ল-কায়িনাতের সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- প্রতি আরবী মাসের সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই শরীফ উনাকে মহাপবিত্র


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার নিয়ামত মুবারক (নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে) স্মরণ করো।” সুবহানাল্লাহ! আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই জুমাদাল ঊলা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মালিকুত তামাম, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ 

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র অসীম ইলম মুবারক উনার ধারক-বাহক, মালিক। উনাদের গোলামী করার মাধ্যমেই সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলে সম্মানিত ইলম 

এক নজরে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল আলামীন, উম্মু আবীহা, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ


আফযালুন নিসা ওয়ান নাস বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম উনার সবচেয়ে বড় সম্মানিত পরিচয় মুবারক হচ্ছেন, তিনি 

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম সাইয়্যিদুনা হযরত হাদিউল উমাম আলাইহিস


মহান আল্লাহ পাক সুবহানাহূ ওয়া তায়ালা তিনি এবং উনার প্রিয়তম রসূল, মাশুকে মাওলা, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা উনাদের উদিষ্ট ব্যবস্থায় জগৎ-সংসার পরিচালনা এবং বিশ্ব পরিসরে মনোনীত দ্বীন-ইসলাম উনার হাক্বীক্বী আবাদের জন্য কালে কালে, 

মহান বেমেছাল ফযীলতপূর্ণ ১১ই জুমাদাল ঊলা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোজার বান্দা-বান্দী উনাদের জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে।’ সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান বেমেছাল ফযীলতপূর্ণ ১১ই জুমাদাল ঊলা শরীফ। 

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখবে; সে ব্যক্তি সে সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে।’ সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে মুসলমানদের জন্য কোনো অবস্থাতেই বিধর্মী কাফিরদের অনুসরণ-অনুকরণ করা 

ই.ফা. প্রকাশিত আবু দাউদ শরীফ কিতাবের হাদীছ শরীফ উনার ভুল অর্থ করে মূর্তি জায়িয বানানোর অপচেষ্টা


ইসলামবিদ্বেষী নাস্তিকরা মূর্তিকে হালাল করার জন্য ইসলামী ফাউন্ডেশন (ই.ফা.) থেকে প্রকাশিত আবু দাউদ শরীফের একটা হাদীছ শরীফ পেশ করলো। এটা দিয়ে তারা বোঝাতে চেয়েছে ছবি ভাস্কর্য জায়িয। নাউযুবিল্লাহ! হাতুড়ে ডাক্তার যে মানুষের জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ এটাই এখন প্রমাণ হবে। ইসলামী ফাউন্ডেশনের 

কথিত ‘ধর্মনিরপেক্ষতার’ খপ্পরে যখন বাংলাদেশের পাঠ্যপুস্তক…


বর্তমানে আমাদের দেশের পাঠ্যবইগুলোর বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য হলো- -বইগুলোতে হিন্দু কবি-সাহিত্যিকদের লেখা কবিতা, গল্প, রচনাকে গুরুত্বসহকারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে -তাছাড়া অহিন্দু যেসব লেখক রয়েছে তারাও কেউ নাস্তিক, কেউ নাট্যকার-অভিনেতা, কেউ ছবি-মূর্তির শিল্পী। অর্থাৎ যারা ইসলামবিমুখ তাদের লেখাকেই সিলেবাসে গুরুত্ব সহকারে অন্তর্ভুক্ত 

“মসজিদ ভাঙ্গিয়া মন্দির গড়িব”- এটিই বিধর্মীদের জাতিগত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য


“কেহ চিৎকার করিতে লাগিল, “মার, মার নেড়ে মার।” কেহ গাহিল, “হরে মুরারে মধুকৈটভারে!” কেহ গাহিল, “বন্দে মাতরম।” কেহ বলে, “ভাই, এমন দিন কি হইবে, মসজিদ ভাঙ্গিয়া রাধামাধবের মন্দির গড়িব?” (আনন্দমঠ, তৃতীয় খ-, অষ্টম পরিচ্ছেদ) ‘আনন্দমঠ’কে বলা হয় বিধর্মীদের পলিটিক্যাল ডকট্রিন। আজকের 

বেপর্দা হলে কি করে সংসারে সুখ থাকবে?


বেপর্দার কারণে আজ সমাজে নানা অপরাধ সৃষ্টি হচ্ছে। আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নছীহত মুবারক করে থাকেন এই বলে যে, শুধু বেপর্দার কারণে সমাজের বেশিরভাগগ 

মুসলমানদের উচিত সপ্তাহের বারসমূহ হাদীছ শরীফ অনুযায়ী উচ্চারণ করা


একজন বয়োঃপ্রাপ্ত ও সুস্থ বিবেকসম্পন্ন মুসলমান পুরুষ-মহিলার জন্য দৈনিক ৫ ওয়াক্ত নামায আদায় করতে হয়। এ পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের নামকরণ পবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারাই হয়েছে। যেমন ফজর, যুহর, আছর, মাগরিব ও ‘ইশা। আজ পর্যন্ত কোন মুসলমান এই পাঁচ ওয়াক্ত নামাযকে ওয়াক্তের 

পবিত্র সুন্নত মুবারক উনাকে অবজ্ঞা করা ও নিষিদ্ধ করা কুফরী: ‘মুছাফাহা করা তথা হাতে হাত মিলানো’ এবং ‘মুয়ানাকা করা


একজন মুসলমান অপর মুসলমানের সাথে সাক্ষাতান্তে সালাম বিনিময়ের পর সৌহার্দ ও মুহব্বত প্রকাশের মাধ্যমটির নাম হল মুছাফাহা। দেখা হলে মুছাফাহা বা করমর্দন করা একটি ইসলামী শরীয়ত উনার আইন ও উত্তম চরিত্র। এটি মুছাফাহাকারী ব্যক্তিদ্বয়ের মাঝে মুহব্বত-ভালবাসা ও হৃদ্যতার বহিঃপ্রকাশ। অন্যদিকে এটি