
আর এটি উদাহরণ দিচ্ছি। আপনারা জানেন সিলেটে মাটিতে সুয়ে আছেন হযরত শাহ্ জালাল ইয়েমেনই রহমতুল্লাহি আলাইহি। উনার বুজুর্গি সম্মান নতুন করে আমাদের বলার কিছু নাই। উনি সুদূর ইয়েমেন থেকে বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে হেদায়েতের কাজে আসেন এবং বিসাল শরীফ পর্যন্ত এখানেই অবস্থান করেন। হযরত শাহ্ জালাল ইয়েমেনই রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মাজার শরীফের কাছে একটি কুপ আছে যা যমযম কুপের সাথে কুদরতি সংযোগ আছে। এটি ইতিহাস ও আছে এনিয়ে, সিলেট থেকে একজন হজ্জ পালন করতে পবিত্র মক্কা ও মদীনা শরীফে যান এবং হজ্জ শেষ করে দেশে ফেরত আসার সময় তার কাছে স্বর্ণ মুদ্রার এটি থলে ছিল। (আপনারা তো অনেকে জানেন আগে ইহুদী, নাসারা রা দস্যু সেজে মুসলমানদের হজ্জ যাত্রীদের সম্পদ লুট করত ও তাদের শহীদ করে ফেলত।) তিনি জানতেন যমযম কুপের সাথে হযরত শাহ্ জালাল ইয়েমেনই রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মাজার শরীফের কুপের সংযোগ আছে। তাই তিনি তাওয়াক্কুল করে যমযম কুপে তার মুদ্রার থলেটি নিক্ষেপ করে দেশে চলে আসেন এবং যথারীতি হযরত শাহ্ জালাল ইয়েমেনই রহমতুল্লাহি আলাইহি এর মাযার শরীফের খাদেমের কাছ থেকে সে থলেটি সংগ্রহ করেন। এখনো হযরত শাহ্ জালাল ইয়েমেনই রহমতুল্লাহি আলাইহি এর মাযার শরীফে প্রতি দিন হাজার হাজার লোক এই কুপ থেকে পানি পান করে রহমত বরকত লাফ করছেন। (সুবহান আল্লাহ)
কাশফূল ক্বুলুব
শুনেছি হযরত শাহ জালাল ইয়েমেনী রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
দূর সীমানা
ইলমের বাগানের ফুল
বাংলা ব্লগ
স্নিগ্ধ হাওয়া
rapidshare
নীল আসমান
সীমান্ত প্রহরী