ্বীন ইসলাম 

মালিকুত তামাম, ক্বসিমুন নিয়াম, সাইয়্যিদুল আনাম, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য খুশি প্রকাশ


يَاۤ أَيُّهَا النَّبِيُّ إِنَّا أَرْسَلْنَاكَ شَاهِدًا وَّمُبَشِّرًا وَّنَذِيْرًا অর্থ : আমার মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি আপনাকে শাহিদ, মুবাশশির বা সুসংবাদদাতা এবং নাযির বা ভীতি প্রদর্শনকারী হিসেবে প্রেরণ করেছি। (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ ৪৫) অর্থাৎ, মহাসম্মানিত