মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মকবুল মুনাজাত শরীফ উনার বেমেছাল রূহানীয়ত সমৃদ্ধ রোব মুবারক উনার ফলেই খোদায়ী গযবে পর্যুদস্ত বিশ্বের সকল কাফির-মুশরিকের দেশ
***********************************************************************************************************************************************************************
ভারত-চীন-আর্জেন্টিনায় বন্যা,
যুক্তরাষ্ট্র-পেরুতে ঘূর্ণিঝড়,
জার্মানি-রোমানিয়া-পোল্যান্ডে তাপদাহ (৬)
প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কবলে পড়ে মহাদুর্ভোগের মধ্যে বসবাস করছে বিশ্বের কাফির রাষ্ট্রগুলোর জনগণ। ঝড়, ভারি বর্ষণের পর সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে এশিয়ার কয়েকটি দেশ। এছাড়াও খরা ও দাবদাহের কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ইউরোপের জনজীবন।
জার্মানি: সম্প্রতি মাত্রাতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে খরার কবলে পড়েছে জার্মানি। ইউরোপের অন্যতম প্রধান এলবে নদীর পানি কমে যাওয়ায় শঙ্কার মধ্যে পেড়েছে নৌ-চলাচল। জার্মানিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগ ২০০৩ ও ১৯৮৩ সালে দেশটিতে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। (সূত্র: ইন্টারনেট)
প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কবলে পড়ে মহাদুর্ভোগের মধ্যে বসবাস করছে বিশ্বের কাফির রাষ্ট্রগুলোর জনগণ। ঝড়, ভারি বর্ষণের পর সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে এশিয়ার কয়েকটি দেশ। এছাড়াও খরা ও দাবদাহের কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ইউরোপের জনজীবন।
রোমানিয়া: সম্প্রতি তীব্র দাবদাহের কবলে পড়েছে ইউরোপের আরো দুটি দেশ রোমানিয়া ও পোল্যান্ড। চরম তাপমাত্রায় রোমানিয়ার দানিয়ুব নদীর পানি শুকিয়ে গিয়ে কোথাও কোথাও নৌ-চলাচল বিঘিœত হচ্ছে। লোডশেডিংয়ের কারণে দুর্ভোগ পড়েছে সাধারণ মানুষ। শিল্প এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে কল-কারখানা অনেক সময় বন্ধ রাখতে হচ্ছে। (সূত্র: ইন্টারনেট)
জাপানে দফায় দফায় ভূমিকম্প, সর্তকতা
***************************************
কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে জাপানে চার দফা ভূমিকম্পের খবর পাওয়া গেছে।
বুধবার এই ভূমিকম্পের সর্বোচ্চ মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৫। তাৎক্ষণিকভাবে ভূমিকম্পজনিত কোনও ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ প্রকাশ করা হয়নি।
ভূমিকম্পটির উৎপত্তি টোকিওর উত্তরপূর্বের ইবারাকি জেলায়। এ ভূমিকম্পের কারণে সুনামির কোনও আশঙ্কা না থাকলেও সাধারণ সর্তকতা জারি করেছে জাপানের আবহাওয়া অধিদপ্তর।
ভূ-তাত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস মতে, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ১১ টার দিকে মিসুকাইডোতে ২ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল সমুগ্রপৃষ্ট থেকে ৭ কি.মি দূরে। এরপর বুধবার ভোর ৫ টা ৩৮ মিনিটে ৪ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্পন অনুভূত হয়।
তৃতীয় দফায় ইবারাকির মিসুকাইডোতে রিখটার স্কেলে ৫ মাত্রার ভূমিকম্পে পুরো জাপানই কেঁপে উঠে। এই কম্পণের উৎপত্তিস্থল ছিল সমুগ্রতল থেকে ৩৭ কি.মি দূরে।
সর্বশেষ চতুর্থ দফায় স্থানীয় সকাল ৯ টা ৫০ মিনিট (বাংলাদেশ সময় সকাল ৬ টা ৫০ মি) দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের অসুচি এলাকায় ৪ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়।
জাপানের আবহাওয়া অধিপ্তর বলছে, আমরা সবাইকে সতর্কভাবে থাকতে বলছি।
টোকিও থেকে ২২০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বের ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পরিচালনা প্রতিষ্ঠান টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানি অবস্থিত।
এদিকে, ভূমিকম্পে জাপানের দ্রুতগামি ট্রেন (বুলেট) কয়েক মিনিটের জন্য বন্ধ ছিল। অন্যান্য ট্রেনও তাদের যাত্রা বিলম্ব করে।
এর আগে গত এপ্রিলে ৬ দশমিক ৫ মাত্রার ও ৭ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয় সাড়ে তিন লাখ বাসিন্দার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কুমামতো প্রদেশ।
দুই দিনের ওই ভূমিকম্পে ৪৯ জন নিহত হয়। প্রায় দেড় মাস আশ্রয় কেন্দ্রে থাকার পর গত মাসের শেষের দিকে মানুষজন ঘরে ফেরে।
ভূমিকম্পে নতুন চ্যালেঞ্জে ইতালির অর্থনীতি ও রাজনীতি
****************************************************
ইতালির অর্থনীতিতে এখন স্থবিরতা বিরাজ করছে; পাশাপাশি সরকারি ঋণের হারও অনেক বেশি। এ অবস্থায় নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে আসছে বসন্তে সাংবিধানিক গণভোটে অংশ নিতে হবে প্রধানমন্ত্রী মাত্তেও রেনজিকে। ঠিক এমন পরিস্থিতিতে সম্প্রতি আঘাত হানা ভয়াবহ ভূমিকম্প ইতালির অর্থনীতি তথা রাজনীতিকে নতুন চ্যালেঞ্জের সামনে ঠেলে দিয়েছে। সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় অর্থনীতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আস্থা ধরে রাখতে ৫ কোটি ৬৫ লাখ ডলারের ত্রাণ তহবিলের অনুমোদন দিতে যাচ্ছে ইতালি। খবর ব্লুমবার্গ।
লন্ডনে দাইওয়া ক্যাপিটাল মার্কেটসের অর্থনৈতিক গবেষণা বিভাগের প্রধান ক্রিস সিলোনা এ প্রসঙ্গে জানায়, ভূমিকম্প রেনজির চ্যালেঞ্জ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। দেখা যাচ্ছে, ইতালির অর্থনীতি ও রাজনীতির ওপর এ ভূমিকম্পের পরোক্ষ প্রভাব অনেক বেশি।
বলা হচ্ছে, ঝুঁকি প্রশমন-সংক্রান্ত ইতালিতে দীর্ঘদিন ধরে যে কৌশল বিদ্যমান, তা সরকারি ব্যয় আরো বাড়িয়ে দেবে।
এদিকে ইতালির ৭০ শতাংশ ভবনই ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ। ফলে এসব ভবন সারাই ও নতুন কোনো পরিকল্পনা গ্রহণের ক্ষেত্রে দেশটির বাজেটের ওপরও চাপ পড়বে। এ অবস্থায় ঘাটতি হ্রাস ও ঋণ কমানো নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অন্য দেশগুলোর সঙ্গে কঠোরভাবে আলোচনায় বসতে বাধ্য হবে রেনজি।
প্যান্থন ম্যাক্রোইকোনমিকসের অর্থনীতিবিদ ক্লাউস ভিসেতেসেন বলেছে, বাজেট ঘাটতি ও ঋণ হ্রাস নিয়ে পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা থেকে ইতালিকে কীভাবে কিছুটা হলেও ছাড় দেয়া যায়, সে বিষয়ে ইউরোপের প্রতিষ্ঠানগুলোকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কারণ দেশটিতে এখন পুনর্গঠন প্রয়োজন এবং ইতালির সরকার সে পথেই হাঁটছে।
দুর্যোগ গবেষণা-বিষয়ক প্রতিষ্ঠান কিনেটিক অ্যানালাইসিস করপোরেশনের হিসাব অনুযায়ী, ভূমিকম্পে ইতালির ১০০ কোটি ডলারের বেশি আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া বীমার ক্ষতিপূরণ যদি ২০০৯ সালের ভূমিকম্পের মাত্রাকেও ছাড়িয়ে যায়, তাহলে রিইন্সুরাসরাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তবে ভূমিকম্পে ইতালির প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ঠিক এখনই বলা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে বেশির ভাগ অর্থনীতিবিদ। এ কারণে সাধারণ মানুষের আস্থা ও অর্থনৈতিক জিডিপি প্রভাবিত হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
ভারতে ক্ষুধার্ত দুই শিশুকে বাড়িতে ফেলে গেলো বাবা-মা!
*****************************************************
দুই মাস আগে ছেলেকে নিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে মা। মদ্যপ বাবা দুই মেয়েকে ঘরে তালা বন্ধ করে নিরুদ্দেশ।
প্রতিবেশীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে চারদিন পর পুলিশ তালা ভেঙে আট ও তিন বছর বয়সী শিশু দুইটিকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে।
শুক্রবার এনডিটিভি’র খবরে বলা হয়, ১৯ অগাস্ট ভারতের রাজধানী দিল্লির অন্ধকার একটি কক্ষ থেকে পুলিশ শিশু দুইটিকে উদ্ধার করে। শিশু দুইটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, তাদের সারা শরীরে ক্ষত। চিকিৎসকরা জানায়, তাদের মস্তিষ্কেও সংক্রমণ ধরা পড়েছে।
প্রতিবেশীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, দুই মাস আগে তাদের মা ছেলেকে নিয়ে বাড়ি থেকে চলে যায়। তাদের মাতাল বাবা ১৫ অগাস্ট বাড়ি থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর আর ফিরে আসেনি।
তারপর থেকে দুই বোন পানি ও খাবার ছাড়া একটি ছোট কক্ষে আটকা পড়ে থাকে। ওই কক্ষ থেকে উটকো গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিবেশীরা পুলিশকে খবর দেয়।
পুলিশ জানায়, শিশু দুইটির বাবা এখনও নিখোঁজ। তাদের দাদিকে খুঁজে পাওয়া গেছে। কিন্তু তিনি শিশু দুইটির দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করেছে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের খোঁজ রাখার জন্য শিশু কল্যাণ কমিটিকে অনুরোধ করেছে পুলিশ।
দিল্লি কমিশন ফর উম্যান শিশু দুইটির দায়িত্ব নিতে রাজি হয়েছে।
সংস্থাটির প্রধান স্বাতী মালিওয়াল বলেছে, “মেয়ে দুইটি এতটাই খারাপ অবস্থায় ছিল যেটি আমার পক্ষে ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব না।”
“আমরা চাই না শিশু দুইটি আবারও ওই রকম একটি পরিবারের কাছে ফিরে যাক। কিভাবে তারা শিশু দুইটিকে এমন অবস্থায় রেখে চলে যায়?”
0 টি মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।