জানতে চাই

১৷ ফেসৰুক ব্যবহার করে সঠিক আকীদা প্রচার জায়েজ কি না? যেমন- লিংক দেখুন
২৷ কবর,মাজার শরীফ ইত্যাদির ঊপর ফুল দেওয়া বা ইমারত বানানো জায়েজ কী?
৩৷ রেজাখানী কারা ও তারা কী মুসলমান?
৪৷ ড . মুহম্মদ শহীদুল্লাহ তিনি কি সত্যিকারের মুসলমান নন?
৫৷ ইসলামে কারো নাম বিকৃতি জায়েজ কী? ভাইয়েরা, দয়া করে উত্তরগুলো জানাবেন ৷
5 টি মন্তব্য
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।
১.৯২.৫
৩. রেজাখানী হচ্ছে অতি সুন্নী গ্রুপ। এদের অন্য নাম হলো রেজভী, দাওয়াতে ইসলামী ইত্যাদি। এদের কুফরী আক্বীদা হলো- মহান আল্লাহ পাক উনার জিসিম মুবারক থেকে নুর থেকে হাবীবুল্লাহ হযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সৃষ্টি করেছেন। (নাউযুবিল্লাহ)
৪. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ একজন খাটি মুসলমান। তিনি গত হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ হযরত ইমাম আবূ বকর ছিদ্দিক্বী ফুরফুরাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার প্রধান খলীফা ছিলেন।
৫. অবশ্যই ইসলামে কারো নাম বিকৃতি জায়েজ। মহান আল্লাহ পাক তিনি আবু হাকামের নাম পরিবর্তন করে আবু জেহেল রেখেছেন।
Insan
ভোরের কথা
আম বা সাধারণভাবে অশ্লীলতার কারণে ফেসবুক ব্যবহার করা জায়েজ হবে না। তবে সমজদার বা গবেষণায়রত, অধিক তাক্বওয়ার অধিকারী, লেখক এবং বাতিলের দাঁতভাঙ্গা জবাবের জন্য সর্তকভাবে যেমন: ইমেজ অফ করে ব্যবহার করতে পারেন। আম বা সাধারণভাবে ব্যবহার করলে অবস্থাটা এমন হতে পারে যে, ছুরি দেয়া হল গরু জবেহ্ করতে কিন্তু গরু জবেহ্ না করে নিজেই নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে বসবে।
Insan
Insan