সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

অর্থনীতি

এসেছে চমক!!!!! যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ নিয়ে মার্কিন সরকার মিথ্যা বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ ১৩ ট্রিলিয়ন ডলার নয়, প্রকৃত ঋণের পরিমাণ ২০০ ট্রিলিয়ন ডলার বা ১৪শ’ লক্ষ কোটি টাকা যা বাংলাদেশের ১৪০০ বছরের বাজেটের সমান, যুক্তরাষ্ট্র প্রকৃত অর্থেই দেউলিয়া ঘোষিত রাষ্ট্র, ওবামাসহ আমেরিকাকে ১৪ বার বিক্রি করলেও এই ঋণ শোধ হবে কি???????????

এসেছে চমক!!!!!  যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ নিয়ে মার্কিন সরকার মিথ্যা বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ ১৩ ট্রিলিয়ন ডলার নয়, প্রকৃত ঋণের পরিমাণ ২০০ ট্রিলিয়ন ডলার বা ১৪শ’ লক্ষ কোটি টাকা যা বাংলাদেশের ১৪০০ বছরের বাজেটের সমান, যুক্তরাষ্ট্র প্রকৃত অর্থেই দেউলিয়া ঘোষিত রাষ্ট্র, ওবামাসহ আমেরিকাকে ১৪ বার বিক্রি করলেও এই ঋণ শোধ হবে কি???????????
ছেড়া কাপড় পড়া অর্ধউলঙ্গ মিঃ ইউএসএ ট্যাক্স ও ঋণের বোঝা সামলাতেই ব্যস্ত! পাহাড়ের চূড়ায় চিনি আর ডালের বস্তা ধরবেন কিভাবে?....আসছে চমক!!!! অপেক্ষা করুন!!!----------- এসেছে চমক!!!!! যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ নিয়ে মার্কিন সরকার মিথ্যা বলেছে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ ১৩ ট্রিলিয়ন ডলার নয় প্রকৃত ঋণের পরিমাণ ২০০ ট্রিলিয়ন ডলার বা ১৪শ’ লক্ষ কোটি টাকা যা বাংলাদেশের ১৪০০ বছরের বাজেটের সমান যুক্তরাষ্ট্র প্রকৃত অর্থেই দেউলিয়া ঘোষিত রাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণের পরিমাণ সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষিত ঋণের থেকে অনেক অনেক বেশি। নিউইয়র্ক পোস্ট প্রকাশিত কংগ্রেস বাজেট অফিস থেকে দেয়া তথ্যে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণের পরিমাণ ১৩.৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। কিন্তু বোস্টন ইউনিভার্সিটির অর্থনীতির প্রফেসর লরেন্স কটলিকফ জানায়, ‘যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ নিয়ে দেশটির সরকার মিথ্যা বলেছে।’ ন্যাশনাল ট্যাক্স পেয়ার ইউনিয়নের ডিরেক্টর অব গভরমেন্ট অ্যান্ড্রু ময়লান জানায়,  ‘এইটি এমনই এক সমস্যা যার বিষ্ফোরণ প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।’ বোস্টন ইউনিভার্সিটির অর্থনীতির প্রফেসর লরেন্স কটলিকফ বলে, ‘বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণের পরিমাণ হচ্ছে ২০০ ট্রিলিয়ন ডলার যা সরকারিভাবে প্রকাশিত অঙ্কর প্রায় ১৪ গুন এবং বর্তমান জিডিপির শতকরা ৮৪০ ভাগ। অর্থনীতির প্রফেসর লরেন্স কটলিকফ আরো প্রকৃত সত্য উন্মোচিত করে বলে, ‘প্রকৃত সত্য হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র দেউলিয়া ঘোষিত রাষ্ট্র।’ বোস্টন ইউনিভার্সিটির অর্থনীতির প্রফেসর লরেন্স কটলিকফ গত সেপ্টেম্বরে আইএমএফ কর্তৃক প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলেছিল, ‘আইএমএফ সম্পূর্ণ ভাবেই নিশ্চিত যে, যুক্তরাষ্ট্র মারাত্মক ধরনের বাজেট ঘাটতির সম্মুখিন, যা মার্কিন সরকার কর্তৃক প্রকাশিত রিপোর্ট থেকে আরো অনেক বেশি খারাপ। দেশটির বাজেট ঘাটতির পরিমাণ সত্যিই বিশাল।’-----ওবামাসহ আমেরিকাকে বিক্রি করলেও এই ঋণ শোধ হবে কি???????????

8 টি মন্তব্য

  • লজিক২০১০

    হুম। দারুন খোদায়ী গযব।
  • আজব

    আজবতো ! খবরটা কই পাইলেন? এটার কি কোন বাপ মা আছে? থাকলে বাপ-মার নামটা (source) উল্লেখ করেন।
  • বৃদ্ধ মানুষ

    http://www.sott.net/articles/show/217100-The-scary-actual-U-S-government-debt
  • অগ্নিবীনা

    দাদু! হেডিংটাই যথেষ্ট ছিলো। কষ্ট করে ভিতরের লিখাটা লিখলেন কেন?
  • বৃদ্ধ মানুষ

    বাবু তোমার এটা বুঝার বয়স হয়নি! আরেকটু বড় হও। সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।
  • muktijoddha

    এখনতো পেপার-পত্রিকায় অহরহ পাওয়া যাচ্ছে আমেরিকার অর্থনৈতিক মন্দার খবর। তবে তাদের ঋণের পরিমাণটা জানা ছিলো না। এই যদি হয় তাদের ঋণের পরিমাণ তাহলে তো অবস্থা খারাপ। অনেকটা এইরকম বাইরে ফিটফাট ভিতরে সদরঘাট। এটা তো বেশিদিন তারা ধামাচাপা দিয়ে রাখতে পারবে না।
  • বাংলার মুখ

    অর্ধ উলঙ্গ হইছে পুরো উলঙ্গ হইবে কবে?????????????
  • দ্রুপাল

    হেব্বীতো!!! জটিল তথ্য দিসেতো ভাই। এসব খবর পান কইথ্যে?
    যদি সত্যি হয়, তাইলেতো...আমেরিকা আমার চেয়েও বড় ফকির। আমি আমেরিকার চেয়ে ধনী। কারণ আমার কাছে কেউ টাকা পয়শা পায়না। মানে আমি ঋণমুক্ত। আর আমেরিকা...

মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।