মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সময়ের শপথ! নিশ্চয়ই মানুষ ক্ষতিগ্রস্ততার মধ্যে লিপ্ত। তবে তারা ব্যতীত, যারা পবিত্র ঈমান এনেছে ও নেক কাজ করেছে।” (পবিত্র সূরা আছর)
এখানে শপথ করা হয়েছে সময়ের। আর এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে- যে বা যারা যে যুগে, যে কালে, যে সময়ে, যে অবস্থায় আছে সে বা তারা সার্বক্ষণিকভাবে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদেরকে অনুসরণ না করে বরং সার্বক্ষণিকভাবে সময়ের স্রোতে নির্বিচারে গা ভাসিয়ে দিবে এরাই হচ্ছে ইবনুল ওয়াক্ত আর যারা ইবনুল ওয়াক্ত তারা মূলত ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে।
এতদ্বপ্রেক্ষিতে বলাবাহুল্য যে, ইসলামবিদ্বেষী বেগম রোকেয়াকে অনুসরণ করে কোনো মহিলার পক্ষেই আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। বরং বর্তমান স্রোতে প্রবাহমান পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ বিরোধী শিক্ষা গ্রহণ করার দ্বারা নিজ আত্মমর্যাদাকে ভূলুণ্ঠিত করে ‘বেপর্দা মহিলা’ অর্থাৎ দাইয়ূছ হিসেবে পরিগণিত হবে। নাঊযুবিল্লাহ!
অতএব, মহিলাদেরকে আত্মমর্যাদাবোধ প্রতিষ্ঠা করার জন্য অবশ্য অবশ্যই সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার আদর্শ মুবারক গ্রহণ করে আত্মমর্যাদাবোধ সম্পন্ন আদর্শ মহিলা হতে হবে। সুবহানাল্লাহ!
আদর্শ

মহিলাদের আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য কথিত বেগম রোকেয়া দিবস পালন নয়; বরং উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতুন নিসা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার মুবারক আদর্শই গ্রহণ করতে হবে ।
সময়ের স্রোতে ভেসে চলছে কথিত বেগম রোকেয়া দিবস পালনকারী কথিত মহিলাবাদীদের দল। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের পরিভাষায় এদেরকে আখ্যা দেয়া হয় ‘ইবনুল ওয়াক্ত’ অর্থাৎ সময়ের সন্তানরূপে।
0 টি মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।