"ছাগু" শব্দের ব্যাখ্যা এবং মুশরিক ও তাদের বশংবদ ব্লগারদের জন্য যা প্রযোজ্য।

ছাগু
ব্লগে মুসলিমবিদ্বেষী গালিবিশেষ। মূলত মুসলমানদের দাড়িকে উদ্দেশ্য করে বলা। ছাগলের থুতনির লোমের সাথে মুসলমানদের দাড়িকে মেলানোর অপচেষ্টা। যদিও এটি রাজাকার অর্থ বহন করে, এই শব্দটির মধ্যে সাম্প্রদায়িকতা স্পষ্ট। কারণ হিন্দুরা ও তাদের দালালেরা ইসলামী পোস্টের বিরোধিতা করার মতো কোন কথা খুঁজে না পেলে ছাগু বলে অপমান করে থাকে।
তবে সান্তনাসূচক একটি ঘটনা উল্লেখ করা যায় তা হলো এক দুরাচার বৃদ্ধা ইমামে আযম হযরত আবু হানীফা রহমাতুল্লাহি আলাইহিকে অপমান করার জন্য বলেছিল, "হুযুর, আপনার দাড়ির মর্যাদা বেশি না আমার ছাগলের থুতনির পশমের মর্যাদা বেশি"।
তিনি বলেছিলেন, কয়েকদিন পরে এর উত্তর দেয়া হবে।
কয়েকদিন পরে তিনি দুনিয়া থেকে বিদায় নিলেন। যখন উনার লাশ মুবারক খাটিয়ায় করে নেয়া হচ্ছিল তখন দুরাচার বৃদ্ধা রাস্তার মাঝখানে জোরে জোরে সবাইকে শুনাচ্ছিল, ইমামে আযম রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি তার প্রশ্নের জবাব দেয়ার ভয়ে বিদায় নিয়েছেন, নাউযুবিল্লাহ।
আল্লাহপাক কুরআন শরীফে ঘোষণা করেন, শহীদেরা মৃত নন, উনারা জীবিত।
আল্লাহপাকের বন্ধুদেরও মৃত্যু হয় না। ইমামে আযম রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি মাথা মুবারক খাটিয়া থেকে উত্তোলন করে বললেন "হে বৃদ্ধা! ফতওয়ার জওয়াব শুনে নাও।আমি তোমার ফতওয়ার জওয়াব দিইনি কারণ আল্লাহপাকের ভয় আমাকে বাধ্য করেছিল। যদি আমি আখিরাতে নরকে যাই তা হলে তো আমার দাড়ি মুবারকের কোন মূল্য থাকবে না, তোমার ছাগলের থুতনির পশমের তখন কদর হতো। কিন্তু এখন আমি তোমাদের থেকে বিদায় নিয়েছি, আল্লাহপাক আমাকে জান্নাত দিয়ে সম্মানিত করেছেন। সুতরাং এখন বলতে দ্বিধা নেই, তোমার ছাগলের থোতার পশমের চাইতে আমার দাড়ি মুবারকের মর্যাদা অনেক বেশি।" এ বলে তিনি আবার খাটিয়ায় নিদ্রিত হলেন।
আমরাও তাক্বওয়ার স্বার্থে দাদা ও তাদের দালালদের ছাগু উপাধি অম্লানবদনে গ্রহণ করে সম্মুখে অগ্রসর হই।
মুশরিকদের নাপাকীর একটি উদাহরন এবং তাদের জন্য প্রযোজ্য শব্দ -------
হাগু
"নিশ্চয়ই মুশরিকরা নাপাক।”সূরা আত-তওবা-২৭
নাপাক বা অপবিত্রতার উদাহরণ হিসেবে প্রথমেই আমাদের মনে পড়ে মলমূত্রের কথা। বাংলাদেশের হিন্দুদের প্রাণপ্রিয় রাজ্য ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মোরারজী দেশাই প্রত্যেহ সকালে উঠে স্বমূত্র পান করতেন। গায়ে মালিশ করতেন। ডাক্তাররা তাকে চোখের ছানির অপারেশন করতে বললে তিনি তা না করে পেশাব দিয়ে চোখ ধোয়া শুরু করেছিলেন। এসব তথ্য সবারই জানা।
এদেশে হিন্দুরা তাদের মাটির ঘর গোবর দিয়ে লেপত। বিয়ের ছাদনতলা যেখানে সাতপাকের কার্যাদি সম্পন্ন হয় তা এ যুগেও গো মলমূত্র ছাড়া প্রস্তুত হয় না। ধর্মান্তরিত মুসলমান যারা হিন্দু ছিলেন তারা বলেছেন, গো মলমূত্র ব্যতীত হিন্দু বাড়ির খাবার রান্না হয় না।
এবং হিন্দুদের মিষ্টির কারিগররাও মিষ্টিতে গো মূত্রের ব্যবহার করে থাকে বলে হিন্দুরাই স্বীকার করেছে। বিশেষ করে আদি অমুক মিষ্টান্ন ভান্ডার নামক দোকানগুলো, অর্থাৎ হিন্দুদের বংশপরম্পরায় যেসব দোকান চলে এসেছে সেসব দোকানের মিষ্টিতে ব্যবহৃত হয় গো মূত্র ও গোবর চূর্ণ। হিন্দুরাই স্বীকার করেছে।
ভারতে বিজেপির গোমূত্র দিয়ে প্রস্তুত খাবার ও প্রসাধনীর কারখানা রয়েছে।
মুসলমানরা যারা ব্লগে লেখেন তারা ছাগু শব্দের যথার্থ উত্তর নিয়ে প্রায়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। উত্তর ছাগু শব্দের মধ্যেই নিহিত রয়েছে। খালি ছ এর জায়গায় একটি হ বসবে।
কারণ যারা সাধারণ মুসলমানদের ইসলামি লেখা দেখলেই ছাগু বলেন তারা তো দাদা অথবা ভাদা যে কোন একটি। যাদের রক্তে মিশে আছে গো মূত্র।
এবং এটি বাস্তবসম্মত একটি উত্তরও বটে। আসুন হাগু উপাধিপ্রদান দ্বারা একতরফা হাগলামির প্রতিবাদে ঝাপিয়ে পড়ি।
7 টি মন্তব্য
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।
বাংলা ব্লগ
সত্যকথন
বাংলা ব্লগ
janatulmuhsin
janatulmuhsin
সত্যকথন
তাজদীদ