ডিজিটাল কুরবানীর পশুর হাট শরীয়তসম্মত নয়


পবিত্র কুরবানীকে বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র দীর্ঘদিনের: অনলাইন কুরবানীর হাটের মাধ্যমে পশু ক্রয়ে শরঈ শর্ত প্রতিপালিত হওয়া সম্ভব নয়, তাই ডিজিটাল কুরবানীর পশুর হাট শরীয়তসম্মত নয় দ্বীন ইসলাম কখনোই উন্নত ও আধুনিক পদ্ধতিকে অস্বীকার করে না, তবে শর্ত হচ্ছে তা শরীয়তসম্মত হতে 

সকলকেই সর্বদা, সর্বক্ষেত্রে পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনাদের ইজ্জত, সম্মান, হুরমত মুবারক বজায় রাখতে হবে। নচেৎ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই বরকতময় পবিত্র মক্কা শরীফ উনার মধ্যে মানুষের জন্য প্রথম ঘর (পবিত্র কা’বা শরীফ) স্থাপন করা হয়েছে।’ সুবহানাল্লাহ! পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদাসম্পন্ন স্থান। সুবহানাল্লাহ! পবিত্র মক্কা শরীফ ও 

লকডাউনের নাম দিয়ে মানুষের আয়-রোজগার বন্ধ করা প্রকাশ্য জুলুম


সরকারী আমলা-কামলার মিলে কথিত বিধিনিষেধ ও লকডাউন চালু করেছে। এভাবে মিথ্যা আতঙ্ক আর গুজব ছড়িয়ে মুসলমান দেশে লকডাউন করে ব্যবসা-বাণিজ্য, দোকান-পাট, অফিস-আদালত বন্ধ করে দেয়া সম্পূর্ণ ইসলাম বিরোধী, নাজায়িয, হারাম ও কুফরী। মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে 

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার অনুসরণ


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- اِنَّ هٰذَا الْعِلْمَ دِيْنٌ অর্থ: “নিশ্চয়ই ইলিমই হচ্ছেন সম্মানিত দ্বীন ইসলাম।” আর ইলিম বলতে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের ইলিমকে বুঝানো হয়েছে। যেমন পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক 

স্বাস্থ্যবিধি’র নাম দিয়ে দ্বীন ইসলাম পালনে বাধা দেয়া, শর্তারোপ করা কাট্টা কুফরী,


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানগণ কারও মনগড়া নির্দেশনায় চলতে পারে না;‘স্বাস্থ্যবিধি’র নাম দিয়ে দ্বীন ইসলাম পালনে বাধা দেয়া, শর্তারোপ করা কাট্টা কুফরী, তাদের সকলকে খালেছ তওবা করতে হবে, নচেৎ তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি ১) কথিত সামাজিক দুরত্ব রেখে নামাযের কাতারে 

পবিত্র ওয়াজিব কুরবানী না করে পবিত্র কুরবানী উনার পশু বা সে টাকা কথিত করোনা, মহামারি ও ঘূর্ণিঝড়ে আক্রান্তদের, কৃষকদের


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমাদেরকে যা আদেশ মুবারক করা হয়েছে তার উপর ইস্তিক্বামত থাকো।’ সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার নির্দেশ মুবারক হচ্ছে- সামর্থ্যবান প্রত্যেকের পক্ষ থেকেই পবিত্র কুরবানী করতে হবে। অর্থাৎ সামর্থ্যবান প্রত্যেকের জন্যই পবিত্র কুরবানী করা ওয়াজিব। সুবহানাল্লাহ! 

ইতিহাসের পাতা থেকে: যেভাবে মুসলমানদের সবকিছু বিধর্মীদের হাতে তুলে দিয়েছিলো ব্রিটিশ দস্যুরা


ইংরেজ ব্রিটিশ দস্যুদের শাসন আমাদের দেশে সাম্প্রদায়িকতার এক অন্ধকারাচ্ছন্ন অধ্যায়ের সূচনা করে। আঠারো শতক পার হওয়ার আগেই ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা প্রবর্তনের মাধ্যমে বেছে বেছে এক শ্রেণীর নব্য বিধর্মী জমিদার সৃষ্টি করা হয় এবং ইংরেজ তোষক নব্য বিধর্মী ব্যবসায়ী ও 

পবিত্র কুরবানী নিয়ে মুসলমানদের কষ্ট দিলে পরিণতি ভালো হবে না


এতদিন হয়েছে অমুসলিমদের দেশে। এখন মুসলমান অধ্যুষিত দেশগুলোতেও শুরু হয়েছে। তবে বাংলাদেশের মতো ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশে এটা সত্যিই বিস্ময়কর। হ্যাঁ! কুরবানীর পশু জবাই নিয়েই বলছি। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি অমুসলিম দেশ, যেমন- নেপালসহ ভারতে বেশ কয়েকটি প্রদেশে কুরবানীতে গরু জবাই 

আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন মহাসম্মানিত পবিত্র সুন্নত মুবারকসমূহ কালামুল্লাহ শরীফ উনার অনুরূপ বরং


মহাসম্মানিত হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পবিত্র কালামুল্ল্হা শরীফ হাদিয়া মুবারক করার সাথে সাথে অনূরূপ তথা মহাপবিত্র সুন্নত মুবারকও হাদিয়া মুবারক করা হয়েছে বরং মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক কালামুল্লাহ শরীফ থেকেও বেশী গুরুত্বপূর্ণ বলা হয়েছে। সুবহানাল্লাহ! 

পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট নিষিদ্ধ করা সুস্পষ্ট কুফরী


কিছু মানুষের অন্তর কুফর দিয়ে ঢাকা। তাদের অন্তরে মোহর দেয়া। দ্বীন ইসলাম উনার বিধানকে আক্রমণ করে নিজেদের দুর্বলতাকে ঢাকতে চায়। পবিত্র কুরবানী নিয়ে তাদের কতো যে আপত্তি! এগুলোর সাথে জীবহত্যা, পশু অধিকার, করোনা ভাইরাস, ছোঁয়াচে, জীবে দয়া করা বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে 

মুসলমানদের প্রতি বিধর্মীদের মনোভাব এত হিংস্র!


“অ-ইহুদী (মুসলমান) এবং আমাদের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য হলো- আমরা হলাম সৃষ্টিকর্তার মনোনীত সম্প্রদায় এবং মানব শ্রেণীর মধ্যে উচ্চ। আর অ-ইহুদী (মুসলমানরা) হচ্ছে দুই পায়ে চলমান মানব পশু! তাদের না আছে দূরদৃষ্টি, আর না নতুন কিছু আবিষ্কার করার ক্ষমতা। খোদা নিজ হাতে 

যারা করোনার অজুহাতে কাতারে ফাঁক রেখে নামায আদায় করতে বলছে তারা সুষ্পষ্ট কুফরী করছে


পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “তোমরা কাতারে পরস্পরে মিশে দাঁড়াও। দুই কাতারের মাঝে কিছু ফাঁক রাখ এবং কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াও। মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- জামায়াতে নামায আদায়ের সময় কাতার সোজা করা ও ফাঁক বন্ধ করা ওয়াজিব। কোন