সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

আন্তর্জাতিক

আযাব গযব।

আযাব গযব।
আযাব গযব!!! ************** ইতালিতে ফের ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প “সবকিছু ধসে পড়েছে... আমি দোজখ দেখলাম” -মেয়র আল ইহসান ডেস্ক: ************************************************************************ গত সপ্তাহের শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ইতালির কেন্দ্রীয় অঞ্চলে ফের ৭ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটেছে। বিবিসি জানিয়েছে, গতকাল ইতালির কেন্দ্রীয় অঞ্চলের নোর্সিয়ার কাছে ভূপৃষ্ঠের মাত্র দেড় কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটির উৎপত্তি হয়। ভূমিকম্পে অনেক ভবন ধসে পড়ার খবর পাওয়া গেলেও তাৎক্ষণিভাবে কোনো হতাহতের খবর প্রকাশ করা হয়নি। মাত্র দুই মাস আগে ইতালি কেন্দ্রীয় অঞ্চলে অপর একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রায় ৩০০ জন নিহত ও কয়েকটি টাউন ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। এবারের ভূমিকম্পটি অগাস্টের ওই ভূমিকম্প এবং গত সপ্তাহের পরাঘাত থেকেও শক্তিশালী। ভূমিকম্পে নোর্সিয়ার সেন্ট বেনেডিক্ট ব্যাসিলিকা ধসে পড়েছে। স্থানীয় এক খ্রিস্টান পাদ্রী ধসে পড়া ওই ব্যাসিলিকার ছবি ট্যুইটারে পোস্ট করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উপকেন্দ্র পেরুজিয়া থেকে ৬৮ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে এবং নোর্সিয়া টাউনের কাছাকাছি। ভূমিকম্পটি রাজধানী রোম থেকেও অনুভূত হয়েছে। স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে ভূমিকম্পটি হওয়ার পর ভীতসন্ত্রস্ত বাসিন্দারা রাস্তায় নেমে আসে। ওই অঞ্চলের উসসিতা গ্রামের মেয়র বার্তা সংস্থা আনসাকে বলেছে, “সবকিছু ধসে পড়েছে। আমি ধোঁয়ার কু-ুলি দেখতে পাচ্ছি। এটি একটি বিপর্যয়। আমি গাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলাম এবং দোজখ দেখলাম।” ইতালির দমকল বিভাগ বলেছে, “সকালের ভূমিকম্পে যেসব টাউন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেখানে তল্লাশি শুরু করা হচ্ছে।” গত সপ্তাহে এই এলাকায় পাঁচ দশমিক পাঁচ মাত্রার ও ছয় দশমিক এক মাত্রার দুটি ভূমিকম্প হয়। তারপর থেকে নিকটবর্তী ক্যাসটেলস্যানটাঙ্গেলো, প্রেসি ও ভিসসো টাউন প্রায় পরিত্যক্ত হয়ে গেছে। ভূমিকম্পের পর রাজধানী রোমে মেট্রো রেল চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। আগুনে ধসে পড়ছে যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে পুরনো হোটেল আল ইহসান ডেস্ক: ******************************************** ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর ধসে পড়তে শুরু করেছে যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে পুরাতন হোটেল রয়্যাল ক্ল্যারেন্স। ডেভন কাউন্টির এক্সেটার শহরে ১৭৬৯ সালে এ হোটেলটি নির্মাণ করা হয়। বিবিসির খবরে বলা হয়, রয়্যাল ক্ল্যারেন্স হোটেলে ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আগুন জ্বলছে। হোটেলের সামনের দিকে কিছু অংশ এরই মধ্যে ধসে পড়েছে। শুক্রবার স্থানীয় সময় ভোর ৫টার দিকে হোটেলের পাশের একটি গির্জায় আগুনের সূত্রপাত হয় এবং পরে তা পুরো হোটেলে ছড়িয়ে পড়ে। বিবিসি জানায়, গির্জা থেকে আগুন ক্যাসেল ফাইন আর্ট গ্যালারি, একটি ক্যাফে এবং রয়্যাল ক্ল্যারেন্স হোটেলে ছড়িয়ে পড়ে। অগ্নিনির্বাপক বাহিনীর একজন মুখপাত্র বলেছে, আগুনে গ্যালারি এবং হোটেল ধ্বংস হয়ে গেছে। কী কারণে আগুনের সূত্রপাত তা এখনও জানা যায়নি বলেও জানায় সে। চিফ ফায়ার অফিসার লি হোয়েল বলেছে, “এ ঘটনায় এলাকাবাসী একটি ঐতিহাসিক ভবন খুইয়েছে। যেটা নগরীর মাইলফলকগুলোর একটি ছিল।” অগ্নিকা-ের সময় অস্ট্রেলিয়ার পর্যটক লুসি হোটেলে ছিলো। স্থানীয় একটি রেডিওকে সে জানায়, “৫টার দিকে ‘ফায়ার এলার্ম’র বিকট শব্দে আমার ঘুম ভাঙ্গে। কেউ আমার দরজায় জোরে আঘাত করছিল। জানালা দিয়ে চারিদিকে আমি কমলা রংয়ের আগুনের শিখা দেখতে পাই।” “আমি আমার পাসপোর্টটি আঁকড়ে ধরে কোনো রকমে নিচে নামি। ওই সময় পুরো ভবন জ্বলছিল।” ইতালিতে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্প বিশ্বজমিন মানবজমিন ডেস্ক | ৩০ অক্টোবর ২০১৬, রবিবার প্রতীকী ছবি ইতালিতে ৭ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। আজ রোববার দেশটির মধ্যাঞ্চলে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানীর খবর পাওয়া যায় নি। ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) বলেছে, পেরুজিয়া থেকে পূর্ব-দক্ষিণ পর্ব দিকে ৬৮ কিলোমিটার দূরে ১০৮ কিলোমিটার গভীরে ছিল এ ভূমিকম্পের উৎস। বুধবার এই শহরের পূর্বদিকে আঘাত করে ৬ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প। দু’মাস আগে এই ইতালিতেই ভূমিকম্পে নিহত হন কমপক্ষে ৩০০ মানুষ। মাটির সঙ্গে মিশে যায় বেশ কিছু ছোট শহর। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। World Drone footage shows devastating aftermath of Italy earthquake Drone footage released by Italy's fire and rescue corps shows the devastating aftermath of the magnitude 6.6 earthquake that hit central and southern Italy on Sunday morning. The video, taken over the town of Amatrice, revealed demolished buildings, crumbling façades and streets clogged with debris. The town of about 1,000 people was also battered by Italy's Aug. 24 earthquake and a series of aftershocks last week. Sunday's earthquake is potentially Italy's largest earthquake since a magnitude 6.9 quake struck southern Italy in 1980, according to the U.S. Geological Survey (USGS). SEE ALSO: Here's why Italy is prone to devastating earthquakes "These earthquakes are bringing all of central Italy to its knees," Giuseppe Pezzanesi, mayor of the town of Tolentino, told the Associated Press. The Oct. 30 temblor struck at 7:40 a.m. local time and was centered in Norcia, about 35 miles from Amatrice. There were no immediate reports of deaths, although last week's aftershocks left thousands of Italians homeless. The magnitude 6.2 earthquake in August also struck near Norcia and killed nearly 300 people. In Amatrice, the nearly 600-year-old St. Augustine church crumbled on Sunday after surviving previous earthquakes, according to Italy's Vigili del Fuoco (literally "Firewatchers" in Italian). The church's rooftop sustained damage last week, but the building was still standing as of Oct. 28.
Faruque Hussainৰ ফটোFaruque Hussainৰ ফটো

0 টি মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই।

মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।