সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

বিভাগবিহীন

প্রতিবাদ

আমার লিখা পোস্ট মুছে ফেলার জন্য আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি......এই ব্লগে মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে আমি যথেষ্ট সন্দিহান । যেকোনো বিষয়ে মতবিরোধ থাকতেই পারে, তাই বলে কারো পোস্ট মুছে ফেলাটা ব্লগের নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নের সম্মুখীন করে ।

38 টি মন্তব্য

  • অগ্র পথিক

    আমি এই ব্লগ এ নতুন। যদি এই ধরনের কাজ হয়ে থাকে তবে তা সত্যি দুঃখজনক। কোন বিষয়ে বিরধিতা সহ্য করার ক্ষমতা না থাকে তবে ব্লগ সাইট কখনো জনপ্রিয়তা লাভ করে না। আমি আপনার পোস্টটি পড়তে পারিনি। আপনি কি আর কোথাও আপনার লিখাটি পোস্ট করেছেন? থাকলে লিঙ্ক দিন।
  • ধুর ছাই

    কি হইছে ভাই বুঝলাম না কিছুই ! আপনে কোন পোস্ট দিছিলেন ? :mail:
  • এনামুল রনি

    @অগ্র পথিক,
    লিঙ্ক দিয়ে আর কি হবে ভাই, পোস্টটা এই ব্লগে প্রথম পোস্ট করছিলাম...!!!!!!!!!!!!!
  • এনামুল রনি

    @ধুর ছাই,
    রজব মাস নিয়ে একটা পোস্ট করছিলাম, উনারা মুছে ফেলছে
  • এনামুল রনি

    @এনামুল রনি,
    রজব : হারাম মাসের একটি

    বলা যায়, মুসলমান মাত্রই অবগত যে, আল্লাহ যে চারটি মাসকে সম্মানিত বলে ঘোষণা করেছেন তার মধ্যে একটি হল রজব মাস, যা হিজরি সনের সপ্তম মাস। এ চার মাস সম্পর্কে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পবিত্র আল-কুরআনে এরশাদ করেন-

    إِنَّ عِدَّةَ الشُّهُورِ عِنْدَ اللَّهِ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا فِي كِتَابِ اللَّهِ يَوْمَ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ مِنْهَا أَرْبَعَةٌ حُرُمٌ ذَلِكَ الدِّينُ الْقَيِّمُ فَلَا تَظْلِمُوا فِيهِنَّ أَنْفُسَكُمْ و قاتلو المشركين كافة كما يقاتلونكم كافة واعلموا أن الله مع المتقين . (التوبة:36)

    আসমান-জমিনের সৃষ্টি ও সূচনা লগ্ন হতেই আল্লাহর বিধান মতে মাসের নিশ্চিত সংখ্যা বারটি। তার মাঝে চারটি সম্মানিত। এ অমোঘ ও শাশ্বত বিধান ; সুতরাং এর মাঝে তোমরা (অত্যাচার-পাপাচারে লিপ্ত হয়ে) নিজেদের ক্ষতি সাধন করো না। তোমরা সম্মিলিতভাবে মুশরিকদের সাথে লড়াইয়ে লিপ্ত হও, যেভাবে তারা সম্মিলিতভাবে তোমাদের সাথে লড়াইয়ে লিপ্ত হয়। আর জেনে রাখ, আল্লাহ মুত্তাকীদের সাথে আছেন। (তওবা-৩৬)

    চার হারাম মাস হচ্ছে-মুহাররম, রজব, জিলকদ ও জিলহজ। আবু বকর রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-

    إن الزمان قد استدار كهيئته يوم خلق السما وات والأرض، السنة اثنا عشر شهراً، منها أربعة حرم، ثلاث متواليات: ذوالقعدة وذو الحجة والمحرم، ورجب مضر، الذي بين جمادى وشعبان. (رواه البخاري و مسلم)

    রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, জমানা কাল-চক্রাকারে ঘুরে আসমান-জমিন সৃষ্টির প্রথম দিনের অবস্থায় ফিরে এসেছে। বারো মাসে বতসর, তার ভেতর চারটি সম্মানিত। তিনটি একসাথে-জিলকদ, জিলহজ, মুহররম। অপরটি-মুদার সম্প্রদায়ের পঞ্জিকা মতে-জুমাদা ও শাবানের মধ্যবর্তী রজব। (বোখারি-মুসলিম)

    মাস চতুষ্টয়কে সম্মানিত হিসেবে নাম করার কারণ :

    এ বিষয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে। বলা হয় যে, এ সকল মাসের সম্মানের কারণে এবং এ সকল মাসে পাপ কাজ অপেক্ষাকৃত গুরুতর হওয়ার কারণে এ মাসসমূহকে নিষিদ্ধ বা সম্মানিত মাস হিসেবে নামকরণ করা হয়েছে।

    ইবনে আবি তালহা, ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণনা করেন : আল্লাহ তাআলা চারটি মাসকে বিশেষভাবে সম্মানিত করেছেন, নিষিদ্ধ মাস বলে ঘোষণা দিয়েছেন, এ সকল মাসে পাপ কাজকে অধিকতর অন্যায় এবং সতকর্ম অধিকতর পুরস্কার লাভের মাধ্যম বলে জানিয়ে দিয়েছেন। অনেকের মত হল-এ চার মাসে যুদ্ধ-বিগ্রহ নিষিদ্ধ হওয়ার কারণে এর নাম হুরুম বা নিষিদ্ধ মাস বলে নাম রাখা হয়েছে।

    রজব মাসের নাম রজব কেন ?

    ইবনে রজব হাম্বলী রহ. বলেন, রজব মানে সম্মান করা।

    জাহেলি যুগে রজব মাসের সম্মান :

    জাহেলি যুগের মানুষ রজব মাসকে সম্মান করত, বিশেষ করে মুদার বংশের লোকেরা। এ জন্য অনেকে বলত মুদার বংশের রজব। এ পরিভাষা হাদিসেও এসেছে।

    ইবনে আসীর আন-নিহায়া গ্রন্থে বলেন, রজবকে মুদার বংশের সাথে সম্পর্কিত করা হয় এ কারণে যে তারা অন্যান্য সময়ের তুলনায় এ মাসকে বেশি মর্যাদা দিত। এ মাসে যুদ্ধ করাকে নিষিদ্ধ বলে জানত। এ মাসে একটি যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল-তারা সে যুদ্ধকে হরবুল ফুজ্জার (পাপীদের যুদ্ধ) বলে আখ্যায়িত করেছিল এবং উক্ত যুদ্ধ ইতিহাসে এ নামেই পরিচয় পেয়েছে।

    তারা বিশ্বাস করত, রজব মাসের দশ তারিখে অত্যাচারীর বিরুদ্ধে দুআ করলে তা কবুল করা হয়। এবং বাস্তবে দুআ কবুলও হত। এ বিষয়টি উমার ইবনে খাত্তাবের কাছে আলোচিত হলে তিনি বললেন, আল্লাহ এর মাধ্যমে তাদের একজনকে অন্যজন থেকে নিরাপত্তা দিতেন। আসলে আল্লাহ তাআলা কিয়ামতকে তাদের শাস্তির চূড়ান্ত সময় হিসাবে নির্ধারণ করেছেন। কিয়ামত হবে কঠিনতর ও তিক্ততায় ক্লিষ্ট।

    জাহেলি যুগের মানুষ রজব মাসে প্রতিমা ও তাদের দেব-দেবীদের উদ্দেশ্যে পশু জবেহ করত এবং এ পশুর রক্ত তারা মাথায় মাখত। এটাকে বলা হত আতীরা’। পরবর্তীতে ইসলাম একে নিষিদ্ধ করেছে।

    রজবে প্রবেশের দোয়া

    আনাস রা. হতে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন রজব মাসে উপনীত হতেন, তখন এই দোয়া পাঠ করতেন-

    كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا دخل رجب قال:
    اللهم بارك لنا في رجب وشعبان، وبلغنا رمضان. وإسناده ضعيف

    যখন রজব মাস এসে যেত তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলতেন, হে আল্লাহ আপনি আমাদের রজব ও শাবান মাসে বরকত দান করেন এবং রমজান পর্যন্ত পৌঁছে দেন।

    ইবনে হাজার ও ইবনে রজব উক্ত হাদিসের সনদ দুর্বল বলে আখ্যায়িত করেছেন।

    রজবের দশ তারিখে উপাস্যের উদ্দেশ্যে পশু জবাই

    কোন কোন আলেম রজব মাসে পশু জবাই মোস্তাহাব বর্ণনা করেছেন-প্রমাণ হিসেবে তারা উপস্থাপন করেন মাখনাফ বিন সালিম রা:-এর হাদিস।
    মাখনাফ বিন সালিম রা: বলেন, আমরা রাসূলের সাথে আরাফার মাঠে অবস্থান করছিলাম, আমি শুনলাম তিনি বলেছেন-প্রতিটি বাড়ির অধিকারীদের উপর প্রতি বছর কোরবানি ও রজব মাসের আতীরা কর্তব্য। তোমরা কি অবগত আতীরা কি ? তা হল যাকে তোমরা রজবিয়া বল (অর্থাত রজবে জবেহ করার পশু)। আহমদ ৫/৭৬।
    ইমাম তিরমিজি বলেন-হাদিসটি হাসান ও গরিব। আমরা হাদিসে ইবনে আউনের সূত্র ব্যতীত ভিন্ন কোন সূত্রে হাদিসটি পাই না। মুহাদ্দিস ইবনে হাযম ও আব্দুল হক একে দুর্বল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। ইবনে কাসীর বলেন-হাদিসটি সনদের ব্যাপারে নানা সংশয় রয়েছে।

    অধিকাংশ বিজ্ঞজনের মত এই যে, হাদিসটি মনসূখ (রহিত)। আবু হুরায়রা রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল বলেছেন- لا فرع ولا عتيرة অর্থাত ইসলামে ফারা ও আতীরার অস্তিত্ব নেই। (বোখারি ৪৭৪৫)

    হাদিসটির ব্যাখ্যায় আবু দাউদ বলেন, কেউ কেউ বলেন-ফারা বলা হয় উটের প্রথম ভূমিষ্ঠ বাচ্চাকে, প্রাচীন আমলে লোকেরা তাদের উপাস্য তাগুতের জন্য একে বলি দিত। অত:পর তার মাংস খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করত, চামড়া ঝুলিয়ে রাখত গাছের ডালে। আতীরা বলা হয় রজবের দশ তারিখে উপাস্যের উদ্দেশ্যে যে পশু বলি দেওয়া হয়, তা। (আস সুনান ৩/১০৪)

    ইবনে সীরীন, আবু উবাইদ ও ইসহাক বিন রাহওয়াই প্রমুখ আলেমের মত এই যে, হাদিসটিকে মানসূখ (রহিত) হিসেবে গ্রহণ করাই ওয়াজিব বা আবশ্যক।

    রজবে উমরা পালন

    মুসলমানদের কোন কোন উপদল রজব মাসকে বিশেষভাবে উমরা পালনের মাস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে থাকে। তাদের বিশ্বাস এর রয়েছে প্রভূত ফজিলত এবং পরকালীন পুরস্কার। প্রকৃত সত্য ও শুদ্ধ মত হল-রজব অন্যান্য মাসের অবিকল, তার বিশেষত্ব নেই অন্য মাসের তুলনায়। তাতে উমরা পালনের বিশেষ কোন ফজিলত বর্ণনা করা হয় নি। উমরা পালনের ক্ষেত্রে সময় সংশ্লিষ্ট আলাদা বৈশিষ্ট্যের অধিকারী রমজান মাস এবং হজে তামাত্তুর জন্য হজের মাসগুলো। এ মাসগুলোয় উমরা পালনের বিশেষ ফায়দা হাদিস দ্বারা সাব্যস্ত ও প্রমাণিত। হাদিসের কোথাও এ স্বীকৃতি পাওয়া যায় না যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ মাসে উমরা পালন করেছেন। তাছাড়া, বিষয়টিকে আয়েশা রা: সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেছেন।


    রজব মাসে প্রচলিত অন্যান্য বেদআত ও কুসংস্কারসমূহ:

    আশ্চর্যের বিষয় হল মানুষ এ মাসে বিভিন্ন বেদআতি আমল চালু করেছে। যে সম্পর্কে ইসলামে কোন নির্দেশনা নেই। এ সকল বিষয়ে শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনে তাইমিয়া রহ. ইবনুল কায়্যিম রহ. ইমাম শাতেবী, ইবনে রজব হাম্বলী রহ. তারতুশী রহ. ও ইবনে হাজার রহ. প্রমুখ আলেমগণ সতর্ক করেছেন। আমি তাদের লেখাগুলো থেকেই এ বিষয় কিছু আলোচনা করব।
    বর্তমান যুগের শায়খ আলী মাহফুজ, শায়খ ইবনে বায, শায়খ আলবানী, শায়খ উসাইমীন, ও শায়খ ফাওযান প্রমুখ আলেমগণও সতর্ক করেছেন। সমাজে রজব মাস সম্পর্কে যে সকল কুসংস্কার ও বেদআত রয়েছে তার মাঝে অন্যতম -

    বেদআতি নামাজ :

    ১-সালাতুল আলফিয়্যাহ বা এক সহস্র নামাজ : এ নামাজ রজব মাসের প্রথম তারিখে এবং শাবান মাসের পনেরো তারিখের রাতে পড়া হয়।

    ২-সালাতে উম্মে দাউদ : যা পড়া হয় রজব মাসের পনেরো তারিখে। এর কথা ইমাম ইবনু তাইমিয়া ইকতেজায়ে সিরাতিল মুসতাকিম কিতাবে উল্লেখ করেছেন। এ সংক্রান্ত যাবতীয় হাদিস মওজু।

    ৩-সালাতুর রাগায়েব-যাকে সালাতে ইসনা আশারা (বারো নামাজ) বলেও অবিহিত করা হয় ; যা রজব মাসের প্রথম জুমআর রাতে এশার পর পড়া হয়। এটি এমন এক বেদআতি সালাত যা আবিষ্কার করা হয়েছে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর চারশত বছর পর। এর কথা ইবনে রজব রহ. তার লাতায়েফুল মাআরিফ কিতাবে আলোচনা করেছেন। তা হচ্ছে প্রথম জুমায় বাদ মাগরিব সাতটি সালামের মাধ্যমে বার রাকাত সালাত আদায় করা। প্রতি রাকাতে সূরা ফাতেহা পাঠের পর সূরা কদর তিনবার পাঠ করবে এবং সূরা ইখলাস পাঠ করবে বার বার। সালাত হতে ফারেগ হবার পর সত্তুর বার দরুদ পাঠ করবে, এরপর দোয়া করবে ইচ্ছামত। সন্দেহ নেই এবাদতের এ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণরূপে বেদআত, বর্জনীয়। এ সম্পর্কিত হাদিসটি সন্দেহাতীতভাবে মাওজু। ইবনে জাওজি তার এক রচনায় ইমাম নববির বরাতে উল্লেখ করেন যে, আলেমগন এর মাধ্যমে সালাতের কারাহাত প্রমাণ করেছেন আল্লাহ তাআলা এর উদ্ভাবক ও উদ্‌পাদককে ধ্বংস করুন। এ নিশ্চয় বেদআত, সুতরাং, সর্বার্থে বর্জনীয়। তা নিশ্চয় পথভ্রষ্টতা, মূর্খতা-তাতে পালন করা এমন কিছু, যা বর্জনীয়। আলেমদের একটি বৃহত শ্রেণী একে ভ্রান্ত প্রমাণ করে নানা গ্রন্থ সংকলন করেছেন, এ সালাত আদায়কারীকে পথভ্রষ্ট হিসেবে চিহ্নিত করেছেন

    খাত্তাবী রহ: বলেন, সালাতুর রাগায়েব সংক্রান্ত হাদিসটি মিথ্যার অপলাপ বৈ নয়। হাফেজ ইবনে রজব রহ: বলেন-রজব মাসের সাথে বিশিষ্ট কোন সালাত নেই। সালাতুর রাগায়েবের ফজিলত সংক্রান্ত যাবতীয় হাদিস মিথ্যা, ভ্রান্তিপ্রসূত-যা কোন ভাবেই শুদ্ধ হতে পারে না। অধিকাংশ আলেমের সক্রিয় রায় অনুসারে এ সালাত বেদআত। হিজরি চার শতকের পরে এ সালাতের অস্তিত্ব ইতিহাসে পাওয়া যায়, তাই আমরা দেখতে পাই, প্রথম যুগের আলেমগণ এ ব্যাপারে কিছুই উল্লেখ করেননি।

    ৪-মেরাজের রাত্রির সালাত। তা রজবের সাতাশ তারিখে আদায় করা হয়। একে বলা হয় লাইলাতুল মেরাজের সালাত। এ এমন বেদআতী সালাত, যার কোন শরয়ি ভিত্তি নেই। রজব মাসেই মেরাজ সংগঠিত হয়েছে-এ দাবিরও কোন জোড়ালো ভিত্তি পাওয়া যায় না। আবু শামাহ রহ: বলেন, কিছু কিছু গল্পকার বলেছেন যে, রজব মাসেই মেরাজ সংগঠিত হয়েছে। সঠিক পথের অনুসারীদের কাছে এ নিশ্চিত বিভ্রান্তি, মিথ্যা-প্রসূত।

    পক্ষান্তরে আবু ইসহাক উল্লেখ করেন যে, রবিউল আউয়ালের সাতাশ তারিখে রাসূলের মেরাজ সংগঠিত হয়। যারা এ হাদিসের মাধ্যমে দলিল প্রদান করে সালাত আদায় করেন যে, রাসূল বলেছেন-রজব মাসে এমন এক রাত্রি রয়েছে, যে রাতের আমলকারিকে একশো বছরের পুণ্য প্রদান করা হয়। তা হচ্ছে রজবের সাতাশ তারিখ। হাফেজ ইবনে হাজার, ইমাম বায়হাকী প্রমুখ আলেম একে দুর্বল হাদিস হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

    উক্ত রাত্রির আরো বেদআত এই যে, সম্মিলিত ভাবে উদযাপন, মূমূর্ষ ব্যক্তিদের জেয়ারত, খাদ্যোতসব-ইত্যাদি। শায়েখ আলী ক্বারী বলেন-সন্দেহ নেই, এ খুবই মন্দ বেদআত, গর্হিত কর্ম-কারণ, তাতে অকারণে সম্পদের অপচয় করা হয়, পৌত্তলিকদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ আচরণ করা হয়।

    বেদআতি রোজা

    ১-কেউ কেউ রজব মাসের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিন এ রোজা পালন করে। রজব মাসের রোজা সম্পর্কিত যত হাদিস এসেছে তার সবগুলোই বানোয়াট। এর কয়েকটি এ রকম -

    (ক) যে সম্মানিত মাসের বৃহস্পতি, শুক্র, ও শনি-এ তিন দিনের রোজা রাখবে আল্লাহ তার জন্য নয় শত বছরের ইবাদত লিখে রাখবেন।

    (খ) রজব মাসের প্রথম তারিখ রোজা রাখলে তিন বছরের গুনাহের কাফফারা হয়ে যায়। দ্বিতীয় দিনে রোজা রাখলে দুই বছরের কাফফারা ও এর পর প্রতিটি রোজা এক মাসের কাফফারা বলে ধরে নেয়া হয়।

    (গ) রজব আল্লাহর মাস, ও শাবান আমার মাস এবং রমজান আমার উম্মতের মাস।

    উপরের এ তিনটি হাদিসই মিথ্যা, জাল বা বানোয়াট।

    আবার কেউ রজব মাসের সপ্তম তারিখে রোজা পালন করে এবং এ রাতে সালাতুর রাগায়েব আদায় করে।

    ইমাম ইবনে তাইমিয়া রহ. বলেন রজব মাসের সম্মানে যে সকল রোজা ও নামাজ আদায় করা হয় সবগুলো নব-আবিষ্কৃত বা বেদআত। এ গুলোর ব্যাপারে আলেমগণ নিষেধ করেছেন কাঠোরভাবে।

    কেউ কেউ পুরো রজব মাসে রোজা রাখেন। এও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বা তাঁর সাহাবায়ে কেরাম কখনো রজব মাস-ব্যাপী রোজা পালন করেননি।

    ইমামগণ রজব মাস ব্যাপী রোজা পালন করতে নিষেধ করেছেন। উমার রা. থেকে বর্ণিত আছে যে, রজব মাসে কাউকে রোজা রাখতে দেখলে তিনি তকে প্রহার করে খাবার গ্রহণ করতে বাধ্য করতেন। এবং বলতেন, রজব আবার কি? জাহেলি যুগে রজব মাসকে সম্মান করা হত ; ইসলাম তা প্রত্যাখ্যান করেছে।’ তিনি এ মাসে রোজা রাখাকে মাকরূহ মনে করতেন।

    ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত আছে-তিনি রজব মাসের রোজা রাখতে নিষেধ করতেন।

    আবু বুকরাতা রা. থেকে বর্ণিত যে, তিনি একদিন দেখলেন তার পরিবার রজব মাসে রোজা রাখার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি তা দেখে বললেন, তোমরা কি রজবকে রমজান বানাতে যাচ্ছ ?

    হাফেজ ইবনে হাজার তার তাবয়ীনুল আজব বিমা ওয়ারাদা ফি ফজলে রজব’ নামক কিতাবে বলেন রজব মাসের ফজিলত, তার রোজা ও বিশেষ নামাজ সম্পর্কে কোন বিশুদ্ধ হাদিস নেই।

    রজব মাসে রোজা পালনের ব্যাপারে স্বতন্ত্র কোন ফজিলত বর্ণনা করা হয় নি। বরং অন্যান্য মাসের মতই তাতে এবাদত করা হবে, রোজা রাখা হবে- যেভাবে রাখা হয় অন্যান্য মাসে। পেশাদার ওয়ায়েজ ও গল্পকার ভণ্ড ধার্মিকরা এর ফজিলত বর্ণনা প্রসঙ্গে যে হাদিস বর্ণনা করেন যে-রাসূল বলেছেন-

    إن في رجب نهرا يقال له رجب، ماؤه أشد بياضاً من الثلج وأحلى من العسل، من صام يوما من رجب شرب منه. (حديث موضوع ، رواه ابن الجوزي في الواهيات: 912)

    রজবে রয়েছে একটি নহর, যার পানি বরফের তুলনায় সফেদ-শুভ্র, মধুর তুলনায় মিষ্ট, রজব মাসে যে একটি রোজা রাখবে, সে তা হতে পান করবে।
    উক্ত হাদিসটি সর্বৈবে বাতিল অগ্রহণযোগ্য।

    অন্য একটি হাদিস, যা বর্ণিত হয়েছে এভাবে-

    رجب شهرعظيم ، يضاعف الله فيه الحسنات، فمن صام يوما من رجب فكأنما صام سنة، ومن صام منه سبعة أيام غلقت عنه سبعة أبواب جهنم، ومن صام منه خمسة عشر يوما نادى مناد في السماء قد غفر لك ما مضى فاستأنف العمل، ومن زاد زاده الله. (عده الحافظ ابن حجر من الأحاديث الباطلة)

    অর্থ : রজব এক মহত ও মহান মাস। আল্লাহ তাতে পুণ্য দ্বিগুণ করে দেন। যে রজবের এক দিন রোজা রাখবে সে যেন পুরো বছরই রোজা পালন করল। আর যে সাত দিন রোজা রাখবে তার জন্য জাহান্নামের সাতটি দরজা বন্ধ করে দেয়া হবে। আর ব্যক্তি পনেরো দিন রোজা পালন করবে, আকাশের একজন ঘোষক তাকে ডেকে বলবে-তোমার ইতিপূর্বের সমস্ত পাপ ক্ষমা করে দেয়া হয়েছে, সুতরাং নতুনরূপে আমলের সূচনা কর। আর যে এরও অধিক করবে, আল্লাহ তাকে আরো অধিক পুরস্কারে ভূষিত করবেন-
    ইবনে হাজার আসকালানী এ হাদিসটিকে বাতিল বলে সাব্যস্ত করেছেন।

    রজব মাসে মসজিদে নববী জিয়ারত :

    মসজিদে নববী জিয়ারত ও এ সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর রওজা জিয়ারত অবশ্যই সওয়াবের কাজ-সন্দেহ নেই। কিন্তু তা রজব মাসে করলে সওয়াব বেশি হবে এমন ধারণা করা ঠিক নয়। কোরআন ও সুন্নাহর সহিহ প্রমাণাদি ব্যতীত কোন অনুমোদিত ইবাদত কোন সময় বা দিনের সাথে বিশিষ্ট করা বেদআত। যে সময়কে আল্লাহ বা তার রাসূল কোন ইবাদতের জন্য নির্ধারণ করেননি তা অন্য কেহ করলে অবশ্যই বেদআত হবে। (আহকামূল জানায়েজ ও বিদউহা : আলবানী)

    লাইলাতুল মিরাজ উদযাপন :

    রজব মাসের সাতাশ তারিখের রাতে লাইলাতুল মিরাজ উদযাপন করা হয়ে থাকে। ধারণা করা হয় এ রাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিরাজে গমন করেছিলেন। লাইলাতুল মিরাজ উদযাপন বেদআত। এটা উদযাপন করা জায়েজ নেই। কারণ কয়েকটি :

    এক. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোন তারিখে মিরাজে গমন করেছিলেন এ বিষয়ে কোন চূড়ান্ত তারিখের ব্যাপারে ইমাম ও আলেম উলামাদের কোন ঐক্যমত প্রতিষ্ঠিত হয়নি। মিরাজের তারিখ সম্পর্কে রয়েছে বহু মত। ঠিক কোন রাতে মিরাজ সংগঠিত হয়েছিল এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোন প্রমাণ নেই। এমনকি তা রজব মাসে হয়েছিল কিনা এ বিষয়েও রয়েছে যথেষ্ট বিতর্ক।

    দুই. যদি ধরে নেয়া হয় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মিরাজ রজব মাসের সাতাশ তারিখেই সংগঠিত হয়েছিল তবুও তো এ রাতে লাইলাতুল মিরাজ উদযাপন জায়েজ হবে না। কারণ লাইলাতুল মিরাজ উদযাপনের বিষয়টি আল্লাহ ও তাঁর রাসূল থেকে সমর্থিত নয়। এমনকি তার সাহাবায়ে কেরাম ও তাবিয়ীদের থেকেও নয়। যা আল্লাহ বা তাঁর রাসূল থেকে সমর্থিত নয় তা ইবাদত হিসাবে উদযাপন করা সওয়াব তো নয়ই বরং গুনাহের কাজ।

    এ রাতে উপলক্ষ করে মসজিদে জমায়েত হওয়া, বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা, মিলাদ মাহফিল, রোজা পালন, আলোকসজ্জা-ইত্যাদি সকল কর্মকাণ্ডই বেদআত। এগুলো থেকে অবশ্যই দূরে থাকতে হবে।

    এ প্রসঙ্গে আমি পাঠকের অবগতির জন্য সাউদী আরবের প্রধান মুফতি শায়খ আব্দুল আযীয আব্দুল্লাহ বিন বায রহ.-এর ফতোয়া উল্লেখ করা প্রয়োজন মনে করছি। তিনি তার ফতোয়াতে বলেন:

    লাইলাতুল মিরাজ উদযাপন সম্পর্কে কোন সহিহ হাদিস নেই। রজব মাসের ব্যাপারেও নয়, এর বাহিরেও নয়। মিরাজের তারিখ নির্ধারণের ব্যাপারে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে কোন কিছুই প্রমাণিত নেই।

    আল্লাহ যে মানুষকে মিরাজের তারিখ সংরক্ষণ করার সামর্থ্য দেননি এর মাঝে অবশ্যই কোন হিকমত ও কল্যাণ রয়েছে। যদি তারিখটি সংরক্ষিত থাকত তবুও কি ইবাদত-বন্দেগির এমন কিছু করা জায়েজ হত যা আল্লাহ বা তাঁর রাসূল করতে বলেননি, তার সাহাবাগণ করেননি ? যদি লাইলাতুল মিরাজ উদযাপন ভাল কাজ হতো তবে আল্লাহর রাসূল অবশ্যই করতেন বা করতে বলে যেতেন অথবা, নিদেনপক্ষে, অনুমোদন প্রদান করতেন। এবং তিনি কোন একটি পালন করে গেলে তার সাহাবায়ে কেরাম তা অবশ্যই আমাদের কাছে পৌঁছে দিতেন। তারা রাসূলুল্লাহর বাণী পৌঁছে দিতে কোন ধরনের কার্পণ্য করেছেন-এমন নজির নেই। তারা ইসলাম ধর্মের সকল বিষয়ে যত্ন সহকারে আমাদের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। যদি লাইলাতুল মিরাজ উদযাপন ধর্মীয় কোন কাজ হত তবে তারা তা উদযাপনে আমাদের চেয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতেন।

    আমি নিবন্ধটির সমাপ্তি করছি হাফেজ ইবনে কায়্যিম ও ইবনে হাজার রহ: মন্তব্য দ্বারা:-
    ইবনে কায়্যিম রহ: বলেন- রজবের রোজা ও সালাতের ব্যাপারে যে হাদিসগুলো উল্লেখ করা হয়, তার সবই মিথ্যা, অগ্রহণযোগ্য, সুতরাং বর্জনীয়।
    পক্ষান্তরে ইবনে হাজারের মন্তব্য ছিল- রজব মাসের ফজিলত, তাতে রোজা পালন, কিংবা নির্দিষ্ট কোন অংশে ও রাতে রোজা ও সালাত আদায়-ইত্যাদি বিষয়ে প্রামাণ্য কোন শুদ্ধ হাদিস পাওয়া যায় না, যার মাধ্যমে বিষয়টি প্রামাণ্যতার মানদণ্ডে উন্নীত হবে।

    সারকথা: ‘বেদআত’ হচ্ছে ধর্মকে বিকৃত করার একটি মারাত্মক হাতিয়ার এবং মুসলমানদের ঐক্য ও সংহতি বিনষ্ট করার একটি বড় মাধ্যম। আল্লাহ যাকে সামর্থ্য দান করেন সেই বেঁচে থাকতে পারে এ ব্যাধি থেকে।

    আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের সকলকে ইখলাস অনুযায়ী এবং তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে ইবাদত-বন্দেগি সহ সকল কাজ করার তাওফিক দান করুন
  • ধুর ছাই

    ওওরে বাবা ! কত্তো বড় ......... দাড়ান পইড়া লই :search:
  • সত্যবাদী

    @এনামুল রনি, আহ্ হারে বেচারা
  • অগ্র পথিক

    ওরে ভাই রে...এত বড় :coffee:
  • ধুর ছাই

    অর্ধেক পড়েছি , ঘুম চলে আসছে :coffee:
  • এনামুল রনি

    @ধুর ছাই,
    তাহলে এক কাপ ছা খাইয়া ফালান............!!!!!!!!!!!!!
  • QashfuLQuluB

    @অগ্র পথিক,ভাইরে! পবিত্র কুরআন - হাদীস শরীফ এর বিরোধীতা করে কোন লিখা সহ্য করার ক্ষমতা একমাত্র ইবলিশ শয়তানের থাকতে পারে, আমরা মুমিন মুসলমান আমরা সহ্য করতে পারি না।
  • QashfuLQuluB

    @এনামুল রনি, ওরে এনামুল!
    তুমি করেছো ভূল!
    ওহাবীজম তোমার মূল!
    যারা শয়তানেরই শূল!
    তাদের কথা নকল করে
    তুমি সাজতে চাও ফুল!
    ভূল ভূল ওরে এনামূল!
    তোমার সবি ভূল!
  • QashfuLQuluB

    @ধুর ছাই, এই লোকে যে পোষ্ট মেরেছে
    তাতে জাহান্নামে থেকে ওহাবী খিল খিল করে
    জাহান্নামের হাসি হেসেছে..নাউজুবিল্লাহ!
  • QashfuLQuluB

    @অগ্র পথিক, ইবলিশ যেমন বড়
    এই পোস্টও তেমনি ..
    এই আর কি....!
  • QashfuLQuluB

    @এনামুল রনি, আমরা চা খাই,
    আর ওহাবীরা ছা খায়!
  • QashfuLQuluB

    @অগ্র পথিক, এই এনামুল ওহাবী সাহেব ব্লগে ব্লগে ঘুরতে ঘুরতে যখন জানতে পারলো সবুজ বাংলার সবাই রজব মাসের ইবাদত বন্দেগীতে মশগুল হবে তখনি ওহাবী শয়তানদের ইশারায় সে এখানে তার বিভ্রান্তিকর পোষ্ট মেরেছিলো, মানুষদেরকে আল্লাহ পাক উনার ইবাদত থেকে বিরত রাখার জন্য।
  • QashfuLQuluB

    @এনামুল রনি, এনামুল সাহেব ! আশা করি আপনার বিভ্রান্তিকর পোস্টের দাঁতভাংগা জবাব পেতে নিয়মিত আসবেন।
  • অগ্র পথিক

    আপনি অনুগ্রহ করে উনার পোস্ট এর বিভ্রান্তিকর বিষয় গুলো তুলে ধরুন, কিভাবে বিভ্রান্তির সৃস্টি হলো বুঝিয়ে বলুন। আমরাও বিষয়টা পরিস্কার হই।
  • QashfuLQuluB

    @অগ্র পথিক, জ্বি ভাই করবো! সেতো সোদীদের থেকে ধার করে কপি পেস্ট করে দিয়েছে..তাই তার সময় লাগেনি..একটু ধৈর্য্ ধরুন!
  • ali

    কপি পেস্ট করসে মানে এই ভাই ইহা নিয়ে কিছুই জানেনা । যে জানেনা তারে হাজারো জানানোর পরও বুঝবেনা । শয়তানের তোষামোদি করতে করতে নিজেই শয়তান হয়ে গেছে । শয়তানের আর এদের পিছনে ডিউটি করতে হয়না ।

    এর সাথে সাথে উনি bipolar disorder এ ভুগছে । উনার লিখার মধ্যে অনেক bipolar কথা আছে। psychiatrist এর কাছে emergency জান ।
  • বাংলা ব্লগ

    @QashfuLQuluB, ইবলিশ বড় হতে যাবে কেন। সে সংকির্ন।
  • এনামুল রনি

    @ali,
    ভাই, আমার তো মনে হচ্ছে আপনার আগে যাওয়া উচিত । শয়তান আপনাদের উপরে আছর করছে ।
  • সিংহশাবক

    ইনিয়ে বিনিয়ে লিখিছে সে তিন পাতা ভরিয়া....
  • সত্যবাদী

    @এনামুল, ওই ওহাবীর বাচ্চা
    তোদের নাই এই ব্লগে জায়গা
    তোরা শুকবী টয়লেটের গন্ধ
    থেকে মুওদুদীর আস্তানায়। :hammer:

    মুওদুদীর আস্তানা sonarbanglablog থেকে পোস্টটি কপি পেস্ট করা হয়েছে
    লিংক:http://www.sonarbangladesh.com/blog/ABUSHAKIL/42004
  • এনামুল রনি

    @সত্যবাদী,
    কোথা থেকে কপি পেস্ট করা হইছে সেগুলো না দেখে, পারলে এই কথাগুলোর সঠিক জবাব দিন...............।!!!!!!!!!!!
  • সিংহশাবক

    ছাগু জবাই দিমু.....
  • এনামুল রনি

    @সিংহশাবক,
    ভাষা সংযত করুন, ব্লগ গালি গালাজ করার জায়গা না...............!!!!!!!!!!!!
  • কনভার্টার

    @এনামুল রনি, হাদীছ শরীফ মওজু এর দলীল দিতে হবে।
    একজনের কথা তো গ্রহন যোগ্য নয়।
    অন্যরা তো সীহহ্ বলেছেন।
    দলীল ছাড়া মুখস্তভাবে মুরব্বীদের গোমরাহী ফতোয়া নিয়ে লাফা লাফি না করে হক্ব তালাশ করাই উচিত।
  • কনভার্টার

    @এনামুল রনি, বাতিল মতবাদ ছড়ানোর জায়গাও না।
  • QashfuLQuluB

    @এনামুল রনি, ব্লগ গালি গালাজ করার জায়গা না বলছেন.. তবে কি ব্লগ ইসলাম বিকৃত করার জায়গা্। আপনিতো দ্বীন ইসলামকে বিকৃত করার জন্য ব্লগে প্রবেশ করেছেন।
  • QashfuLQuluB

    @এনামুল রনি, ইন্টারনেটের মত বিদাতের মধ্যে ডুকে আপনাকে ইসলামের নামে ব্যবসা করতে কে বলছে?>
  • কনভার্টার

    @এনামুল রনি, এলোক জামাতী ব্লগ থেকে কপি পেষ্ট মারছে সম্ভবত। কারন জামাতী ব্লগে ইংরেজী ২২ তারিখে এরকম একটা গিঞ্জি পোষ্ট দিয়েছে। যা মূলত: বাতিল ওহাবী আক্বীদারই একটা মাকাল ফল।
  • ali

    @এনামুল রনি, জি আমাদের উপর যদি আছর করত তাহলে আপনাদের মত হারাম কাজে মশগুল থাকতাম। হালাল কে হারাম, হারামকে হালাল বলা আপনাদের মজ্ঝাগত অভ্যাস । যদি এতই ভালো হন তাহলে কাফিরদের বিভিন্ন দিবস পালন করা যে হারাম তাঁর ফতোয়া দেন তো ?
  • ali

    @QashfuLQuluB,এরা মানুষগুলোই তো বিকৃত ।
  • এনামুল রনি

    @QashfuLQuluB,
    বিকৃত আপনারা করছেন, পুরো ইসলাম ধর্মটাকে আপনারা বিকৃতি করে ফেলছেন ।
    আপনাদের মত বিকৃত মস্তিস্কের মানুষের জন্য আজকে মুসলমান জাতির এই অবস্থা ।
  • QashfuLQuluB

    @এনামুল রনি> আরে বিকৃত মস্তিষ্কের লোক তো তারাই যারা মুসলমান দাবী করার পরও হারাম ছবি তোলে, ভিডিও করে,সুন্নতী পোষাক বর্জন করে, ইহুদী মুশরিকদের সাথে দোস্তি করে, টিভি দেখে এবং সেখানে পোগ্রাম করে, বেপর্দা হয়, ইসলাম ছেড়ে খিলাফত ছেড়ে রাজতন্ত্র, গনতন্ত্র করে। আর আপনাদের মতো কতিপয় ব্লগার ওদের বানানো ইসলাম প্রচার করতে ইন্টারনেটে প্রবেশ করেছেন। এজন্য ইসলামী শরীয়তে বার বার জয়ীফ জাল মওজু খুজেন।
  • সেনাপতি

  • jante chai

    @QashfuLQuluB, আপনার কবিতা খুব সুন্দর হয়েছে । কিন্তু ভুল বানান টা ভুল হয়েছে ।

মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।