“মসজিদ ভাঙ্গিয়া মন্দির গড়িব”- এটিই বিধর্মীদের জাতিগত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য


“কেহ চিৎকার করিতে লাগিল, “মার, মার নেড়ে মার।” কেহ গাহিল, “হরে মুরারে মধুকৈটভারে!” কেহ গাহিল, “বন্দে মাতরম।” কেহ বলে, “ভাই, এমন দিন কি হইবে, মসজিদ ভাঙ্গিয়া রাধামাধবের মন্দির গড়িব?” (আনন্দমঠ, তৃতীয় খ-, অষ্টম পরিচ্ছেদ) ‘আনন্দমঠ’কে বলা হয় বিধর্মীদের পলিটিক্যাল ডকট্রিন। আজকের 

বেপর্দা হলে কি করে সংসারে সুখ থাকবে?


বেপর্দার কারণে আজ সমাজে নানা অপরাধ সৃষ্টি হচ্ছে। আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নছীহত মুবারক করে থাকেন এই বলে যে, শুধু বেপর্দার কারণে সমাজের বেশিরভাগগ 

মুসলমানদের উচিত সপ্তাহের বারসমূহ হাদীছ শরীফ অনুযায়ী উচ্চারণ করা


একজন বয়োঃপ্রাপ্ত ও সুস্থ বিবেকসম্পন্ন মুসলমান পুরুষ-মহিলার জন্য দৈনিক ৫ ওয়াক্ত নামায আদায় করতে হয়। এ পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের নামকরণ পবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারাই হয়েছে। যেমন ফজর, যুহর, আছর, মাগরিব ও ‘ইশা। আজ পর্যন্ত কোন মুসলমান এই পাঁচ ওয়াক্ত নামাযকে ওয়াক্তের 

পবিত্র সুন্নত মুবারক উনাকে অবজ্ঞা করা ও নিষিদ্ধ করা কুফরী: ‘মুছাফাহা করা তথা হাতে হাত মিলানো’ এবং ‘মুয়ানাকা করা


একজন মুসলমান অপর মুসলমানের সাথে সাক্ষাতান্তে সালাম বিনিময়ের পর সৌহার্দ ও মুহব্বত প্রকাশের মাধ্যমটির নাম হল মুছাফাহা। দেখা হলে মুছাফাহা বা করমর্দন করা একটি ইসলামী শরীয়ত উনার আইন ও উত্তম চরিত্র। এটি মুছাফাহাকারী ব্যক্তিদ্বয়ের মাঝে মুহব্বত-ভালবাসা ও হৃদ্যতার বহিঃপ্রকাশ। অন্যদিকে এটি 

হে আওলাদে রসূল হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম! আপনার মুবারক বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উনার মুবারক দিনে আপনাকে জানাই অভিনন্দন


হাদিউল উমাম -জিন্দাবাদ ছানী শাহদামাদ-জিন্দাবাদ ঈদে মীলাদ -জিন্দাবাদ হে নূরী শাহদামাদ! আরশের পরশে, রওজায় মিশে, অতি নিমিষে আপনার আগমন। শুকরিয়া জানাতে, মাহফিল রাঙাতে, নূরী প্রভাতে, উজ্জীবিত সকল হৃদয় মন। মন মননে, হৃদী কাননে, মুবারক শানে, লিখিবার নেই ভাষা। শুধু দয়া, শুধু 

সমস্ত নিয়ামত উনাদের জামে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত শাহদামাদ ছানী আলাইহিস সালাম


মহান রব্বুল আলামীন জাল্লা শানহূ তিনি উনার পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ‘সূরা আর রহমান শরীফ’ উনার মধ্যে অসংখ্যবার ইরশাদ মুবারক করেছেন, “তোমরা আমার কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?” অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি এতোই নিয়ামত দান করেছেন যা সমস্ত মাখলুকাত তারা 

সুমহান ৯ই জুমাদাল ঊলা শরীফ॥ আহলান ওয়া সাহলান আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম


আরবী পঞ্চম মাস উনার নাম পবিত্র জুমাদাল ঊলা শরীফ। পবিত্র জুমাদাল ঊলা শরীফ মাস উনার অনেক ফাযায়িল-ফযীলতের মধ্যে একটি বিশেষ দিক হচ্ছে, এ মাসে জলীলুল ক্বদর ছাহাবী এবং হযরত খুলাফায়ে রাশিদা আলাইহিমুস সালাম উনাদের ৩য় খলীফা সাইয়্যিদুনা হযরত যূন নূরাইন আলাইহিস 

সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদসমূহ উত্তমভাবে তা’যীম-তাকরীমের সাথে সংরক্ষণ করা ফরয। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ঐ ব্যক্তির চেয়ে বড় যালিম আর কে? যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র মসজিদসমূহে উনার পবিত্র যিকির করতে বা উনার পবিত্র নাম মুবারক উচ্চারণ করতে বাধা দেয় এবং পবিত্র মসজিদসমূহ বিরান বা ধ্বংস 

ইসলামবিদ্বেষী ও বিদ্রোহীদের ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করা সকল ঈমানদারের জন্য ফরয-ওয়াজিব


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের এবং দ্বীনি যাবতীয় বিষয়ের উপর যার অন্তরের বিশ্বাসসহ মৌখিক স্বীকৃতি থাকে, তাকে ঈমানদার বলা যায়। পবিত্র ঈমানে মুফাসসাল উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে, ‘আমি 

জবান খুলতে হবে, দ্বীন ইসলাম নিয়ে কটূক্তির জবাব দিতে হবে


‘ইসলাম’ শান্তির দ্বীন। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার অনুসরণে মুসলমান-ঈমানদারগণ শান্তিতে থাকেন ও শান্তিতে থাকতে চাইবেন এটাই স্বাভাবিক। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার অন্যতম উছুল হলো- ফিতনা-ফাসাদ হলো- খুন বা হত্যার চেয়েও বেশি ঘৃণিত ও ভয়ঙ্কর। মুসলমান-ঈমানদারদের এই শান্তিপ্রিয়তা ও শান্তভাবকে অমুসলিম-বিধর্মীরা সুযোগ 

অমুসলিমদের প্রবর্তিত দিবস বাদ দিয়ে সর্বোচ্চ ফযীলতপূর্ণ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করতে হবে


মুসলমানদের আজ এতো করুণ অবস্থা কেন? তারা শান্তির পথ ছেড়ে অশান্তির পথে চলছে অর্থাৎ রহমতের পথ ছেড়ে গযবের পথ ধরেছে। নাউযুবিল্লাহ! অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি মানব জাতির প্রকৃত শান্তি ও কামিয়াবীর সবচেয়ে সহজ পথ দেখিয়ে দিয়েছেন। আর তা হলো রহমতপূর্ণ, 

বিধর্মীদের সাথে মিল-মুহব্বত রাখার করুণ পরিণতির একটি দৃষ্টান্ত


তাফসীরে উল্লেখ করা হয়, “মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ইউশা বিন নুন আলাইহিস্ সালাম উনার উপর ওহী নাযিল করলেন, হে আমার নবী! আপনার উম্মতের মধ্যে এক লক্ষ লোককে ধ্বংস করে দেয়া হবে, তাদের মধ্যে ষাট হাজার লোক সরাসরি গুণাহে লিপ্ত (গুমরাহ)।