মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার দোয়া ও রোবের প্রতিফলন
মুসলমানগণকে যুলুম নির্যাতন করার ফলস্বরূপ: যুলুমবাজ কাফিরদের উপর বন্যা, তুষারপাত, ঘূর্ণিঝড়, দাবানল, ভূমিকম্প প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ অর্থনৈতিক মন্দারূপে খোদায়ী গযব অব্যাহত।
*****************************************************************************
ফসলশূন্য দ.কোরিয়ায় হাজার হাজার লোক গৃহহীন!
৯টি প্রদেশ ও ৬টি মেট্রোপলিটন শহর নিয়ে গঠিত ৫ কোটি জনসংখ্যা অধ্যুষিত দক্ষিণ কোরিয়ার আয়তন ৯৯,৩৯২ বর্গ কিলোমিটার। রাজধানী সিউল। যুদ্ধ-পরর্বর্তী বিগত ৫০ বছরে দক্ষিণ কোরিয়ায় একমাত্র মুসলিম জনসংখ্যা সবচেয়ে দ্রুততার সঙ্গে বৃদ্ধি পেয়ে আসছে। আর এই বিষয়টি যেন কম্যুনিস্ট রাষ্ট্রটিতে নাস্তিক কাফিরদের সবচেয়ে বেশি মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যার ফলে সেখানে অবস্থানরত নাগরিক সুবিধা ও উন্নত জীবনধারা থেকে মুসলমানরা সবসময়ই বঞ্চিত হয়ে আসছে। প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মুসলমানরা তাদের যোগ্যতা বলে কর্মরত থাকলেও তাদেরকে চরম সুবিধা বঞ্চিত করা হচ্ছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে মুসলমানদেরকে সর্বাধিক যোগ্যতা থাকার পরেও শুধু মুসলমান হওয়ার কারণে তাদের উপর প্রাধান্য দেয়া হয় অন্যান্য কাফিরদেরকে। নাউযুবিল্লাহ! এর ফলও কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়ার নাস্তিক কাফিরগুলোকে পেতে হচ্ছে। অতি সম্প্রতি মাত্র তিনদিন ধরে প্রবল বর্ষণের ফলে সৃষ্ট বন্যায় সরকারি হিসেবে দু’জনের মৃত্যু এবং হাজার হাজার লোক গৃহহীন হয়েছে। (সূত্র- কোরিয়ার কেন্দ্রিয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ)
বার্তা সংস্থাটি জানায়, ডিপিআরকের কোরিয়ার মধ্যাঞ্চলে এই বন্যার ঘটনা ঘটে। সাউথ হামকিয়ং, উত্তর হোয়াজঘায়ি ও কাংউন প্রদেশের বিস্তীর্ণ কৃষিজমি বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে।
এএফফি’র খবরে বলা হয়, বন্যায় ২ কোটি ৪০ লাখ জনগণের খাদ্যের যোগানের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ২০ হাজারের বেশি লোক গৃহহীন এবং হাজার হাজার হেক্টর জমির ফসল বিনষ্ট হয়। (ইন্টারনেট অবলম্বনে)
0 টি মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।