খোলা চিঠি!

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী!
আসসালামু আলাইকুম,
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- “তোমরা তোমাদের গৃহে অবস্থান করো, জাহেলী যুগের নারীদের ন্যায় সৌন্দর্য প্রদর্শন করে বের হয়ো না।”
এই সম্মানিত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার হুকুম পালনে ধর্মপ্রাণ মা-বোনেরা পর্দা পালন করার জন্য বোরকা, হিজাব ইত্যাদি পরে থাকেন। কিন্তু ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত এদেশে তা পালন করতে গিয়ে সম্মানিতা মুসলিমা মা-বোনেরা বারবার বাধাগ্রস্থ হচ্ছেন- তার কারণ কি?
কিছুদিন পূর্বে পর্দা তথা বোরকা পরার কারণে জন্য ৯ম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ইছমত আরা নামক এক শিক্ষিকা বেত্রাঘাত করে, এর কিছুদিন অতিবাহিত হতে না হতেই ঢাকা ইউনিভার্সিটির এক ছাত্রীকে আজিজার রহমান নামক এক শিক্ষক সন্ত্রাসবাদী বলে আখ্যায়িত করে শ্রেণীকক্ষ থেকে বের করে দেয় এবং বোরকা পরে যেন ভার্সিটিতে আর না আসে বলে সর্তক করে দেয়। নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক!
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী!
এদেশ মুসলমানদের দেশ। এদেশের জনসংখ্যার ৯৮ ভাগই মুসলমান, এই দেশের রাষ্ট্রীদ্বীন সম্মানিত দ্বীন ইসলাম। এখানে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে অস্বীকারকারী কোনো মুরতাদের বাড়াবাড়ি চলবে না। মুসলমানগণ তা কখনো মেনে নেবেন না।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী!
একজন ধর্মপ্রাণ নারীর অপমান সেটা আমার, আপনার, এদেশের ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমান উনাদের অপমান, সর্বোপরি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে অপমান করার শামিল। কাজেই এই অপমান মুসলমানগণ কখনো বরদাস্ত করবেন না। তাই এসব মুরতাদের যথোপযুক্ত দৃশান্তমূলক শরীয় শাস্তি চাই। এমন দৃষ্টান্তমূলক শরয়ী শাস্তি চাই- ভবিষ্যতে কোনো মুরতাদ যেন পর্দাকে কটাক্ষ করার দুঃসাহস না পায়।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী!
আপনি একজন সম্মানিতা মুসলিমা নারী। এছাড়া সবচেয়ে বড় কথা হলো- আপনি মুসলিম দেশের সরকারপ্রধান। কাজেই আপনি কখনো এই মুরতাদদের প্রশয় দিতে পারেন না। আমরা ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ এদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করছি।
অতএব, একজন মুসলিমা নারী হিসেবে একজন মুসলিম সরকারপ্রধান হিসেবে রাষ্ট্রীয় ও ধর্মীয়ভাবে আপনি তাদের বিচার করতে বাধ্য।
0 টি মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।