সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

সমসাময়িক

আযাব গযব।

মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মকবুল মুনাজাত শরীফ উনার বেমেছাল রূহানীয়ত সমৃদ্ধ রোব মুবারক উনার ফলেই খোদায়ী গযবে পর্যুদস্ত বিশ্বের সকল কাফির-মুশরিকের দেশ।
************************************************************************************************************************************************************************
ভারত-চীন-আর্জেন্টিনায় বন্যা, যুক্তরাষ্ট্র-পেরুতে ঘূর্ণিঝড়, জার্মানি-রোমানিয়া-পোল্যান্ডে তাপদাহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কবলে পড়ে মহাদুর্ভোগের মধ্যে বসবাস করছে বিশ্বের কাফির রাষ্ট্রগুলোর জনগণ। ঝড়, ভারি বর্ষণের পর সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে এশিয়ার কয়েকটি দেশ। এছাড়াও খরা ও দাবদাহের কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ইউরোপের জনজীবন। ভারত: সম্প্রতি ৩ দিনের বেশি সময় ধরে ভারতের পার্বত্য হিমাচল প্রদেশের মান্দি, কুলু, উনা, কাংরা ও বিলাশপুর জেলায় ভারি বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কার পাশাপাশি, কোথাও কোথাও ভূমিধস হয়েছে। শিমলার আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সামনে আরো বেশী ভারি বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে। এরই মধ্যে নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক করে বন্যা পরিস্থিতির জন্য তৈরি থাকার নির্দেশ দিয়েছে কুলু জেলা কমিশনার।(সূত্র: ইন্টারনেট)
 
ম্যাসেডোনিয়ায় আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
আল ইহসান ডেস্ক:
***********************************************
 
ম্যাসেডোনিয়ার রাজধানী শহর স্কোপজেতে প্রবল বর্ষণে রাতারাতি আকস্মিক বন্যায় কমপক্ষে ১৫ জন নিহত হয়েছে। বিবিসির খবরে বলা হয়, রবিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে আটটায় মৃতদেহগুলো উদ্ধার করা হয়, তবে ৬ জন এখনো নিখোঁজ। নিহতদের অনেকেই গাড়িতে থাকা অবস্থায় বন্যায় ডুবে মারা গেছে। শহরের প্রধান সড়কগুলো তলিয়ে গিয়ে রাস্তার অনেক গাড়ি ভাসিয়ে নিয়ে গেছে বহুদূর পর্যন্ত। শহরের মেয়র কোভে ত্রাজানোভস্কি বলেছে, ‘এই জাতীয় দুর্যোগের কবলে আমরা আগে কখনো পড়িনি।’ স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়, শহরে কমপক্ষে ৬৫ বার এ্যাম্বুলেন্সের ডাক পড়েছে, ২০ জনেরও বেশি মানুষ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সাহায্যের জন্য শেষ পর্যন্ত সেনাবাহিনী ডাকতে হয়েছে।
 
বিহারের বন্যা পরিস্থিতি এখনও ভয়াবহ, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯১
আল ইহসান ডেস্ক:
*************************************************************
বিহারে বন্যাদুর্গত মানুষের দুর্ভোগভারতের বিহার রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতির তেমন কোনও অগ্রগতি হয়নি। বরং ক্রমাগত তা ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। পূর্ণিয়া জেলা থেকে নতুন করে দু’জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত বিহারে বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯১। ১৪টি জেলা বন্যায় বিপর্যস্ত। স্থানীয় প্রশাসনের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ১৪টি জেলার ৭৮ টি ব্লক এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৬৪২টি পঞ্চায়েতের প্রায় ৩৩ লাখ মানুষ। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, কিন্তু তা পুরোপুরি নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি বলে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে। বন্যায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর খবর এসেছে পূর্ণিয়া জেলা থেকে। ২৮ জন মারা গেছেন এই জেলায়। এছাড়াও আরারিয়া জেলায় নিহতের সংখ্যা ২১। কাটিহারে ১৫ ও সুপুয়ালে ৮ জন মারা গেছেন। কিষাণগঞ্জে নিহতের সংখ্যা ৫, মাধেপুরা ও গোপালগঞ্জে ৪ এবং দ্বারভাঙায় ৩ জন মারা গেছেন। সহর্ষা সারণ ও মুজাফ্ফরনগর জেলায় মারা গেছেন একজন করে। নেপালে প্রবল বৃষ্টির ফলে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় এখনও বিপদসীমার বেশ উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে গঙ্গা। খাগাড়িয়ার বালতারা ও কাটিহারের কুরসেলা এলাকায় কোশি নদীও প্রবাহিত হচ্ছে বিপদসীমার উপর দিয়ে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ২ লাখ হেক্টর কৃষিজমি। বন্যা কবলিত এলাকায় খোলা হয়েছে ৪৬৪টি ত্রাণশিবির। বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছেন প্রায় ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ জন। ২২৪টি মেডিক্যাল টিম উপদ্রুত এলাকায় কাজ করছে। এছাড়াও বন্যাদুর্গতদের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরবরাহ করছে স্থানীয় প্রশাসন।
 
চীনে ইস্পাত ও খনিজ ব্যবসায় মন্দা
আল ইহসান ডেস্ক:
*********************************
চীনের আঞ্চলিক অর্থনীতিতে ইস্পাত ও খনিজ ব্যবসায় মন্দা যাচ্ছে। কিছু প্রদেশে ব্যবসায়িক চাঙ্গা আর অধিকাংশ মন্দার মধ্য দিয়েই যাচ্ছে চীনের আঞ্চলিক অর্থনীতি। সম্প্রতি প্রকাশিত তথ্যে প্রবৃদ্ধির ভারসাম্যহীনতা ফুটে উঠেছে। সরকার ভারী শিল্প ও রপ্তানি আয়ের মাধ্যমে এ মন্দা থেকে পরিত্রাণের চেষ্টা করছে। ইস্পাত নির্মাণকারী উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ লিয়াওনিংয়ে ২০১৬-এর প্রথম অর্ধেকে একই সময় গত বছরের তুলনায় বর্তমানে ১ শতাংশ ব্যবসা কমে গেছে, যা ছিল দেশের ৬ দশমিক ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধির বিপরীতে খারাপ অবস্থা। ইস্পাত শিল্পের জন্য প্রসিদ্ধ লিয়াওনিংয়ে প্রাদেশিক ব্যুরোর পরিসংখ্যান মতে, সম্পদ বিনিয়োগ ও আবাসন খাতে যথাক্রমে ৫৮ দশমিক ১ এবং ৩১ দশমিক ৫ শতাংশ আর্থিক হার সংকুচিত হয়েছে। প্রাদেশিক রাজস্ব ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ হারে কমে গেছে। চীনের অর্থনীতি এপ্রিল-জুনের লক্ষ্যমাত্রা ৬ দশমিক ৭ থেকে ধীরভাবে এগুচ্ছে। তেমনভাবে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগও বাড়ছে না।

0 টি মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই।

মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।