আহলে খবিশ - ১৯

সেদিন এক খবিশের সাথে দেখা। হাতে স্বর্ণের আংটি পরা।
আমি বললাম , স্বর্ণ তো হারাম.........
সে আমাকে বলল - জরুরত পরিমাণ পড়া জায়েজ আছে......
আমি তাকে বুখারী শরীফ থেকে দলিল দেখালাম, বললাম তোমাদের সব চেয়ে প্রিয় কিতাব থেকে দলিল দিলাম।
সে মাথা চুলকাতে লাগল...এরপর বলল, এটার ব্যাখ্যা কি দেখতে হবে, হাদিসের তাফসীর না জেনে মন্তব্য করা ঠিক হবে না......
আমি হা হা করে অট্টহাসি দিলাম......নিজের বেলায় ষোলোআনা, অন্যের বেলায় দুই আনাও না...আম্রা কোন ও তাফসীরের কথা বললে তা জাল হয়ে যায় আর তোমাদের বেলায় এমন কেন রে বাপ !!!
এরপর আমাকে জিজ্ঞেস করল আমি হানাফি কিনা, আমি সায় দিলাম......এরপর সে আমাকে সেই পুরনো ত্যানা প্যাঁচানো কথা শুরু করল
- ইমামে আজম রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন কিনা উনাকে অনুসরন করতে?
- সহিহ হাদিস পেলে জেনো সেটাই মাজহাব
- কোরআন শরীফে ই সব আছে ?
- মাজহাবের ভুল ব্যাখ্যা করছি আমরা !
- দাঁড়িয়ে পস্রাবে কোন বাধা নেই
- পশ্চিম দিকে পস্রাবে বাঁধা নেই
- সুরা ফাতিহা পরা ওয়াজিব, জামাতে তোমরা পড়ো না কেন?
প্রতিটা কথা শুনছি আর আমি মিটিমিটি হাসছিলাম...তার শেষ হলে বললাম
- শুধু একটা কথার উত্তর দিলেই আমি হার মানব। তা হোলও যদি কোরআন শরীফেই সব কিছুর ফায়সালা দেয়া থাকে তাহলে বুখারী শরীফ কেন পড়িস ?? (খবিশ টাশকিত )
আর আমাকে কোরআন শরীফ থেকে নামাজের সুন্নাত, ওয়াজিব, নফল, মুস্তাহাব বের করে দেখা ?? নামাজের সুন্নাত, ওয়াজিব, নফল এগুলা কে ভাগ করল? সুরা ফাতিহা পড়া তো ওয়াজিব ঠিক আছে, কিন্তু তা কোরআন শরীফ থেকে প্রমান করে দে ??
সে আমতা আমতা করে পাশ কাটাতে চাইল ।
আমি বললাম, "তোর বড় কোন বাপ আছে, তাকে সহ নিয়ে আয়, দেখি আমার সাথে পারে কিনা""
শেষ মেশ তাকে শেষ বারের মত বুঝালাম """ বাংলাদেশে কোন টাই বাবা, টিভি বাবা দ্বারা ইসলাম আসে নাই......এদেশে ইসলাম আসছে ওলী আল্লাহ গণ দ্বারা, না হলে আজও দুজ্ঞা দুজ্ঞা করতি """
0 টি মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।