সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

আন্তর্জাতিক

চাঁদ দেখা........

সৌদি আরব তাদের দেশের বিজ্ঞ আলেম আর সাইনটিস্টদের মাধ্যমে চাঁদ দেখার সুচারু ঘোষণা আগেই দিয়ে থাকে। অথচ আমাদের দেশে সে বিষয়টি ফলো না করে সেই আদি নিয়মেই এখনো চাঁদ দেখা হয়। যে কারণে প্রায়ই এ চাঁদ দেখা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। অথচ এ বিষয়ে আমরা সৌদি আরব বা সংশ্লিষ্ট মুসলিম দেশের সহয়োগিতা নিয়ে চাঁদ দেখা বিষয়ে বৈজ্ঞানিক ও শুদ্ধ তারিখটি জানতে পারি। চাঁদ দেখার এই আধুনিক সিস্টেম নিয়ে আপনারা কি বলেন...?

25 টি মন্তব্য

  • কী বোর্ড থেকে

    হাদীছ শরীফ অনুযায়ী, চাঁদ দেখেই রোযা রাখতে হবে। চাঁদ দেখেই ঈদ করতে হবে।
    এর বাহিরে কোন কিছু করা মুসলমানের কাজ নয়।
    সৌদিদের মনগড়া নিয়ম অনুসরনের সুযোগ কোন মুসলমানের জন্য নেই।
    বিতর্ক তখনই তৈরি হয়, যখন কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ থেকে দুরে সরা হয়।
    আপনি নিশ্চয়ই এ পোস্ট : ওহাবী মুখোশধারী সৌদি ইহুদীদের আবারো চাঁদ দেখা এবং আরবী মাসগননা নিয়ে ষড়যন্ত্র!!!! পড়েছেন।
    এর বিস্তারিত জানার জন্য
    http://al-hilaal.net/
    ভিজিট করুন।
    এটা পড়লে যে কোন মুসলমানের জন্য চাঁদের বিষয়টা বুঝা সহজ হবে।
    http://al-hilaal.net/docs/Resala_Kitab.pdf
  • নিভৃত পথচারী

    বিজ্ঞ আলেম বলতে ইসলামে কি বুঝায়?
    সুচারু ঘোষণা বলতে ইসলামে কি বুঝায়?
    চাঁদ দেখার ঘোষণা আগেই দেয়া খোদা দাবী করার মধ্যে পার্থক্য কি? শরীয়তের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা দিন।
    আদি নিয়ম বলতে ইসলামে কি বুঝায়?
  • ডাঃ আফসার

    সৌদি আরব এর বিজ্ঞ আলেমদের ও সাইনটিস্টদের মাধ্যমে চাঁদ দেখার সুচারু ঘোষণা সম্পকে একটু বিস্তারিত লিখুন। আগে দেখতে চাই সা্য়েনন্টিফিক বলতে আপনি কি বুঝাতে চেয়েছেন??????

    আপনি কি মুসলমান??? প্রশ্নটির উত্তর আপনি বার বার এড়িয়ে যাচ্ছেন!!! এর পেছনে কি রহস্য জানতে চাই। :knife: :handcuffs: :hammer:
  • যিকরান

    طالبوا بعدم قبول إفادات الشهود غير الموثقة .. فلكيون عرب لـ «عكاظ»:

    رؤية الهلال ليلة الجمعة بالعين المجردة مستحيلة في الرياض والقاهرة

    Sighting of the moon on Friday night with the naked eye is impossible in Riyadh and Cairo)

    ওয়েব সাইটটি ভিজিট করুন: http://www.okaz.com.sa/new/Issues/20120717/Con20120717518064.htm
  • লাল

    @নিভৃত পথচারী,
    প্রশ্নগুলার উত্তর কি আপনার জানা নাই?
    ৩য় পয়েন্টটি নিয়ে কথা বলব। অন্যগুলা ফাউল।
    কারো পেটের সন্তান এক্সরে করে আগে আগে দেখলে সেটাকি খোদা দাবি করা হবে?
    বিষয়টি বৈজ্ঝানিক। আপনি কি তাহলে বলবেন ডাক্তাররা ৗষুধ দিয়ে অসুখ ভালো করার চেষ্পটা করে এটা তাদের খোদা দাবি?
  • লাল

    @ডাঃ আফসার,
    বিজ্ঝানের মাধ্যমে এখন সহজেই প্রমাণ করা সহজ চাঁদ দেখার বিষয়টি। যেটা কিনা সৌদি বা আরো কিছু আরব রাষ্ট্র প্রয়োগ করে। কিন্তু এশিয়ায় এটা দেখা যায় না। এ কারনে অনেকে এটাকে মুসলমানদের বিজ্ঝান ভীতি মনে করে।
    //
    প্রশ্নটির উত্তর দেয়ার প্রয়োজন মনে করি না।
  • লাল

    @যিকরান, আরবী সাইট। আমি আরবী কম বুঝি। কোন ইংরেজী সাইটের লিংক দিতে পারেন।
    তাছাড়া আপনি আপনার বক্তব্যের সংক্ষিপ্ত অংশ প্রকাশ করতে পারেন।
  • Sakib Hasan

    আরবী মাস শুরুর ক্ষেত্রে গণনার কথা বলা হয়নি “দেখার” শর্ত দেয়া হয়েছে। আর গণনা করেও নির্ভুলভাবে কখনোই বলা সম্ভব নয় যে চাঁদ দেখা যাবেই। হিলাল বা বাঁকা চাঁদ দেখে যেহেতু আরবী মাস শুরু করতে হয়, ফলে তার তালাশের বিষয় রয়েছে আর তা প্রতিমাসের ২৯তম তারিখে দেখা যেতেও পারে নাও পারে।
  • নূর

    কারো পেটের সন্তান এক্সরে করে আগে আগে দেখলে সেটাকি খোদা দাবি করা হবে?
    বিষয়টি বৈজ্ঝানিক। আপনি কি তাহলে বলবেন ডাক্তাররা ৗষুধ দিয়ে অসুখ ভালো করার চেষ্পটা করে এটা তাদের খোদা দাবি?

    অপ্রাসঙ্গিক এবং আবল,তাবল যুক্তি।
  • নিভৃত পথচারী

    @লাল, আপনার বক্তব্যের মধ্যেই আপনার প্রশ্নের উত্তর বিদ্যমান। কেননা ডাক্তাররা ঔষধ দিয়ে অসুখ ভালো করার চেষ্টা করে কিন্তু ডাক্তারদের রোগ ভালো করার কোন ক্ষমতা নেই। একইভাবে কারো পেটের সন্তান এক্সরে করে আগে আগে দেখলেও নিশ্চিত করে বলা যায় না যে মায়ের রেহেমে সন্তানই আছে, টিউমার নেই।
    ঠিক একইভাবে বিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে চাঁদের গতি, প্রকৃতি, অবস্থান ইত্যাদি জানা গেলেও নিশ্চিতভাবে বলা যায় না যে, কোন মাসের ২৯ তারিখ পূর্ণ হলেই পরের মাসের চাঁদ অবশ্যই দৃশ্যমান হবে। কেননা হাদীছ শরীফ-এ স্পষ্টভাবেই উল্লেখ করা হয়েছে, “হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, তোমরা রোযা রাখ চাঁদ দেখে, ইফতারী কর চাঁদ দেখে। যদি ২৯ তারিখে আকাশ মেঘলা হয়, চাঁদ দেখা না যায় তাহলে ৩০ তারিখ গণনা করে ঈদ করবে। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, মিশকাত শরীফ)

    হাদীছ শরীফ-এ আরো ইরশাদ হয়েছে-“হযরত আবু হুরাইরা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, তোমরা রোযা রাখ চাঁদ দেখে এবং রোযা ভাঙ্গ চাঁদ দেখে। যদি মেঘের কারণে তোমাদের প্রতি চাঁদ গোপন থাকে তবে শা’বান মাস ত্রিশ দিন পূর্ণ করবে।” (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, মিশকাত শরীফ ১৭৪)

    অর্থাৎ ২৯ শে শা’বান যদি আকাশ মেঘলা থাকে চাঁদ দেখা না যায় তবে শা’বান মাসকে ৩০ দিন পূর্ণ করে অতঃপর রমাদ্বান শরীফ এর রোযা রাখবে।
    আবার ২৯ শে রমদ্বান শরীফ যদি আকাশ মেঘলা থাকে চাঁদ দেখা না যায় তাহলে রমাদ্বান শরীফ এর রোযা ৩০টি পূর্ণ করে ১লা শাওওয়াল ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে হবে।
    এখন প্রশ্ন হচ্ছে, সউদী ইহুদী সরকার কি করে হাদীছ শরীফকে উপেক্ষা করে চাঁদ না দেখেই অগ্রীম রমাদ্বান মাস ঘোষণা করতে পারে। এটা খোদা দাবী করা নয়?
  • যিকরান

    @ লাল, http://www.okaz.com.sa/new/Issues/20120717/Con20120717518064.htm সাইটিতে প্রকাশিত খবরের গুগল ট্রান্সলেটরে ইংরেজী অনুবাদ নিম্নরূপ- Arab astronomers agreed on the impossibility of sighting of the moon on Friday night with the naked eye, to Aftin for «Okaz» to the importance of making sure the testimony of witnesses when submitted to the competent authority, and the need to take into account the views of astronomers, especially when the impossibility of making sure the vision of those certificates.
    The director of the Islamic project to monitor the moons Mohamed Shaukat return the acceptance certificates vision on Friday night lost the efforts of bodies of various scientific and specifically Congress legitimate, organized by the Muslim World League last year brought together 15 experts astronomical internationally, and was sponsored by the Custodian of the Two Holy Mosques King Abdullah bin Abdul Aziz, pointing that this year will be seen whether this conference will bear fruit and its consequences on the ground, considering that a real test.
    And ascribed this to the inability to see the crescent with the naked eye and that the acceptance certificate will not be considered as the opinion of astronomers who have demonstrated the impossibility of vision, calling for the need to take advantage of the views of astronomers who say so, and not to accept the testimony of the visionaries is scrutinized.
    As a member of the Islamic project to monitor the moons faculty member University of Jordan, Dr. Abdul Qader Abed, said that the sighting of the moon on Friday night with the naked eye and the telescope is impossible and no one to see the crescent on Thursday evening after Maghrib prayer, a reference to the fact that the moon seen two minutes after sunset in Mecca, while in Oman coincides with sunset, and thus there is no point in his vision and there is the slightest chance.
    According to Abed that the problem lies in the ratification of witnesses who come to the courts areas under these circumstances it is impossible to see the crescent, indicating the importance of ensuring their testimony and its response that was impossible, especially that «these witnesses proved to have violated the reality more than once over the years» .
    Dr dominated Metwally faculty member at the University of Cairo, on loan to the University of Hail demanded the importance of considering the conditions of visibility and availability or not, stressing the impossibility of sighting of the moon this year on Friday night in a number of countries, especially Saudi Arabia and Riyadh in particular, which keep the moon after two minutes of the sunset Sun, as well as Cairo, which keep the moon after sunset in six minutes, indicating that the sighting of the moon is impossible if the Dawning after sunset these timings that are below 21 minutes, pointing out that no one has broken this rule says to see the crescent in the history of mankind, adding «vision telescope difficult and impossible with the naked eye».
  • hadi_ul

    :rose:
  • লেখক

    বর্তমান যুগ বিজ্ঞানের যুগ তাই চাঁদ দেখার জন্য মুসলিম বিজ্ঞানীগণ কতগুলো শর্ত বের করেছেন সে শর্তগুলো পূর্ণ হলে আরবী মাসের ২৯তম দিনে চাঁদ দেখতে পাওয়ার সম্ভবনা থাকে। অর্থাৎ অগ্রীম বুঝা যায় যে, চাঁদ দেখা যাবে কিংবা যাবে না। কিন্তু তারপরও চাক্ষুষ চাঁদ দেখা শরীয়তের শর্ত।

    মুসলিম বিজ্ঞানীগণ কতগুলো শর্ত বের করেছেন সে শর্তগুলো হলো-
    ১) চাঁদের বয়স: সাধারণভাবে চাঁদ দেখতে পাওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ১৭ ঘণ্টা এবং সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা।
    ২) চন্দ্র, সূর্যের কৌণিক দূরত্ব : বর্তমানে বায়ুমণ্ডলের দূষণ, আলোর দূষণ এবং ধূলাবালির কারণে চাঁদ সূর্য থেকে ১০-১০.৫ ডিগ্রী পর্যন্ত সরে আসলে তারপর চাঁদ দৃশ্যমান হয়। এই পরিমাণ কোণ তৈরী করতে চাঁদের লাগে প্রায় ১৭ থেকে ২৩ ঘণ্টা।
    ৩) দিগন্তরেখার উপর চাঁদের উচ্চতা : সাধারণত যে চাঁদ সূর্যাস্তের সময় দৃশ্যমান হবে সাধারণতঃ সে চাঁদকে ১০ ডিগ্রী উচ্চতায় বা তার চেয়েও অধিক উচ্চতায় অবস্থান করতে হয়।
    ৪) সূর্যাস্তের লাল আভা বিকিরণের বিস্তৃতি ও স্থায়ীত্ব : দিগন্তের উজ্জলতার চেয়ে চাঁদের উজ্জলতা কম থাকলে খালি চোখে চাঁদ দৃশ্যমান হয় না।
    ৫) হিলালের তীর্যক পথ ও খাড়া পথে গমণ : অনেক সময় চাঁদের ৪০ ঘণ্টা বয়স না হলে দেখা যায় না এর কারণ হচ্ছে, হিলালের পথ পশ্চিমাকাশে তীর্যকভাবে থাকে, খাড়াভাবে থাকে না। হেলানো বা তীর্যকপথে হিলালের অস্ত যেতে সময় লাগে অনেক কিন্তু সূর্যের মধ্যে ডুবে থাকার কারণে দেখা যায় না।
    ৬) হিলালের আলোকিত অংশ বা চাঁদের পুরুত্ব : যে চাঁদ তার জন্মের সময় সম্পূর্ণ অন্ধকার থাকে না তাকে দেখার সম্ভাবনা, যে চাঁদ অমাবস্যার সময় সম্পূর্ণ অন্ধকার থাকে তার চেয়ে দেখার সম্ভাবনা বেশি থাকে। যদিও চাঁদের বয়স সমান থাকে। এ কারণেই বিজ্ঞানীরা চাঁদের প্রশস্থতাকে চাঁদ দেখার একটি শর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
    ৭) পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব এবং সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব : পৃথিবীর চতুর্দিকে চাঁদের কক্ষপথ কখনই পরিপূর্ণ গোল নয় বরং উপবৃত্তাকার। সে কারণে চাঁদ পৃথিবীর কাছে থাকে এবং কখনও দূরে অবস্থান করে। আবার সূর্যের চতুর্দিকে পৃথিবীর কক্ষপথও পুরোপুরি গোলাকার নয় বরং উপবৃত্তাকার। সুতরাং পৃথিবী কখনও সূর্যের কাছে থাকে এবং কখনও দূরে।
    তাই চাঁদ ও পৃথিবীর সূর্যের কাছাকাছি অবস্থান এবং কখনও দূরে অবস্থানের বিষয়টি চাঁদ কখন, কোথায় প্রথম দৃশ্যমান হবে তার সাথে জড়িত।
    ৮) রাস্তাঘাট ও বাড়ীঘরের আলো : রাস্তাঘাটের অতিরিক্ত আলো যে অস্বচ্ছ পরিবেশ সৃষ্টি করে তা চাঁদ দেখতে পাবার জন্যে যথেষ্ট বাধার কারণ। অনেক সময় আকাশ পরিস্কার থাকলেও রাস্তাঘাটের উজ্জ্বল আলো চাঁদের ম্লান আলোকে বাধাগ্রস্ত করে।
    ৯) বায়ুস্তরে ভাসমান পদার্থের পরিমান : ‌বাতাসে ভাসমান ধুলিকণা হিলালের আলো বিক্ষিপ্তভাবে প্রতিফলিত করে থাকে। এই বিক্ষিপ্ত আলো আমাদের চোখে পৌঁছেনা। যে অঞ্চলে বাতাসে ধুলিকণার পরিমাণ খুব বেশী সেখানে অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় হিলাল দেখার সম্ভাবনা কম হবে।
    ১০) চাঁদ ও সূর্যের অস্ত যাওয়ার সময়ের পার্থক্য : চাঁদ ও সূর্যের অস্ত যাওয়ার সময়ের পার্থক্য যদি ৪২ মিনিট হয় তবে প্রথম ১০ মিনিটে চাঁদ দৃশ্যমান হবে না। সূর্য অস্ত যাওয়ার ২০-৩০ মিনিট পর চাঁদ দৃশ্যমান হবে।
    ১১) আজীমাত : চাঁদ প্রতি মাসে একই স্থানে দেখা যায় না। পশ্চিমে ডান ও বামে সরে সরে আসে।
    ১২) গোধুলী : সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গেই আকাশ অন্ধকার হয় না। দৃশ্যতঃ সূর্যাস্তের পরও বায়ুমন্ডলের উপরিভাগ সূর্যের রশ্মিকে কিছুক্ষণ ধরে রাখতে সক্ষম হয় এবং আকাশ আলোকিত করে।

    উপরোক্ত শর্তসমূহের সংক্ষিপ্ত আলোচনা হতে দেখা যায় যে, চাঁদের বয়স ১৭-২৩ ঘন্টা হলেও অন্যান্য শর্তসমূহ পূর্ণ না হলে চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভবনা কম থাকে।

    অথচ সউদী আরবের তথাকথিত আলিম আব্দুল্লাহ আলমানী চাঁদ দেখাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে আগাম ঘোষণা দিয়েছে যে, ২২শে ছানী ১৩৮০ শামসী সন (অর্থাৎ ২০শে জুলাই ২০১২ ঈসায়ী সন) ইয়াওমুল জুমুয়াতি বা শুক্রবার হবে সউদী আরবে পহেলা রমাদ্বান শরীফ। নাউযুবিল্লাহ!

    ২১শে ছানী ১৩৮০ শামসী সন (১৯শে জুলাই ২০১২ ঈসায়ী সন) ইয়াওমুল খামীসি বা বৃহস্পতিবার সউদী আরবে অমাবস্যার দিন।

    সেদিন অমাবস্যা সংঘটিত হবে : সউদী আরবের সময় অনুযায়ী সকাল ৭টা ২৪ মিনিটে

    সেদিন সূর্যাস্ত হবে : সউদী আরবের সময় অনুযায়ী সন্ধ্যা ৭টা ৭ মিনিটে

    অর্থাৎ সূর্যাস্তের সময় চাঁদের বয়স হবে : ১১ ঘন্টা ৪৩ মিনিট (শর্ত : সর্বনিম্ন বয়স ১৭ ঘণ্টা এবং সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা)

    আর চন্দ্রাস্ত হবে : সউদী আরবের সময় অনুযায়ী সন্ধ্যা ৭টা ১৩ মিনিটে

    অর্থাৎ চাঁদ ও সূর্যের অস্ত যাওয়ার সময়ের পার্থক্য : মাত্র ৬ মিনিট (শর্ত : চাঁদ ও সূর্যের অস্ত যাওয়ার সময়ের পার্থক্য কমপক্ষে ৪০-৪২ মিনিট)

    এছাড়া চাঁদের উচ্চতা থাকবে দিগন্তরেখা বরাবর (০ ডিগ্রি) (শর্ত : যে চাঁদ সূর্যাস্তের সময় দৃশ্যমান হবে সাধারণতঃ সে চাঁদকে ১০ ডিগ্রী উচ্চতায় বা তার চেয়েও অধিক উচ্চতায় অবস্থান করতে হয়)

    এমতাবস্থায় ২১শে ছানী ১৩৮০ শামসী সন (১৯শে জুলাই ২০১২ ঈসায়ী সন) ইয়াওমুল খামীসি বা বৃহস্পতিবার সউদী আরবে চাঁদ দৃশ্যমান হওয়ার কোনোই সম্ভাবনা নেই।

    আর বলার অপেক্ষাই রাখে না যে, শরীয়তে চাঁদ দেখা ছাড়া কোনভাবেই অগ্রীম কোন আরবী মাস শুরু করা সম্পূর্ণ অবৈধ। কেননা হাদীছ শরীফ-এ স্পষ্ট ইরশাদ হয়েছে-“হযরত আবু হুরাইরা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, তোমরা রোযা রাখ চাঁদ দেখে এবং রোযা ভাঙ্গ চাঁদ দেখে। যদি মেঘের কারণে তোমাদের প্রতি চাঁদ গোপন থাকে তবে শা’বান মাস ত্রিশ দিন পূর্ণ করবে।” (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, মিশকাত শরীফ ১৭৪)

    এমতাবস্থায় সারাবিশ্বের মুসলমানগণের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে, সউদী ওহাবী সরকারের এরূপ শরীয়তবিরোধী ও মনগড়া কর্মকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ করা।
  • ডাঃ আফসার

    সম্ভবত লাল আর জবাব দিবে না।

    আমি লাল কে বললাম তিনি যে সৌদি আরব এর চাদ দেখা সায়েন্টিফিক বললেন, কেন তা বললেন তার বিস্তারিত জানাতে। আমি দলীল চাইছি সৌদি আরবের ওহাবী সরকারের
    বিজ্ঞ আলেম আর সাইনটিস্টদের মাধ্যমে চাঁদ দেখার সুচারু ঘোষণা দেয়ার বিষয়ে।লাল এই তথ্য কোথায় পেলেন??? নাকি লাল না জেনেই নিছক গলাবাজী করলেন???

    আমি ও জানতে চাই, লাল যেন আমাকে তা সরবরাহ করেন।


    দ্বিতীয়ত: মায়ের পেটের সন্তানের কথা বলতে গিয়ে লাল এটাই প্রমান করলেন যে তিনিও কাফির নায়িকের মত একটা গবেট। কেননা মায়ের পেটে সন্তান এক্সরে বা আলট্রাসনোগ্রাম দিয়ে দেখা আর ভুমিষ্ঠ হওয়ার পর খালি চোখে দেখা এক কথা নয়।

    তাহলে কিভাবে হিসাব করে চাদ দেখা আর আকাশে উদিত হওয়ার পর চাদ দেখা এক হতে পারে??? আথচ, চাদ খালি চোখে (naked eye) দেখা শর্ত করা হয়েছে।

    তাহলে, সৌদি আরব তো খোদা দাবী করার মত ধ্ষ্টতাই প্রদর্শন করলো!!! :knife: :knife: :knife:
  • সকাল-বিকাল

    লেখক ভাই দারুন মন্তব্য করলেন। লেখক ভাইয়ের সাথে সহমত। এবার মনে হয় লাল ভাই সঠিক জিনিসটা বুঝতে পারবেন। :coffee:
  • লাল

    আমি সত্যি আপ্লুত। এভাবে অনেকেই এসে জবাব দেয়ার চেষ্টা করার জন্য। সকলকে অনেক অনেক ধন্যবাদ......... :deadrose: :deadrose: :deadrose:
  • লাল

    @Sakib Hasan, সহমত, তবে বৈজ্ঞানিক হিসাব নিকাশকে নিশ্চয়ই ইসলাম অস্বীকার করে না।
  • লাল

    @নূর, সবার কাছে সব যুক্তি নাও গ্রহণীয় হতে পারে, ইটস ন্যচারাল
  • লাল

    @লেখক, ধন্যবাদ অনেক কিছুই জানলাম। সুন্দর কমেন্টস-এর জন্য শুভেচ্ছা।
  • লাল

    @ডাঃ আফসার, আমার থেকে এ আশা করবেন না। আমার সাথে যতদিন আপনারা ভালো ব্যবহার করবেন ততদিন আমি আছি। আমি সবারই যুক্তি মত কে সম্মান করতে জানি। তবে নিজের মতটাকে আরো যথার্থ করার জন্য বা ভালো আরো কিছু জানার জন্যই ব্লগিং করি।
    * সাইনটিস্টদের চাঁদ দেখার যর্থার্থতা সবারই জানা। আপনার কম জানা থাকতে পারে। তারা ঘোষনা দিয়েই প্রকাশ্যে এটি করে থাকে। তাদের এ বিষয়টি দশক দশক ধরে তারা চালিয়ে আসছে, এটি ভুল বা সন্দেহজনক হলে অনেকেই প্রশ্ন তুলতো।
    * আমি সেই আদিকালের হিসাব নিকাশের কথা বলিনি, কারো পেটে সন্তান আছে সেটা ভুমিষ্ঠ হওয়ার আগেই দেখা যায় এক্সরের মাধ্যমে। তেমনি আকাশের চাঁদ উঠলো কি না সেটাও আধুনিক যন্ত্রের মাধ্যমে সুচারুভাবে দেখা সম্ভব।
  • কী বোর্ড থেকে

    @পোস্ট দাতা, আমার কমেন্ট গায়েব কেন?
  • ব্লগ এ্যাডমিন

    @কী বোর্ড থেকে, আপনার কমেন্টটি প্রকাশ করা হয়েছে।
  • আবু আসআদ

    হাদীস শরীফে চোখে চাদ দেখার কথা বলা হয়েছে। অন্য কোন নিয়মে নয়। আপনি অন্য যে কোন পদ্ধতিতে দেখতে পারেন, তবে তা চোখে দেখতে হবে, আই মিন আপনি যদি বাইকুলারের সাহায্যে দেখন কোন প্রোব নাই, তবে হিশাব-কিতাব করে দেখা আর চোখে দেখা হলো পৃথীবির ২ প্রান্তের বিষয়।
  • ডাঃ শাহনুর সায়েম

    @লেখক, শুকরিয়া ভাইজান। অসংখ্য ও অগণিত মোবারকবাদ আপনাকে, হক্ব-নাহক্বের এই জিহাদে শাণিত লেখনীর মাধ্যমে যে লেখাটি উপহার দিলেন, একেবারে লা-জওয়াব হয়ে গেলাম।আপনার এই লেখা আমাদের জন্য অনুপ্রেরনা হয়ে থাকবে।
    @লাল,লেখাটিকে সাধুবাদ দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
  • লেখক

    সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য। বেশুমার ছলাত ও সালাম সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি।
    উনাদের খাছ লক্ষ্যস্থল যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আ'যম, আস সাফফাহ মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার অফুরন্ত ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ-এর বদৌলতে আজ নাহক্ব নিস্তানাবুদ। তাদের বিনাশ অবশ্যম্ভাবী।
    তাই নাহক্বকে বিনাশের এই জিহাদে শরীক থাকার জন্য আপনাকেও অসংখ্য ও অগণিত মুবারকবাদ এবং মহাকাশীয় শুভেচ্ছা। :sun: :moon:

মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।