পর্দাঃ

একদিনের ঘটনা......
‘একজন পর্দা নিশীন মহিলা তার মেয়েকে নিয়ে কোথাও বেড়াতে যাচ্ছিলেন । সে মহিলার মেয়েটিও আপাদমস্তক বোরখায় আবৃত। রাস্তা দিয়ে যাবার সময় দুই জন লোক ৬,৭ বছরের ছোটো মেয়েকে এভাবে পর্দা করতে দেখে হাসতে লাগলো আর বলতে লাগলো এ পর্দা যদি নাস্তিক তসলিমা নাসরিন দেখতো তাহলে সঙ্গে সঙ্গে হার্ট ফেইল করতো ।’
আমাদের কথাঃ
তসলিমা নাসরিন একটা নাস্তিক। ও পর্দাটাকে ঘৃনা করে। শুধু ও কেন ওর মত নাস্তিক যত আছে পুরুষ এবং মহিলা সবাই পর্দা করাকে ঘৃণা করে। ওদের ঐ ঘৃণায় মুসলমানদের কিছু এসে যায় না। মুসলমানরা তো ওদের কথার মোহতাজ নয়। নাস্তিক,কাফেরদের কথা তো কোন মুসলমানরা শুনবে না। মুসলমানরা মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রাসুল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আদেশ নিষেধ শুনবে , মানবে ।
আর তাই কারো জন্য উচিত হবে না শরীয়তের আদেশ-নিষেধ এর ব্যপারে হাসি – ঠাট্টা করা। নাস্তিক আলাদা বিষয়। নাস্তিক হওয়াটা কৃতিত্তের কোন বিষয় নয়। বরং লজ্জার বিষয় , সে কেন নাস্তিক হলো ! যারা নাস্তিক তারা বিকৃত রুচির হয়ে থাকে। ধর্মীয় অনুশাসন না মানার কারনে, বিশ্বাস না করার কারনে ওরা মানুষ হিসেবে সুস্থ থাকতে পারে না। ওরা শারীরিক ভাবে , মানসিক ভাবে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়। ওরা মনে করে ওরা শান্তিতে আছে , আসলে ইহকাল, পরকাল কোন কালই ওদের জন্য শান্তি বয়ে আনে না । ওরা তওবাও করে না , মরেও মরে না।
মহান আল্লাহ পাক সেটাই জানিয়ে দিয়েছেন,
فِي قُلُوبِهِم مَّرَضٌ فَزَادَهُمُ اللَّـهُ مَرَضًا ۖ وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ بِمَا كَانُوا يَكْذِبُونَ ﴿١٠﴾
অর্থঃ তাদের অন্তরে রোগ বা ব্যাধি রয়েছে এবং মহান আল্লাহ পাক তাদের রোগ বা ব্যাধি আরো বৃদ্ধি করে দিবেন এবং তাদের জন্য রয়েছে কষ্ট দায়ক শাস্তি এ কারণে যে তারা মিথ্যা বলত বা অস্বিকার করত। (সূরা বাক্বারাঃ১০)
অতএব, যারা সুস্থ তারাতো আর নিজের ইচ্ছায় অসুস্থ হবেন না , তাই না !
আর একজন মানুষ হিসেবে সুস্থ মস্তিষ্ক , সুস্থ মনের মানুষ হওয়াই আমাদের একান্ত কাম্য।
সুতরাং শরীয়তের বিধি-বিধান মেনে আমল করার মাধ্যম দিয়ে যেন আমরা সুস্থ মানুষ , সুস্থ মুসলমান থাকতে পারি । মহান আল্লাহ পাক আমাদেরকে সেই তওফিক দান করেন । আমীন ।
0 টি মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।