সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

আন্তর্জাতিক

গনতন্ত্র ১১

(পাবলিক বাস, কোথাও যাচ্চিলাম!) তার জানালার গ্লাসে একটা গোল স্টিকার। তাতে লিখা, " ভোট আমার গনতান্ত্রিক অধিকার! আমার ভোট আমি দেব, দেখে শুনে বুঝে দিব"! চমতকার কথা, অবশ্যই যুক্তিযুক্ত! তো আসলেই কি তাই! এ পর্বে শুধু প্রথম অংশ "ভোট আমার গনতান্ত্রিক অধিকার" এটুকুই আলোচনা করব। তো কি মনে হচ্ছে, যাই মনে হউক কথাটি কিন্তু ঠিকই আছে! কারন, ভোট ছাড়া গনতন্ত্রে আর কোন অধিকার নাই। এখন বলতে পারেন, এমনটা কে বলল? মারাত্বক প্রশ্ন করেছেন কিন্তু! আমি বলব যে, কেউ মাতাল অবস্থায় যদি বলে সে মদ খায় না তো তার কথাতে কার কি আসে যায়। প্রকৃতপক্ষে, কে কি বলল তাতে কিচ্ছু আসে যায় না, সে কি করছে তাই দেখার বিষয়। হ্যাঁ, অবশ্যই গনতন্ত্রে ভোট ছাড়া সমস্তকিছুই জনগনের, বলতে গেলে, যুদ্ধ লব্ধ সম্পদ ছাড়া কিছুই নয়। কেউ সম্মান করে দিলেই না অধিকার, আরে যা পাচ্ছি তাতো লাথি গুতা খাওয়ার পর। এ শাষনতন্ত্রে, "জনগনই যখন সকল শক্তির উৎস" তো তারা কার আশায় অধিকারের জন্য বসে থাকবে। তারাই অর্থাৎ শাষকরাই বলছে, সব তোমাদের, পারলে আদায় করে নাও, না হয় ভুখা- নাঙ্গাই মরে যাও। তো এমন টি হলে শাষকদের কি প্রয়োজন আছে? হ্যাঁ প্রয়োজন আছে তবে সমষ্টিক জনগনের নয়, কিছু সংখ্যক জনগনের। আর এটিই মূল কথা। সেই কিছু সংখ্যক, যারা নিজেদের শাষকদের সমর্থক বা অংশ দাবি করে তাদের কছে জনগন অসহায়। তারাই সমস্ত কিছুর নিয়ন্ত্রক (যদিয় তা হাতে গোনা কজন) । তাদের মতের বাইরে গেলে নানা প্রকার ট্যাগ দিয়ে দমিয়ে রাখা হয় আইনের ভয় দেখানো হয়।তবে এটা তাদের নিজের দোষ ঢাকবার গুরুত্বপূর্ণ কৌসলও বটে। সব গনতান্ত্রিক দলই এবিষয়ে এক। অনেকটা ইউ এস গভঃমেন্ট এর মত, তাদের ফরেন পলিসি অনেকটা এরকম। গনতন্ত্রে আইন, আইনের শাষন সবই আছে তবে তার প্রয়োগ একটু ভিন্ন তথা উল্টোপথে। আমার ব্যাক্তিগত দর্শন মতে বর্তমান বাস্তবতা বলে, অাইন হল একটা ফাঁদ। যা দিয়ে স্বার্থসিদ্ধি হয়, পকেট ভর্তি হয়, ক্ষমতাও ঠিক রাখা যায়। আসুন দেখি এর পাবলিক অপিনিয়ন- # ট্রাফিক রুলস ভাংলে ট্রাফিক পুলিশের পকেট ভরে। # খুন, চুরি, ধর্ষণ, মাদক চোড়াচালান হলে এগুলো নিয়ন্ত্রণ কর্তিপক্ষের পকেট ভরে। # বিলডিং কোড অমান্য করলে অনুমোদন কর্তিপক্ষের পকেট ভরে। # শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেরর আইন ভাংলে প্রতিষ্ঠানের কর্তাদের পকেট ভরে। # বিনা টিকেটে ভ্রমনে, টিকিট টেকারদের পকেট ভরে। # ঔষধ, খাদ্য, পরিবেশ আইন লঙ্ঘিত হলে সমস্যা কি, উপযুক্ত কর্তিপক্ষ আছে না, পয়সা ছাড়ুন, সবই মাফ। তবেকি আইন, ও আইনের প্রয়োগ পয়সা ইনকামের জন্য। সাজার বদলে পয়সা দিলেই সব মাফ, তো আইন লঙ্ঘন এক প্রকার ফ্যাশন। দেখে মনে হয় এরা আইনের ফেরিওয়ালা, টাকার বিনিময়ে সেবা দিচ্ছে, পাবলিক কি করবে, তারা ভাবে এভাবেই যখন হয় তখন অত শত ঠিক বেঠিক ভেবে লাভ কি! আইন কি পারছে অপরাধ ঠেকাতে ! বন্ধ করতে ! গনতন্ত্রে কেউ আইন অমান্য করে নাকি করানো হয়,কোনটা! তাহলে এ আইন ত্রুটিপূর্ণ। আইনের কাজ ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত করা, মনবতাবোধকে জাগ্রত করা, মনুষত্বকে মর্জাদাবান করা। হসপিটালের বেডে নীরব আর্তনাদকৃত কোন রোগীর অজ্ঞতাকে পুজি করে লাখটাকার বিলের কপি ধরিয়ে দেয়া; সরকারি সেবা (গ্যাস, বিদ্যুত, পানি) পেতে সাধারন নাগরিকের উৎকোচের অত্যাচারে নাভিঃশ্বাষ; অপরাধীদের দুর্বলতা কে পুঁজি করে আইনের ব্যাবসা; তিন, চারটা সার্টিফিকেট ধারী কোন গরীব মেধাবী ছাত্রের একটা চাকুরির আশায় শত শত পায়ের চটি ক্ষয়, বিপরীতে অবাধ ঘুষ বানিজ্য; ধর্মীয় অনুভতির দূর্বলতা কাজে লাগিয়ে সিন্ডিকেট ব্যাবসা,চাঁদাবাজি; শুধুমাত্র রাজনৈতিত ক্ষমতার জোড়ে টেন্ডারবাজি, ত্রাস সৃষ্টি - এগুলই কি আইনের শাষনের নমুনা। হ্যাঁ, ভোট অামার গনতান্ত্রিক অধিকার বটে; ঐ এক অধিকারই আমার মত মূর্খ, শীর্ণ- রোগাক্রান্ত কে নাঙ্গা করে ভিক্ষার ঝুলি হাতে রাস্তায় নামিয়ে দিয়েছে। ক্ষুধা-তৃষ্ণায় একাকার, তার উপর পরে আইনের চাবুক। গনতন্ত্রিদের করা যেকোন অপরাধের অংশিদারও আমি, তবে আমি হুকুমের আসামি। কারন, তাকে ক্ষমতায় বসিয়েছিতো আমি, আপনি। এমন কি তাদের দ্বাড়া কেউ মরলেও সে দায়ভার আমার। এটাই যুক্তিযুক্ত। এ শাষনতন্ত্রে একটা বলয় আছে ; মুষ্টিমেয় কিছু গনতন্ত্রি, আর প্রশাসন মিলে তৈরী হয় এ বলয়। এ বলয় কে স্থিতিশীলতা দান করে এ বিশ্বের সাম্রাজ্যবাদী, এজেন্ডাবাদীরা। সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগনের ভোটে নির্বাচিত শাষকের জনস্বার্থ রিরোধী কর্মকান্ডের পরদ উর্ধগামীতায় যত বেশি হবে তার উপর এজেন্ডাবাদিদের নিয়ন্ত্রণ তত বেশি হবে, এটাই সত্য। তো জনগনকে ভাবতে হবে তার ভোটগুলো নিতান্তই হাওয়াই মিটাই বৈ কিছুই নয়, যাতে মুখ ভরে কিন্তু মন ভরে না আর পেটতো পুরাই খালি। মাঝে মাঝে মুসলমানরা এমন ভুল করে যেমন; মনে পরে কি, আফ্রিকার ঐই যুবকের কথা যে নিজের গায়ে আগুন দিয়ে আরব বসন্তের যে মশাল জ্বালিয়েছিল তার নিভু নিভু আলো যখন দেশান্তরের দিগন্তরেখা ছাপিয়ে গনতন্ত্রের দাবিতে ঢেউ তুলল ভুমধ্যসাগরের নিস্তব্ধ পানিরাশিতে, আর সেই উদ্বেলিত ঢেউয়ের গর্জন সৃষ্টি করে মানবসভ্যতার ইতিহাসে কলঙ্কিত এক অধ্যায়ের, সিরিয়ার উপকূলে ভেসে ওঠে নিষ্পাপ শিশুর নিথর দেহ! ঠিক যেন, ঘরপোড়া অাগুনে আলু পুরে খাওয়ার মত। যেই অন্ন,বস্ত্র,বাসস্থানের জন্য নিজের দেহকে আগুনে ঝলসিয়ে ছিল এই যুবক, মধ্যপ্রাচ্য- আফ্রিকার কোটি জনতা সেই গনতন্ত্রকেই আমন্ত্রন করে নিজেই লাথি মাড়ল নিজের আন্নের থালায়। এখন নাও তোমাদের পোড়া আলু সম্রজ্যবাদিদের প্লেটে। অনেকের প্রশ্ন জাগতে পারে ভোটাধিকার বুঝাতে আইনের শাষন ও এজেন্ডাবাদিদের টেনে আনা হয়েছে কেন? অবশ্যই, এই ভোটের মাধ্যমেই জন্ম হয় একটি "শাষকগোষ্ঠির বলয়" যার গোড়ায় পানি ঢালতে থাকে এজেন্ডাবাদিরা আর এদের ডালপালা মেলতে থাকে আইনের শাষন নামক পাওয়ার হাউজ থেকে শক্তি নিয়ে। আর এ ত্রিমুখি শক্তি, অ্যানাকোন্ডার রূপ ধরে জনগন নামক শিকারকে পেঁচিয়ে অাধমরা করে গলধ করন করতে থাকে। বলতে পারেন, নিজেই তো বললেন," আইনের কাজ ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত করা, মানবতাবোধ জাগ্রত করা, মনুষত্বকে মর্যাদাবান করা"। তো এখন "আইনের শাষনকে" আবার দোষারোপ করছেন, কারন কি? কারনতো অবশ্যই আছে, * গনতান্ত্রিক আইন হল শাষকদের স্বার্থরক্ষার আইন তা জনগনের কথা বলে না। * মুষ্টিমেয় মানুষ এর সুবিধাভোগী। * গনতান্ত্রিক আইন অন্যায়, অপরাধ কে জিয়িয়ে রাখে। অন্যায়, অপরাধের সমাধান দিতে অক্ষম। * এই আইন অবৈধ পয়সা উপার্জনের ফাঁদ হিসাবে ব্যবহৃত হয়। * আইন প্রয়োগকারিদের ইনসাফের কোন ছিটেও থাকেনা কারন তারা নিয়ন্ত্রিত। তাদের অপরাধ বিবেচিত হয় নগন্য। * গনতান্ত্রিক আইনের শাষন পুরো পুরি বাস্তবায়িত হলে- সমাজ ব্যাবস্থায় উঁই পোকা ঢুকে যাবে, বিন্দু মাত্র ছাড় দেওয়ার প্রবনতা নিঃশেষ হয়ে যাবে, হিংসা বিদ্বেষ প্রচন্ড আকার ধারন করবে, দয়া- মায়া- ভালোবাসা বিলিন হয়ে যাবে, ইনসাফ বিদায় নেবে, মানবতা নীরব ও মনুষত্বের মৃত্যু ঘটবে। * এই গনতান্ত্রিক আইন এবং আইনের শাষনের সম্পর্কে তখন মানুষ কি বলবে? কি করবে? কি হবে? তা নিম্ন রুপ, ও ব্রাকেটের ভিতর লিখা কিছু প্রসঙ্গিক যুক্তি ও বিবেচনা--- -কেউ যদি বলে, -" আইনে এটা আছে তাই এর বিপরীত হতে দেব না। "(এক্ষেত্রে :আইনটা কি মানবিকতার দিক বিবেচনা করে প্রনয়ন করা হয়েছিল) - কেউ বলল,-"আইনে এই শাস্তি আছে তাই দিতে হবে "(এক্ষেত্রে : শাস্তির উপযুক্ততা বিবেচিত হয়েছিল কি?) - কারো উক্তি-" যেহেতু তা আইন তার লঙ্ঘনের শক্তি কারও নেই। (এক্ষেত্রে: আইনটির সমাজে,সম্প্রদায়ে গ্রহনযোগ্যতা যাচাই করা হয়েছে কি? ) - বলা হয়,-"আইনের কাছে সবাই সমান। "(এক্ষেত্রে: ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠিগত অক্রোশ অথবা স্বজনপ্রতিতার ব্যাপারে ফয়সালা কি হবে বা অপরাধীর দুর্বলতা - অপরাগতা বিবেচ্য কি?) - অমুকে বলল,-"অাইনের ফাঁক ফোকর দিয়ে ঠিকি বের হয়ে যাব।" (এক্ষেত্রে:ফাঁক ফোকর থাকবে কেন? তা কি প্রনেতাদের ইচ্ছাকৃত করা নাকি অন্য কিছু?) * অতপর অাইন হাতে তুলে নেয়ার মত ঘটনার কোন ব্যাখ্যা থাকেনা, কারন বলা হয় আইন অন্ধ। আর অন্ধ কখন কি ইনসাফের পাল্লার সমতা দেখতে পারে। তো উপরোল্লিখিত বিষয় গুলো আজগুবি বা কল্পনা প্রসুত টেনে আনা হয় নি, একটি গনতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থার অংশ হিসাবে আমি আপনি আমরা সবাই এগুলোর প্রতক্ষ্যদর্শি। তবে শুনুন, সেই আইনের কথা বলি যা ইনসাফ, মানবতা, মনুষত্বের ধারক। যা বলে, " হাত কেটে দাও আবার বলে, দেখ সে অভাবের জন্য চুরি করল কিনা ; হত্যার বদলা হত্যা তবে যদি হত্যাকৃত ব্যাক্তির অাত্বীয়রা ক্ষমা করে দেয় তবে হত্যাকারিকে ছেড়ে দাও; শত অপরাধের ধারক মদ, জুয়া, ব্যাবিচার, জিনাকে যে করেছে নিষিদ্ধ এবং শুধু আইন নয় সমাজব্যবস্থা, অর্থব্যবস্থা সর্বদিকে পূর্ণ, অনন্য। যে জাগ্রত করেছে দয়া, মায়া, ভালবাসাকে। তো এখন কি বলবেন-- -থামুন, থামুন,থামুন! -কেন? - আপনি তো ইসলামের কথা বলছেন, নির্ঘাত জংগি,সন্ত্রসি ট্যাগ খাবেন! -তই!!!! তো জনাব এই সব সন্ত্রাসীদের জন্মদাতা ওহাবিবাদ নামক পয়জনের রিটেইলার, সন্ত্রাসবাদের পথপ্রদর্শক জাকির নায়েক,বিলাল ফিলিপ,নাসিরুদ্দিন আলবানির ইত্যাদি ইত্যাদি এদের তো খুব কদর, আর এদের আর্থদাতা পেট্টোডলার ধারী আলে সৌদের বংশ ধরদের ব্যাপারে আমরা সবাই মুখে কুলুপ আটি আর যখন শুনি আল কায়দা,হিজবুত তাহরী, আশ শাবাব, বোকো হারাম ও আই এস কে- অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ইউ এস এ, ইজরাইল তখন কান চেপে ধরে আল্লাহু আকবার তাকবীর দেই। -শুনন, ঐ দিন শেষ, সন্ত্রাসবাদের জুজু দেখিয়ে মুসলিম উম্মাকে দাবিয়ে রাখা যাবে না। দেখুন তো... উত্তপ্ত অমানিশারর নিকশ কালো অন্ধকারের বুকচিরে যে অালোর ঝলক আজ থেকে চৌদ্দশ বছর আগে শিরচ্ছেদ করেছিল জাহেলি জুলমাতকে, উর্ধশ্বাষে ধাবমান ঘোরার পিঠে ছুরি বসিয়ে রক্ত পানকারি বর্বর মরুচারি বিদুঈনকে করেছিল সভ্য, অনন্ত বিস্তৃত দিগন্ত রেখা ছুয়ে যে ছড়িয়ে পরেছিল মাশরেক থেকে মাগরেবে,এই বাংলার সবুজ ভুমিকে যে করেছিল পবিত্র....... সেই ইসলাম। আর হ্যাঁ.... দীন ইসলাস ইসলামই আছে, শুধু বিচ্যুত মুসলমারা।তবে হাকিকি মুসলমান অাছে থাকবে, এখন পালা শুধু অপেক্ষার, আগমনের। আজ দিকে দিকে এলান দিয়ে দাও, সেই খইরুল কুরুনের সোনালী যুগের সবুজ আভা ঠিকরে পরছে দিকে দিকে,কাফেররা ধরাশয়ী দুনিয়া জোড়া। সত্যিই, আর মুসলমানদের বাধা যাবেনা ভোট নামক দাশত্বের শৃঙ্খলে। মানবতা ডুকরে কেঁদে মড়ে, মনুষত্ব হাহাকার করে, পিঠ দেয়ালে, ভয় নেই যখন পড়লাম এই, হাদিস শরীফ খানা, "" হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রথম ও শেষ উম্মতগন একই ভাবে পৃথিবীতে ইসলাম কায়েম করবে ""। তবে কি কেউ আছে এ অবিনশ্বর বাণী মুবারককে চ্যালেঞ্জ করবে, যদি ধবংশ না চাও তবে নত হও হে মানব জাতি। আমিয় অপেক্ষায়..................... গনতন্ত্র ১০ : http://shobujbanglablog.net/71523.html

3 টি মন্তব্য

  • দূর্গম গিরি

    দেশ নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করছে তারা অবশ্যই লাঞ্চিত হবে আর,

    "হিংসুককে তার হিংসার উপর ছেড়ে দাও, সে নিজেই তার হিংসার আগুনে জ্বলে পুড়ে ছাই হবে "।
  • দূর্গম গিরি

    :announce: যুদ্ধাপরাধীদের রায় দ্রুত ও অবশ্যই কার্যকর করা সকলের নৈতিক ও ঈমানী দায়িত্ব।
  • গোলামে মাদানী আক্বা

    :coffee:

মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।