সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

আন্তর্জাতিক

আযাব গযব।

মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মকবুল মুনাজাত শরীফ উনার বেমেছাল রূহানীয়ত সমৃদ্ধ রোব মুবারক উনার ফলেই খোদায়ী গযবে পর্যুদস্ত বিশ্বের সকল কাফির-মুশরিকের দেশ
****************************************************************************
জার্মানির বাস্তব চিত্র: দ্রারিদ্র্য বাড়ছে দ্রুত (৪)
সাধারণভাবে জার্মানিজুড়ে হাই-রাইজ হোটেল, শপিংমল ও বিলাসবহুল বাড়ির আধিক্য দেখে চোখ ধাঁধিয়ে যায়। মিডিয়ার খবরে আসে, ‘ইউরোপ মহাদেশের অর্থনৈতিক ইঞ্জিন এখন জার্মানি’, ‘ভোক্তা আস্থা ১৩ বছরের মধ্যে এখন সর্বোচ্চ’, ‘ফেব্রুয়ারিতে জার্মানির চলতি হিসাব উদ্বৃত্তে গড়েছে নতুন রেকর্ড’ ‘বিশ্বমন্দার এই সময়েও প্রত্যাশার চেয়ে বেশি রফতানী করছে জার্মানি’, ‘জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হতে জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বার্লিন’ ইত্যাদি ইত্যাদি।
উপরে বর্ণনা করা হয়েছে সাফল্যের কাহিনী। এ দিকটা চোখ-কান খোলা সবারই জানা। কিন্তু ভিন্ন জার্মানির গল্প খুব কম জনই জানে।
শুনতে খারাপ লাগলেও এটি সত্য যে, জার্মানিতে দরিদ্র লোকের সংখ্যা বাড়ছে। এ তথ্যটিকে সে দেশের অনেকেই বিশ্বাস করতে চায় না। সুপরিচিত ডি সাইট পত্রিকার সম্পাদকীয়তে সম্প্রতি ব্যঙ্গ করে লেখা হয়েছে, প্রত্যেক জার্মানের বেতন বর্তমান বেতনের চেয়ে শতগুণ বৃদ্ধি পেলেও দারিদ্র্যের হার একই রকম থাকবে। তারা বোঝাতে চাইছে, কাগজে-কলমে দরিদ্র লোকের সংখ্যা বাড়িয়ে দেখানো হয় কিংবা কল্যাণ ভাতা পাওয়ার জন্য অসংখ্য লোক নিজেকে দরিদ্রদের তালিকায় যুক্ত করছে। তাদের যুক্তি, জার্মানির এতো অর্থনৈতিক সাফল্য সত্ত্বেও এতো বেশি দরিদ্র থাকার কথা নয়। তবে তাদের অভিমতে কিছু যায় আসে না, ৬০ শতাংশ জার্মানই মনে করে, অসমতা বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে দারিদ্র্যও। ২০১৩ সালের নির্বাচনের আগে চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মের্কেল ও তার চ্যালেঞ্জার পিয়ার স্টেইনব্রাক এক টিভি বিতর্কে অংশ নিয়েছিলো। এতে পিয়ার স্টেইনব্রাকের অভিযোগ ছিল, জার্মানিতে চাকরি সৃষ্টি হচ্ছে ঠিকই; কিন্তু অধিকাংশই কম মজুরির। এতে দরিদ্র জার্মানদের ভাগ্যোন্নয়ন ঘটছে না। (সূত্র- বিবিসি বিজনেস)
 
 
আটলান্টিক মহাসাগরে ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প
আল ইহসান ডেস্ক:
*****************************************
আটলান্টিক মহাসাগরের দক্ষিণাঞ্চলে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৪। সোমবার (২৯ আগস্ট) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টায় মহাসাগরের আগ্নেয়গিরির দ্বীপ অ্যাসেনশন আইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলে এ ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে। ব্রিটেন শাসিত অ্যাসেনশন আইল্যান্ডটি আফ্রিকার উপকূল থেকে ১৬০০ কিলোমিটার এবং ব্রাজিল উপকূল থেকে ২২৫০ দূরে। ভূমিকম্পের পর তৎক্ষণাৎ কোনো ক্ষয়ক্ষতির প্রকাশ করা হয়নি।
খোদায়ী গযব।
******************
 
অ্যাটলান্টিকে এগিয়ে যাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘গ্যাস্টন’
আল ইহসান ডেস্ক:
*****************************************
অ্যাটলান্টিক মহাসাগরে ঘনীভূত হয়েছে একটি বড়সড় ঘূর্ণিঝড়। ইতোমধ্যেই শক্তি বাড়িয়েছে ওই ঘূর্ণিঝড়। শনিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল হ্যারিকেন সেন্টার একে হ্যারিকেনের তকমাও দিয়ে দিয়েছে। হ্যারিকেনের নাম দেয়া হয়েছে গ্যাস্টন।
অ্যাটলান্টিক সাগরে এই হ্যারিকেনটি বৃহস্পতিবারেই আছড়ে পড়ার কথা ছিল। কিন্তু অপর একটি ক্রান্তীয় ঝড়ের প্রভাবে এর শক্তি কমে যায়। তবে হ্যারিকেন সেন্টারের পূর্বাভাস অনুযায়ী যে কোন সময় আটলান্টিকের উত্তরে আছড়ে পড়বে ঝড়টি। এরপরে আগামী বৃহস্পতিবারে তা আছড়ে পড়বে উত্তর-পশ্চিমে আটলান্টিকের মুক্ত অঞ্চলে। ঝড়ের জন্য উপকূলবর্তী অঞ্চলে সতর্কতা জারি করেছে ন্যাশনাল হ্যারিকেন সেন্টার।
ঝড়ের প্রভাবে ১৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে বলে জানিয়েছে ন্যাশনাল হ্যারিকেন সেন্টার। জানা গিয়েছে গ্যাস্টন হ্যারিকেনের কেন্দ্রস্থল বারমুডার ৬৫৫ মাইল পূর্বে- দক্ষিণ পূর্বে। তবে প্রতি ঘণ্টায় ৮ মাইল গতিবেগে তা ক্রমশ এগিয়ে চলছে দক্ষিণ-পশ্চিমে।
প্রসঙ্গত জুন থেকে নভেম্বরের মধ্যেই আটলান্টিকে হ্যারিকেন ঘূর্ণিঝড়গুলি হয়ে থাকে। তবে অ্যালেক্স নামের একটি হ্যারিকেন জানুয়ারি মাসেই হয়ে গিয়েছিল। এছাড়া প্রতিবছরে ১০ থেকে ১৬ টি ঘূর্ণিঝড় হয়েই থাকে আটলান্টিকে। তবে এই সংখ্যা বেড়ে ১৭ হতে পারে বলে জানিয়েছে ন্যাশনাল হ্যারিকেন সেন্টার।
কোট.......
 
 
সিঙ্গাপুরে জিকা ভাইরাসের ৪১ রোগী সনাক্ত
আল ইহসান ডেস্ক:
*******************************************
সিঙ্গাপুরে জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত ৪১ জন রোগীর সন্ধান পেয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। রোববার একথা জানায় দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় জানায়, এখনো সবাই হাসপাতালে রয়েছে। গত মে মাসে সিঙ্গাপুরে যে জিকা আক্রান্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছিল সে আক্রান্ত হওয়ার আগে ব্রাজিল ভ্রমণ করে এসেছিলে। তবে নতুন করে আক্রান্তরা সিঙ্গাপুরের ভেতরেই মশার কামড়ে জিকা ভাইরাস আক্রান্ত হয়েছে বলে দাবি করেছে চিকিৎসকরা।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, নতুন আক্রান্তরা শনাক্ত হওয়ার পর আক্রান্ত নির্মাণ শ্রমিকরা যেখানে কাজ করছিলো সে কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। তাদের থাকার জায়গা সন্তোষজনক ছিল না এবং তা মশা জন্মানোর উপযোগী।
উল্লেখ্য, এডিস প্রজাতির মশা থেকে জিকা ভাইরাস মানুষের দেহে ছড়িয়ে থাকে। জ্বর, জয়েন্ট পেইনসহ ছোটখাটো কিছু শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয় এ ভাইরাসের কারণে। আবার তা এক সপ্তাহের কম সময়ের মধ্যে সেরেও যায়। তবে বিপত্তি তৈরি হয় গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে।
গত বছর ব্রাজিলে মাইক্রোসেফালি বা অস্বাভাবিক আকৃতির মাথা নিয়ে শত শত শিশুর জন্ম হয়। মশাবাহিত ভাইরাস জিকাকে এ ধরণের শিশু জন্মানোর কারণ বলে সে সময়ই সন্দেহ করা হচ্ছিল।
এ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা নানা গবেষণা শুরু করেন। গত এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জিকা ভাইরাস থেকে যে মাইক্রোসেফালি হতে পারে সে ব্যাপারে তারা নিশ্চিত। এর আগে শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমে মাধ্যমে জিকা ভাইরাস ছড়ানোর কথাও দাবি করেছিলো তারা।
 
 
ভারতের ফারাক্কা রণক্ষেত্র, পুলিশের গুলিতে নিহত ২
আল ইহসান ডেস্ক:
*****************************************************
টানা লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে উত্তাল পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের ফারাক্কা। ঘটনা সামাল দিতে গিয়ে রোববার ফারাক্কা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ সময় পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে ২ জন নিহত এবং ৭ পুলিশসহ অন্তত ২২ জন আহত হয়েছে।
ভারতীয় কয়েকটি সংবাদমাধ্যম থেকে জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরে ফারাক্কা এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ নেই, ফলে তাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। স্থানীয় বিদ্যুৎ দপ্তরে গিয়েও সুরাহা হয়নি। তার জেরেই রোববার সকাল থেকে জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন ফারাক্কাবাসী। সেই অবরোধের ক্ষোভই ক্রমে পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে ।
পরিস্থিতি সামাল দিতে গেলে পুলিশ ফারাক্কাবাসীর আরো ক্ষোভের মুখে পড়ে। অবরোধকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ও বোমা ছোড়ে। এ সময় পুলিশও পাল্টা আক্রমণে গেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। পুলিশের গুলিতে জামাল শেখ (২৬) নামে একজন অবরোধকারী নিহত হয়। অপরদিকে ফারাক্কা থানার আইসিসহ সাত পুলিশ সদস্য আহত হয়। এ ছাড়া আহত হয়েছে আরও অন্তত ১৫ অবরোধকারী।
মুর্শিদাবাদের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা বলেছে, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ গুলি চালিয়েছে।
ফারাক্কার বিধায়ক কংগ্রেসের মইনুল হক ও সিপিএমের জেলা সম্পাদক মৃগাঙ্ক ভট্টাচার্য পুলিশের গুলি চালানোর ঘটনায় নিন্দা করে বলেছে, ‘বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অতিষ্ঠ হয়েই মানুষ রাস্তায় নেমেছিল। অথচ পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালাল! আমরা এ কোন রাজ্যে বাস করছি?’
বজ্রপাতে তিন শতাধিক হরিণের মৃত্যু
**********************************
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ৩০ আগস্ট ২০১৬
 
বজ্রাঘাতে একই সঙ্গে মৃত্যু হল একদল হরিণের। গত শুক্রবার মধ্য নরওয়ের হারদাঙ্গিরবিদ্দা জাতীয় উদ্যানে তড়িদাহত হয়ে মারা গেছে ৩২৩টি রেইনডিয়ারের পাল।
সোমবার নরওয়ের পরিবেশ দপ্তর প্রচারিত ছবিতে হারদাঙ্গিরবিদ্দা জাতীয় উদ্যানে পড়ে থাকা হরিণের দেহগুলি দেখা গেছে। জানা গেছে, শুক্রবার রাতে ওই অঞ্চলে প্রবল বেগে ঝড়া বয়ে যায় এবং প্রচণ্ড বজ্রাঘাত হয়। তারই জেরে গাছপালাহীন মালভূমির ওপর ছোট এলাকায় একসঙ্গে মারা গিয়েছে ৩২৩টি রেইনডিয়ার। এর মধ্যে রয়েছে ৭০টি হরিণশাবক।
 
দপ্তরের মুখপাত্র জার্তান ন্যুটসেন সংবাদসংস্থা এপি-কে জানিয়েছেন, বজ্রপাতে বন্যপ্রাণের মৃত্যু বিরল নয়। তবে একই সঙ্গে এতগুলি রেইনডিয়ারের প্রাণহানি এর আগে দেখা যায়নি। ন্যুটসেনের মতে, 'এর আগে এত বেশি সংখ্যক রেইনডিয়ারের মৃত্যু হয়নি। আমরা জানি না সেদিন একাধিক বজ্রপাত হয়েছিল কি না। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় গা-ঘেঁষাঘেঁষি করে থাকার প্রবৃত্তি রয়েছে হরিণের এই প্রজাতির। এই কারণে মুহূর্তের মধ্যে এতগুলি প্রাণীর একসঙ্গে মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।'
 
ন্যুটসেন জানিয়েছেন, রেইনডিয়ারের দেহগুলি নিয়ে কী করা যায়, তাই নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে নরওয়ের পরিবেশ মন্ত্রক। সাধারণত, বন্যপ্রাণীর মৃত্যুর পরে দেহগুলি জঙ্গলের ভিতরে সেই অবস্থাতেই রেখে দেওয়া হয়। এর ফলে প্রাকৃতিক উপায়েই দেহাবশেষে পচন ধরে ক্ষয় হয়।
 
প্রসঙ্গত, প্রতি বছর আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে হারদাঙ্গিরবিদ্দা মালভূমি পেরিয়ে লম্বা সফরে পাড়ি জমায় পরিযায়ী রেইনডিয়াররা। এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি।
আনকোট...........

0 টি মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই।

মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।