অনলাইনের মাধ্যমে পবিত্র কুরবানীর পশু ক্রয় করলে তাতে পবিত্র কুরবানী ছহীহ হবে না।


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র, তিনি পবিত্রতা বা হালালকেই পছন্দ করেন।” সুবহানাল্লাহ! পবিত্র কুরবানীর পশুর হাটে গিয়ে দেখেশুনে ক্রয় করাই খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত এবং অশেষ ফযীলতের কারণ। 

আসল উদ্দেশ্য দ্বীন ইসলাম পালনে বাধা দেয়া


করোনা-ফরোনা কিছুই না, আসল উদ্দেশ্য দ্বীন ইসলাম পালনে বাধা দেয়া। মিথ্যা অজুহাত তুলে কুরবানীর হাটের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা হচ্ছে, বন্ধ করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। জালিয়াতি ও প্রতারণা করে কুরবানীর প্রতি খারাপ ধারণা সৃষ্টি করার ষড়যন্ত্রের আরেক নাম ‘অনলাইন কুরবানীর হাট’ (১) 

জামায়াতের কাতারে ফাঁক বন্ধ করুন, সকল রোগ-শোক থেকে নিরাপদ থাকুন


মুসলমান দ্বীন ইসলাম মানে এবং মানবে। পবিত্র কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা শরীফ ও ক্বিয়াস শরীফ মানে এবং মানবে। শরীয়তের এই সীমার বাইরে কোন ডাক্তারি ফরমুলা, কোন বৈজ্ঞানিক থিওরি বা কোন প্রকা- আকৃতির ব্যক্তি বা মানুষকে দ্বীন ইসলাম স্বীকার করে না 

সম্মানী শরীয়ত উনার ফায়সালা- কুরবানী না দিয়ে সে টাকা দরিদ্রদের দেয়া জায়েজ হবে না


এক শ্রেণীর গণ্ডমূর্খ মিডিয়াতে প্রচার করছে আগত কুরবানী উনার জন্য নির্ধারিত টাকা ত্রাণ হিসাবে দান করে দেয়ার জন্য। নাউযুবিল্লাহ! এর মাধ্যমেই নাকি কুরবানী উনার ফযীলত লাভ করা যাবে। নাউযুবিল্লাহ! অথচ পবিত্র কুরবানী হচ্ছে মহান আল্লাহ পাক উনার বিধান। মহান আল্লাহ পাক 

লকডাউনের নামে বারবার কেন সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি আঘাত হানা হচ্ছে?


লকডাউন আর বিধিনিষেধ দিয়ে বারবার সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি আঘাত হানছে কাফির-মুশরিকদের পা চাটা গোলাম নাস্তিক, মুনাফিক্ব, উলামায়ে সূ এবং গোমরাহ শাসকরা। শুরু থেকেই এরা বিভিন্ন কৌশলে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিভিন্ন বিষয় নষ্ট করে আসছে। যেমন: ১. পবিত্র মসজিদসমূহে 

চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের নামে মুসলমানদের থেকে ছিনিয়ে নেয়া সম্পত্তি ফেরত দিতে হবে


ব্রিটিশরা এই উপমহাদেশে আসার পূর্বে ৯৯ ভাগ জমির মালিক ছিল মুসলমানগণ। মুসলমান উনাদের আরদালি ছিল সমস্ত বিধর্মীরা। বিধর্মীদের ইসলামী লিবাস ও ফার্সী ভাষা শিক্ষা ছিল বাধ্যতামূলক। যা পরিধান করে চাকরি-ব্যবসা বাণিজ্য করতে হত। ব্রিটিশরা যখন উপমহাদেশে মুসলিম শাসক ক্ষমতা ছিনিয়ে নিলো 

রাস্তায় মিছিল-মিটিং হয়, কিন্তু কুরবানীর পশুর হাট ও পশু জবাই করতে বাধা কেন?


আমরা মুসলমান। মুসলমান অর্থই হলো মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন খাতামুন্্ নাবিয়্যীন নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের প্রতি আনুগত্যের সহিত আত্মসমর্পণ করা। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হাবীব 

সত্যিকারের মুসলমান কখনোই দ্বীন ইসলাম সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কটূক্তি বা সমালোচনা সহ্য করবে না, করতে পারে না


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কালাম পবিত্র কুরআন শরীফ সূরা বাক্বারা শরীফ ১৩নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করে জানিয়ে দিয়েছেন যে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যেরূপ ঈমান এনেছেন তদ্রপ অন্যান্য সকলকে 

কুরবানীর হাট কেন ইজারা দিতে হবে, পূজার জায়গাতো ইজারা হয় না


এদেশের মুসলমানরা বছরে একবার কুরবানী করবে- এর জন্য কুরবানীর পশুর হাট বসবে। আর এই পশুর হাটের জায়গা থেকে সরকার ভাড়া আদায় করে থাকে। ইজারা দিয়ে থাকে। অথচ সারাবছর এই জায়গাগুলো ফাঁকা পতিত পড়ে থাকে। কিন্তু এ দেশেই আবার সংখ্যালঘু বিধর্মীরা বিভিন্ন 

ছোঁয়াচে বিশ্বাসকারী আর কুরবানীর বিরোধীতাকারীরা ইবলিশের কায়িম মাকাম


নৌকা পানিতে ভাসিয়ে দিলে স্রোতের অনুকূলে চলতেই থাকবে। বেলুনে গ্যাস বোঝাই করে তা ছেড়ে দিলে আকাশে উড়তেই থাকবে। উপর থেকে কোন বস্তু নিচে ফেললে তা নিচের দিকে পড়তেই থাকবে। তেমনি নষ্ট আকীদার লোকটার কাজগুলা এলোমেলো এবং সম¥ানিত শরীয়ত উনার খিলাফ হবে 

পবিত্র কুরবানীতে সরকারী বরাদ্দ কোথায়?


বর্তমান সরকার শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমানের সমর্থনে ক্ষমতায় এসেছে; তাই তাদেরকে মুসলমানদের সুবিধা-অসুবিধাগুলোকেই প্রাধান্য দিতে হবে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের সাথে বলতে হয় যে, সরকার সর্বদাই তার বিপরীত করে যাচ্ছে। শতকরা ২%-এরও কম বিধর্মীদের বিভিন্ন উৎসবে ও পূজাম-পে আর্থিক অনুদান প্রদান করা 

প্রসঙ্গ: পবিত্র কুরবানীর সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় দিক; পশু কুরবানী যেভাবে দেশের সামষ্টিক উন্নয়নে নীরব ভূমিকা পালন করে


পবিত্র কুরবানির চেতনা মূলত পুঁজিবাদী চেতনার বিপরীত। কারণ পুঁজিবাদীরা শুধু নিতে চায়, দিতে চায় না। অর্থাৎ দেশের সবাইকে নিঃস্ব করে নিজেরা ফুলে- ফেঁপে কলা গাছ হয়ে যাবে। এজন্য পরিবেশ দূষণ, যানজট ও অন্যান্য কারণ দেখিয়ে পুঁজিবাদী ও পুঁজিপতিরা পবিত্র কুরবনির বিরোধিতা