প্রকাণ্ড কিছু দেখলেই অবনত হওয়া বিধর্মীদের বদ খাছলত


সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক প্রশ্ন- এতবড় মালানা-মুফতে সাহেব এই কাজ করলো, তাইলে এটা কিভাবে ভুল হতে পারে? বাজারে মালানা মুফতী নামধারী অনেক প্রকাণ্ড প্রকাণ্ড গুমরাহ ও বিভ্রান্ত লোক আছে যাদের হাজার হাজার ভক্ত আছে, আছে বিভিন্ন মিডিয়ায় নামধাম(!), আছে ক্যনভাসারদের মতো বাকপটুতা; 

তরুণ প্রজন্মকে বিপথ থেকে বাঁচাতে দ্বীনী শিক্ষার বিকল্প নেই


সম্মানিত ইসলামী শিক্ষা ও জ্ঞান হলো মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করার শিক্ষা। এই শিক্ষা নৈতিক চরিত্র ও মানুষ তৈরির শিক্ষা। ব্রিটিশ আমল হতেই সম্মানিত ইসলামী শিক্ষাকে পাঠ্যসূচি থেকে দূরে রাখা হয়। অতীতে বিভিন্নভাবে মুসলমানরা শিশুদের ইসলামী শিক্ষা দিতো। সন্তান সঠিক 

পৃথিবীর ইতিহাসে যে সকল সুমহান ব্যক্তিত্ব মুবারক উনারা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উপলক্ষে সবচেয়ে বেশি


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, قُلْ بِفَضْلِ اللهِ وَبِرَحْمَتِهٖ فَبِذٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوْا هُوَ خَيْرٌ مِّـمَّا يَـجْمَعُوْنَ. অর্থ: “আমার মাহবূব হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সবাইকে জানিয়ে 

জিএমও ফুড প্রচলনের ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে


আগাছানাশক সহনশীল শস্য ও বিশেষ পোকা বিনাশকারী বিটি শস্য চাষের ফলে রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার কমার পরিবর্তে সমস্ত ক্ষেত্রেই তা বেড়ে গিয়েছে। স্বভাবতই উৎপাদিত শস্যে অধিক পরিমাণে কীটনাশকের অবশেষ থেকে যাচ্ছে এবং পরিবেশ দূষণ ঘটছে। বায়োটেক কোম্পানিগুলির জি এম শস্য চাষের পক্ষে 

আমরা কি জানি, ‘ভাত’ একটি পবিত্র সুন্নতী খাবার?


মহান আল্লাহ পাক হযরত ঈসা রুহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার দোয়ার প্রেক্ষিতে যখন আসমান থেকে খাদ্য ভর্তি খাঞ্চা নাযিল করেছিলেন সেই খাঞ্চার মধ্যে ভাতও ছিলো। সুবহানাল্লাহ। তিনি দোয়া করেছিলেন, اللَّهُمَّ رَبَّنَا أَنزِلْ عَلَيْنَا مَائِدَةً مِّنَ السَّمَاءِ تَكُونُ لَنَا عِيدًا لِّأَوَّلِنَا وَآخِرِنَا وَآيَةً 

পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার মাধ্যমে অর্জিত তাক্বওয়া পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার পরবর্তী মাসগুলোতেও বজায় রাখতে হবে।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- ‘তোমাদের মধ্যে ঐ ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট অধিক সম্মানিত যে ব্যক্তি অধিক মুত্তাক্বী। সুবহানাল্লাহ! পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার মূল শিক্ষাই হচ্ছে- তাক্বওয়া। সুবহানাল্লাহ! পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার মাধ্যমে অর্জিত তাক্বওয়া 

মুসলিম বিশ্ব, মুসলিম শাসক আর জড় পদার্থের মধ্যে কোনো পার্থক্য আছে কি?


ফিলিস্তিনে বর্বর সন্ত্রাসী হানাদার ইসরাইল গণহত্যা চালাচ্ছে। কিন্তু কারো কোনো প্রতিবাদ আছে কি? ইহুদীসংঘ কিংবা মানবাধিকার সংস্থা কিছু বলবে না জানি কারণ এসব নিয়ন্ত্রণই করে ইহুদীরা। কিন্তু মুসলিম বিশ্ব কিংবা মুসলিম শাসক তারা কি করছে? মধ্যপ্রাচ্যে এত মুসলিম দেশ থাকতে ইসরাইল 

পবিত্র কালিমা শরীফ নিয়ে সালাফী ওহাবীদের কুফরী আপত্তির জবাব


সালাফীরা গোমরাহীর এতটাই অতল গহ্বরে নিমজ্জিত হয়েছে যে তারা পবিত্র কালিমা শরীফ “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহম্মদুর রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম” অস্বীকার করে। তারা বলে এই কালিমা শরীফ শিরিক। নাউযুবিল্লাহ! এমনকি এটাও বলে কালিমা শরীফ হাদীছ শরীফে নেই। এখানেই তারা থেমে 

দ্বীন ইসলাম অমান্য করে ইসলাম কায়িমের অলীক স্বপ্ন!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরো।” কিন্তু দুনিয়াবী ক্ষমতালোভী ধর্মব্যবসায়ী উলামায়ে ‘সূ’দেরকে উপরোক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনাদের বিপরীত আমল করতে দেখা যায়। তারা দ্বীন ইসলাম উনার নিয়ম-নীতি ভেঙ্গে কাফির-মুশরিকদের অনুসরণে গণতন্ত্র 

সুমহান মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ৭ই শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা আখাছ্ছুল খাছ আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই আমার হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম ও আলাইহিন্নাস সালাম উনারা আসমান ও যমীনবাসীদের জন্য নিরাপত্তা দানকারী।” সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ৭ই শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা আখাছ্ছুল 

বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচার হয় বছরে লক্ষ-কোটি টাকার খাদ্যশস্য


বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচার হয়ে যাচ্ছে কোটি কোটি টন খাদ্যশস্য। ভারতের সেøচ্ছ, যবন অস্পৃশ্য মুশরিকরা বাংলাদেশের কিছু অসৎ ব্যবসায়ীদের ছত্রছায়ায় বাংলাদেশ থেকে কোটি কোটি টন খাদ্যশস্য গোপনভাবে বা প্রকাশ্যে ভারতে পাচার হয়ে যায়। ভারত থেকে আসা অবৈধ অবস্থানকারী ২৫ লাখ। ভারতীয়দের 

মুসলমানরা বিধর্মীদের সাথে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান চায়, কিন্তু ইতিহাস কি বলছে?


ভারতবর্ষে ইংরেজ শাসন জারি হওয়াতে সবচেয়ে বেশি খুশি হয়েছিল বাঙালি বিধর্মী সম্প্রদায়। মুসলমান আমলে নবাবদের দেখলে তাদেরকে সালাম দিতে হতো, আদব-কায়দা রক্ষা করতে হতো। ইংরেজ আমলে সেই সমস্যা ছিল না, কারণ ইংরেজরাও ছিল তাদের মতোই অসভ্য বর্বর বেয়াদব সম্প্রদায়। চোরে চোরে