এক নজরে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বৎসরভিত্তিক


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র জীবনী মুবারক জানা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের জন্য ফরযে আইন। সুবহানাল্লাহ! উনার শান মুবারক-এ পৃথিবীর ইতিহাসে আরবীসহ বিভিন্ন ভাষায় অনেক জীবনী মুবারক লেখা হয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের 

হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ১২ই শরীফ তাশরীফ মুবারক আনার কারণে এ সম্মানিত তারিখকে সাইয়্যিদু


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার নিয়ামত মুবারক (নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে) স্মরণ করো।” সুবহানাল্লাহ! আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই শাওওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মালিকুত তামাম, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর 

সম্মানিত ইসলামী তর্জ-তরীক্বা এবং আইয়্যামুল্লাহ শরীফ সমূহকে গুরুত্ব না দেয়া এবং পালন না করার কারণেই মুসলমানরা হারাম-নাজায়িয ও বেদ্বীনী-বদদ্বীনী


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট একমাত্র মনোনীত দ্বীন হচ্ছেন সম্মানিত ইসলাম।” সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ সম্মানিত দ্বীন ইসলামই হচ্ছেন একমাত্র মনোনীত, হক্ব, পরিপূর্ণ ও সন্তুষ্টিপ্রাপ্ত দ্বীন। সুবহানাল্লাহ! অথচ তারপরও মুসলমানরা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে অনুসরণ-অনুকরণ 

সংক্ষেপে মো./সাঃ/দঃ/ ঝ.গ ইত্যাদি লেখার বিষয়ে শরীয়ত কি বলে!


সংক্ষেপে মো./সাঃ/দঃ/ ঝ.গ ইত্যাদি লেখার বিষয়ে শরীয়ত কি বলে! সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্ নাবিইয়ীন,নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার নাম মুবারক শুনে দুরূদ শরীফ পাঠ করা ফরয। আম ফতওয়া হলো একই মজলিসে একাধিকবার নাম মুবারক উচ্চারিত হলে 

কুল-কায়িনাতের সকলের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- সৃষ্টির মূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বত হাছিল করতে


পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমি গুপ্ত বা পুশিদা ছিলাম। অতঃপর আমার মুহব্বত হলো যে, আমি পরিচিত হই তখন পরিচয় লাভের উদ্দেশ্যে আমি সৃষ্টির যিনি মূল (আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উনাকে সৃষ্টি করলাম। 

বাল্যবিবাহকে কটাক্ষ করা কখনোই শরীয়তসম্মত নয়, বরং কুফরী


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার মাধমেই বাল্যবিবাহকে পবিত্র সুন্নত মুবারক হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন। কারণ উনার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে উনার নিসবাতে আযীমাহ মুবারক 

প্রত্যেক মুসলমান ও মুসলিম দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে, সমস্ত বিধর্মীদের বিশেষ করে ইসরাইলের সর্বপ্রকার পণ্য ক্রয়-বিক্রয় থেকে বিরত


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে প্রথমত ইহুদীদেরকে অতঃপর মুশরিকদেরকে।” সমস্ত বিধর্মীরাই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানদের চরম শত্রু। তারা তাদের পণ্যদ্রব্যগুলো মুসলমান দেশে বিক্রি করে তার লভ্যাংশ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানদের 

‘উন্নয়নের’ নামে মসজিদ সরিয়ে দেয়া একটি বড় চক্রান্ত


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে প্রথমতঃ ইহুদীদেরকে অতঃপর মুশরিকদেরকে।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৮২) শত্রুর কাজ কি? ছোবল দেয়া, সর্বনাশ করা, ঈমান নষ্ট করা, জীবন নাশ করা। এই 

অশ্লীল কথা থেকে সবাইকে বেঁচে থাকতে হবে


রাজনীতির নামে- মাঠে ময়দানে, বুদ্ধি বিক্রির টক শো’র নামে হারাম টেলিভিশন চ্যানেলে, ওয়াজের নামে বিদাতী ধর্মব্যবসায়ীদের বয়ানে, গল্প গুজবের নামে হোটেলে-চায়ের দোকানে যা হয় তা কখনোই সম্মানিত দ্বীন ইসলামসম্মত আমল নয়। এসব জায়গায় মিথ্যাকে আশ্রয় করে, আজগুবী কথাকে পুঁজি করে, অপরকে 

পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাসে ৬টি রোযা রাখুন, অফুরন্ত নিয়ামত হাছিল করুন


পবিত্র রমাদ্বান শরীফের পরের মাস পবিত্র শাওওয়াল শরীফ। পবিত্র রমাদ্বান শরীফে পূর্ণ মাস রোযা পালন করা ফরজ, পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাসে ৬টি রোযা রাখা খাছ সুন্নত মুবারক এবং অফুরন্ত ফযীলত লাভের কারণ। এ রোজা পালনের মর্যাদা অনেক বড়, যা হাক্বীক্বী সন্তুষ্টি 

চাকরিক্ষেত্রে ভারতীয়; এ কেমন দেশপ্রেম?


এটা এখন ওপেন সিক্রেট খবর যে, বাংলাদেশে নামে-বেনামে, বৈধ-অবৈধভাবে লাখ লাখ ভারতীয় অবস্থান করছে। তারা বিভিন্নভাবে নিজেদের দেশে প্রায় হাজার হাজার মিলিয়ন ডলার আমাদের দেশ থেকে পাচার করছে। ভারতের রেমিট্যান্স উৎসের শীর্ষ পাঁচে রয়েছে বাংলাদেশ। এই সংখ্যা শুধু সরকারি হিসাবে। কিন্তু 

সুমহান মহাপবিত্র ২১শে শাওওয়াল শরীফ হচ্ছেন আন্তর্জাতিক পবিত্র বাল্যবিবাহ দিবস। সুবহানাল্লাহ! যা আসতে আর মাত্র ১১ দিন বাকী।


নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি আমার পবিত্র সুন্নত মুবারক অস্বীকার করবে সে আমার উম্মত নয়।” নাউযুবিল্লাহ! সুমহান মহাপবিত্র ২১শে শাওওয়াল শরীফ হচ্ছেন আন্তর্জাতিক পবিত্র বাল্যবিবাহ দিবস। সুবহানাল্লাহ! যা আসতে আর মাত্র