মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার দোয়া ও রোবের প্রতিফলন মুসলমানগণকে যুলুম নির্যাতন করার ফলস্বরূপ যুলুমবাজ কাফিরদের উপর বন্যা, তুষারপাত, ঘূর্ণিঝড়, দাবানল, ভূমিকম্প প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ বিভিন্ন প্রকার বিশৃঙ্খলা অস্বাভাবিক মৃত্যু এবং অর্থনৈতিক মন্দারূপে খোদায়ী গযব অব্যাহত
| ‘না খেয়ে’ জাপানে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু! ১৯৯২ সালে জাতিসংঘের (ইহুদীসংঘ) লিবিয়ার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও বিমান নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। ফলে লিবীয় হজ্জযাত্রীদের পবিত্র মক্কা শরীফ যাওয়া দুরূহ হয়ে উঠে। প্রকৃতপক্ষে উদ্দেশ্যমূলকভাবে দ্বীন ইসলাম পালনে বাধা দেয়াই ছিল এই বিমান নিষেধাজ্ঞার কারণ। ফলে ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ ১৯৯৪ সালে ৩শ লিবীয় হজ্জযাত্রী উটে চড়ে পবিত্র মক্কা শরীফ রওনা হন। কিন্তু পথে ৬ জন হজ্জযাত্রী এবং এক-তৃতীয়াংশ উট মারা যায়। এভাবে বিশ্বব্যাপী সকল জাতির প্রতিনিধিত্বের নামে জাতিসংঘ (ইহুদীসংঘের) এই দুনিয়া থেকে ইসলামকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে চায়। আর সেই সন্ত্রাসী ও যালিম (ইহুদীসংঘের) দ্বিতীয় বৃহত্তম চাঁদা প্রদানকারী দেশ ছিল জাপান। যারফলে আজ খোদায়ী গযবসরূপ অর্থনৈতিক মন্দায় খোদ জাপানিরাই অর্থের অভাবে না খেয়ে মরে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি বোস্টন, বিবিসি ও রয়টার্স ওয়েব সাইটে সংবাদ শিরোনাম করা হয়েছে, ‘না খেয়ে’ জাপানে একই পরিবারের তিন সদস্য মারা গেছে বলে দেশটির গণমাধ্যমে খবর বের হয়েছে। মারা যাওয়ার প্রায় দু’মাস পর তাদের ঘর থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। জাপানের পূর্বাঞ্চলীয় সাইতামা শহরে এ ঘটনা ঘটেছে। ছয় মাস বাড়ি ভাড়া বাকি পড়ার পর বাড়ির মালিক ভাড়া চাইতে গিয়ে তাদেরকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। জাপানের বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল জানিয়েছে, বাড়িতে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ লাইনও বন্ধ ছিল। এ পরিপ্রেক্ষিতে ধারণা করা হচ্ছে- অর্থ সঙ্কটে থাকা ওই পরিবারের তিন সদস্য দীর্ঘদিন ধরে শুধু পানি পান করে বেঁচেছিলো। পুলিশ জানিয়েছে, লাশ উদ্ধারের সময় বাড়িতে কোনো ধরনের খাদ্যবস্তু ছিল না। (ইন্টারনেট অবলম্বনে) |
0 টি মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।