সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

বিভাগবিহীন

চামড়া ছিলা – ৫

মালানা ইশাকের আল্লাহ্‌ তায়ালার সাথে চরম বেয়াদবী ও অশালীন উপমা ”আসুন গো ওহে আমাদের মাশুক! নিরালা নির্জনে বসি প্রেম আলাপ করি গো” সুত্রঃ সৈয়দ মোহাম্মাদ এছহাক এর রচনাবলী; আল-এছহাক পাবলিকেশন্স; বাংলাবাজার; প্রকাশকাল ফেব্রুয়ারি ২০০৭; আশেক মাশুক পৃষ্ঠা নঃ ১৫ ==================== পান ইশাক মহান আল্লাহ পাক কে এই পৃথিবীতে ডাকছেন প্রেম আলাপ করার জন্য! (নাউযুবিল্লাহ) আমার চিন্তা হয় যে, এই মালানা কি স্বাভাবিক মস্তিষ্কের অধিকারী ছিল নাকি নাট-বল্টু লুজ ছিল? নাকি শাল্টু খোর ছিল? নাকি শুকনা চলত? নাকি সে বয়সকালে বিবাহ বহির্ভূত প্রেমে মশগুল ছিল? কেউ বলতে পারে, সে মহব্বত প্রকাশ করার জন্য এই কথা বলেছে। কিন্তু মহব্বত দেখানোর জন্য এই ধরনের উপমা কেন? আল্লাহ পাক –উনার শানে যদি এই ধরনের কথা বলা যায়, তাহলে আমার তোমার জন্য কি বলবে কে জানে? কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা রঈনা বল না, উনজুরনা বল এবং শ্রবণ কর (বা শুনতে থাক) আর কাফিরদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি।” (সূরা বাক্বারা শরীফ : আয়াত শরীফ ১০৪) আয়াত শরীফ উনার শানে নযুলে বলা হয়েছে, ইহুদীরা হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কষ্ট দেবার জন্য ‘রঈনা’ শব্দ ব্যবহার করত যার একাধিক অর্থ। একটি অর্থ হল ‘আমাদের দিকে লক্ষ্য করুন’ যা ভালো অর্থে ব্যবহার হয়। আর খারাপ অর্থ হল ‘হে মূর্খ, হে মেষ শাবক’ এবং হিব্রু ভাষায় একটি বদ দোয়া। ইহুদীরা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ‘রঈনা’ বলে সম্বোধন করত। যাতে প্রকৃতপক্ষে তাদের উদ্দেশ্য ছিল খারাপ অর্থের প্রতি ইঙ্গিত করা। আর হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা ‘রঈনা’ শব্দের ভালো অর্থের প্রতি ইঙ্গিত করে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্বোধন করলে ইহুদীরা খারাপ অর্থ চিন্তা করে হাসাহাসি করতো। এতে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কষ্ট পেতেন তবুও তিনি কিছু বলতেন না; কেননা মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ওহী ছাড়া কোনো কথা বলতেন না। যেমন কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ হয়েছে, “তিনি (হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওহী ব্যতীত নিজের থেকে মনগড়া কোন কথা বলেন না”। (সূরা নজম : আয়াত শরীফ ৩, ৪) এর ফলশ্রুতিতে মহান আল্লাহু পাক তিনি কুরআন শরীফ উনার আয়াত নাযিল করে ‘রঈনা’ শব্দের বদলে ‘উনজুরনা’ শব্দ ব্যবহার করতে বললেন। কারণ ‘রঈনা’ শব্দ ভালো-খারাপ উভয় অর্থে ব্যবহার হলেও ‘উনজুরনা’ শব্দ শুধুমাত্র ভালো অর্থে ব্যবহার। তাই যে সকল শব্দের ভালো-খারাপ উভয় অর্থে ব্যবহার হয়, সে সকল শব্দের পরিবর্তে উপরোক্ত আয়াত মুতাবিক ওটার সমার্থক অর্থবোধক শব্দ ব্যবহার করতে হবে, যা শুধুমাত্র ভালো অর্থেই ব্যবহার হয়। এখানে প্রেম শব্দ টা বলতেই আমাদের কাছে এটার খারাপ দিক টাই ভেসে আসে, আর নিরালা-নির্জনে প্রেম বলতে বঝায় বিধি বহির্ভূত ...............?? আপনারাই বুঝে নিন। মুলতঃ বেয়াদব ছাড়া আর কেউ এই ধরনের কথা বলতে পারবে না

1 টি মন্তব্য

  • গোলামে মাদানী আক্বা

    :present:

মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।