



তৃত্বীয় মত হচ্ছে যমযম কুপের তিন দিকে তিনটি পাথর আছে পূর্বে তিনটি ঘোড়ার খুর/জুতা নামে বলা হত। এরমধ্যে বাইতুল্লা বা কাবা ঘরের হাজরে আসওয়াদ বা কালো পাথর আছে তার নিচ হতে পানির উৎসের একটি ধারা আন্য দুটি উৎসের মধ্যে এক হল কোবাইস ও জাবাল পাহাড় থেকে অন্যটি হল সাফা ও মারওয়া থেকে। তবে সাম্প্রতিক কালে এই উৎস মোট ২১টি আবিষ্কৃত হয়েছে।
যমযম ইঁদারা (কূপ)থেকে প্রতিনিয়ত সেকেন্ডে ১১ থেকে ১৮.৫ লিটার বা ৬৬০ লিটার প্রতিমিনিটে অথবা ঘন্টায় ৪০,০০০ লিটার পানি উত্তলন করা হচ্ছে। তার মানে হচ্ছে প্রচুর পানি উত্তলিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। তিনটি পাইপ দিয়ে এ কূপ থেকে পানি উত্তলন করা হচ্ছে।


সেকেন্ড ৮০০০ লিটার বেগে ২৪ ঘন্টার ও বেশী সময় ধরে যমযম ইঁদারা(কূপ) থেকে পানি উত্তলন করে এর ৩:২৩ মিটার থেকে ১২:৭২ মিটার পর্যন্ত পানির লেয়ার নামানো সম্ভব হয়। এর পর যখন এর লেয়ার ১৩:৩৯ মিটার পর্যন্ত নামে তার পর পাম্প বন্ধকরে দেয়াহয় অতঃপর ৩:৯ মিটার পর্যন্ত পানির উচ্চতা বারতে মাত্র ১১ মিনিট সময় লাগে(সুবাহান আল্লাহ)্। সউদী সরকার ১৪১৫ হিজরী (১৯৯৪ ইসাঈ) সনে একটি প্রতিষ্টানের মাধ্যমে একটি সরুখাল খনন করে যমযম এর পানি ধারণ করতে একটি ১৫,০০০ কিউবিক মিটার পানির ট্যাংক তৈরী যাথেকে হাজী ও দর্শনার্থীদের জন্য পানি সরবরাহ করা হয়। এ ছাড়া যমযম কুপের পানি সউদী বাদশার দরবারে সরবরাহ করা হয়। এই পানি বহনকরে মদীনা শরীফে মসজীদে নববীতে ও সরবরাহ করা হয়।
rapidshare
নূরুল হুদা
বাংলা ব্লগ
বাংলা ব্লগ
দিগ্বিজয়ী
কুমিল্লাবাসী
rapidshare
Sirwatwal Mustaqeem
সীমান্ত প্রহরী
নীল আসমান
সীমান্ত প্রহরী
ইহসান