ছবি থাকলে নামায হবে না ॥ মসজিদকে ছবিমুক্ত করতে হবে।
***********************************************
মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন,
فَاجْتَنِبُوا الرِّجْسَ مِنَ الْأَوْثَانِ وَاجْتَنِبُوا قَوْلَ الزُّورِ
“ তোমরা ছবি বা মূর্তির অপবিত্রতা থেকে বেঁচে থাক এবং মিথ্যা কথা থেকে বেঁচে থাক। ” (সুরা হজ্জ্বঃ৩০)
ছবি বা মূর্তি এধরণের যা আছে সেটা হাতে আঁকা হতে পারে, কাপড়ের বা মাটির তৈরি হতে পারে , ক্যমেরার মাধ্যমে অর্থাৎ আলোক রশ্মির সাহায্যে তোলা হতে পারে, মোমের তৈরি হতে পারে , কাগজের তৈরি হতে পারে ইত্যাদি থেকে মহান আল্লাহ পাক বেঁচে থাকতে বলেছেন।
ফিকির করলে বুঝা যাবে, মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত থেকে কেন মানুষ বঞ্চিত। বাংলাদেশসহ পৃথিবীর কয়টি ঘর আছে, বাড়ি আছে, অফিস আদালত আছে, রাস্তা-ঘাট আছে, যেখানে টিভি, ভিসিআর, ডিসএন্টিনা নেই, ছবি নেই। হিসাব করলে দেখা যাবে সংখ্যা নগন্য। কেননা যেখানে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার ইবাদত ঘর মসজিদে অসংখ্য ছবি থাকে, সি.সি টিভির মাধ্যমে ইমাম সাহেব- এর ছবি মসজিদের বিভিন্ন তলায় বসে বড় পর্দায় দেখা যায়। মসজিদের টিনে, দিয়াশলাইতে, মোমবাতি আগর বাতির প্যাকেটে ছবি থাকে, সেখানে কিভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত উনার আশা করা যায়? ইবাদত-বন্দেগী, নামায কালাম কবুল হওয়ার আশা করা যায়। ফিক্বাহের কিতাবে ফতওয়া দেয়া হয়েছে, ইমাম সাহেব-এর ডানে বামে সামনে-পিছনে, উপরে নিচে যদি কোনো প্রাণীর ছবি থাকে আর ঐ ইমাম সাহেবের পিছনে কোটি কোটি মোক্তাদি নামায আদায় করে, তবে সকলের নামায দোহরায়ে পড়া ওয়াজিব। নচেৎ তারা মাকরূহে তাহরীমীর গুনাহে গুনাহগার হবে। কাজেই মুসলমানদের এখনই সব হারাম ছবি বর্জন করে। মসজিদ এবং সমস্ত স্থানকে ছবি মুক্ত করা উচিত।

0 টি মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।