মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মকবুল মুনাজাত শরীফ উনার বেমেছাল রূহানীয়ত সমৃদ্ধ রোব মুবারক উনার ফলেই খোদায়ী গযবে পর্যুদস্ত বিশ্বের সকল কাফির-মুশরিকের দেশ।
*************************************************************************************************************************************************************************
ইউরোপ-আমেরিকায় আর্থিক মন্দায় হাজার হাজার আত্মহত্যা! পশ্চিমা বিশ্ব মনে করে একমাত্র সম্মানিত দ্বীন ইসলামই তাদের পুঁজিবাদের মুখোশ খুলে দিতে সক্ষম। তাই তারা সর্বশক্তি দিয়ে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহ উনাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, বুদ্ধিবৃত্তিক, সাংস্কৃতিক সব ধরনের যুদ্ধ শুরু করেছে। সম্মানিত ওহী মুবারক দ্বারা নাযিলকৃত সম্মানিত দ্বীন ইসলাম যাতে মুসলিম বিশ্বে পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে না পারে তা নিশ্চিত করাই তাদের জঘন্যতম প্রধান কুটউদ্দেশ্য। তাই মুসলমানগণের সম্মানিত বিশুদ্ধ আক্বীদা থেকে বিচ্যূতি করে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য পরিচালনা করা হয় নানা রকম ষড়যন্ত্র। এসব ষড়যন্ত্রের বিষয়ে কথিত মুসলিম বিশ্ব নেতৃবৃন্দ নিষ্ক্রিয় থাকলেও মুসলমানদের পক্ষে তার জবাব দিচ্ছেন স্বয়ং যিনি মুসলমানদের খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কুদরতী খোদায়ী গযব নাযিল করে। যার ফলে বর্তমানে খোদায়ী গযবরূপী চরম অর্থনৈতিক মন্দায় তারা দিশেহারা। ২০০৯ সালে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায় যে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দেয় তাতে অতিরিক্ত ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ আত্মহত্যা করেছে। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের একদল গবেষক এ তথ্য প্রকাশ করেছে। ব্রিটিশ জার্নাল সাইক্রিয়াট্রি এ গবেষণাপত্রটি প্রকাশ করেছে। গবেষণায় দেখা যায়, মন্দার সময় আত্মহত্যা উল্লেখযোগ্যহারে বেড়ে যায়। ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ড ও লন্ডন স্কুল অব হাইজিন্স এন্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন ২৪টি ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার উপর গবেষণাটি পরিচালনা করে। দেখা যায়, ইউরোপে ২০০৭ সাল পর্যন্ত আত্মহত্যা ক্রমাগত কমছিল। কিন্তু ২০০৯ সালের পর ২০১১ সাল পর্যন্ত সাড়ে ৬ ভাগ আত্মহত্যা বেড়ে যায়। কানাডার আত্মহত্যার হার বাড়েনি বরং কমেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, চাকরি হারানো, ঋণের দায়ে বাড়ি খোয়ানো ও ঋণে জর্জরিত হওয়া আত্মহত্যার প্রধান কারণ। (সূত্র: ইন্টারনেট)
0 টি মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।