খোদায়ী আযাবগযবে নাস্তানাবুদ কাফির বিশ্ব!!! সুবহানাল্লাহ। (২)
***********************************************************
মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার দোয়ার বরকতে মুসলমানদেরকে জুলুম নির্যাতন করার ফলে জুলুমবাজ কাফিরদের উপর খোদায়ী গজব।
********************************************************************
ফিলিপাইনের উত্তর প্রদেশে আঘাত হেনেছে সুপার টাইফুন হাইমা।ধারণা করা হচ্ছে হাইমা’র আঘাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হবে দেশটির বেশ কিছু অঞ্চল।
বন্যা হবে ২শ’ বছরের চেয়েও ৩ গুন শক্তিশালী, বাড়বে ঘূর্ণিঝড়
আল ইহসান ডেস্ক:
************************************************************
গত ১৩৬ বছরের মধ্যে গরম সবচেয়ে বেশি ছিল এই সেপ্টেম্বর মাসে। চলতি ২০১৬ সাল বিশ্বের জানা ইতিহাসের উষ্ণতম বছর হতে চলেছে- এমন ধারণার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এই তথ্য দিয়েছে বলে যুক্তরাজ্যের দৈনিক ইন্ডিপেনডেন্ট জানিয়েছে। নাসার হিসাবে এর আগে ২০১৪-র সেপ্টেম্বর ছিল ‘উষ্ণতম’। এবারের গড় তাপমাত্রা ওই বছরের চেয়ে ০.০০৪ ডিগ্রি বেশি ছিল। সামান্য এ ব্যবধানকে পরিসংখ্যানের ভাষায় ‘স্ট্যাটিস্টিক্যাল টাই’ বলেও অ্যাখ্যা দিয়েছে তারা। ইন্ডিপেনডেন্ট বলছে, ১৯৫১ থেকে ১৯৮০ পর্যন্ত সেপ্টেম্বরগুলোর গড় তাপমাত্রার থেকে এবারের তাপমাত্রা শূন্য দশমিক ৯১ ডিগ্রি বেশি।
বৈশ্বিক তাপমাত্রা মাপার আধুনিক পদ্ধতি চালু হওয়ার পর চলতি বছরের জুলাইয়ের উষ্ণতাও আগের বছরগুলোর রেকর্ড ভেঙেছিল। জুলাই, সেপ্টেম্বরের মতো গত ১২ মাসের ১১টিই উষ্ণতায় আগের বছরগুলোর রেকর্ড টপকে গেছে বলে জানিয়েছে নাসা। বাদ গেছে কেবল জুন মাস। প্রথমদিকে নাসা এ বছরের জুনকেও ১৩৬ বছরের মধ্যে ‘উষ্ণতম জুন’ বলে ঘোষণা করলেও পরে জানায়, সে তথ্য ভুল। পরবর্তীতে সংযুক্ত তথ্যে চলতি বছরের জুন উষ্ণতা বিচারে ২০১৫ ও ১৯৯৮-র পর তৃতীয় সর্বোচ্চ, বলছে এ মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।
বৈশ্বিক তাপমাত্রার মাস অনুযায়ী রেকর্ড আপডেট করার কাজ বেশ সংবেদনশীল। যার ধারাবাহিকতায় মধ্য শীতে দক্ষিণ মেরুর তাপমাত্রা যোগ করে আমরা দেখেছি, চলতি জুন অন্য বছরগুলোর তুলনায় উষ্ণতম ছিল না,” বলে নাসার গডার্ড ইনস্টিটিউট ফর স্পেস স্টাডিজের পরিচালক গেভিন স্মিডিট। আমরা বারবার বোঝানোর চেষ্টা করছি যে, প্রতি মাসের এ গড় তাপমাত্রা সংবাদ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও জলবায়ু পরিবর্তনের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাবের তুলনায় এটা খুব বেশি নয়। প্রথম নয় মাসের গড় তাপমাত্রা ২০১৬ সালকে উষ্ণতম বছরের দিকেই ধাবিত করছে বলেও মন্তব্য এ গবেষকের। বিশ্বজুড়ে ছড়ানো ছিটানো ছয় হাজার তিনশ’ আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য যাচাই বাছাই করে নাসা প্রতিমাসে বিশ্বের গড় তাপমাত্রার পরিমাণ বের করে। এসব দপ্তরের মাধ্যমে বিভিন্ন অঞ্চল এবং সমুদ্রের তাপমাত্রা জোগাড় করে সংস্থাটি। ১৮৮০ সালের আগে বৈশ্বিক তাপমাত্রা মাপতে এত তথ্যের সন্নিবেশ ঘটানো হত না বলে, তখনকার রেকর্ডকে বিবেচনায় নেয়া হয় না। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত হুমকির মধ্যে মাস ও বছরের গড় উষ্ণতার পরিমাণ নির্ণয় আগের চেয়েও জরুরি হয়ে উঠেছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
শিল্পায়ন, অপরিকল্পিত নগরায়ন ও বন ধ্বংসসহ নানা কারণে সৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশে দেশে খরা ও বন্যার আক্রমণ বাড়ছে বলে বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছে।
ইন্ডিপেন্ডেন্ট বলছে, জলবায়ুর পরিবর্তনজনিত কারণে যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চলে অগ্নিকা-ে ক্ষতিগ্রস্ত বনভূমি এলাকার পরিমাণ গত ৩০ বছর ধরে বাড়তে বাড়তে দ্বিগুণ হয়েছে। এ কারণে ক্যালিফোর্নিয়ায় সবজি চাষ প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম। জলবায়ুজনিত তাপমাত্রার এই ক্রমবৃদ্ধি আটলান্টিক উপকূলে স্যান্ডির মত ঘূর্ণিঝড়ের সংখ্যা বাড়বে বলেও আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। ওই ঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ১৫৭জন নিহত হয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ছিল প্রায় ৫৭ বিলিয়ন ডলার। এ ধরণের ঘূর্ণিঝড়ের ফলে সৃষ্ট বন্যা গত দুইশ’ বছরে হওয়া বন্যার চেয়েও তিনগুণ শক্তিশালী বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কুঋণের পাহাড়ের নিচে চাপা পড়েছে ভারত
আল ইহসান ডেস্ক:
*******************************************
রীতিমতো কুঋণের পাহাড়ের নিচে চাপা পড়েছে ভারত। বিভিন্ন আবাসন সম্পত্তির বিপরীতে বিপুল পরিমাণ ঋণ গ্রহণ করলেও গ্রহীতারা শেষ পর্যন্ত তা পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে। এসব আবাসন সম্পত্তির আর্থিক মূল্য ৪ হাজার ৫০০ কোটি ডলার (৩ লাখ কোটি রুপি) দাঁড়াতে পারে বলে এইচডিএফসি রিয়ালটি ধারণা করছে। খবর ব্লুমবার্গ।
এইচডিএফসি রিয়ালটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিক্রম গোয়েল জানিয়েছে, এরই মধ্যে তিনটি ব্যাংক তাদের কুঋণ পুনরুদ্ধারের জন্য তার প্রতিষ্ঠানের শরণাপন্ন হয়েছে। ব্যাংকগুলো এসব ঋণের বিপরীতে জামানত হিসেবে রাখা সম্পত্তিগুলো বিক্রি করতে চায়। তবে এসব সম্পত্তির আর্থিক মূল্য বা ওই তিনটি ব্যাংকের নাম প্রকাশ করতে রাজি হয়নি সে।
আগামী বছরের মার্চের মধ্যে ভারতের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে কুঋণের ঝামেলা মিটিয়ে ফেলতে বলেছে রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া (আরবিআই)। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশ মেনে এসব ঋণের অর্থ পুনরুদ্ধারের জন্য ব্যাংকগুলো উঠেপড়ে লেগেছে। ভারতীয় ব্যাংকিং খাতে স্ট্রেসড অ্যাসেটস রেশিও ১৭ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চে দাঁড়িয়েছে, যা ব্যাংকগুলোর মুনাফা সক্ষমতা ও মূলধন স্থিতিশীলতা নষ্ট করে দিচ্ছে।
এক সাক্ষাৎকারে গোয়েল বলেছে, ‘ব্যাংকগুলো আমাদের কাছে আসছে, কারণ আমাদের নেটওয়ার্ক দেশজুড়ে বিস্তৃত। তারা বিশ্বাস করে, বন্ধকী সম্পত্তি বিক্রির মাধ্যমে কুঋণের অর্থ পুনরুদ্ধারের জন্য আমাদের উপযুক্ত ব্যবস্থা ও পদ্ধতি রয়েছে। আমাদের মতো পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের জন্য এটি ব্যবসার ভালো সুযোগ।’
এইচডিএফসি রিয়ালটির মোট রাজস্বের অর্ধেকের বেশি আসে আবাসন সম্পত্তি বিক্রির ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরামর্শক হিসেবে কাজ করার মাধ্যমে। এছাড়া হাউজিং ডেভেলপমেন্ট ফিন্যান্স করপোরেশন লিমিটেডের শাখাটি সম্পত্তির মূল্য নির্ধারণী সেবাও দিয়ে থাকে। তবে ওই তিনটি ব্যাংকের হয়ে কাজ করার বিনিময়ে তারা কী পরিমাণ অর্থ নিচ্ছে, গোয়েল তা বলতে রাজি হননি।
এর আগেও সংকটপূর্ণ সম্পদ বিক্রিতে পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছে এইচডিএফসি রিয়ালটি। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অব ইন্ডিয়া চলতি বছরের শুরুতে সুব্রত রায়ের মালিকানাধীন সম্পত্তি বিক্রির জন্য এইচডিএফসি ও এসবিআই ক্যাপিটাল মারকেটস লিমিটেডকে নিয়োগ দেয়। গোয়েল জানায়, তার প্রতিষ্ঠান বর্তমানে সুব্রত রায়ের সাহারা ইন্ডিয়া পরিবারের মালিকানাধীন ৩০টি সম্পত্তি বিক্রিতে প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছে, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ২ হাজার ৪০০ কোটি রুপি।
আযাব গযব!!! (২)

0 টি মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।