আবদুল মুত্তালিব আলাইহি সালাম’র সময় কুপের গভীরতা ছিল মাত্র ১৪ ফুট। খলিফা মামুনুর রশীদের আমলে পুনরায় তা খনন করা হয়। এ সময় পানির নিঃসরণ খুব বেড়ে গিয়েছিল। এমনকি কুপের বাইরে উপচে পড়া শুরু করেছিল। দীর্ঘ কয়েক শতাব্দী পর সউদী সরকার আধুনিক মেশিনের সাহায্যে কূপকে পুনঃখনন করেন। দু’জন ডুবুরি কুপের তলদেশে গিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখেন, সেখানে রং-বেরংয়ের মাটির স্তর জমাট বেঁধে আছে, আর অবিরাম নির্গত পানিকে পরিশোধন করছে। তারা আল্লাহর এ কুদরত দেখে বিস্মিত হয়ে যান। বর্তমানে যমযম কুপের গভীরতা ৫১ ফুট।
একটি বর্ননা মতে যমযম ইদায়া (কূপ) এরমুখথেকে ৩০ মিটার গভির। এই কূপরে মাটি তিন স্তর বিশিষ্ট প্রথম স্তর ১৩.৫ মিটার সচ্ছ সাদা পলি মাটিদিয়ে গঠিত যাকে ওদী ইব্রাহীমের পলি বলে। এর পর ০.৫ মিটার ছিদ্রযুক্ত কালোপাথর(Permeable Weathered rock)দ্বারা গঠিত।

এর পর ১৭ মিটার একপ্রকার ধুসর রংএর " Diorite Bedrock Bedrock" নামে পাথর দ্বারা গঠিত।

সীমান্ত প্রহরী
সীমান্ত প্রহরী