মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মকবুল মুনাজাত শরীফ উনার বেমেছাল রূহানীয়ত সমৃদ্ধ রোব মুবারক উনার ফলেই খোদায়ী গযবে পর্যুদস্ত বিশ্বের সকল কাফির-মুশরিকের দেশ।
************************************************************************************************************************************************************************
ভারতে ঘণ্টায় ১৫ জন আত্মহত্যা করে প্রতি ঘণ্টায় ১৫ জন আত্মহত্যা করে ভারতে। অন্ততঃ গত এক বছরের হিসেব তাই বলছে। ২০১৪ সালে এদেশে ১.৩১ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। সব থেকে বেশি ঘটনার সাক্ষী মহারাষ্ট্র। শীর্ষে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গও। সম্প্রতি ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো সমীক্ষা করে এই তথ্য প্রকাশ করেছে। আরো জানা গিয়েছে, মৃতদের মধ্যে ৬৯.৭ শতাংশের রোজগার বছরে এক লক্ষের কম। প্রতি ছ’জনের মধ্যে একজন গৃহবধূ। শুধুমাত্র মহারাষ্ট্রে আত্মহত্যার ঘটনা ১৬,৩০৭, তামিলনাড়–তে ১৬,১২২, পশ্চিমবঙ্গে ১৪,৩১০। জানা যাচ্ছে, ২১.৭ শতাংশ ক্ষেত্রে আত্মহত্যার কারণ পারিবারিক সমস্যা। দেশ জুড়ে এই পরিসংখ্যান চিন্তার কারণ বলে মনে করছে অনেকেই। (সূত্র: ইন্টারনেট) ভারতে এক বছরে আধাসামরিক বাহিনীর ৪০ ভাগ নারী সদস্যের আত্মহত্যা ভারতে কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনীতে নারী সদস্য সংখ্যা মাত্র ২ শতাংশ হলেও তাদের মধ্যে ৪০ ভাগই আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। সম্প্রতি ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো-এর এক পরিসংখ্যানে এমন ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১৪ সালে বিএসএফ, সিআরপিএফ, সিআইএসএফসহ অন্যান্য আধাসামরিক বাহিনীর ১৭৫ জন সদস্য আত্মহত্যা করে। আর এর মধ্যে ৭৩ জনই ছিলো নারী, যা শতকরা হিসেবে ৪১.৭%। কিন্তু এসব বাহিনীতে কর্মরত ৯ লাখ ৩০ হাজার সদস্যের মধ্যে মাত্র ১৮ হাজার নারী। অর্থাৎ এসব বাহিনীতে পুরুষদের চেয়ে নারীরা বেশি হতাশাগ্রস্ত হয়ে থাকে। এনসিআরবি’র তথ্যানুসারে এসব বাহিনীতে আত্মহত্যার মূল কারণ দাম্পত্য কলহ। ২০১৪ সালে আত্মহত্যা করা ৪৫ জনই এ কারণে আত্মাহুতি দেয়। এর মধ্যে ২১ জন পুরুষ এবং ২৪ জন নারী ছিলো। আর ৪৩ জন নারী-পুরুষের আত্মহত্যার কোনো কারণ জানা যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব আধাসামরিক বাহিনীতে নারীদেরকে যুদ্ধে পাঠানো হয় না। সিআরপিএফ প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে কিছু নারীকে ছত্তিশগড়ে পাঠিয়েছে কিন্তু এখনো কোনো অভিযানে তারা অংশ নেয়নি। পরিসংখ্যানে ৩৬টি প্রদেশে মাত্র চারটি প্রদেশেই এই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। যার ৪০ শতাংশই মধ্যপ্রদেশে। বাকিগুলো তেলেঙ্গানা, বিহার এবং জম্মু-কাশ্মিরে। তবে পরিসংখ্যান থেকে এটি স্পষ্ট যে এসব বাহিনীতে নারীদের বেশি ঝক্কি পোহাতে হয়। ঘর সামলিয়ে এসকল বাহিনীতে চাকরি করা অনেক সময়ই তাদের কাছে দুর্বিষহ হয়ে ওঠে বলে একটি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া। (ইন্টারনেট)
0 টি মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।