ফিরে আসা

মনপুঁরা গ্রামের অধিবাসি মিনহাজুর রহমান তিন মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান সহ তারা খুব সুন্দর ভাবে সংসার চলচে। তিনি একজন সৎ ও ন্যয় পরায়ন লোক ছিল। তিনি একদিন তার নাথির সাথে গল্প রত, টিক তখন তার প্রিয় নাথি জুনাইদ দাদার কাছে বলে দাদা আপনার জীবনের একটি গল্প বলেন । নাথির কথা মত দাদা বলেন, তাহলে শুন.....
১.
আজ জুমার দিন তাই মিনহাজুর রহমান গোসল সেরে তাড়াতাড়ি মসজিদে গেলেন। জুমার নামাজ শেষে মসজিদ কমিটির সাথে বসলেন ।
মিনহাজুর রহমান: ইমাম সাহেব কই আসতে এত দেরি করছে কেন?
রাকিব: ইমাম সাহেব কাপড় চোপড় গোছয়ে নিচ্ছে।
মিনহাজুর রহমান: ইমাম সাহেব কি আজকে ছলে যাবে?
বাপ্পী: জ্বি.. ইমাম সাহেব আজকে যাবে।
মিনহাজুর রহমান: মি.ফাহাদ ইমাম সাহেবের কোন ফাওনা বাকি আছে?
মি.ফাহাদ: বেতন ভাতা সব পরিশোধ করা হয়েছে।
ইতি মধ্যে ইমাম সাহেব উপস্তিত হল।
মিনহাজুর রহমান: ইমাম সাহের বসুন ............
ইমাম সাহেব: না আমি চলে যাচ্ছি , একটি কথা বলতে আপনাদের মিটিং এ আসলাম!
মিনহাজুর রহমান: কি কথা বলুন ইমাম সাহেব।
ইমাম সাহেব: অনেক দিন যাবত আপনাদের মসজিদে ইমামতি করেছি যদি কোন ভুল ত্রুটি হয়ে তাকে তাহলে আমাকে ক্ষমা করে দিন।
মিনহাজুর রহমান: ঐ বলে আমাদেরকে লজ্জা দিচ্ছেন কেন্, যদি পারেন আমাদের কে ক্ষমা করে দিন।
ইমাম সাহেব: আমি উঠি!
মিনহাজুর রহমান: রাকিব ইমাম সহেব কে বাস টার্মিনাল এ পৌছে দিয়ে আস।
রাকিব: টিক আছে চাচা।
ইমাম সাহেব এর বিদায় এর পর....
মিনহাজুর রহমান: এখন ত আমাদের নতুন ইমাম দরকার।
বাপ্পী: আমাদের ইলম সম্পুর্ন একজন ইমাম নিয়োগ দেওয়া দরকার।
ফরহাদ: আপনি আমদের মধ্যে সবচেয়ে প্রবিন আপনি একজন ইমাম ঠিক করে দেন ?
মিনহাজুর রহমান: তোমরা সকলে আমার অবস্থাহ যান। সুতরং তোমরা আমরা একার উপর চেড়ে না দিয়ে আমরা সকলে মিলে ইলম সম্পুর্ন ইমাম নিয়োগ করি।
সকল মিনহাজুর রহমান এর কথা রাই দিয়ে মিটিং শেষ করেন তবে বিষেশ ভাবে মি.ফাহাদ কে দায়িত্ব দেয়া হল।
২.
মি২১ ইসলামীয়া ও হাফেজীয়া ট্রাস্ট এর এতিমখানার প্রধান শিক্ষক মওলানা শোয়েব মা বিহীন একটি মেয়ে নিয়ে তার সংসার। মেয়ে বিয়ের বয়স হয়েছে তাই মওলানা শোয়েব চিন্তিত একজন ধামির্ক ছেলের সাথে বিয়ে দেবার জন্য। কিন্তু সস্তির কথা হল এতিমখানা বড় হওয়া কোন আন্তিয় স্বজন ছাড়া সাকিব এর সাথে তার মেয়ে কে বিয়ে দিতে চায় কিন্ত মেয়ে কি তা মেনে নিবে.....
মওলানা শোয়েব : মা তোমার পড়া লেখা কেমন চলে......
রিয়া: বাবা ভাল।
মওলানা শোয়েব : মা তুমি মায়ে কথা ভেবে কষ্ট পাচ্ছ না কি, তুমাকে কারাপ দেখাচ্চ যে?
রিয়া: না বাবা এমনে।
মওলানা শোয়েব : মা তুমি আমাদের মাদ্রাসার সাকিব কে ত চিন?
রিয়া: হ্যা বাবা।
মওলানা শোয়েব : তার কোন আন্তিয় স্বজন নেই । আমি তার সাথে তোমার বিয়ে দিতে চায় ।তুমি ও তার আচরণ সম্পর্কে জান ...
রিয়া: বাবা আপনি যা ভাল মনে করেন তাতে আমার কোন আপত্তি নাই।
এরপর মওলানা শোয়েব তার এতিমখানা দিকে রওনা হলে। মওলানা শোয়েব সাকিব এর ইলম ও তার আচরণের কারণে তাকে খুব বেশি প্রছন্দ করেন।
সাকিব: আসালামুয়া-লাইকুম হুজুর
মওলানা শোয়েব : ওযা-লাইকুম সালাম
মওলানা শোয়েব : সাকিব পড়া লেখা কেমন চলে।
সাকিব: ভার হুজুর, হুজুর দুই একদিন কোথায় ছিলেন ?
মওলানা শোয়েব : বাড়ি তে ছিলাম। সাকিব তোমার রেজাল্ট কেমন হল।
সাকিব: ১ম হয়েছি হুজুর ।
মওলানা শোয়েব : এই বছর হতম পড়েছ না ?
সাকিব: জ্বি হুজুর।
মওলানা শোয়েব দোয়া করি তুমি যাতে ভাল ইলম অর্জন করতে পার। এখন নামাজে সময় হয়েছে নামাজ পড়ে আস।
সাকিব: আসালামুয়া-লাইকুম হুজুর
মওলানা শোয়েব : ওযা-লাইকুম সালাম
আসরের নামাজ শেষ করে সাকিব মাদ্রাসা পুকুর পাড়ে একা একা বসে থাকে আর চিন্তা করে আজ যদি মা-বাবা থাকত তারা কত খুশি হত আল্লাহ তালা ভাল যানেন আমার ফলাফল শুনে।
তোহিদ: কিরে সাকিব একা একা কি কর অনেকক্ষন যাবত তুকে খুজে পায় না ।
সাকিব: কি করব তুরা সকলে পরীক্ষা শেষে মা-বাবার সাথে দেখা করে আসিস আর আমি........
তোহিদ: দুঃখ কর না আল্লাহর উপর ভরসা কর।
সাকিব: আচ্ছা বলত আমি আর কখনো মা-বাবাকে পিরে পাব?
তোহিদ: ইন-শ আল্লাহ ... তাছাড় আমাদের হুজুর তোকে নিজের ছেলের মত ভালবাসে।
সাকিব: তারপর ও..
তোহিদ: তারপর কি হুজুর ত তার মেয়ে রিয়ার সাথে তুর বিয়ে দিয়ে তোকে তার বাড়ি তে রাখতে চাই।
সাকিব: সকলে বিয়ে করে বাপের বাড়ি যাই আর আমার বেলায় তার উল্টো তাই না .. চল মাগরিব এর সময় হয়েছে মসজিদে যাই।
৩.
শারমিন (মিনহাজুর রহমানের স্থী): আজ পিরতে দেরি হল কেন?
মিনহাজুর রহমানের : কি আর করব আমাদের মসজিদের ইমামকে বিদায় দিতে হল তাই।
শারমিন: কেন ইমাম সাহেব ত অনেক ভাল ছিল।
মিনহাজুর রহমানের : ইমাম সাহেব এর সৌদিয়ারবে চাকরি হয়েছে দুই এক দিনের মধ্যে সপরিবার চলে যাবেভ
শারমিন: তা-ত ভাল কথা।
মিনহাজুর রহমানের : কিন্তু আমাদের ত নতুন ইমাম দরকার।
শারমিন : পরহেয়গার দেখে একজন আলেম নিয়োগ দিয়ে দাও।
মিনহাজুর রহমানের : কিন্তু পেতে হবে ত। আজ ভন্ড আলের যেই সংখ্যা তা গনে শেষ করা য়াবে!
শারমিন: খাবার তৈরি করে রেখেছি খেয়ে নাও।
মিনহাজুর রহমানের : কেন তুমি খাবা না।
শারমিন: আমি খেয়ে নিয়ছি নূপুর এর সাথে। (তার ছোট মেয়ে)
মিনহাজুর রহমানের : নূপুর কই তাকে দেখা য়াচ্ছে না যে?
শারমিন: রায়হন এসেছিল তার সথে চলে গেছে ( নূপুর এর স্বামী)।
মিনহাজুর রহমানের : থাকতে বলনি যে।
শারমিন: বলেছিলাম কিন্তু অফিস থেকে ছুটি দেয় নাই তাই ছলে গেছে।
মিনহাজুর রহমানের : মন খারাপ করে বলে আমার ছেলেটা যদি তাকত? তাহলে কত ভাল হত..
শারমিন: আমার ছেলে নদীর জলেন মত তাই সে অল্প সময়ে ছলে গেছে।
মিনহাজুর রহমানের : আল্লাহর উপর ভরস কর কান্নাকাটি কর না । আমার ছেলে যদি বেঁচে তাকে তবে আল্লাহ আমার ছেলে কে আমার খুলে পিরিয়ে দিবে।
শারমিন: আমার বিশ্বাস আমার ছেলে এখন বেচেঁ ও যেখানে আছে খুব ভাল আছে এবং সে আমার সপ্নের ন্যায় একজন বড় মওলানা হবে।
মিনহাজুর রহমানের : তাই যেন হয় (আমিন)।
৪.
মি২১ ইসলামীয়া ও হাফেজীয়া ট্রাস্ট এর ৩৪তম ব্যাচের বিদায়। বিদায় অনুষ্টানে সকিব ট্রাস্ট ১ম স্থানের মর্য়াদা লাভ করে।
সাকিব ও তার বন্ধুরা এক এক করে সকলে শিক্ষক থেকে বিদায় নিলিন। কিন্তু সাকিব তার এতিমখানা প্রধান শিক্ষক মওলানা শোয়েব এর কাছে আসলেন।
সাকিব: হুজুর চলে যাচ্ছি।
মওলানা শোয়েব: দুই এক দিন বাড়িতে থেকে তারপর যাও।
সাকিব: না হুজুর আগামি কাল জুমার নামাজ পড়াতে হবে।
মওলানা শোয়েব: সবাই পড়ালেখা শেষে বাড়ি যাচ্ছে কেউত চাকরি করতে যাচ্ছেনা।
সাকিব: আমিত সবার মত নই হুজুর, হয়ত বা একদিন আল্লাহতালা সকলের চেয়ে উত্তম করে বেন।
মওলানা শোয়েব: শুনেছি তোমার আর উন্নত চাকরি হয়েছে তা নাকরে মসজিদ এর খতিব হিসাবে কাজ করতে যাচ্ছ কেন।
সাকিব: হুজুর আপনিত আমাদের সব সময় নসিহত করতেন, আমাদের জীবন টা যেন দ্বীন ইসলাম এর জন্য উৎর্সগ করি। তাই আমি আল্লাহর রাসূলে দেখানো রাস্তাই কাজ করে আমার জীবন কাটাতে চায়।
মওলানা শোয়েব: আল্লাহ তোমার আশা কবুল করুক ( আমিন )।
হুজুরের দোয়া নিযে সাকিব তার কর্ম স্থলে ছলে গেলেন।
৫.
মিনহাজুর রহমান: ফরহাদ সাহেব নতুন ইমামত আসল। ইমাম সাহেব কেমন?
ফরহাদ: অত্যন্ত ভাল। আর আপনিত গত সাপ্তাহে ছিলে না এত সুন্দর তাফসীর করল যে দু’ই চোখ তার দিক থেকে পিরানো য়াই না।
মিনহাজুর রহমান: আল-হম দুলি-ল্লাহ। চল নামাজ পড়ে ইমাম সাহেব এর সাথে একটু গল্প করি।
কিন্তু ইমাম সাহেব দেঁখার পর তার মন আন্দে কেঁদে উঠল। ইমাম সাহেব এর চেহেরা শারিরীক ঘটন অনেক টা তার মতন । এখন থেকে প্রতি ওয়াক্ত নামাজ এর দেরি করে বাড়ি পিরে। আজ জুমা বার মসজিদে গেল সবার আগে কিন্তু অনেক দেরি করে বাড়িতে এল।
শারমিন: কি হল তোমার প্রতি দিন দেরি করে বাড়ি আস।
মিনহাজুর রহমান: ও তোমাকে ত বলা হয়নি। আমাদের মসজিদে নতুন ইমাম নিয়োগ দেওয়া হয়েছে গত মাসে তার তাফসীর এত সুন্দর শেষ হবার পর ও শুনতে ইচ্ছা করে। তাছাড়া মাজার ব্যপারকি জান তাকে দেখে মনে হয় আমাদের হারিয়ে যাওয়া সন্তান।
শারমিন: সুবাহা-ল্লাহ. ইমাম সাহেব কে একদিন দাওয়াত দিন।
মিনহাজুর রহমান: ঠিক আছে আগামি কাল ইমাম সহেব কে নিয়ে আসব। তুমি সব কিছু টিক করে রাখবে ।
শারমিন: ঠিক আছে।
৬.
মিনহাজুর রহমান: শুন দুপুরে ইমাম সাহেব আসবে।
শারমিন : চিন্তা করতে হবেনা সব কিছু ঠিক করে রাখব।
মিনহাজুর রহমান জুহুরের নামাজ পড়ে ইমাম সাহেব কে সাথে নিয়ে বাসর দিকে রওনা হলেন।বাসার মুল গেইটে এসে ইমাম সাহেব চমকে উঠলেন ।
মিনহাজুর রহমান: কি হল ইমাম সাহেব?
সাকিব: এত বড় বাড়ি কিন্তু কেউ নেই।
মিনহাজুর রহমান: আমার তিনটি মেয়ে তাদের বিয়ে হয়ে গেছে আর আমার ছেলে কে ছোট তাকতে হারিয়ে গেছে মেয়ে রা আসলে একটু কোলা হল তাকে বাকি সময় নিজাম থাকে যেন ভূতের বাড়ি। এখন আমি আর আমার স্থী ছাড়া বাড়িতে কেউ নেই।
বাড়ির বিতরে পৌছে মিনহাজুর রহমান খাবার তৈরি করে দিতে বলে।
শারমিন: খাবার তৈরি করে রেখেছি ডাইনিং ঠেবিলে।
ইমাম সাহেব ও মিনহাজুর রহমান খাদ্য গ্রহন এর সময় পর্দা র পাকা জায়গা দিয়ে শামরিন তাদের দেখে আর চোখের পানি পেলে। খাবার শেষে মিনহাজুর রহমান বিতরে গেলেন।
মিনহাজুর রহমান: তুমি কান্না করছ কেন।
শারমিন: আমার মিনর এর কথা মনে পড়েছে তাই আর শুন ইমাম সাহেবরত এখন কোন কাজ নেই আসরের সময় নাস্তা করে যেতে বল ।
মিনহাজুর রহমান: ঠক আছে। এরপর
মিনহাজুর রহমান: ইমাম সহেব আসরের সময় নাস্তা করে একসাথে যান।
ইমাম সাহেব কে অনেক কষ্ঠে রাজি করা লেন।
আসরের সময়,
মিনহাজুর রহমান: ইমাম সহেব নাস্তা নিয়ে এসেছি। মুখ হাত দুয়ে নাস্তটা সেরে পেলুন।
সাকিব: ঠিক আছে।
মিনহাজুর রহমান: ইমাম সাহেব সকলেত বাড়ি যাই আপনাকে ত কোন দিন বাড়ি যেতে দেখিনি।
সাকিব: মন খারাপ করে বলে , বাড়ি ঘর আন্তিয় স্বজন বলতে আমার কেউ নেই। এতিমখানা বড় হয়েছি। এতিমখানা প্রধান শিক্ষক আমাকে খুব ভালবাত এমনকি তার একমাত্র মেয়ে কে আমার সাথে বিয়ে দিবে বলে টিক করেছে কিন্ত আমি বলেছি আমি নিজে পায়ে দাড়িয়ে তারপর বিয়ে করব। সই জন্য আমর চকরিতে যোগদান।
মিনহাজুর রহমান: যদি কিছু মনে না করেন তাহলে একটু বলবেন কেন আপনি একা।
সাকিব: ছোট বেলায় শহরে শিশু পার্ক দেখতে যাচ্ছিলাম মা-বাবার সাথে কিন্তু পথে গাড়ি খাদে পড়ে যাই কিছু মানুষ নিহত হয়্
মিনহাজুর রহমান: আচ্ছা বলত দূর্ঘটনা টা কোন জায়গাই হয়েছে।
সাকিব: লিং রোড়ে।
মিনহাজুর রহমান: তোমার হুজুর থেকে একটু জেনে নিতে পারবা তখন তোমার পরনে কি ছিল।
সাকিব: জেনে নিতে হবে না তা আমার মনে আছে। তখন আমার পরনে ছিল একটি নীল রং এর সার্ট আর ধূসর রং এর প্যেন্ট।
মিনহাজুর রহমান: আল্লাহ-ওয়াক-বর. শারমিন তাড়াতাড়ি এদিকে আস দেখ কে এসেছে আমাদের হারিয়ে যাওয়া সন্তান আমাদের বুকে পিরে এসেছে তাড়াতাড়ি আল্লাহর কাছে শুকুরিয়া আদায় কর আর নফল নামজ পড়।
মিনহাজুর রহমান ও শারমিন তার সন্তান মিনর কে বুকে নিয়ে বাবা সেই দিন তোকে সাথে নিয়ে আমি আর তোর মা শিশু পার্কে যাচ্ছিলাম পথি মধ্যে লিং রোড়ে দূর্ঘটনা আমি তোর মা কে হাসপাতালে খুজে পাই আর তুকে অনেক খুজার পর ও পাই নি ।
সাকিব: বাবা-মা আমি তোমাদের অনেক খুজেছি কিন্তু পাই নি আল্লাহর কাছে সব সময় দোয়া করতাম যাতে আমার মা-বাবা কে পিরে পাই আল্লাহর কাছে শত শুকুরি আজ আমার মা-বাবা কে পিরে পেয়েছি।
এবাবে তোমার বাবাকে আমি আবার আমার বুকে পিরে পাই আল্লাহর অসেস রহমতে। দাদু চল মসজিদে যাই নামাজ এর সময় হয়েছে।
এট একটি কাল্পনিক গল্প এর কোন ঘটনার সাথে কোন ব্যক্তির মিল নেই।
2 টি মন্তব্য
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।
দিগ্বিজয়ী
rover anis