সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

কবিতা

“খিদমত”

“খিদমত”
-ডা. খন্দকার মুহম্মদ লুৎফর রহমান।
ত্বলাবুল ইলমি ফারিদ্বাতুন আলা কুল্লি মুসলিমীন, ইলম হয় আমলের ইমাম- পালনে সহজ হয় দ্বীন। ইলম হলো দুই প্রকার- হাদীছ শরীফ উনার বাণী, একটি হলো ক্বলবী ইলম- আরেকটি লিসানী। লিসানী ইলম শরীয়ত, ফিক্বাহ- মাসয়ালা-মাসায়িল জানা, ক্বলবী ইলম- হুজুরী ও ইখলাছ- শরীয়ত পুরা হয় মানা। শরীয়তী আমল ইখলাছবিহীন পায় না পূর্ণতা, ইখলাছ ছাড়া ইবাদত হয় না- থাকে অপূর্ণতা। আল্লাহর যিকির করিলে ফিকির- ক্বলবী ছবকে মিলে, অন্তরের কালিমা দূর হয়ে যায়- ইখলাছ পয়দা হয় দিলে। আমলের সাথে ইখলাছ হলে- ইবাদত হয় সার, সেই ইবাদতে আল্লাহ খুশি- খুশি সরওয়ার। ছাহাবী শান বড়ই মহান- যখন আনিলেন ঈমান, রসূল উনার ছোহবত ও খিদমতে- পেয়েছেন নূরানী জ্ঞান। আদব ভরে মমতার ডোরে- থাকিতেন বহুত পেরেশান, সব দিয়েও উনাদের আশা মিটিতো না- নিমিষেই পারিতেন দিতে প্রাণ। আলিমগণ, ওয়ারিছাতুল আম্বিয়া- যিনি ছদিক্বীন, শায়েখী আয়েশে, হিদায়েত দানে- প্রচার করেন দ্বীন। রেযায়ে মওলা, রেযায়ে রসূল- ধরিতে হইবে পথ, সব পথেরই প্রথম মাক্বাম- মুর্শিদ উনার খিদমত। মুর্শিদী ধন, পাইবে তখন- অন্তরে যার পূর্ণ ঈমান, মুর্শিদ উনার তরে, দিতে উজাড় করে- পরোয়া করিবে না জান। আদব মুহব্বত ছোহবত দিয়ে- সাথে থাকে যদি হুসনে যন, আশার আলোর পথ খুলে যায়- নূরানী হয়ে যায় সেই জীবন। আত্মার সাথে মিলালে আত্মা- তৈরি হলে ভিত, রূহানী কুওওত দিয়ে দেন রব- খিদমতে মুর্শিদ। খোদায়ী ধনে আশরাফী বনে- হাক্বীক্বতে মুর্শিদ, নিয়ামতী ধন করেন বিতরণ- যোগ্য হলে মুরীদ। আল্লাহর অধীনে, রসূলী বিধানে- মুর্শিদে হলে ফানা, অন্তরের দ্বারে, রূহানী জগতের- অনুভূতি হয় জানা। রাজারবাগ শরীফের মুর্শিদ ক্বিবলা- কোনো মেছাল উনার নাই, ইশা নামায বাদ, পেশ করেন নছীহত- নূরানী খানকায়। তাছাউফ হলো ক্বলবী ইলম- খানকা শরীফে হয় শিখা, ক্বলবী ইলম না শিখিলে- হাক্বীক্বতে সে থাকে বোকা। মুখলিছী পথ, রূহানী কুওওত- তরীক্বা ধরিলে মিলে, জজবায়ী হাল, রহমানী খেয়াল- পয়দা হয়ে যায় দিলে। বিশুদ্ধ নিয়তে, দৃঢ় চিত্তে- আসিতে পারিলে খানকায়, আল্লাহর দয়ায়, রসূলী মমতায়- হাক্বীক্বী হিদায়েত সে পায়। পঞ্চদশ হিজরীর মুজাদ্দিদ আ’যম- উনি মুসলমানগণের ইমাম, আল্লাহর দান, রসূলী ইহসান- সর্বোচ্চ উনার মাক্বাম। মুসলিম গর্বিত, পেয়ে আনন্দিত- যিনি খলীফাতুল মুসলিমীন, ইনশাআল্লাহ! দুনিয়ার যমীনে, খিলাফত ক্বায়িমে- জারি করিবেন নববী দ্বীন। জিন্দেগী পেলাম, বন্দেগী হলো না- আফসুস হয় অধিক, হে মাওলা! হে আক্বা!! দয়া ও দান পেতে ইহ্সান- অস্থির রহি মুরীদ।

0 টি মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই।

মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।