সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

ইসলামী খেলাফত

গনতন্ত্র ১৪

যুক্তিবাদী, প্রগতিশীল, বিজ্ঞান মনষ্কদের গনতান্ত্রিক নির্বাচন বনাম বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগীতা:- পার্কে বসে একজনের জন্য অপেক্ষা করছি, তো অনেকক্ষন হয়ে গেল। একটা পত্রিকা কিনে পড়তে শুরুকরলাম। আমার পাশে এক কিশোর বসে পত্রিকার পাতায় উকি দিচ্ছে। হঠাৎঃ কিশোর: আচ্ছা এখানে কি লিখেছে? আমি: এই, বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগীতায় ১ম স্থান অধিকারীনির বদলে আর একজনের নাম ঘোষনা করা হয়েছে। কিশোর: একটু পড়তে পারি। আমি: অবশ্যই। কিছুক্ষন পর--(কথোপকথন) কিশোরঃ একটা প্রশ্ন করব। -অবশ্যই। কিশোরঃ যে বিশ্ব সুন্দরী হয়েছে তারচেয়ে কি বর্তমান কেউ সুন্দরী নেই? - থাকতে পারে। যারা অংশগ্রহন করেছে তাদের মধ্যে সেই বেশি সুন্দর, আরকি!( এ প্রশ্ন বিশ্লেষণ করতে গিয়ে নতুন একটি অনুসিদ্ধান্ত পেলাম যার নাম, "ফোর সার্কেল ফিল্টার অফ লিডারশীপ বা প্রতিনিধিত্বের চার স্তর" যেটা গনতন্ত্র: ১৬ তে আলোচনা করব।) কিশোরঃ প্রতিবছর কি এ প্রতিযোগিতা হয়? -হ্যাঁ। কিশোরঃ গতবছরের বিশ্বসুন্দরী কি মারা গেছে বা অসুন্দর হয়ে গেছে? -ঠিক বুঝলাম না! কিশোরঃ মানে গত বছরের বিশ্বসুন্দরীও কি এ বছর অংশগ্রহন করেছিল? -না ! কিশোরঃ গত বছরের বিশ্বসুন্দরী মারাও যায়নি, আগের চেয়ে অসুন্দরীও হয়নি, অাবার এবছরও অংশগ্রহন করেনি তাহলে সে থাকতে নতুন করে আর এক জনকে বিশ্বসুন্দরী বানানোর যৌক্তিকতা কতটুকু। - না, সেতো এবারের বিশ্বসুন্দরী হয়েছে! কিশোরঃ জি! গতবারের বিশ্বসুন্দরী এখনো এ বিশ্বেই আছে, কিন্তু তার সাথে বর্তমান বিশ্বসুন্দরীর কোন প্রতিযোগিতাও হয় নি, আর এটা শুধু নির্বোধরাই মেনে নিতে পারে। - এরপর কিশোর উঠে চলেগেল। তো, আজকের অালোচনা এ যুক্তিকে সামনে রেখেই করব এবং এটা ছিল আমার জন্য একটি দিক নির্দেশনা মাত্র (যদিও বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগীতা হারাম)। তবে তা নিয়ে অনেক গবেষনা করে আর এক হারাম সম্পর্কে অনেক কিছু পেলাম। গনতন্ত্র যে বিষয়টি আজ আলোচনা করব তাহল "জনসমর্থনের স্থায়ীত্বকাল" ও এর বিভিন্ন "অসামঞ্জস্যতা" নিয়ে। প্রথমেই দেখি, নির্বাচনের রকমফের: তা মোটা মুটি তিন ধরনের। তৃতীয়টি ছোট কোন প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনে হয়, এবং এটি আমার আলোচনার বাইরে থাকবে। এখন ১ম ও২য় টি নিয়েই শুধু আলোচনা করব : ১)সংসদ নির্বাচন: দেশ পরিচালনায় অংশ গ্রহনকারীদের নির্বাচন। ২) পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন: আপনারা আগের পোষ্টগুলোতে ত্রুটিপূর্ণ সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে জেনেছেন। যাইহোক, এখন আমার প্রশ্ন, যখন দেশ পরিচালনার জন্য কোন দল ক্ষমতায় আসে তখনকি তাদের পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন ও গ্রাম-ইউনিয়ন শাষন, নিয়ন্ত্রন ও পরিচালনার ভার দেওয়া হয় না, নাকি পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন ও গ্রাম-ইউনিয়ন গুলো দেশের সীমানার বাইরে। যদি না হয়, তবে এসব এলাকায় নতুন করে পুনঃরায় নির্বাচন কেন। যদি বলেন, বিশেষ ও ক্ষুদ্র এলাকা সুষ্ঠ ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রন করার জন্যই এমনটি। তো তাই যদি হয় তবে বহুদলিয় নির্বাচন কেন। সংখাগরিষ্ঠরা তাদের মধ্যথেকে একাধিক প্রতিনিধি নির্ধারন করে জনমতের ভিত্তিতে ঐ এলাকয় একজন জনপ্রতিনিধি দিয়ে দিক। তো এখন, কেন এরুপ করা যুক্তিসংগত: ক)প্রথমত, সরকার বিরোধীদের কেউ এসব এলাকা ভিত্তিক নির্বাচনে জিতলে সে এলাকার উন্নয়ন চরম বাধাগ্রস্থ হয়, কখনও ইচ্ছা কৃতই উন্নয়ন করা হয় না উপরন্তু, সরকার দলিয়রা নানা প্রতিবন্ধকতার তৈরী করে ও জনপ্রতিনিধির ওপর সমস্ত বিষয়ে খবরদারী করে। খ)দ্বিতীয়ত, সাধারনত অধিকাংশ স্থানে সরকার দলিয়রা জয়ী হয়। কোন এলাকার সংসদ সদস্য বিরোধী দলীয় হলে বা কো প্রতিযোগীর জনপ্রিয়তা ব্যপক থাকলে ব্যতিক্রম হয়, তবে কখনো কখনো এতেও কাজ হয় না। এটা আমার নিছক উষ্কানিমূলক বা ভিত্তহীন প্রপাগন্ডা নয়, যথেষ্ট যুক্তযুক্তও। তা তৃতীয় ধাপে স্পষ্ট করলাম। গ)তৃতীয়ত, আত্মঘাতি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকারীদল সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারালে তাৎক্ষনিক ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়াই গনতান্ত্রিক (যেহেতু- সংখ্যাগরিষ্ঠেরর শাষন) কিন্ত বাস্তবে যদিও তা কখনও হয় না। তবে এ অস্বস্তিকর ব্যাপারটিকে এড়ানোর জন্য দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটে। তবে এটা এখন খুব সাধারন হয়ে দাঁড়িয়েছ। তো নির্বাচনের রকমফের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে গনতন্ত্রের ভারসাম্যহীনতা প্রমানিত হয়। নির্বাচনের ফলে সরকারের ক্ষমতা ত্যাগ বা হারানোর যে কারনগুলো উল্লেখকরা হল তাতো চাক্ষুস দেখি, তবে এখন যে ব্যাপারটি আলোচনা করা হবে তা তাত্ত্বিক। আর এটা তথাকথিত যুক্তিবাদি, প্রগতিশীল, বিজ্ঞানমনষ্কদের মূর্খতা প্রমানের চমতকার এন্টিবায়োটিও বটে। জনপ্রিয়তার স্থায়িত্বকাল: সাধারনত গনতন্ত্রে প্রতিনিধিদের স্থায়িত্ব কাল ৫ বছর বা ৪ বছর। তবে এটা মনগড়া নির্ধারিত নিয়ম এবং এর পক্ষে কোন যুক্তি থাকতে পারে না। গনতন্ত্রে অনেক সঙ্গতিহীন বিষয়ের মধ্যে এটা অন্যতম।(যেমন: কোন বিশ্বসুন্দরী, কোন কারনে অসুন্দর হয়েগেলে বা মারা গেলে, সাথে সাথেই কি আবার বিশ্বসুন্দরী নির্বাচন কারা হয়। না, তা তো হয় না। কিন্তু তখনও অনেক সুন্দরী বিদ্যমান। কিন্তু ঐ যে, মেয়াদ ; তথা মেয়াদ পুরা না হওয়া পর্যন্ত আবার বিশ্বসুন্দরী নির্বাচন রীতি মত অবৈধ।) জনসমর্থন হল জনপ্রিয়তার বহিঃপ্রকাশ। একক ভাবে জনপ্রিয়তার দুটি অবস্থা- হ্যাঁ অথবা না। সমষ্টিগতভাবে জনপ্রিয়তা জনসমর্থনের আকারের উপর নির্ভর করে। অর্ধেকের বেশি বা ৫১% জনসমর্থনের ভিত্তিতে গনতন্ত্রে সরকার গঠিত হয়, এবং এটি ৫১% থেকে ১০০% ও হতে পারে । অর্থাত সরকার পরিচালনাকারিদের জনপ্রিয়তা বিরোধীদের থেকে বেশি। জনপ্রিয়তা আলু পটলের মত পচনশীলও নয় বা ঔষধের মত মেয়াদযুক্তও নয়। তবে গনতন্ত্রে জনপ্রিয়তা আলু পটলের মতই পচনশীল, (ঠিক ৫ বছর পর্যন্ত টাটকা থাকে অত:পর পচন ধরুক বা না ধরুক আবার....) অর্থাৎ ঔষধের মত মেয়াদযুক্ত। সরকার গঠনের ঠিক পাঁচ বছর পর জনপ্রিয়তা যাচাই হয়-এটা কতটুকু যুক্তযুক্ত তা নিয়ে কোন প্রগতিশীল, বিজ্ঞানমনষ্কদের বলতে বা লিখতে দেখিনি। সরকার যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ জনমত তথা, জনসমর্থন বা ৫০% এর অধিক জনপ্রিয়তা সহকারে ক্ষমতায় আসে, তো তাদের জনপ্রিয়তা কি ঠিক ৫ বছরই থাকে। তার অাগেই কি শেষ হতে পারে না? যদি শেষ হয় তবে তার সমাধান কি? এক্ষেত্রে গনতন্ত্রিরা সুষ্ঠ কোন সমাধানও দিতে পারে নি। জন লক নামক বিখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞানীর একটা কুখ্যাত উক্তি অাছে তাহল," জনগন চাইলে আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার পতন করতে পারবে"। গনতন্ত্রের মধ্যে এতবড় একটা অগনতান্ত্রিক নীতি আর নেই এবং এটি হল- গনতন্ত্রেরর দেশ বা জাতি বিধ্বংসী পরম রূপ। এ নীতি গৃহযুদ্ধের পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়া আর কিছুই নয়।দেশ ও জাতির স্বার্থবিরধী কর্মকান্ডের কারনে শাষকদের জনপ্রিয়তা বা জনসমর্থন কমে। এক্ষেত্রে গনতন্ত্র সুষ্ঠ কোন সমাধান দিতে পারেনি, তবে জন লকের মতে আন্দোলনই একমাত্র পথ। অত:পর গৃহযুদ্ধের সম্ভবনাও প্রবল আকার ধারন করে। এটা গনতন্ত্রের চরম ব্যার্থতা, সীমাবদ্ধতা অত:পর আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত বৈকি। কখন কখন আন্দোলনও কোন সমাধান দিতে পারে না।বিরোধী দল সব সময়ই দেশপ্রেমিক। আবার ক্ষমতায় গেলে বেমালুম ভুলেযায় যে সে এক সময় দেশপ্রেমিক ছিল। তবে জনগন সবসমই বিরোধী দল। জনপ্রিয়তাকে ফরমালিন দিয়ে হলেও ৫ বছর রাখতে হবে। দেশ- জাতির স্বার্থ রক্ষা হউক বা না হউক। শুধু নির্বাচন চলাকালিন অামি গনতন্ত্রী, সরকার হলেই সৈরতন্ত্রী। দ্বিতীয় যুক্তিতে আসা যাকঃ জনপ্রিয়তা ৫ বছরের বেশি সময় ধরে থাকলে সেক্ষেত্রে কি? তো পুন:রায় নির্বাচন। সুষ্ঠ নির্বাচন হলে পুন:রায় ক্ষমতায় না হলে জনপ্রিয়তার পাকা ধানে মই। পৃথিবীর বহু গনতান্ত্রিক রাষ্ট্রে হেরে গেলেই বলা হয় নির্বাচন সুষ্ঠ হয় নাই। তো পৃথিবীর বুকে যদি ইনসাফ ও ন্যয় বিচার থাকতো তবে ঐ "নির্বাচন সুষ্ঠ হয় নাই " বলার সময়ই গনতন্ত্রকে চিরবিদায় দিয়ে দেয়া যেত। কারন এটা শুধু ক্ষমতার খেলা ছাড়া কিছুই নয়, আর জনসেবা পাওয়া, সেটার জন্যতো কপাল থাকতে হয়। জনপ্রিয়তা থাকার পরও যদি ক্ষমতা ছাড়তে হয় তো ঐ বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগীতার সাথে এটার পার্থক্য কি? রাষ্ট্রপতি শাষিত শাষন ব্যাবস্থাতো আরো ভিত্তিহীন। এটা ঠিক এরুপ যে, বর্তমান বিশ্বসুন্দরী মরেও নাই, আসুন্দরও হয় নাই আর সেথাকতেই আর একজন বিশ্বসুন্দরী নির্বাচন করে ফেলি। গনতন্ত্রের নির্বাচন আর বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতা দুটোই আমার কাছে হাস্যকর, ভিত্তিহীন ও অযৌক্তিক লাগে। লাগবে না কেন? চর্ম চক্ষুদিয়ে যা যাচাই করা যায় সেটাই যখন এড়িয়ে যাই তো গনতন্ত্রিক সরকারে জনপ্রিয়তা, সেতো বায়বীয়। আস্তিক নাস্তিক সাবাই মিলে, শাষকদের ৫বছরের মেয়াদের কাছে আত্মসমর্পন করি,৫বছরের জন্য নিজের নিয়ন্তা মানি। অথচ নাস্তিক হলে প্রগতিশীল আর আস্তিক হলে স্রষ্টার বান্দা - চমতকার। শাষকদের ৫ বছরের শাষনের মেয়াদ যেন এক নিরাকার বিধাতা। গনতন্ত্রে তো শাষক বা শাষন ব্যবস্থার এসব অযৌক্তিক, অবাস্তব বিষয়ের কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়না বা তার কোন ব্যাখ্যাই নেই। কিন্তু ইসলাম মানুষকে এর সমাধান দিতে বিন্দু মাত্র বিলম্ব করে নি কিন্তু আমরা অন্তরে গালিজ,গোমরাহী, বেদাতে সাইয়্যিয়াহ, কুফরী, শিরকি থাকার কারনে তা বুঝি না। ইসলাম বলে, " সালতানাতে সুলতানের প্রতিনিধিত্ব ততক্ষন থাকবে যতক্ষন ঐ সুলতান- ১) অাহলে সুন্নত ওয়াল জামাত এর আকীদা এবং চার মাযহাবের যেকোন এক মাযহাব উনার অনুসারী হবে।(ওহাবী, খারেজী,মুতাযেলা, শিয়া, লামাযহাবী, আহলে হাদিস, সলাফী, জামাতী, তবলীগি, কওমি আকীদার গ্রহনযোগ্য নয়) ২)অাল্লাহ ওয়ালা বা আল্লাহ ওয়ালা গনের অনুসারী হবে। ৩)মুহাক্কিক হবে। ৪) ইসলামি শরীয়তের উপর নিজে চলবে। ৫) শাষন কার্য শরীয়তের মাপকাঠিতে পরিচালনা করবে। ৬)জীবিত থাকবে। ৭)অচেতন বা বিকার গ্রস্থ হবে না। ৮) স্বেচ্ছায় ক্ষমতা ত্যাগ না করবে। ৯) বালেগ পুরুষ হবে। কিন্তু, এর কোন একটির কমতি বা ঘাটতি দেখাদিলে ঐ ব্যাক্তি শাষন করার অযোগ্য বলে গন্য হবে। গনতন্ত্রে এটা কি অাছে, তো এটি জুলুমের ধারক বাহক হবে নাতো কে হবে। [তবে, খিলাফত পরিচালক বা খলিফার আরো কিছু যোগ্যতা ও ঐশি বিষয় থাকে।] মেয়াদ যুক্ত শাষন ব্যাবস্থা একটা অাজগুবি বিষয় ছাড়া কিছুই নয়। সৎ যোগ্য নেতৃত্বেরর স্থায়ীত্ব যত বেশি সময় ধরে হবে তা তত বেশি কল্যানময় হবে। (সৎ যোগ্য নেতৃত্ব হল যিনি নিজে সৎ ও যোগ্য এবং তার অধিনস্তরাও অনুরুপ)। মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহথিরের হাতে গড়া মালয়েশিয়া, গনতন্ত্রের কারনে নয়, বরং তা আধুনিক ও উন্নত হয়েছে তার সৎ যোগ্য নেতৃত্বেরর দীর্ঘ স্থায়িত্বেরর কারনে। নেতৃত্ব ঘন ঘন পরিবর্তন হলে সেই দেশ ও জাতি যতটুকু শক্তিশালী হয় পুন:রায় দূর্বল হয়ে যায়, আবার সৎ যোগ্য নেতৃত্বেরর আভাবেও এটি হয়। মাহথির ৩০ বছরেও বেশি সময় ধরে নেতৃত্ব দেন এবং কোন দূর্নীতি, স্বেচ্ছাচারীতাকে লালন করেননি। (গনতন্ত্র: ১৩ এর একটি অংশের জবাব) অমুসলিমরা এজন্যই মুসলমানদের মধ্যে জোড়করে গনতন্ত্রকে ঢুকিয়ে দেয়। একজন যোগ্য নেতৃত্ব তার উপর আটল, অবিচল থাকে যা- সে মানে, যাকে ঠিক জানে, যে পথে হাঁটে, যে নীতির কাছে নত হয়, সর্বোপরি যে আদর্শ সে ধারন করে। তাকে, অবশ্যই সত্য ও ইনসাফের ধারক বাহকতো হতেই হবে। যা শিক্ষা দেবে- ক্ষমা,ধৈর্য ও ত্যাগের মহত্ব, মহানুভবতাকে। যেটা শুধু ইসলামই দিয়েছে গনতন্ত্র নয়। জনপ্রিয়তা, জনসমর্থন কখনই কোন শাষক নির্বাচনের একমাত্র বা একতরফা ভিত্তি হতে পারে না, কারন....... (দেখুন পরবর্তী সংখ্যায় তথা গনতন্ত্র: ১৫ তে-)

1 টি মন্তব্য

  • দূর্গম গিরি

    :announce:

মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।