সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

আন্তর্জাতিক

আযাব গযব!!!

মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মকবুল মুনাজাত শরীফ উনার বেমেছাল রূহানীয়ত সমৃদ্ধ রোব মুবারক উনার ফলেই খোদায়ী গযবে পর্যুদস্ত বিশ্বের সকল কাফির-মুশরিকের দেশ
***********************************************************************************************************************************************************************
কাফির দেশগুলোতে খাদ্য সঙ্কট! জনগণকে পোকামাকড় খেতে উৎসাহিত করছে বিজ্ঞানীরা কাফির রাষ্ট্রগুলোতে খোদায়ী গজবে ফসলহানীর কারণে তীব্র খাদ্য সঙ্কট বাড়ছে। এ অবস্থায় জনগণকে পোকামাকড় খেতে উৎসাহ দিচ্ছে তাদের বিজ্ঞানীরা। বিজ্ঞানীরা দাবি করেছে, “পোকামাকড়ে আমিষ রয়েছে এবং এগুলো চাষ করাও সহজ। ফলে ভবিষ্যতে খাবারের চাহিদা মেটাতে এই পোকামাকড়ের কাছেই যেতে হতে পারে”। বিজ্ঞানীরা আরো দাবি করে, “পোকামাকড় খেতে সুস্বাদু। গরু, ছাগল, ভেড়ার চেয়ে এগুলো পালতে খরচ যেমন কম পড়ে, তাহলে আমরা বেশি করে পোকামাকড় খাই না কেন? জার্মানির ডয়েচে ভেলে’তে এক রিপোর্টে পোকামাকড়ের খাওয়ার পক্ষে সাফাই দিয়ে বলা হয়, “বিয়ারের সঙ্গে ভাজা তেলোপোকা আর বিচ্ছু। আর কি চাই! পোকা, বিশেষ করে লার্ভা বা শূককীটগুলো, একেকটি যেন আমিষের স্বর্গ! যেমন একশো গ্রাম উইপোকায় রয়েছে ৬১০ ক্যালরি, যা একটি চকলেটের চেয়ে বেশি। এছাড়াও এতে আছে ৩৮ গ্রাম আমিষ ও ৪৬ গ্রাম চর্বি।” ঐ রিপোর্টে আরো বলা হয়, “পোকার কদর দক্ষিণ অ্যামেরিকার জনগনের কাছে একটু যেন বেশিই প্রিয়। ম্যাক্সিকোতে শুয়োপোকা’র ¯œ্যাকস খাওয়া বাড়ছে। তবে জার্মানিতেও নতুন চালু হওয়া অনেক রেস্তরাঁয় এখন ঘাসফড়িং, শুঁয়াপোকা ইত্যাদি পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া কড়া করে ভাজা গুবরে পোকা, শূককীট ও পঙ্গপাল কলম্বিয়ায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ফ্রান্সে ফড়িং এর গ্রিল বিক্রি হচ্ছে।” উল্লেখ্য, পোকা কিভাবে আরও বেশি পরিমাণে খাওয়ার যোগ্য করা যায় সে চিন্তা করার আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা। (সূত্র: ইন্টারনেট) যুক্তরাষ্ট্রে মন্দার প্রভাব আরো দীর্ঘায়িত হবে গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক মন্দা ২০০৯ সালের জুনে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে বলে দাবি করা হলেও একটি অলাভজনক থিংক ট্যাংক প্রকাশিত এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, এ মন্দা আগামী ১ থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত তরুণ মার্কিন স্নাতকদের প্রভাবিত করতে থাকবে। ওয়াশিংটন ভিত্তিক ইকোনোমিক পলিসি ইনস্টিটিউট প্রকাশিত এ সমীক্ষায় বলা হয়, মন্দার প্রভাব কাটাতে ধীরগতির মানে হলো- বর্তমানে স্নাতক হওয়া সাত শ্রেণীর শিক্ষার্থী খুবই দুর্বল একটি শ্রমবাজারে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে এবং তাদের অধিকতর অভিজ্ঞ শ্রমিকদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে। কেননা, তাদের সামনে চাকরির সুযোগ খুবই সীমিত। সমীক্ষায় বলা হয়, ২০১৫ সালে যারা স্নাতক পাস করছে তারা আগে যারা পাস করেছে তাদের চেয়ে কম আয়ের সুযোগ পাবে। সমীক্ষায় বলা হয়, মন্দা কাটিয়ে ওঠা অর্থনীতি শেষ পর্যন্ত অধিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে সমর্থ হয়েছে এমন দাবি করা হলেও এখনো অনেক পথ বাকি রয়েছে। সমীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রকৃত অর্থে তরুণ স্নাতকদের বেকারত্বের হার বর্তমানে খুব বেশি। অবস্থা ধীরে ধীরে ভালো হতে থাকলেও বেকারত্বের হার এখনো তুলনামূলকভাবে বেশী। সদ্য পাস করা স্নাতকদের বেকারত্বের হার এখন ৭ দশমিক ২ শতাংশ। অথচ, ২০০৭ সালে মন্দা শুরুর ঠিক আগে এ হার ছিলো ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। প্রতিবেদনে বলা হয়, স্কুল পাস করাদের ক্ষেত্রে বেকারত্বের হার আরো বেশি। এ ছাড়া কর্মসংস্থানের সুযোগের অভাবে কলেজ পাস করে বেরুনো শিক্ষার্থীরা তাদের যোগ্যতার চেয়ে কম যোগ্যতার চাকরি করতে বাধ্য হচ্ছে। (সূত্র: ইন্টারনেট)

0 টি মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই।

মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।