কাফির-মুশরিকদের উপর আপতিত “করোনা ভাইরাস” নামক খোদায়ী গজব থেকে মুসলমানদের নাজাত লাভের অন্যতম একটি উছীলা হচ্ছে, মহাসম্মানিত মহাপবিত্র পবিত্র


খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةٍ مُّبَارَكَةٍ ۚ إِنَّا كُنَّا مُنذِرِينَ ﴿٣﴾ فِيهَا يُفْرَقُ كُلُّ أَمْرٍ حَكِيمٍ ﴿٤﴾ অর্থ : “নিশ্চয়ই আমি উহা (পবিত্র কুরআন 

উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আর রবি‘য়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সংক্ষিপ্ত জীবনী মুবারক


মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ, সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল ‘আলামীন, আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইবনাতু আবীহা, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আর রবি‘য়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সংক্ষিপ্ত জীবনী মুবারক হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা 

হাক্বীক্বী ইছলাহ অর্জন করতে হলে বাইয়াত গ্রহণ করে ‘ফয়েজ’ ‘তাওয়াজ্জুহ’ হাছিল করা জরুরী


ইছলাহ হাছিল করতে হলে এবং হক্বের উপর ইস্তিকামত থাকতে হলে অবশ্যই ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ হাছিল করতে হবে। ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ছাড়া ইছলাহ হাছিল যেমন সম্ভব নয়, তেমনি হক্বের উপর ইস্তিক্বামত থাকাও সম্ভব নয়। মূলত একজন কামিল শায়েখ উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করে সবক্ব নিয়ে যিকির-আযকার 

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুরূপ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম


যিনি খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- مَا كَانَ لِاَهْلِ الْمَدِيْنَةِ وَمَنْ حَوْلَـهُمْ مِنَ الْاَعْرَابِ اَنْ يَّتَخَلَّفُوْا عَنْ رَّسُوْلِ اللهِ وَلَا يَرْغَبُوْا بِاَنْفُسِهِمْ عَنْ نَّفْسِهٖ. অর্থ: “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফবাসী এবং পার্শ্ববর্তী পল্লীবাসী উনাদের জন্য অর্থাৎ 

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই শা’বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মালিকুত তামাম, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার নিয়ামত মুবারক (নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে) স্মরণ করো।” সুবহানাল্লাহ! আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই শা’বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মালিকুত তামাম, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর 

যারা পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার করবেন, উনাদেরকে সবসময় গায়িবী মদদ করা হবে


আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহহির, আছ ছমাদ মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪১ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ০৭ই যিলহজ্জ শরীফ লাইলাতুল 

মাদরাসাগুলো থেকে উলামায়ে ছু’দের বের করে দিতে হবে


মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ এবং মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র হাদীছ শরীফ শিক্ষা দেয়া হয় মাদরাসায়। কাজেই মাদরাসার ছাত্ররা নিশ্চিতভাবে আল্লাহওয়ালা অর্থাৎ উত্তম চরিত্রবান হবে- এটাই স্বাভাবিক। 

নিজের ছেলে-মেয়েদের বিধর্মীদের পোশাক পরানোর অদ্ভুত প্রতিযোগিতা!


নামে মুসলমান, চলাফেরায় কখনো কখনো মুসলমান এবং মাঝে-মাঝে, হঠাৎ-হঠাৎ ইসলামী অনুষ্ঠানে মুসলমান হিসেবে পরিচিত এরূপ মা-বাবারা তাদের প্রিয় সন্তানদের টাই পরিয়ে বিদ্যালয়ে পাঠিয়ে বেশ গর্ববোধ করে থাকে। ভাবখানা এই, সন্তানরা ক্রমান্বয়ে বিধর্মীদের ধাঁচে, অর্থাৎ মন, মননে, চলাফেরায়, চিন্তায়, আদর্শে, ‘সাহেব’ হয়ে 

পবিত্র শা’বান শরীফ মাসে তিনটি রোযা রাখা খাছ সুন্নত মুবারক।


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, পবিত্র শা’বান শরীফ মাস উনার রোযার ইফতারীর সময় যে ব্যক্তি তিনবার পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করবে, তার পূর্বের গুনাহখতাসমূহ ক্ষমা করা হবে এবং তার রিযিকে বরকত দেয়া হবে। 

পবিত্র শবে বরাত বিরোধিতায় হাস্যকর ও বিভ্রান্তিকর কথা-বার্তা!!


বরকতময় ভাগ্য রজনী বা পবিত্র লাইলাতুল বরাত সমাগত। পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার প্রস্তুতির মাস, লাইলাতুল বরাত উনার মাস। এ মাসের ফযীলত অপরিসীম। দোয়া কবূলের ৫টির মধ্যে ১টি রাত এই মাসেই। মূর্খরা ভাগ্য রজনী বোঝে না। আসলে আত্মার খুলুছিয়াত না থাকলে বুঝবে 

একটি বিশ্লেষণ: বাঙালিত্ব বনাম হিন্দুত্ব


বর্তমানে এদেশে কলকাতার অনুকরণে বাঙালিত্বের নামে হিন্দুয়ানী সংস্কৃতির প্রেসক্রিপশন দেয়া হয়। ব্রিটিশদের অনুগত হিন্দুত্ববাদী দালালদের শহর হিসেবে পলাশী যুদ্ধের পর কলকাতার জন্ম, তারও বহু আগে থেকে বাংলায় পবিত্র দ্বীন ইসলাম এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস শুরু হয়েছে। তবে ঔপনিবেশিক মানসিকতার কারণে অনেকেই 

পাঠ্যবইয়ের রচনাগুলো গভীর ষড়যন্ত্রেরই একটি অংশ ॥ স্বয়ং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কেই


স্কুল, কলেজসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বইয়ের লেখাগুলোর বেশিরভাগই চরম গুমরাহ ধর্মবিদ্বেষী নাস্তিক, মূর্তিপূজারী, ফাসিক-ফুজ্জারদের লেখা। ২-১টি লেখাকে ‘ইসলামী’ তথা কথিত মুসলমান নামধারীদের হলেও সেগুলোও মুসলমানদের মত-পথ, আক্বীদা-আমলের সম্পূর্ণ বিপরীত। বইগুলোতে দু’একটি কথিত ইসলামী ভাবধারার যে রচনাগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তার মধ্যেই