সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

আবিষ্কার

আবে যমযম (সাত)

আবে যমযম (সাত)

১৯৭০ সালে আনুমানিক হজ্জকরতে আশা হাজির সংখা ছিল ৪লাখ। এসংখ্যা প্রতিবছর বারতে থাকে যা ১৯৯০সালে অর্থ্যাৎ ৩০ বছর পর তা বেড়ে দাড়ায় ২.২ মিলিয়নের উপরে এবং এর সাথে যমযম ইঁদারা (কূপ) ও সমানতালে পানি উত্তল ও বন্টন করা হয় হাজীদের জন্য। ZamZam Well

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে স্বাধীন মুসলিম রাষ্ট্রপুঞ্জের একটি সংখ্যার উত্থান এবং উন্নতিশীল সামাজিক অবস্থা, অর্থনৈতিক কারনে এবং ১৩৫৫ থেকে ১৪০১ পর্যন্ত হাজী সংখ্যা বৃদ্ধিতে ভ্রমণের আরাম আয়েসের ক্ষেত্রে বিশেষ করে মক্কা শরীফে সমস্যা আকারে প্রতিফলিত হয়। ফলে মক্কা শরীফের স্থাপত্যের ব্যাপক পরিবর্তন আনতে হয়েছিল। মসজিদের বিস্তার ১৩৭৫তে শুরু হয় এবং অভ্যন্তরীণ বিস্তারের সাথে ক্যাম্পাসের প্রকল্প বিস্তার করাহয়। বিস্তারের সঙ্গে যমযম ভবন এর উপরে অবশেষ অংশ(কুপের পূর্বের ৮.৩ মিঃ বাই ১০.৭ মি = ৮৮.৮ মিঃ ২ অঞ্চল এর একটি একটি ভবন ছিল)ভঙ্গে ফেলা হয়। । তার পর যমযম এর পানি পান করতে যমযম ইঁদারা (কূপ) এর মুখ নিচ তলায় স্থানান্তর করা হয় এবং মুখের ব্যাস কমান হয়।পানীয় যমযম পান করার জন্য মাঠের নিচে লাগানো হয় ৩৫০ কল। পুরুষ-মহিলাদের পৃথক ভাবে ঘর তৈরী করা হয়ে ছিল। যার মধ্যে মহিলাদের জন্য ছিল ১৩০টি এবং পুরুষ দের এর জন্য ২২০টি পানির কল। ভবন যমযম ইঁদারা (কূপ) বর্তমানে উপরে দৃশ্যমান ছবি এইটি উপরে আর নেই। ১৯৭৫ সালে বাদশা ফয়সালের সাময় পুরনো যমযম ঘরটি ভেঙ্গে তাওয়াফ করার স্থান দৃদ্ধি করার হয়। দ্বীতিয় বার তাওয়াফ করার স্থান বৃদ্ধি করা হয় বাদশা খালেদের সময় তখন যমযম কূপের সমস্ত প্রবেশ বন্ধ করা হয় এর কারন হিসাবে বলা হয় যমযম কুপে যেন বাহিরের পানি প্রবেশ করতে না পারে। এখন তাওয়াফ করার স্থানে কোনও চিহ্ন পাওয়া যাবেনা যেখানে কুপের অবস্থান নির্দেশ করা ছিল। কাবা ঘর থেকে যমযম ইঁদারা (কূপ) এর আবস্হান আনুমানিক ২০ মিটার পূর্বে অবস্থিত। Zam Zam well1

যখন মুখটি খোলাছিল তার ভিতরের দৃশ্য ছিল এই রকম।

Zam Zam Well2যমযম ইঁদারা (কূপ) থেকে পানি উত্তলন হচ্ছে প্রায় ৪০০০ বছর পূর্বে থেকে। যা এখনো বর্তমান রয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ১০০ কিউবিক মিটার পানি উত্তলিত হয় এই পবিত্র কূপথেকে। যা জুম্মাবার উত্তলিত হয় এর দিগুন অর্থ্যাৎ ২০০ কিউবিক মিটার পানি। এবং রামজান মাস ও হজ্জের মৌসুমে উত্তলিত হয় গড়ে ১০০০ কিউবিক মিটার (প্রতিদিন)। সুধু হজ্জে আগত নয় মক্কা বাশি গন ও প্রতিদিন হাজার খানেক গেলন পানি হাতে করে নিয়ে যায় এ পবিত্র কূপ থেকে। দশলাক্ষ কাপ যমযম কুপের পবিত্র পানি পান করে মক্কা হেরম শরীফে। ১,৮০০ কিউবিক মিটার যমযম এর পানি ব্যবহার হয় হেরেম শরীফের ভিতর এবং বাহিরে ব্যবহৃত হয় ২৭০ কিউবিক মিটার। যমযম এর পবিত্র পানি পান করার জন্য বর্তমানে ৯০টি জায়গায় প্রতিটিতে ১,১০০টি পানির কল স্থাপন করা হয়েছে।এ ছাড়া প্রতিদিন ২৭৪ কিউবিক মিটার পানি মসজিদে নববীতে গাড়ির মাধ্যমে পাঠান হয়। যমযম কুপের পানি ক্যান এর মাধ্যমে দূরে বাহন করা, পানি উত্তোলন করা ও সার্বিক তত্ত্বাবধান করার জন্য ১৯৮২ ঈসাই সানে প্রতিষ্ঠিত হয় যমযম উইনাইটেড।

14 টি মন্তব্য

  • সরলমত

    শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
  • নূরুল হুদা

    ভাইজান এতো সুন্দর পোস্ট যে, বুখে বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না। তবে ভাইজান একটা জিনিষ জরুরী যে, যারা নতুন তারা আপনার পূর্বের পোস্টগুলো পড়তে পারছে না। আপনি ইচ্ছা করলে পূর্বের পোস্টের লিংকগুলো দিতে পারেন। ধন্যবাদ।
    * লেখাগুলো ব্লগে পোস্ট করার আগে বানানগুলো দেখে নেয়ার দরকার ছিলো। ধন্যবাদ
  • বাংলা ব্লগ

    @সরলমত, আপনাকে বহত শুকরিয়া। :rose:
  • বাংলা ব্লগ

    @নূরুল হুদা, আসলে আমি পোষ্টি ভেঙ্গে দেয়ার পেছনে কারণ আছে। আর তা হল এই ব্লগে অনেক গুরুত্তপুর্ন তথ্য আছে যা সবার জানা প্রয়োজন। আর আমার এই পোষ্টের পূর্বের তথ্য খুজতে গিয়ে হয়ত সে ঐ সকল গরুত্বপূর্ন বিষয়টি অবগত হবে।
    * আমি বানানের জন্য বিশেষ ভাবে অজ্ঞ।
  • full auto

    :rose: :rose: :rose:
  • full auto

  • সিংহশাবক

    আল্লাহ পাকের অপার কুদরত। সুবহানাল্লাহ
  • ইলমের বাগানের ফুল

    খুব সুন্দর পোষ্ট।এই রকম পোষ্ট আরো দেখতে চাই।
  • rapidshare

    sundor . a rokom post aro chai
  • বাংলা ব্লগ

  • বাংলা ব্লগ

    @ইলমের বাগানের ফুল, শুকরিয়া :rose: চেষ্টা করব ইনসাআল্লাহ্।
  • বাংলা ব্লগ

    @rapidshare, শুকরিয়া :rose: চেষ্টা করব ইনসাআল্লাহ্।
  • সত্যকথন

    অতীব গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট
  • সীমান্ত প্রহরী

    :deadrose: :moon:

মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।