সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

আন্তর্জাতিক

আযাব গযব!!!

আযাব গযব!!!
মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার দোয়ার বরকতে মুসলমানদেরকে জুলুম নির্যাতন করার ফলে জুলুমবাজ কাফিরদের উপর খোদায়ী গজব। ************************************************************************ ফিলিপাইনে শক্তিশালী টাইফুন হাইমার আঘাতে টুগুয়েগারাও শহরের সমস্ত বাড়িঘর ধ্বংস্তপ্রাপ্ত হয়। মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার দোয়া ও রোবের প্রতিফলন মুসলমানগণকে যুলুম নির্যাতন করার ফলস্বরূপ যুলুমবাজ কাফিরদের উপর বন্যা, তুষারপাত, ঘূর্ণিঝড়, দাবানল, ভূমিকম্প প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ বিভিন্ন প্রকার বিশৃঙ্খলা অস্বাভাবিক মৃত্যু এবং অর্থনৈতিক মন্দারূপে খোদায়ী গযব অব্যাহত। ************************************************************************** ভারতে সোনার পর এবার হীরার বাজারে মন্দা, বন্ধ হচ্ছে কোম্পানি ************************************************************* এক বছর আগে ভারতে হীরার রাজধানী সুরাত খবরের শিরোনামে হয়েছিল। কিন্তু সেটি ভিন্ন এক কারণে। ওই সময় সেখানকার পৃথিবীর অন্যতম বড় হীরা পালিশকারী কোম্পানি শতাধিক কর্মীকে বোনাসের সময় উপঢৌকন দিয়েছিল। ফিয়াট গাড়ি থেকে শুরু করে গয়না এমনকি আপার্টমেন্ট, অনেককিছুই ছিল সেই লিস্টে? তবে এই বছরের চিত্র একেবারে উল্টো। ‘ম্যাজিক’ বোনাসের কোনো সম্ভাবনাই নেই। যেখানে পৃথিবীর ৮০ ভাগ হীরাই পালিশ হয়, সেই শহরে এরই মধ্যে পাঁচ হাজার শ্রমিক চাকরি হারিয়েছে। কর্মহীন শতাধিক। কারণ ভারতে হীরা পালিস করার অন্যতম বাজার ছিল চীন। এই মুহূর্তে অর্থ সঙ্কটে পড়ে চীনের ক্রেতারা হীরার গয়না কেনা থেকে সরে আসছে। যার ফলে বিক্রি হচ্ছে না হীরা। অবিক্রিত হয়ে সব গোডাউনে জমছে। ব্যবসায়ীদের দাবি- লক্ষ লক্ষ টাকার চুক্তি থেকে পিছু হটেছে চীনা গয়না ব্যবসায়ীরা। সুরাতের প্রায় ছয়টি হীরা কোম্পানি এই মুহূর্তে বন্ধ হয়ে গেছে। ভারতের হীরা কোম্পানিগুলোতে লক্ষ লক্ষ শ্রমিক কাজ করে। শুধু সুরাতেই আছে দুই-তৃতীয়াংশ শ্রমিক। এই মুহূর্তে এভাবে একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়া মানে আরো বেশিসংখ্যক মানুষের কর্মহীন হয়ে পড়া। এভাবে হীরা ব্যবসায় মন্দা নেমে এলে এবং শ্রমিকরা কর্মহীন হয়ে পড়লে তার প্রভাব ভারতীয় অর্থনীতিতে পড়বেই। (সূত্র: জি নিউজ) ২ হাজার রোহিঙ্গা মুসলমানকে ঘরছাড়া করলো মায়ানমার সেনাবাহিনী আল ইহসান ডেস্ক: ***************************************************************** মায়ানমারের একটি গ্রামের প্রায় ২,০০০ মুসলমানকে তাদের ঘরবাড়ি থেকে বের করে গ্রামছাড়া করেছে সেদেশের সেনাবাহিনী। সাম্প্রতিক উস্কানিমূলক ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৌদ্ধ সন্ত্রাসীদের অপপ্রচারনায় স্থানীয় রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে এ নির্মম পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, মায়ানমারের সেনারা রোববার সেদেশের মধ্যাঞ্চলীয় মান্দালাই প্রদেশের ‘কি কান পিন’ গ্রামে ঢুকে সেখানকার সব মুসলমান অধিবাসীকে গ্রামটি ত্যাগ করার নির্দেশ দেয়। এ সময় জরুরি প্রয়োজনীয় সামগ্রী ছাড়া রোহিঙ্গাদের অন্য কিছু নিতে দেয়া হয়নি। বর্তমানে এসব মুসলমান পার্শ্ববর্তী বন ও ধানের ক্ষেতে অমানবিক দিনযাপন করছেন বলে জানা গেছে। নিজ ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ হয়ে যাওয়া একজন মুসলমান সোমবার জানিয়েছেন, “গতকাল বিকেলে আমাকে আমার বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। বর্তমানে আমার পরিবারের সব সদস্যসহ প্রায় ২০০ মানুষ ধানক্ষেতে অবস্থান করছি। আমরা নিঃস্ব হয়ে গেছি।” তিনি আরো বলেন, “সৈন্যরা গ্রামে ঢুকে আমাদেরকে দ্রুত ঘরবাড়ি ত্যাগ করার নির্দেশ দিয়ে বলে, কথা না শুনলে তারা আমাদের গুলি করবে।” প্রত্যক্ষদর্শীদের পাশাপাশি রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিরা এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। মিয়ানমার সরকারের একজন মুখপাত্র দাবি করেছেন, সরকারের পক্ষে ওই এলাকার কারো সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না; কারণ ওটি সেনা অভিযানের একটি ‘রেড জোন’ হিসেবে চিহ্নিত। রাশিয়ার ওইমিয়াকনে তাপমাত্রা মাইনাস ৫০ ডিগ্রি আল ইহসান ডেস্ক: *********************************************** তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নীচে, শুধু নীচে নয় প্রায় মাইনাস ৪৩ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেট। মানুষের বসতি আছে এমন স্থানের মধ্যে শীতলতম এটি। উত্তরপূর্ব রাশিয়ায় সাইবেরিয়া অঞ্চলের ওইমিয়াকন এমনিতেই বরফে মোড়া থাকে বছরের বেশিরভাগ সময়। শীতের সময় বাড়াবাড়ি রকমের ঠা-া পড়ে এখানে। একসময়ে পারদ নেমেছিল মাইনাস ৭২ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেট পর্যন্তও। এখনও যা গড়, তাতে প্রতি শীতে মাইনাস ৫০ এর কাছে তাপমাত্রা থাকেই। গতবছরই ছিল শীতলতম দিনে উষ্ণতা ছিল মাইনাস ৬৮ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেটে। আশ্চর্য এই অঞ্চলে এত বাধা পেরিয়েও মানুষের বসতি আছে। এই শীতলতম গ্রামে থাকেন প্রায় ৫০০ জন মানুষ। আগের থেকে সামান্য হলেও এখন তাপমাত্রা কমেছে কিছুটা। গ্রীষ্মের সময়ে আগে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকত ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। ২০১০ সালে সেই তাপমাত্রা পৌঁছেছিল ৩৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেটের কাছে। ঠা-া যে এখনও কমেনি তা সদ্য সেই শীতলদেশে ঘুরে এসে তোলা এই ছবিই প্রমান করে। চীনের বিস্ফোরণে নিহত ১৪ আল ইহসান ডেস্ক: **************************** চীনের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে একটি কারখানায় শক্তিশালী এক বিস্ফোরণে অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছে। স্থানীয় সময় সোমবার বিকেলে শ্যানশি প্রদেশের শিনমিন টাউনে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আরো ১৪৭ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা সিনহুয়া। এদের মধ্যে গুরুতর আহত ১১ জনকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। বিস্ফোরণে স্থানীয় হাসপাতালসহ আশপাশের বহু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পুলিশের করা প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, অবৈধভাবে গুদামজাত করে রাখা বিস্ফোরকের বিস্ফোরণে এ ঘটনা ঘটেছে। ভবনের মালিককে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ভাড়াটিয়া কারখানার মালিককে খোঁজা হচ্ছে। ক্রমবর্ধমান কয়লা খনিতে ব্যবহারের জন্য চীনে সহজেই বিস্ফোরক সংগ্রহ করা যায়। শিল্পে ব্যবহৃত এসব বিস্ফোরক বা রাসায়নিক প্রায়ই দুর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে গুদামজাত করা হয়, যার কারণে অনেক সময় বিস্ফোরণ ঘটে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির হয়। গত বছর দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় শহর তিয়ানজিনে একটি রাসায়নিক গুদামে ধারাবাহিক শক্তিশালী বিস্ফোরণে ১৬৫ জন নিহত হয়েছিলো।
Faruque Hussainৰ ফটো

0 টি মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই।

মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।