সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

বিভাগবিহীন

গনতন্ত্র ৬

দেশে দেশে ব্যার্থ গনতন্ত্র । অনায়েসে একটি গনতান্ত্রীক দেশ চলে যাচ্ছে সংঘাতের দিকে । গনতন্ত্র চলে কিছু নীতি বা আদর্শের দ্বাড়া । গনতন্ত্রের প্রবক্তারা ঠিক করেছিল সেই নীতি ও আদর্শকে । কিন্তু কালান্তরে স্থান জাতি পরিবেশ ও ব্যক্তি ভেদে তার শাখা প্রশাখা এত ব্যপক আকার ধারন করেছে যে তা ক্রমাগত সৃষ্টিকরেছে কিছু জটিল ও সুক্ষ কিন্তু অতি ব্যপক দ্বন্দ ও সংঘাতের । কারন সব সময় এক রকম নয় ,সব পরিবেশ এক নয় ,সব গনতন্ত্রী এক নয় । গনতন্ত্রীরা তাদের অবস্থান কে এত শক্ত বলে ধারনা করে ও তার নীতি আদর্শের উপর এত আত্মবিশ্বাষী থাকে যে সংঘাত দ্বন্দ আসার পূর্ব মূহুর্ত পর্যন্ত সে থাকে নিশ্চিন্ত । কিন্তু এ সংঘাত যখন এসেই যায় তার কোন সমাধান থাকে না । থাইল্যান্ডে আজ ব্যর্থ গনতন্ত্র । মিশর লিবিয়ায় গনতন্ত্র স্তব্ধ । যদিও বা দেখা যাচ্ছে তারা সমাধানের পথে কিন্তু তার স্থায়িত্ব নিয়ে আছে চরম সংশয় । কারন সেই সমাধানের অস্তিত্ব সংঘর্ষ ও দ্বন্দের রোষে বিদ্ধ আহত মুমূর্ষ । গনতান্ত্রীক শাষনে বিভিন্ন দিক আছে । তার অনেক শাখা প্রশাখা আছে । এই সিস্টেমেটির উপাদান গুলো যখন পরস্পর সংঘাত ও দ্বন্দে জড়ায় তখনি পুরো সিস্টেমটি নড়ে উঠে । এরূপ অনেক হাজার হাজার বিষয়ে সংঘাতের সৃষ্টি হতে পারে । নিম্নে এরূপ একটি সংঘাত নিয়ে কিঞ্চিত্‍ আলোচনা করা হল । গনতন্ত্রে অনেক নীতির মধ্যে দুটি হলঃ ১। জনগনের শাষন । ২। আইনের শাষন । এদুটির সমন্নয় করা হয় এভাবে যে জনগনের পরম অভিব্যক্তি রূপে হইবে এই আইনের শাষন । কিন্তু বাস্তবে কি তাই । জনগন যাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করে তারা আইন প্রনয়ন করে আর এই আইন দ্বাড়া রাষ্ট্র ও জাতি পরিচালিত হয় । তাহলে এ আইন জনগনের পরম অভিব্যক্তির একটি স্বরূপ । কিন্তু মাঝখানে একটি কথা থেকে যায় তাহল জনগন সরাসরি আইন প্রনয়ন করে না । কিন্তু যারা আইন প্রনয়ন করে তারা কি জনগনের অভিব্যক্তি বুঝে বা জানে বা জানতে বুঝতে সক্ষম । যদি তারা সক্ষম হয় তবে উপরিউক্ত নীতি দ্বয় সাংঘর্ষিক স্থান থেকে সরে যায় । আইনকে জনগন যখন তাদের উপর জুলুম বলে মনে করে তাহলেই তা হয় শুধু আইনের শাষন । আবার জনগন যদি আইনকে নিজের উপর চাপিয়ে নেয় তখনও তা হবে আইনের শাষন ।কিন্তু জনগন কখন আইনকে নিজের উপর চাপিয়ে নেয়? অর্থাত্‍ অইন যখন তাদের পরম অভিব্যক্তির চরম প্রকাশ ঘটায় । কিন্তু আইনের প্রনয়ন ও প্রয়োগ হয় যথাক্রমে ২য় ও ৩য় পক্ষ দ্বাড়া । জনগন এ দুপক্ষের অস্তিত্ব দ্বাড়া আবদ্ধ । তাই এ আইন কখন কখন জনগনের অভিব্যক্তিকে সম্মান দেখানোর প্রয়োজন মনে করে না । আর তখনি শুরু হয় দ্বন্দ। আর সংখ্যাগরিষ্ঠতা নীতিতে চলমান গনতন্ত্রে তা মতপার্থক্যের জন্ম দেয় ও ক্রমাগত জটিল ও ব্যপক আকার ধারন করে সংঘাত সৃষ্টি করে । এক্ষেত্রে সকল গনতন্ত্রীরাই সমান ভূমিকা পালন করে। কারন এ আইন হল মানুষের তৈরী তা মানা বা বাতিল করার জন্য মানুষই যথেষ্ট । কিন্তু সেই আইন যা কোন মানুষের নয় তা বাতিলের ক্ষমতাও মানুষের নেই । আর এ আইনই মানুষের পরম অভিব্যক্তি । এ আইনই হল খোদা প্রদত্ত দীন ইসলাম যা মুসলমানদের পরম অভিব্যক্তি । গনতন্ত্র কখনই পারবেনা এ দ্বন্দ ও সংঘাতকে এড়াতে। তাই থাই সহ সাড়া মুসলিম উম্মার উচিত তদের পরম অভিব্যক্তি প্রকাশ সরুপ গনতন্ত্রকে বাদ দিয়ে খিলাফতে আলা মিনহাযুন নবুয়াহ উনার দিকে ধাবিত হওয়া ও তা তালাশ করা ।

2 টি মন্তব্য

  • শিব্বির আহমদ

    দারুণ। গণতন্ত্র নিয়ে আপনার অন্য লেখাগুলোর লিঙ্ক চাই। আগাম ধন্যবাদ।
  • দূর্গম গিরি

    আপনি সার্চ বক্সে"গনতন্ত্র" লিখে সার্চ দিলে যে ফলাফল পাবেন সেখানে বাকিগুলো প্রথম দিকেই আছে ।

মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।