মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার দোয়া ও রোবের প্রতিফলন
মুসলমানগণকে যুলুম নির্যাতন করার ফলস্বরূপ: যুলুমবাজ কাফিরদের উপর বন্যা, তুষারপাত, ঘূর্ণিঝড়, দাবানল, ভূমিকম্প প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ অর্থনৈতিক মন্দারূপে খোদায়ী গযব অব্যাহত
*****************************************************************************
পরিবেশ দূষণে ভারতে বছরে লক্ষাধিক লোক মারা যায়!
এই সন্ত্রাসী ও যালিম ভারত বাংলাদেশের জন্য সকল আন্তর্জাতিক নদীর পানি বন্ধ করা, প্রতিনিয়ত ৪/৫ জন নিরীহ বাংলাদেশী মুসলমানদের সীমান্তে হত্যা করা, ফেলানীর মতো কিশোরীকে হত্যা করে তারকাটাতে ঝুলিয়ে রাখা, সীমান্তের চতুর্দিকে শত শত ফেনসিডিলের কারখানা স্থাপন করে বানের পানির মতো এ দেশে ফেনসিডিল পাঠানো, যাতে করে এদেশের ভবিষ্যৎ, বর্তমান তরুণ সমাজ কর্মক্ষেত্রে গিয়ে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দেয়। তাদের মধ্যে থাকবে না কোনো দেশপ্রেম, থাকবে না সততা। এমনকি থাকবে না দেশ পরিচালনা করার মতো কোনো বুদ্ধিমত্তা ও প্রজ্ঞা। নাউযুবিল্লাহ! যার ফলে তাদের উপর চলছে অব্যাহত খোদায়ী আযাব-গযব। সম্প্রতি ভারতে আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে পরিবেশ দূষণ। এ দূষণে বছরে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ২০ হাজার লোকের মৃত্যুসহ দুই কোটি মানুষ অ্যাজমা রোগে আক্রান্ত হয়েছে। সেসঙ্গে রয়েছে নানা স্বাস্থ্য সমস্যা। নেদারল্যান্ডসের পরিবেশবিষয়ক সংস্থা গ্রিনপিস এক প্রতিবেদনে এ ধরনের সতর্কবার্তা প্রকাশ করেছে। জনস্বাস্থ্যে ভারতের কয়লা বিদ্যুতের বিরূপ প্রভাব-সম্পর্কিত গ্রিনপিসের এটিই প্রথম জরিপ। জরিপে ১১১টি প্রধান বিদ্যুকেন্দ্রে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। জরিপ প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে বিশ্বব্যাংকের পরিবেশ দূষণ বিভাগের সাবেক প্রধান সারথ গুট্টিকুন্ডা। প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ভারতের শহরগুলোর মধ্যে দিল্লি ও কলকাতা সবচেয়ে বেশি দূষিত হয়েছে। মুম্বাইসহ মহারাষ্ট্র, পূর্বের অন্ধ্র প্রদেশ, চন্দ্রপুরও এ দূষণের প্রভাব থেকে মুক্ত নয়। (সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান)
0 টি মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।