চোরা ড. ইউনুস ............

ড.ইউনূসের কর্মকান্ড- নিয়ে সাম্প্রতিক কালের পত্র-পত্রিকায় বিবৃতি পাল্টা-বিবৃতি প্রতিনিয়তই লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ বিবৃতি পাল্টা-বিবৃতি সূচনা হয় নরওয়েজিয়ান সাহায্য সংস্থা নোরাডের দেয়া গ্রামীণ ব্যাংকের জন্য অনুদান অনিয়মতান্ত্রিক উপায়ে গ্রামীণ কল্যাণ নামে আরেকটি সংস্থায় স্থানান্তরের ঘটনা নিয়ে। আর এ বিষয়ে এখন ড. ইউনূসের পক্ষে ও বিপক্ষে জনগণও দুইভাবে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। এই দুইভাগের কোনোভাগেই জনমত বেশি সেটা নিয়েও আমার কোনো বক্তব্য নেই। তবে ইউনূস মিয়া যে সুদের ব্যবসা করে এতো টাকা কামাই করেছে এটা যেমন সত্য, তেমনি সত্য সে গ্রামীণ মহিলাদের বেপর্দা হতে ও স্বামীর অবাধ্য হতে বাধ্য করেছে। এগুলো অবশ্যই কোনো মুসলমানের কাজ নয়। তাহলে ইউনূস মিয়া ধোয়া তুলসী পাতা হয় কেমন করে? সর্বোপরি আরেকটা বিষয় আলোচনার দাবি রাখে সেটা হলো- এই গ্রামীণ কল্যাণের প্রতিষ্ঠা হয়েছিলো গ্রামীণ ব্যাংকে কর্মরত কর্মকর্তা এদের টাকা দিয়ে। তাদের বেতন থেকে প্রতি মাসে একটা অঙ্কের টাকা কেটে নিয়ে এ গ্রামীণ কল্যাণটির প্রতিষ্ঠা করা হয়। কর্মকর্তা, কর্মচারীদের বলা হয় যে, তাদের কোনো বিপদ-আপদ বা অসুখ-বিসুখে এই ফান্ড থেকে সহায়তা দেয়া হবে। গ্রামীণ ব্যাংকের কিছু কর্মকর্তাদের সাথে আলাপ করে জানা যায় যে, তাদের টাকা-পয়সা কেটে নিয়েছে ঠিকই কিন্তু তাদের বিপদ-আপদ বা অসুখ-বিসুখে সহায়তা চেয়ে কোনোদিনই কোনো টাকা-পয়সা গ্রামীণ কল্যাণ থেকে তারা পায়নি, কেউ পেয়েছে বলেও তাদের জানা নেই। এমনই ধোয়া তুলসী পাতা এই ইউনূস মিয়া!! আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ করেছেন, “সুদকে নিশ্চিহ্ন করে দেবেন।” ইউনূস মিয়া কি তাহলে এ প্রক্রিয়ার মধ্যে পড়ে গেলো নাকি?
3 টি মন্তব্য
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।
সরলমত
real_slayer
তাজদীদ
পুরস্কার পাওয়ার পর ধরা খাইছে...