মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মকবুল মুনাজাত শরীফ উনার বেমেছাল রূহানীয়ত সমৃদ্ধ রোব মুবারক উনার ফলেই খোদায়ী গযবে পর্যুদস্ত বিশ্বের সকল কাফির-মুশরিকের দেশ
***********************************************************************************************************************************************************************
ছাত্রের গুলিতে শিক্ষক নিহত! সম্প্রতি মার্কিন পোশাক ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান অসবৎরপধহ অঢ়ঢ়ধৎবষ একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে একজন নারী মডেলের টপলেস ছবিতে আপত্তিকরভাবে গধফব রহ ইধহমষধফবংয কথাটি লিখে প্রচার করে। মূলত, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ধর্মকে এবং বাংলাদেশকে কটাক্ষ করার জন্য ইচ্ছাকৃত এবং দুরভিসন্ধিমূলকভাবে এ ঘটনাটি সাজানো হয়। নাউযুবিল্লাহ! যদিও এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সামান্যতম প্রতিবাদ জানানো না হলেও মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার অপার মহিমাময় কুদরতী খোদায়ী গযব নাযিলের মাধ্যমে তাদের উপযুক্ত জবাব দিয়েছেন। যার ফলে দেখা যায়, পৃথিবীর ইতিহাসে একমাত্র দেশ যালিম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যেখানে সর্বাধিক খোদায়ী গযব নাযিল অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে চরম অর্থনৈতিক গযবে দেশটি পর্যদুস্ত। অনলাইন মিডিয়ার খবরে প্রকাশ, আমেরিকার অ্যাটর্নি জেনারেল এরিখ হোল্ডার বলেছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশে গণ-গুলিবর্ষণের ঘটনা তিনগুণ বেড়ে গেছে। এরিখ হোল্ডার বলেছে, ২০০০ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত আমেরিকায় বছরে গড়ে পাঁচটি করে নির্বিচার গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু তারপর থেকে এ ধরনের ঘটনা তিনগুণ বেড়ে গেছে। যদিও বেসরকারি হিসেবে এ সংখ্যা আরো অসংখ্যগুণ বেশি। সম্প্রতি নেভাদা অঙ্গরাজ্যের একটি মাধ্যমিক স্কুলে নির্বিচার গুলিবর্ষণের ঘটনায় এক শিক্ষক ও এক ছাত্র নিহত এবং অপর দুই ছাত্র আহত হয়েছে। এক বন্দুকধারী ছাত্রের হামলা থেকে অপর ছাত্রদের রক্ষার চেষ্টা করার সময় ওই শিক্ষক নিহত হয়। এছাড়া, অপর এক ছাত্রও গুলিতে প্রাণ হারিয়েছে এবং দুই জন মারাত্মক আহত হয়েছে। সন্দেহভাজন বন্দুকধারী ছাত্রটিও মারা গেছে। তবে পুলিশ কোনো গুলি চালায়নি বলে দাবি করেছে। এ হত্যাকা-ের উদ্দেশ্য সম্পর্কে এখনো কিছু জানা যায়নি। মার্কিন আইন বিভাগের হিসাবে বলা হয়েছে, ২০০৯ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত সময়ে আমেরিকায় নির্বিচার গুলিবর্ষণের ঘটনায় ২০৭ জন নিহত এবং ৪০৪ জন আহত হয়েছে। (সূত্র: ইন্টারনেট) আর্জেন্টিনায় ফ্রিজের বিনিময়ে সন্তান বিক্রি! সারা পৃথিবীব্যাপী ইসলাম উনার সবচেয়ে বড় শত্রু ইহুদী, মুশরিক, খ্রিস্টান তথা তাবৎ কাফিররা। এরা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে ২০১০ সালের ১১ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মতো পবিত্র কুরআন শরীফ পোড়ানোর দিবস পালন করেছে। নাঊযুবিল্লাহ! এই দিবসকে সফল করতে অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকায় ছিল আর্জেন্টিনা। অথচ বিষয়টি নিয়ে মুসলিম বিশ্বের শাসক বা রাজা-বাদশাহরাও সামান্যতম প্রতিবাদতো দূরের কথা কোনো উদ্বেগ উৎকন্ঠা পর্যন্ত প্রকাশ করেনি। চরম হীনম্মন্যতায় পরিচয় দিয়ে ইতিহাসের ন্যাক্কারজনক নির্লজ্জ্যতার প্রমাণ রেখেছে তারা। নাঊযুবিল্লাহ! কিন্তু মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কুদরত মুবারকের প্রকাশ ঘটিয়ে এসব যবন ম্লেচ্ছ অস্পৃশ্যদের নাস্তানাবুদ করে দিচ্ছেন। মিডিয়াতে তাদের চরম অর্থনৈতিক মন্দার অসংখ্য সংবাদ দেখা যায়, তার মধ্যে একটি সংবাদ হলো- ফ্রিজ ও কিছু রান্নার সরমঞ্জামের বিনিময়ে ১১ বছর বয়সী মেয়েকে বিক্রি করেছে আর্জেন্টিনার পাবলা কিসারিনা মোনজোন আলদানা (৩০) নামে এক দরিদ্র নারী। ওই মেয়েটি এখন পুলিশের নিরাপত্তা হেফাজতে আছে। রাজধানী বুয়েন্স আয়ারর্সের একটি অ্যালুমিনিয়াম প্যান কারখানায় মেয়েটিকে অন্য শিশুর সঙ্গে কাজ করতে বাধ্য করা হতো। একটি গোপন অ্যালুমিনিয়াম কারখানায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ এরকম আরো ঘটনা জানতে পারে। পুলিশ ওই কারখানা থেকে ১৪ থেকে ১৭ বছর বয়সী আরো পাঁচ ছেলে-মেয়েকে উদ্ধার করে। তাদেরকেও ওই কারখানায় কাজ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। (সুত্র: ইন্টারনেট)
0 টি মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।