আহলে খবিশ - ৫

আহলে হদস সম্প্রদায় ইজমা-কিয়াসকে শরীয়তের দলীল হিসেবে মানে না।
হাজার হাজার মাসআলা আছে যার সমাধান সরাসরি কুরআন শরীফ-হাদিস শরীফে পাওয়া যায় না।
এ সব ক্ষেত্রে ফকীহগণ ইজমা অথবা কিয়াস এর মাধ্যমে সমাধান দিয়ে থাকেন।
যারা ইজমা এবং কিয়াসকে শরীয়তের দলীল মানবে না তারা ঐসব মাসআলার সমাধান কীভাকে দিবে?
এখানে এমন কয়েকটি মাসআলা উল্লে¬খ করা হলো আমার জানা মতে যার সমাধান সরাসরি কুরআন শরীফ-হাদিস শরীফে পাওয়া যায় না।
আহলে হদস (আকামের কাবিল) সম্প্রদায়কে এই সমস্ত মাসআলার সমাধান কোনো প্রকার কিয়াসের আশ্রয় নেওয়া ছাড়া স্পষ্ট কুরআনের আয়াত কিংবা স্পষ্ট (সহিহ) হাদীস দ্বারা দেওয়ার অনুরোধ করা হলো।
১. প্রাইজ বন্ড কেনা জায়েয হবে কিনা?
২. প্রভিডেন্ড ফান্ড বা জি.পি ফান্ডের টাকা ও লভ্যাংশ গ্রহণ করা জায়েয হবে কিনা?
৩. বর্তমান শেয়ার বাজারে শেয়ার ক্রয় বিক্রয় জায়েয হবে কিন?
৪. প্লাস্টিক সার্জারি করা জায়েয হবে কিনা?
৫. বীমা-ইন্সুরেন্স করা জায়েয হবে কিনা?
৬. ট্রেডমার্ক বেচা-কেনা জায়েয হবে কিনা?
৭. দেশি-বিদেশি কাগজের নোট পর¯পরে কম-বেশি মূল্যে ক্রয়-বিক্রয় জায়েয হবে কিনা?
৮. এ্যাডভান্সের টাকা গ্রহণ করা ও ব্যবহার করা জায়েয হবে কিনা?
৯. শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রি করা বা দান করা জায়েয হবে কিনা?
১০. বিমানে নামায পড়া জায়েয হবে কিনা?
১১. রোযা অবস্থায় ইনজেকশন নেওয়া জায়েয কিনা?
এখানে হাজার হাজার আধুনিক মাসায়েলের মধ্য থেকে মাত্র কয়েকটা মাসআলা উল্লেখ করা হলো। তারা সক্ষম হয়ে থাকলে, কোনো প্রকার কিয়াসের আশ্রয় নেওয়া ছাড়া অন্তত এই মাসআলার সমাধান যেন কুরআনের স্পষ্ট আয়াত বা স্পষ্ট হাদীস দ্বারা দেয়।
0 টি মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।